

Buy ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রা.) জীবন ও কর্ম Online in Bangladesh
লেখক: আকরাম হোসাইন
- Publisher: সমকালীন প্রকাশন
- Number Of Pages: 176
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দেবার এক নিরন্তর অভিযান, এক অদম্য জীবনের গল্প। কখনো কেবল একটি হাদিসের জন্য তারা ছুটে গিয়েছেন এক দেশ থেকে অন্য দেশে, কখনো-বা রাতের পর রাত কাটিয়ে দিয়েছেন কোনো একটি আয়াতের নিগূঢ় অর্থ উদ্ভাবনে। তারা ছিলেন প্রাণবন্ত। সদা উৎফুল্ল। তাদের রাতগুলো ছিল ইবাদতময়। দিনগুলো কর্মমুখর। কুরআনের সাথে তাদের যেন গভীর এক মিতালি। নিঃসন্দেহে তারা সুন্নাহর অতন্দ্র প্রহরী। সত্যের এক প্রকৃত বন্ধু। মিথ্যার ঘোরতম শত্রু। তারা আমাদের মহান ইমাম। আমাদের পূর্বসূরি। সেই মানুষগুলো, যারা আলোকিত করে গেছেন আঁধারকালো পথ; দেখিয়েছেন সহজ-সরল পন্থা। আমাদের জন্য জ্ঞানরাজ্যের সকল দ্বার উন্মুক্ত করে যাওয়া সেই মহান মানুষগুলোর জীবনী আমরা মলাটবদ্ধ করেছি ‘ইমাম সিরিজ’-এ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
. . আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রা.) জীবন ও কর্ম : এক বিদগ্ধ মনীষীর কীর্তিময় জীবনের দ্যুতিময় স্মরণালেখ্য। . . ইসলামের ঊষালগ্নে⸺একদল দক্ষ, যোগ্য ও বরেণ্য আলিম দ্বারা গোটা পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়ে⸺ঐশী আলোর অপরূপ সৌন্দর্য শোভা। তাদের ঈর্ষণীয় জ্ঞান-গবেষণায় বিমূর্ত হয়ে ফুটে ওঠে দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা ও বিশুদ্ধ চিন্তাধারা। তারা স্রষ্টা প্রদত্ত বিধান ও বিশুদ্ধ আকিদা, মানহাজ প্রচার করেন অতি নিখুঁত নিপুণতায়। উম্মাহের কল্যাণার্থে ইমামগণ সর্বদা বিলিয়ে দিয়েছে নিজেদের সর্বস্ব। শিরক, বিদআত ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তারা ছিল অলঙ্ঘ্য প্রাচীররূপে। অনুপম আদর্শের উজ্জ্বল বাতিঘর হয়ে তারা আলোয় আলোয় ভরিয়ে তোলেন সমগ্র মুসলিম জাহান। জ্ঞানের সকল শাখা-প্রশাখায় ছিল মহামান্য ইমামগণের অসামান্য অবদান। তাদের প্রখর মেধা, যোগ্যতা ও কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে ইলমের অঙ্গনে বিকশিত হয় এক নতুন দিগন্ত। তাদের শতসহস্র চিরন্তন বাণীতে মিশে আছে⸺সর্বোত্তম সুশিক্ষা ও অনুপ্রেরণার খোরাক। কিন্তু আফসোসের বিষয়, বর্তমান প্রজন্মের কাছে⸺সেই প্রবাদপ্রতিম ইমামগণ অনেকটাই অচেনা বা অপরিচিত। কে ইমামে আজম, আর কে আমিরুল মুমিনিন ফিল হাদিস⸺তাদের অনেকের কাছেই তা অজানা। কারণ তাদের কাছে ইমামদের রেখে যাওয়া শিক্ষাগুলো যথাযথভাবে পৌঁছে না। আমাদের দেশে আলিমদের জীবনচরিত নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা হয় খুব কম। আবার যতটুকু হয়, ততটুকুতেও থাকে অপাঠ্য, ভুলে ভরা গল্প-কল্পের আধিক্য। যেগুলোর পাঠ মানুষের চিন্তা-মননে খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। এরূপ বাস্তবতার নিরিখে, সমকালীন প্রকাশনের⸺‘ইমাম সিরিজ’ কিছুটা বিরল ব্যতিক্রম। সুপ্রসিদ্ধ ইমামগণের জীবনী সেখানে তথ্য ও তত্ত্বের আলোকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যার