জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-৪৭
বই কালেকশন

Buy জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-৪৭ Online in Bangladesh

লেখক: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

4.57
(8 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  • Publisher: সংহতি প্রকাশন
  • Isbn: 9789848882863
  • Number Of Pages: 824
  • Language: বাংলা
  • Edition: ২য় সংস্করণ, ২০১৬
৳ 899৳ 100010% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-৪৭" বইয়ের পিছনের কভারের লেখা: উনিশ শ’ পাচ সালের প্রথম বঙ্গভঙ্গ থেকে শুরু করে উনিশ শ' সাতচল্লিশ সালের দ্বিতীয় বঙ্গভঙ্গ পর্যন্ত সময়টুকু নিয়ে রচিত জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি গ্রন্থটি প্রচলিত অর্থে ঘটনার বর্ণনা নয়, বরং ঘটনার তাৎপর্য। অনুসন্ধানের বিশিষ্টতায় অনন্য। বাঙালীর জাতীয়তাবাদের বিকাশটি ঘটেছিল এই সময়টুকুর মধ্যে, বিশেষ করে প্রথমবারের বঙ্গভঙ্গের প্রতিরােধ যে তীব্র দেশাত্মবােধের আর আত্মােপলব্ধির সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছিল, তারই হাত ধরে। অন্যদিকে ওই বঙ্গভঙ্গের মধ্য দিয়েই বাংলায় আধুনিক সাম্প্রদায়িকতা বিস্তারের ইতিহাসটিরও শুরু। এই হাত ধরাধরি করে চলা জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির আধিপত্যের মাঝেই মানুষের মুক্তির প্রশ্নটি কিভাবে আটকা পড়লাে পরিচয়ের রাজনীতির আড়ালে, কিভাবে তাদের শ্রমিক বা কষক পরিচয়কে ভুলিয়ে ভারতীয় বা পাকিস্তানী, হিন্দু বা মুসলিম পরিচয়কেই সামনে টেনে এনে প্রধান পরিচয় বানিয়ে দেয়া হয়েছিল, সেটাও বর্তমান গ্রন্থের অন্যতম উপজীব্য। জাতীয়তা ও সাম্প্রদায়িকতা উভয়ের উত্থানের ওই সময়টুকুতে সমাজের সক্রিয় অংশগুলাের মনস্তত্ত্ব ও আকাঙ্ক্ষাকে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন একদিকে তাদের ক্রিয়াকাণ্ড, অন্যদিকে সমকালীন সাহিত্যের সাক্ষ্যসহ নানান উপাদান ব্যবহার করে। এক একটা যুগ এবং তাতে ভূমিকা রাখা সামাজিক গােষ্ঠীগুলাের মনােভাবকে। উপলব্ধির জন্য সাহিত্যিক নিদর্শনগুলাের এত গভীর ও বিপুল ব্যবহার সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর আগে খুব কমই হয়েছে বাংলা ভাষায়। ১৯০৫-৪৭ কালপর্বের ঘটনাবলীর বীজ অনুসন্ধানের প্রয়ােজনে সিরাজুল ইসলাম। - চৌধুরী যেমন অনায়াসে বিচরণ করেছেন এর আগেকার উনিশ শতকের কীর্তিমানদের তৎপরতায়, তেমনি এই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ফলাফলকেই কখনাে কখনাে চিহ্নিত করেছেন আমাদের চারপাশের বাস্তবতায়। জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি রচিত হয়েছে প্রায় দশ বছর ধরে; বাংলাদেশের ইতিহাস বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু পাঠকেরা, রাজনীতির বাঁকগুলাে নিয়ে উৎসুক ব্যক্তিরা, এবং অতি অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সমঝদার বহুকাল ধরে এই আকর গ্রন্থটির কাছে আসতে বাধ্য হবেন।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.57
(8 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
mahbubul islam
mahbubul islam ভেরিফাইড
13 Mar 2024

যারা সঠিক ইতিহাস জানতে চান তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য একটা বই।

Sarwar Murshid Ahmed
Sarwar Murshid Ahmed ভেরিফাইড
27 Jun 2022

Great book

Mahmud Tonmoy
Mahmud Tonmoy ভেরিফাইড
10 Mar 2021

নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে লেখা এই বই পাঠকের জ্ঞানের খোরাক যোগাবে তার পাশাপাশি পাঠক জানতে পারবে ভারত ভাগের জম্য দায়ী কি উগ্র জাতীয়তাবাদ নাকি সাম্প্রদায়িকতা

