

Buy গিলগামেশ Online in Bangladesh
লেখক: হায়াৎ মামুদ
- Author: হায়াৎ মামুদ
- Publisher: অবসর প্রকাশনা সংস্থা
- Isbn: 984415104X
- Number Of Pages: 76
- Language: বাংলা
- Edition: Reprint, 2011
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
মানুষ অমর নয়, সে জানে। তারপরও সে মরতে চায় না, অমর হতে চায়। হয়তো ভাবে-আমি অমৃতের সন্তান, অমর হব না কেন। তাই জীবন ও মৃত্যুও রহস্য সে খুঁজে ফেরে। আজকের আধুনিক যুগেই শুধু নয়, হাজার হাজার বছর পূর্বে সভ্যতার ঊষালগ্নেও। ‘গিলগামেশ’-এর কাহিনী বিশ্বেও প্রাচীনতম উপখ্যান। এখন পর্যন্ত জানা প্রথম গল্প পৃথিবীর। এ গল্পেরও বিষয় মরণশীল মানবের অমরত্ব-সন্ধান। হায়াৎ মামুদ সে-কাহিনী শুনিয়েছেন তাঁর অননুকরণীয় কথনশৈলীতে। বাংলা ভাষায় এ পর্যন্ত এমন গিলগামেশ-কাহিনী আর কেউ লেখেননি। ছোটদের জন্য লেখা, অথচ বড়োদেরও উপভোগ্য একইভাবে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অসাধারণ গদ্যানুবাদ। পৃথিবীর প্রাচীনতম মহাকাব্য গিলগামেশ। এই মহাকাব্যের নায়ক উরুক শহরের (যে শহরের নাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাকের নাম এসেছে) রাজা গিলগামেশ। রূপকথার গল্পের মত পড়তে এই মহাকাব্যে রয়েছে বন্ধুত্বের গভীরতা, বীরত্বগাঁথা ও অমরত্বের অন্বেষণ। উল্লেখ্য, এই মহাকাব্যে রয়েছে হযরত নূহ (আঃ) -এর সময় সংঘটিত মহাপ্লাবনের কথা। সুমেরীয়-মেসোপটেমীয় ধর্মবিশ্বাসের আলোকে লেখা এই মহাকাব্যে হযরত নূহ (আঃ) -কে "উতনা পিশতিম" নামে একজন অমর মহামানবরূপে তুলে ধরা হয়েছে। এই মহাকাব্যটি পড়লে জানা যাবে যে, কিভাবে সুমেরীয়-ব্যাবিলনীয় সভ্যতার মানুষেরা হযরত নূহ (আঃ) -এর উপর নাযিলকৃত আসমানী কিতাবকে বিকৃত করে নিজেদের পলিথিসটিক মিথোলজিতে রূপান্তর করেছিল। তবুও সেখানে মহা প্লাবনের বর্ণনা রয়েই গেছে।

ভালো, তবে মূল মহাকাব্যে আরও অনেক ক্ষুদ্র বিস্তারিত ছিল, যেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এইভাবে বর্ণনায় সেই বিস্তারিত অংশগুলো হারিয়ে গেছে। এর চেয়ে যদি আপনি লাইন বাই লাইন অনুবাদটা পড়তে পারেন, তাহলে আরও ভালোভাবে বুঝবেন এই মহাকাব্যের মর্ম। কামাল রহমানের অনুবাদটা এর চেয়ে ভালো হবে। তিনি প্রথমে পুরো মহাকাব্যটি নিজের মতামতসহ ব্যাখ্যা করেছেন এবং পরে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করেছেন। এতে আপনি অনেক বিস্তারিত খুঁজে পাবেন, যেগুলো আবারও বলছি, খুবই গুরুত্বপূর্ণ!

ভালো বই পড়ার একটা সুবিধা হলো, মাঝে মাঝে এক বইয়ে অন্য আরও ভালো বইয়ের খোঁজ থাকে। তেমনি স্যাপিয়েন্স বইটা পড়তে গিয়ে পেলাম গিল্গামেশে্র কথা। হায়াৎ মামুদের কিশোর সংস্করণ আগেই কেনা ছিলো, পড়ি পড়ি করে পড়া হচ্ছিলো না। কিন্তু স্যাপিয়েন্স বইতে গিল্গামেশ্ মহাকাব্যের কথা একাধিকবার উল্লেখ পাওয়াতে আর দেরী করলাম না। পড়ে ফেললাম পৃথিবীর প্রাচীনতম পুরাণ- গিল্গামেশ্! আসিরীয়-ব্যাবলনীয় এ মহাকাব্যের মূল রচয়িতা কে, তা জানা যায়নি। মূলত লিখিত রূপে আসার হাজার হাজার বছর আগে থেকেই প্রাচীন পৃথিবীর মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিলো উরুক রাজ্যের রাজা গিল্গামেশে্র কাহিনী, অমরত্বের খোঁজে যে ছুটতে ছুটতে পৌঁছে গিয়েছিলো পৃথিবীর সর্বশেষ প্রান্তে... হায়াৎ মামুদের লেখা যারা আগে পড়েছেন তারা জানেন, ওনার কিশোর সংস্করণগুলো খুব সুন্দর হয়। এর আগে মেঘনাদ বধ আর রবীন্দ্রনাথ পড়েছি। দুটোই চমৎকার লেগেছিলো। গিল্গামেশ্ও ভালো লাগলো। ৭৫ পৃষ্ঠার ছোট্ট বইটা শেষ হলো বিশাল এক হাহাকার নিয়ে--- ❝একা, সবাই একা, বুঝলে গিল্গামেশ্। যিনি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তৈরি করেছেন তিনিও বড়ো নিঃসঙ্গ, তার কোনো দোসর নেই। অমরতা মানে তো নিঃসঙ্গতা, গিল্গামেশ্। সে একাকীত্ব যে কী ভয়ানক, তুমি বুঝবে না।❞


onk valo prai shob bishoy uposthapon korte perche khub shundor vabe

Good book