অনবদ্য সংকলনের ষষ্ঠ গ্রন্থনা⸺‘আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রা.) জীবন ও কর্ম’ বইটি। যেখানে ৬৩ বছরের এক ক্ষণজন্মা ইমামের জীবনাদর্শকে তুলে ধরা হয়েছে একটু ভিন্ন ধাঁচে, অভিনব আঙ্গিকে। ইবনুল মুবারকের এক হাতে ছিল কলম আর অন্য হাতে তলোয়ার। একদিকে যেমন কলমের শানিত আঁচড়ে ইলমের বাগানে সুরভি ছড়াতেন, অন্যদিকে ঢাল-তলোয়ারের ঝংকারে⸺কাঁপিয়ে তুলতেন শত্রুশিবির। ◈ পাঠ পর্যালোচনা : সুদীর্ঘ ২০ টি অনুচ্ছেদে সাজানো⸺১৭৬ পৃষ্ঠার বইটি যেন এক বিশাল স্মৃতির কোলাজ। যেখানে মধুময় শব্দে শব্দে চিত্রিত হয়েছে⸺জগদ্বিখ্যাত তারকা পুরুষ আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহর স্বর্ণোজ্জ্বল জীবনের এক রঙিন প্রতিচ্ছবি। বর্ণে বর্ণে প্রস্ফুটিত হয়েছে তার সুবর্ণ শৈশব, স্মৃতিময় শিক্ষাজীবন, প্রখর জ্ঞানসাধনা ও কর্মমুখরতার বিচিত্র সব অধ্যায়। প্রকাশক, সম্পাদক ও সংকলকের ভূমিকা শেষে বইটিতে অতি সংক্ষেপে আলোচিত হয়েছে⸺তদানীন্তন খলিফাদের পরিচিত, কার্যকাল এবং রাজনৈতিক, সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপট। মধ্য এশিয়ার মরুদ্যান খ্যাত⸺খোরাসানের মার্ভ শহরে জন্ম নেওয়া এই মনীষীর শৈশব থেকেই পরিলক্ষিত হয়, অপূর্ব প্রতিভা ও বিস্ময়কর স্মৃতিশক্তির ঝলক। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, মক্তবের গণ্ডি পেরুতে না পেরুতেই জীবনের গতিপথ হারিয়ে ঘটে, নিদারুণ ছন্দপতন। কৈশোরের উত্তাল দিনগুলোতে⸺সঙ্গদোষে জড়িয়ে যান বিভিন্ন দুনিয়াবি কাজে। সেখান থেকে তিনি যেভাবে ফিরে আসেন, তা ছিল আল্লাহ প্রদত্ত হেদায়াতের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। পুরো ঘটনা জানতে হলে, পাঠককে অবশ্যই চোখ রাখতে হবে বইয়ের পাতায়। সেই সৌভাগ্যস্নাত প্রত্যাবর্তনের পর ইবনুল মুবারকের বাকি জীবনটা ছিল শুধুই অর্জন-বিসর্জনের গল্প। জ্ঞানের গহিন সরোবরে নিরন্তর অবগাহন করে তুলে এনেছেন অজস্র মহামূল্যবান মণিমাণিক্য। ইলম অন্বেষণে অবিরাম উট হাঁকিয়ে পাড়ি দিয়েছেন আগুনঝরা মরুপথ, দুর্গম পাহাড় ও বিপদ-সংকুল বনাঞ্চল। চষে বেড়িয়েছেন মিশর, শাম, ইয়ামান, কুফা ও বাসরাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষায়তন। পেয়েছেন সমকালীন শ্রেষ্ঠ আলিমগণের সান্নিধ্য। শুধু মাত্র হাদিস শেখার জন্য তিনি প্রায় চার হাজার মুহাদ্দিসের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। তন্মধ্যে ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহর নাম অগ্রগণ্য। ইবনুল মুবারক ফিকহ শাস্ত্রে যে গভীর জ্ঞান ও অগাধ পাণ্ডিত্য লাভ করেছিলেন, তার পুরোটাই পেয়েছেন ইমামে আজমের কাছ থেকে। পাঠকের সুবিধার্তে বইটিতে কয়েকটি মাসআলা-মাসায়েল উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোতে তিনি আবু হানিফার মতানুসারে ফাতওয়া দিয়েছেন। এ বিষয়টি আমার কাছে খুবই উপকারী মনে হয়েছে। কারণ এতেকরে পাঠকগণ কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারবে, হাফিযে হাদিসের জ্ঞানের গভীরতা ও চিন্তার প্রশস্ততা। আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ নিভৃত অধ্যয়নে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। দীর্ঘক্ষণ যাবৎ বদ্ধ কুটিরে নিমগ্ন-নিমজ্জিত থাকতেন জ্ঞানচর্চায়। প্রবল স্মৃতিশক্তির অধিকারী হওয়া স্বত্বেও মুখের কথার চেয়ে⸺কলমের কালিকে বেশি ভরসা করতেন। হাদিস গ্রহণের ক্ষেত্রে তার নীতি ছিল অত্যন্ত কঠোর, স্বচ্ছ ও সতর্ক। সনদের ব্যাপারে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করতেন। এক্ষেত্রে তার স্বগোক্তি হলো- 'যারা সনদ না জেনে হাদিস শোনে, তাদের অবস্থা ঠিক ওই ব্যক্তির মতো, যে মই ছাড়া ছাদে ওঠার চেষ্টা করে।' [পৃষ্ঠা: ৬০] কালোত্তীর্ণ উক্তিটি সব সময়ের জন্যই প্রাসঙ্গিক। বর্তমানে মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে⸺অসংখ্য মনগড়া ও ভিত্তিহীন হাদিস। সেগুলো থেকে আমাদেরকে অবশ্যই সচেতন থাকা উচিত। বীর মুজাহিদ ইবনুল মুবারকের জিহাদের প্রতি ছিল সুগভীর আকর্ষণ। নিপীড়িত মানুষদের চিন্তায় তার ভাবুক হৃদয় সদা ব্যতীত হয়ে উঠতো। মুসলিম দেশগুলোর আশঙ্কা-কবলিত সীমান্ত পাহারা দিতে তাকে অহর্নিশি ছুটতে হতো⸺তারাসুস, মাসসিসা, আন্তাকিয়া, হলব ও রোমের ধুলোয় ধূসরিত পথে-প্রান্তরে। তিনি একবছর হজে যেতেন, আরেক বছর জিহাদে অংশ নিতেন। তার স্বরচিত কাব্যমালায় জিহাদি চেতনা, আল্লাহ্ভীরুতা, হিকমাহ ও মানবিকতার ছোঁয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে থাকতো। মুসলিম উম্মাহের প্রতি তার সীমাহীন ভালোবাসার অমলিন স্রোতধারা⸺নিটোল উপাখ্যান হয়ে ফুটে উঠেছে বইটির পাতায় পাতায়। আলিমদের অগ্রপথিক, বিখ্যাত ফকিহ ইবনুল মুবারক একাধারে ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী, বীর সৈনিক, সু-সাহিত্যিক ও যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস। উমাইয়া খিলাফতের বিলুপ্তি আর আব্বাসীয় খিলাফতের উত্থানকাল প্রত্যক্ষ করা এই মহান মনীষীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল⸺সততা, মানবতা, দানশীলতা ও উদারতায় ভরপুর এক মহা সমুদ্দুর। আলোচ্য গ্রন্থটিতে পাঠক কল্পদৃষ্টিতে দেখতে পাবেন⸺একজন বিরল প্রতিভাধর মানুষকে। কখনো তিনি যুদ্ধ চলাকালে ছয় জন্য কাফিরকে বধ করে, নিমিষেই হারিয়ে যাচ্ছেন জনস্রোতে। কখনো আবার হজ যাত্রার সমস্ত পাথেয় বিলিয়ে দিচ্ছেন এক অনাথকে। কখনো আবার একটি বাণীর সত্যায়নের জন্য পারি দিচ্ছেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর পথ। আবার তাকে দেখা যাবে এক মহান দানশীল রূপে⸺মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসছেন। নিজে সাওম থেকে আহার করাচ্ছেন সফর সঙ্গীদের। জনশূন্য ধু-ধু মরুর বুকে ১৮১ হিজরিতে মহান ইমামের জীবন সফরের পরিসমাপ্তি ঘটে। ইহধামের পর কয়েকজন মুমিন বান্দার সাথে স্বপ্নযোগে তিনি নিজের অবস্থা জানান দেন। আমাদের সবারই হয়ত জানা আছে⸺মুমিনদের স্বপ্নও যে, নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ! ◈ কেন পড়বেন এই স্মরণিকা : একটি জীবনী গ্রন্থে যে সব উপাদান থাকতে হয়, মোটামুটি তার সবটুকুই বিদ্যমান⸺‘আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রা.) জীবন ও কর্ম’ বইটিতে। এক