

Buy গিলগামেশ মহাকাব্য Online in Bangladesh
লেখক: পেঙ্গুইন গ্রুপ
- Author: পেঙ্গুইন গ্রুপ
- Publisher: দিব্যপ্রকাশ
- Isbn: 9789849167341
- Number Of Pages: 112
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"গোয়েন্দা কাহিনি : গিলগামেশ মহাকাব্য" বইটির সম্পর্কে কিছু কথা: গ্রিক অথবা সেল্তিক পুরাণের নায়কদের থেকেও অনেক প্রাচীন, তবে কেবল রূপকথা আর লােকগাঁথায় সীমিত নয় গিলগামেশের বিচরণ । গিলগামেশ নিশ্চিতভাবেই একজন ঐতিহাসিক রাজন—খ্রিস্টপূর্ব প্রায় সাতাশ শতকের দিকে তার রাজ্য ছিল সুমেরীয় নগরী “উরুক”, যার নিদর্শন এখনও বিরাজিত ওয়ার্কার (দক্ষিণ ইরাকের শহর) শহরতলিতে। গিলগামেশ ছিলেন বীর যােদ্ধা, মহাজ্ঞানী এবং ন্যায়পরায়ণ। তিনি ছিলেন নির্মাতা প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, ছয় মাইলসর্ঘ নগরীর ঘের-প্রাচীর গিলগামেশের অসাধারণ কীর্তি। মৃত্যুপরবর্তী গিলগামেশ পল্লবিত হন পুরাণে ও প্রবচনে ।। রচিত হয়েছিলাে বিচ্ছিন্ন বহুতর কাহিনী ও কিংবদন্তি । আসিরীয় সমাট আসুরবানিপালের বিশাল গ্রন্থাগারের ভগ্নাবশেষে অবশেষে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে আবিষ্কৃত হয় বিভিন্ন গিলগামেশ-সংগ্রহ। আক্কাদীয় হরফে লিখিত গিলগামেশের ইতিকথা গ্রথিত হয়েছে একাদশ মৃত্তিকা ফলকে। আর কিছু বিচ্ছিন্ন অংশ আছে দ্বাদশতম ফলকে। সিন-লেকি-উন্নিনি’র নাম লেখা আছে সংগ্রাহক হিসাবে । অসিরীয় সাম্রাজ্য ও রাজধানী নিনেভা খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সালে পারস্য দেশীয় আক্রমণে ধ্বংস হয়; ধারণা করা হয় যে উন্নিনি’র সম্পাদিত সমগ্র সংগ্রহ এর পূর্বে অবশ্যই ফলকে গ্রথিত হয়েছিল। গিলগামেশ শুধুই প্রত্নতাত্ত্বিক অথবা পৌরাণিক পুরুষ হিসেবেই মুখ্য নন। শেষ বিচারে গিলগামেশ একজন নশ্বর মানুষ বৈ আর কিছু নন। প্রাজ্ঞ মহামহিম নাধিপতি। অথচ সাধারণ নরের মতােই অনব্যয় । অবিনশ্বর জীবনের আকুতির সাথে এক শক্তিমান নশ্বর মানুষের অবশেষ বােঝাপড়াই গিলগামেশ মহাকাব্যের মূল উপজীব্য।।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
সরাসরিই অনুবাদ বইটি। এক্ষেত্রে অনুবাদক কি মেঘনাদ বধ কাব্যকে অনুসরণ করেছেন না রবীন্দ্রনাথের দেবতার গ্রাস বা হিংটিং ছটের মত কবিতা গুলোর বর্ণনা ভঙ্গির অনুসরণ করেছেন? বইটি সম্পূর্ণ সাধু ভাষায় মাইকেলীয় ধারায় লিখতে পারলে বাংলাভাষায় বইটির গাম্ভীর্য আরও বাড়তো।পৃষ্ঠা সংখ্যার তুলনায় মূল্য কিঞ্চিৎ অধিকই মনে হোল। বইয়ের বিষয়বস্তু বুঝতে চাইলে বেশ ক'বার বইটি মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে।।

ভাল!
