

Buy দুর্গম পথের যাত্রী Online in Bangladesh
লেখক: আসাদ বিন হাফিজ
- Author: আসাদ বিন হাফিজ
- Publisher: গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস
- Isbn: 9789848254691
- Number Of Pages: 184
- Language: বাংলা
- Edition: 4th Edition, March 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
মহাবীর। সাইফুল্লাহ। আল্লাহর তরবারি। আর কোনো পরিচয় লাগে? তিনি খালিদ বিন ওয়ালিদ رضي الله عنه। জাহেলিয়াতের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন। একের পর এক বিজয়ের মালা পড়ছেন; তবুও কী এক আড়ষ্টতা যেন তাকে পেয়ে বসেছে! স্বস্তি নেই মনে; কী যেন খুঁজে ফিরছে। অবশেষে তিনি ফিরে এলেন। ফিরলেন বিশ্বাসীদের মিছিলে স্লোগান হাঁকতে, হায়দারি হাঁক ছাড়তে। এ এক রোমাঞ্চকর ফেরার গল্প! এক শিহরণ জাগানিয়া সফর!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
শেষ না করে রাখতে ইচ্ছে করে না

===== কাহিনী সংক্ষেপ ===== শেষ নবী ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবদ্দশায় ইসলামের আলো আরবের চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়া এবং বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চল ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আনার জন্য যে বীরেরা সবচেয়ে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন খালিদ বিন ওয়ালিদ। যাকে ভূষিত করা হয়েছে কখনো মহাবীর, কখনো সাইফুল্লাহ, তিনি যুদ্ধে যেমন ছিলেন অপরাজেয় তেমনি তার মতো চৌকস সেনাপতি ইসলামের ইতিহাসে ছিলো হাতে গোণা। কিন্তু তিনি নিজেও প্রথম সৈনিক জীবনে ছিলেন ইসলামের ঘোরতর বড় শত্রু; চেয়েছিলেন রাসূল হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) হত্যা করে নিজের হাত রক্তে রঞ্জিত করতে! কিন্তু সেই ইসলাম বিরোধী ঘোর শত্রুকেই আল্লাহ দিলেন ইসলামের নূরের ছোঁয়া। ঘোর শত্রুকে বানিয়ে দিলেন মহানবীর প্রাণপ্রিয় বন্ধুতে। কিন্তু কেমন ছিল ঘোর শত্রু থেকে খালিদ বিন ওয়ালিদের বন্ধু হওয়ার দিনগুলো? তার ইসলামের আলোয় ফেরার গল্পগুলো যেমন রোমাঞ্চকর ঠিক তেমনি আশা জাগানিয়া। ===== পাঠ প্রতিক্রিয়া ===== হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর যুগের যে কয়েকজন বীরের কথা সর্বাগ্রে উচ্চারিত হয় তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহাবীর ও সাইফুল্লাহ খ্যাত খালিদ বিন ওয়ালিদ। কিন্তু এই খালিদ বিন ওয়ালিদই ইসলাম গ্রহণের আগে ছিলেন ইসলামের ঘোরতর শত্রু। বইটি খালিদ বিন ওয়ালিদের ইসলাম গ্রহণের ঠিক পূর্বের বিভিন্ন ঘটনাবলী নিয়েই সাজানো। ইসলামের অপরূপ সৌন্দর্য বার বার মুগ্ধ করেছে ওয়ালিদকে। নবী যুগের মুসলিমদের বীরত্ব, আল্লাহর প্রতি একাগ্রতা, সত্যবাদিতা ও ন্যায়পরায়নতা বার বার কুঠারাঘাত করেছিলো ওয়ালিদের বিবেক ও ব্যক্তিসত্ত্বাকে। তৎকালীন কুরাইশদের