মলাটে একজন বিদগ্ধ আলিমের জন্ম, বংশ পরিচয়, শৈশব, কৈশোর ও শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে⸺উঠে এসেছে কথা, কাজ ও বাণী। সেইসাথে আলোচিত হয়েছে ইসলামের প্রচার-প্রসার, শিক্ষা-গবেষণা, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রে অসামান্য অবদানের কথা। এককথায়, সম্পূর্ণ গ্রন্থটিকে বলা যায়⸺একটি আদর্শ মুসলিম জীবনের স্কেচ। ➤ বইটির জ্ঞানগর্ভ আলোচনা থেকে পাঠক জানতে পারবেন যুহদের মৌলিক ধারণা ও ধরণ। দুনিয়াবী কাজকর্ম ঠিক রেখে, কীভাবে দুনিয়াবিমুখ হওয়া যায় তার প্রকৃত রূপরেখা স্পষ্ট হয়ে যাবে ইবনুল মুবারকের জীবনকথা থেকে। ➤ জিহাদের বিনিময়ে একজন মুমিন বান্দা অনায়াসে পৌঁছে যাবেন অনিন্দ্যসুন্দর জান্নাতে। কিন্তু যথোপযুক্ত সময় ও পরিস্থিতিতে যদি কেউ জিহাদে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে তাকে উপভোগ করতে হবে ভয়ানক শাস্তি। আলোচ্য গ্রন্থটিতে জিহাদের গুরুত্ব ও ফজিলত তুলে ধরা হয়েছে। ➤ মুহতারাম লেখক গ্রন্থটিতে হালাল ব্যবসার বিষয়ে কথা বলেছেন। বাস্তব জীবনে কীভাবে ইসলামি অর্থনীতির প্রয়োগ ঘটানো যায় তার ধারণা মিলবে তাতে। জানা যাবে পেশা হিসেবে ব্যবসাকে বেছে নেওয়ার পেছনে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি। আমার দৃষ্টিতে, বইয়ের এই অংশটি সকলের জন্যই অবশ্যপাঠ্য ও ভীষণ উপকারী। দুনিয়াবিমুখ, নির্মোহ ব্যক্তিগণও যে হতে পারে একজন সফল ব্যবসায়ী, তার জীবন্ত উপমা ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ। ➤ বইটি থেকে জানা যাবে কারামত আসলে কী এবং কীভাবে তা প্রকাশিত হয়। কয়েকটি বাস্তব উদাহরণ টেনে লেখক দারুণভাবে ব্যাখ্যা করেছেন বিষয়টি। ➤ একদম শেষ অধ্যায়ে নিভৃতচারী মহান সাধক ইবনুল মুবারকের কিছু ঈমান জাগানিয়া কথামালা উঠে এসেছে। যেগুলো চিন্তাশীল মানুষের চিন্তার খোরাক যোগাবে ইনশাআল্লাহ। মুসলিম উম্মাহের হৃদয়ের আঙিনায় আলোকোজ্জ্বল ধ্রুব তারার মতো⸺আজীবন চিরভাস্বর হয়ে থাকবে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহর নাম। তার বিদগ্ধ চিন্তা-গবেষণা, জ্ঞান ও উপলব্ধির নির্যাস দ্বারা যুগ যুগ ধরে মানুষ উপকৃত হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। ◈ সারকথা : বইটির প্রচ্ছদের প্যাটার্ন খুবই সাদামাটা ধরনের। পৃষ্ঠা বিন্যাস, বানান সজ্জা, ছাপার মান ও বাঁধাই ইত্যাদি সবকিছুই দেখার মতো ছিল। ভাষার শৈল্পিক সৌন্দর্য এবং আকর্ষণীয় উপস্থাপনার জন্য⸺বইটির আলোচনা যথেষ্ট প্রাণবন্ত ও শ্রুতিমধুর লেগেছে আমার কাছে। অথেনটিক রেফারেন্স সমৃদ্ধ বইটি সব শ্রেণীর পাঠকদের জন্যই উপযোগী। সকল মুসলিমের উচিত সত্যের শুভ্রতায় পরীক্ষিত, প্রবাদপ্রতিম ইমামদের জীবনী অধ্যয়নের মাধ্যমে⸺তাদের সাহচর্য লাভ করা। সেজন্য প্রয়োজন ইমাম সিরিজের সবগুলো বই-ই নিবিষ্ট চিত্তে পঠন-পাঠন ও অনুশীলন। প্রযুক্তির ছাঁচে ক্ষয়ে যাওয়া প্রজন্মের উদ্ধারকল্পে⸺‘ইমাম সিরিজ’ এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আমি ভীষণ আশাবাদী। . . মোহাম্মদ সানাউল্লাহ ৩১ জুলাই, ২০২৩ . .

সমকালীন প্রকাশনকে ধন্যবাদ





