এই সুন্দর পৃথিবীতে সবাই যেমন চিরদিন বেঁচে থাকতে চায় তেমনি সবাই চায় তাঁর প্রিয় মানুষ গুলোও বেঁচে থাকুক চিরদিন কেননা আশেপাশের প্রিয় মানুষ গুলো ব্যাতিত বেঁচে থাকার কোন অর্থই হয় না। তেমনি সুন্দর এই পৃথিবীতে গিলগামেশও তাঁর বন্ধু এনকিদুকে হারিয়ে বেঁচে থাকার অর্থও হারিয়ে ফেলেছিল। গিলগামেশ কে?? গিলগামেশ ছিলেন হাজার হাজার বছর আগে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার মেসোপটেমিয়া'র উরুক শহরের রাজা। উনার পিতা একজন মানুষ এবং মাতা একজন দেবি হওয়ায় উনার শরীরের কিছু অংশ ছিল দেবতা এবং কিছু অংশ ছিল মানুষ। একারণে তিনি ছিলেন অমর এবং অসীম শক্তির অধিকারী। রাজা হিসেবে খুবই ভাল ছিলেন তিনি কিন্তু উনার সবচেয়ে বড় দোষ ছিল খামখেয়ালীপনা। উনার এই খামখেয়ালীপনার কারণে প্রজাদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এই কষ্ট থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রজারা দেবতাদের শরণাপন্নয় হলে তাদের সাহায্যের জন্য দেবতারা গিলগামেশ এর সমান শক্তিধর একজন লোক প্রেরণ করেন, যার নাম এনকিদু। এই এনকিদুর সাথে প্রথম দেখায় তুমুল যুদ্ধ হলেও একসময় তারা একে অন্যের প্রাণ প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠেন। তারা যা করতেন একসাথে করতেন। ঘটনাক্রমে একসময় এনকিদুর মৃত্যু হয়। প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুকে মেনে নিতে না পেরে রাজা গিলগামেশ বেরিয়ে পড়েন অমৃতের খুঁজে। পাড়ি দেন পৃথিবীর এক কোণা থেকে আরেক কোণা। এই অমৃত না পেলে তাঁর প্রিয় বন্ধু ফিরে পাবে না তাঁর জীবন। গিলগামেশকে তাঁর সারা জীবন কাটাতে হবে একা একা। রাজা গিলগামেশ কি পারবে অমৃত এনে তাঁর বন্ধুকে বাঁচাতে?? গিলগামেশ হল অ্যাসিরীয়-ব্যাবিলনীয় পুরান। এ পর্যন্ত জানা এটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম উপাখ্যান এবং পৃথিবীর প্রথম গল্প। এই উপাখ্যানের নায়ক গিলগামেশ হল একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। কথিত আছে তিনি ঐ অঞ্চলে প্রায় ১২৬ বছর রাজত্ব করেছিলেন। তিনি ঐ অঞ্চলে এতোটাই জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত ছিলেন যে, উনাকে নিয়ে প্রচুর গল্প, উপকথা জন্মলাভ করেছিল। এই গল্প এবং উপকথা গুলোকে এটেল মাটি দিয়ে তৈরী তক্তিতে লিপিবদ্ধ করে ঐ সময়ের অ্যাসিরীয় অঞ্চলের এক বিশাল পাঠাগারে সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরবর্তিতে উনবিংশ শতকের পঞ্চাশ দশকের দিকে প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই পাঠাগারটিকে আবিষ্কার করেন এবং সেখানেই খুঁজে পান গিলগামেশ এর উপখ্যান। উপাখ্যানটি পদ্যে লেখা ছিল বলে এর নাম রাখা হয়েছিল "Epic of Gilgamesh" অথবা " গিলগামেশ মহাকাব্য"। পরবর্তীতে একে বিভিন্ন ভাষায় অনুদৃত করা হয়। বাংলা একাডেমীর পক্ষ থেকেও গিলগামেশ এর এই উপাখ্যান বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। কিন্তু সুলেখক হায়াৎ মামুদ সর্বপ্রথম ১৯৮৫ সালে ছোটদের জন্য গিলগামেশ উপাখ্যানটি নিয়ে ছোট একটি বই লিখেন। ছোট কিন্তু অসাধারণ এই বইটিতে হায়াৎ মামুদ তাঁর অসাধারণ লেখনশৈলীর মাধ্যমে উপাখ্যানটি ফুটিয়ে তুলেছেন সুচারো ভাবে। ছোটদের জন্য লেখা কিন্ত বড়দের জন্যও সুখ পাঠ্য এই বইটি।