Bayazid Bahalul
Bayazid Bahalul ভেরিফাইড
29 Dec 2020

একটি অসাধারণ ইতিহাসের বই।

Shadin Pranto
Shadin Pranto ভেরিফাইড
05 Oct 2019

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর ৮১৫ পাতার মহাকাব্যিক কলেবরের এই বইটি লিখেছেন ধীরেসুস্থে। সময় নিয়েছেন ১০ বছর।যে বইটি দশ দশটি বসন্ত ব্যয় করে লেখা, সেই বইটি চটপট শেষ করে ফেলা ঠিক হবে না বলে বোধ হল।আমিও বইটি পড়েছি আস্তে আস্তে।এক বসন্ত পার করতে পারিনি।সময় লেগেছে ছয়মাস। ১৯০৫ থেকে ১৯৪৭ - বঙ্গভঙ্গ থেকে ভারতভাগ। ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক অতিগুরুত্বপূর্ণ সময়ের ক্যানভাসকে বৃহৎ আঙ্গিকে ধারণ করেছে এই বই। কেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ১৯০৫ সালকে বেছে নিয়েছেন? কারণ এই বছরেই বঙ্গভঙ্গ করা হয়। আর তাতে বেশিরভাগ বাঙালি হিন্দু ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করে।সেই বাঙালি হিন্দুই ১৯৪৭ সালে প্রবল বেগে বাংলা ভাগ চেয়েছে। কিন্তু কেন? ১৮৮৫ সালে ইংরেজ কর্মকর্তা হিউম মুম্বাইতে প্রতিষ্ঠা করেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। তিনি দুইযুগের বেশি এই দলের কর্মব্যাক্তি ছিলেন। ইংরেজ মূলত এই দল গঠনকে প্রথমদিকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে যাতে ভারতবর্ষে আরেকটি ১৮৫৭ সালের উদ্ভব না হয়। কিন্তু কীভাবে কালের বিবর্তনে দলটি ইংরেজ শাসনের বিরোধীতে পরিণত হয়? ১৯০৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম লীগ। দলটির কোনো নেতাকে কস্মিনকালেও জেল ভ্রমণে যেতে হয়নি। অথচ পাকিস্তান দাবি অর্জন করে ফেললেন। কীভাবে? মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। যিনি "বাপুজি" কিংবা মহাত্মা গান্ধী বলে খ্যাত হলেন। বারবার ইংরেজবিরোধী আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নিলে বারবার তিনি আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন। অস্পৃশ্যদের স্বীকৃতির জন্য লড়েছেন। অথচ বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তাকে কোনোকালেই আশ্রয় দেননি মনে। ইংরেজ সইবেন অথচ বামপন্থী সইতে পারবেন না। সুভাষকে বিতাড়িত করেছিলেন তিনি। আবার দেশভাগ রোধ করতে গিয়ে দেখলেন তার দুই শিষ্য বল্লভভাই প্যাটেল আর নেহেরু আর গান্ধীর সাথে নেই। দেশভাগ হলে সংখ্যালঘু মুসলমান রক্ষায় অনশন করতে গিয়ে উগ্রবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের হাতে প্রাণ হারালেন। আজীবন সাদামাটা জীবনযাপন করেছেন কিন্তু তবুও ছিলেন জাতীয়তাবাদী বটে মুক্তিকামী নন।কেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর এই দাবি? সরোজিনী নাইডুর "হিন্দু-মুসলমান ঐক্যদূত" জিন্নাহ কেন জাতীয়তাবাদী থেকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করলেন? ১৯২৯ সালে জিন্নার ১৪ দফা দাবি কংগ্রেস মেনে নিলে তিনি কী মুসলিম লীগের পান্ডা হতেন? যিনি কোনোকালে ধর্মকর্ম মানেন নি, তিনি কীভাবে ইসলামী রাষ্ট্রের জাতির জনক হলেন? নেহেরুর নেতৃত্বেই সর্বপ্রথম কংগ্রেস স্বাধীনতার দাবি তোলে। নেহেরু নিজে বাম মতাদর্শকে গ্রহণ করেছিলেন তা নয়। কিন্তু ভালোবাসতেন। তবুও কেন সেই জাতীয়তাবাদীই রয়ে গেলেন? কেন সুভাষ বসু কংগ্রেসে টিকতে পারলেন না? কেনই বা আজাদ-হিন্দ ফৌজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার কথা বলেছিলেন নেহেরু? বাংলা ভাগ কেন রোধ করতে পারেন নি বাঙালি নেতৃত্ব? কাদের ভুলে কলকাতা, আসামের বৃহৎ অংশ পূর্ববঙ্গের হাতছাড়া হল? পূর্ববঙ্গ আর পাঞ্জাবের কলঙ্কিত দাঙ্গার প্রকৃত দায় কাদের? বারবার সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেস,লীগ নেতৃত্ব ছিল চূড়ান্ত পুঁজিপতি। জাতীয়তাবাদের ধোঁয়া তুলে কংগ্রেস বিভ্রান্ত করেছে সবাইকে। এগিয়ে গেছে ক্ষমতার পিছু পিছু। লীগ ধর্মের ভিত্তিতে উদ্ভট এক তত্ত্ব দিয়েছে। অথচ সেই তত্ত্বে মোহের খেসারত দিয়েছে ভারতবর্ষের মুসলমানদের। কেন তারা এই মোহে পড়েছে? কারা জনগণকে মুক্তিকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে? এই উপমহাদেশে বাম রাজনীতি কোনোদিন দাঁড়াতে পারেনি।অথচ জনমুক্তির রাস্তা দেখাতে পারত, সাম্যের স্বপ্ন দেখাতে পারত কমিউনিস্ট পার্টি। অথচ তারা দেশভাগের মতো অস্থির সময়টিতে কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকাই রাখতে পারেন নি। দায় শুধু কী ব্রিটিশ সরকারের? সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর বইটি পড়তে গিয়ে বারবার আটকে গেছি। এতো তথ্যের ভিড়ে পাঠক হিসেবে আমার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়েছে। তবুও নতুন করে ভাবতে শুরু করেছি দেশভাগ নিয়ে, পরমপূজ্য নেতৃবৃন্দের স্মরণীয় কর্মকান্ডের বিশ্লেষণী রূপ আমাকে বাজারে প্রচলিত মতের বাইরে যেতে সাহায্য করেছে।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)