মতো এত সম্ভান্ত ও উচ্চ বংশে জন্মগ্রহণ করেও তা যেন তিনি ইসলামের মানবিকতার কাছে পুরোপুরি নস্যি। বইটি খালিদ বিন ওয়ালিদের স্মৃতিকথা বর্ণনা বা স্মৃতিচারণের দিক থেকে গল্প বলার মতো করে বলা হয়েছে। বইটি পড়ার সময় সেই গল্প কথকের গল্পই যেন তন্ময় হয়ে শুনছি এরকম একটা অনুভূতি তৈরি হয়। ইতিহাসের নিরস বর্ণনা সচরাচর যেমন হয় মোটেও সেরকম নয়; যার কারণে বইটি পড়েও কোন বিরক্তি আসেনি। তবে ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা যেহেতু বর্ণনা করা হয়েছে সেহেতু সেগুলোর রেফারেন্স দিলে আরো ভালো হতো বলে মনে করি। এতে যারা আরো বিস্তারিত জানতে চায় তাদের জন্য সুবিধা হতো। বইটি সকল বয়সের পাঠক বিশেষ করে মুসলিম কিশোর-কিশোরীদের অবশ্যই বইটি পাঠ করা উচিত বলে মনে করছি। প্রোডাকশন: কভার ডিজাইন আমার কাছে ভালোই লেগেছে। ফন্ট সাইজ, বইয়ের বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠার কোয়ালিটি খুব ভালো লেগেছে। বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। ব্যক্তিগত রেটিং: ৯.৫/১০।
Must read.
ছোট্টবেলার কাহিনী, কিশোরকন্ঠে পর্বে পর্বে প্রকাশ পেত মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদের জীবনী। এমন জায়গায় গিয়ে পর্বটা শেষ করতো যে মনটাই খারাপ হয়ে যেত। সবসময় ভাবতে বাধ্য করতো–তাহলে তারপরে কী হতে পারে? এই প্রশ্নটা সারাটা মাস খচখচ করতো মনে। অবশেষে পরের মাসে যখন কিশোরকন্ঠে পরবর্তী পর্ব প্রকাশ পেত, এক অসহ্য পুলকে পড়তে বসতাম। শেষ করে আবার বিষন্নতা! শেষ হয়েও কেন হয় না শেষ? অনেক পরে বইমেলা থেকে বইটা কিনে সবটুকু গোগ্রাসে পড়ে ফেললাম। দুঃখের বিষয় এবারও শেষ হলো না। সেই সুদূর ছোটবেলায় বয়সের ভারজনিত তারতম্যে অনাকাঙ্ক্ষিত আবেগে আর রহস্যপ্রিয় মনের গূঢ় সংকল্পে শেষ না হওয়াটা ছিলো অখণ্ড বাস্তবতা। কিন্তু এবার শেষ না হওয়াটাই সত্য। কারণ এ গল্পগুলো শেষ হওয়ার না। প্রিয় বইটা নিজে পড়ে আত্মার খোরাক সম্পূর্ণ মিটে নাই। কয়েকজনকে সোৎসাহে পড়তে দিই। তারপর আর ফিরে পাই নি। হা হা হা। আবার অর্ডার দেওয়ার সময় রিভিউটা লিখে যাচ্ছি...
৬২৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ মে। আরবের প্রসিদ্ধ জেনারেল খালিদ বিন ওয়ালিদ এবং আমর বিন আস একই সঙ্গে রাসূল -এর দরবারে গিয়ে হাজির হলেন; সঙ্গে ওসমান বিন তালহা। প্রথমেই কামরায় ঢুকলেন খালিদ বিন ওয়ালিদ, তাঁর পেছনে আমর বিন আস এবং সবার শেষে ওসমান বিন তালহা। তিনজনই নবিজিকে জানালেন তাদের ইচ্ছার কথা। নবিজি উঠে দাঁড়ালেন এবং প্রত্যেকের সাথে কোলাকুলি করলেন। এরপর ঘটল সেই অবিস্মরণীয় ঘটনা। রাসূল --এর সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই পড়লেন, 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর প্রেরিত নবি ও রাসূল।' বই- দূর্গম পথের যাত্রী। লেখক- আসাদ বিন হাফিজ।





















