

Buy হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা মুহাম্মাদ কাসেম নানুতবি রহ. জীবন ও কর্ম Online in Bangladesh
লেখক: হজরত মাওলানা ইয়াকুব নানুতবি রহ.
- Author: হজরত মাওলানা ইয়াকুব নানুতবি রহ.
- Publisher: ইত্তিহাদ পাবলিকেশন
- Number Of Pages: 96
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Edition, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
এখন পর্যন্ত হজরত মাওলানা কাসেম নানুতবি রহ.-এর জীবনচরিত নিয়ে যেসব গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং যেগুলো সাধারণত বাজারে বিদ্যমান, এর মধ্যে হজরত মাওলানা ইয়াকুব নানুতবির লিখিত ছোট্ট একটি পুস্তিকা—'হালাতে তায়্যিব মাওলানা মুহাম্মাদ কাসেম'-ও একটি। এটি হালাতে হজরত মাওলানা মুহাম্মাদ কাসেম অথবা তাজকিরায়ে মাওলানা মুহাম্মাদ কাসেম নানুতবি নামে বারবার প্রকাশ পেয়েছে। এটিই মাওলানাকে নিয়ে লিখিত সবচেয়ে প্রাচীন জীবনী বা স্মারক।সংক্ষিপ্ত এই পুস্তিকাটি নিয়মতান্ত্রিক কোনো জীবনী বা তাজকিরা না হলেও এর মধ্যে দুষ্প্রাপ্য তথ্যাবলি ও বৈশিষ্ট্য মাওলানা ইয়াকুব-পরবর্তী সব রচনা থেকে এর মূল্য অনেক ভারী। বলতে গেলে, মাওলানাকে নিয়ে যেসকল কিতাব লেখা হয়েছে, সম্ভবত সেগুলোর মধ্যে তার ছাত্র, ভক্ত ও অনুরক্তদের লেখা জীবনী এত বেশি মর্যাদা পায়নি, যেটুকু মর্যাদা এই ছোট্ট পুস্তিকা পেয়েছে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

good
বই আলাপ—০২ "মাওলানা কাসেম নানুতবি রহ. জীবন কর্ম" বইটির মূল নাম— "হালাতে তায়্যিব" বাংলায় এর পদবচন "কাসেম নানুতবি রহ. জীবন ও কর্ম "। বই আলাপে আমি কাসেম নানুতবি রহ কে হুজুর বলে সম্মোধন করছি! বইটা মূলত একটি স্মারকগ্রন্থ। আত্মজীবনী তো নয়। যেহেতু হুজুর নিজে আমাদের জন্য রচনা করে যাননি। হুজুরকে জানার এই একটা মাধ্যম তা হচ্ছে স্মারকগ্রন্থের আশ্রয় নেয়া। হুজুর ছিলেন খুবই বিনয়ী, নিরহংকারী একজন আবেদ, জাহেদ, আমলগুজার একজন মানুষ। যা উনার বইয়ের ঘটনা থেকে জানা যায়। এবং আমাদের লোকমুখে শোনে আসছি বা আমাদের হুজুররাও বলতেন "তিনি ছাত্রদের ট্রাংক বহন করে নিয়ে দেওবন্দ মাদরাসায় নিয়ে আসতেন "। আপনা নিয়ে বা নিজের জীবনের কথা, বর্ণিত জীবনের ঘটনা বলে মানুষের সামনে আসতেও পছন্দ করতেন না। সবসময় লোকচক্ষুর আড়ালেই তিনি থাকতেন। তাই, বোধহয় নিজের জীবনের কথাগুলো নিজে লিখে যাননি! যেই বইটা নিয়ে কথা বলছি। বইটা যদিও স্মারকগ্রন্থ। কিন্তু তার সমমানের আরও দু'চারটা বই এই বইয়ের কাছাকাছি বোধহয় যেতে পারবে না। তার কারণ, বইটার রচয়িতা হুজুরের সহপাঠী, বন্ধু, ভায়রাভাই, এবং ছাত্রও বলা যেতে পারে। লেখক হুজুরের কাছে নীচের দিকের বা উপরের দিকের কিতাবও পড়েছিলেন! এতো কাছের, এতো কাছ থেকে হুজুরকে খুব কম মানুষই দেখেছেন। শুনেছেন। পাশে থেকে কাটিয়েছেন জীবনের প্রায় অংশ! তো বইটা আত্মজীবনীর কাছাকাছি ধরাও যেতে পারে! আকাবির আসলাফদের জীবনী পাঠ করা কতটা মুফিদ (উপকারী) সেই কথা না বললেই না। আমরা আমাদের আকাবিরদের জীবন নিয়ে জানি না। না জানার কারণে অনেক সময় আমরা হতাশা ও হীনমন্যতায় ভুগি। আমাদের আকাবির আসলাফরা কিভাবে জীবন কাটিয়েছেন। কীভাবে বিপদ-আপদ মোকাবেলা করেছেন। তার কিছুই জানি না। বিন্দুমাত্রও জানি না। পুরো জীবন এই বইয়ে চলে আসছে। কিভাবে তিনি জীবনকে সমৃদ্ধ করেছেন। এবং আয়-রোজগার কিভাবে করেছেন। ইলমের প্রতি হুজুরের টান, ইলম ও আমলের প্রতি একাগ্রতা, যুহদ ফিদ দুনয়া, মেহমানদারি করানো। হুজুরের কোনো কিছুতেই পিছিয়ে ছিলেন না। সবসময়ই সবার আগে থাকতেন। তা খেলাধুলা হোক বা পড়াশোনা সবসময় তিনি ফার্স্ট হতেন। প্রত্যেকটা বিষয় আলাদা আলাদা করে বলতে হবে। আমাদের আকাবিররা যেমন কলম হাতে ইলমের ময়দান ও বাতিলের বিরুদ্ধে লড়েছেন। তেমনি তলোয়ার হাতে সন্মুখ শত্রুর সঙ্গেও লড়েছেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তলোয়ার হাতে সামনে গিয়েছেন বুক চিতিয়ে, কলম হাতে লিখেছেন ন্যায়ের কথা। বুখারি শরিফের শেষ তিন পারা টিকা সহ আরও অনেক কিতাবের কাজ করেছেন। তেমনি খৃষ্টবাদের বিপক্ষে লড়েছেন বয়ান, বাহাছের মাধ্যমে। একসময় তাও লিপিবদ্ধ হয়েছে। এবং হুজুরের সর্বশ্রেষ্ট গ্রন্থ "হুজ্জাতুল ইসলাম"। এক পাদ্রী বলেন— "বয়ান এতই সুক্ষ্ম যে তার উপর ঈমান আনা য়ায়"। হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী রহ. বলেন " এমন লোক সাধারণত আগের যুগে জন্ম নিতেন। বিশ্বে এমন লোক সাধারণত দেখা যায় না। — আহমদ রাব্বী
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
koto page
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৯৬। ধন্যবাদ।
koto page
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৯৬। ধন্যবাদ।





















