

Buy ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস (১ম-২য় খণ্ড সেট) Online in Bangladesh
লেখক: ড. রাগিব সারজানি
- Author: ড. রাগিব সারজানি
- Publisher: মাকতাবাতুল হাসান
- Isbn: 978-984-8012-53-06
- Number Of Pages: 896
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ক্রুসেড―এক আদর্শিক সংঘাত। যেই সংঘাতের লক্ষ্য হিশেবে রয়েছে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ। এই হিংস্র লড়াইয়ে খ্রিষ্টানরা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছে উম্মাহর পবিত্র ভূমি, ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছে তার মর্যাদা। কিন্তু উম্মাহর সম্ভ্রম রক্ষার সংঘর্ষে কী ঘটেছিল আমাদের ইতিহাসে? কারা আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে জাগিয়ে তুলেছিল উম্মাহর সুপ্ত ঈমানি চেতনাকে! আল্লাহর বড়ত্ব ও তাঁর রাসুলের নেতৃত্ব কোন-সে ত্যাগের বিনিময়ে হয়ে ছিল অক্ষয়, অবিচল!! অতএব, ‘মাকতাবাতুল হাসান’-এর সাথে চলুন ড. রাগিব সারজানির পাঠশালায়―তাঁর কলমে উঠে আসা উম্মাহর সেই বিস্ময়কর ইতিবৃত্ত পাঠে...। হ্যাঁ, আমরা নিয়ে আসছি প্রায় দুই শতাব্দী ব্যাপ্ত ভয়ংকর ক্রুসেড যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যা মোট ৬খণ্ডে প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। এরই ধারাবাহিকতায় শীঘ্রই প্রথম ২খণ্ড প্রকাশিত হচ্ছে, যেখানে রয়েছে ক্রুসেড যুদ্ধের শুরু থেকে ইমাদুদ্দিন যানকি রহ. যুগ পর্যন্ত সময়ের বিস্তারিত ইতিহাস।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
ইসলামের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা একটি লড়াইয়ের নাম ক্রুসেড। হেলালি ঝাণ্ডা ও সোনালী ক্রুশের লড়াই। তবে ক্রুসেড যুদ্ধ বলতেই আমরা সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর সংগ্রামকে চিনি। বা সর্বোচ্চ সুলতান নুরুদ্দীন মাহমুদ যানকী ও তার বাবা সুলতান ঈমাদুদ্দীন আতাবেগ যানকী পর্যন্ত ভাবতে পারি। অথচ ক্রুসেডের ইতিহাসে তারা একটি অংশ মাত্র। ক্রুসেড যুদ্ধ তো শুরু হয়েছিলো ইসলামের প্রথম যুগে রোমানদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। আলী-মুআবিয়া দুই ভাইয়ের মাঝেও বাগড়া দিতে চেষ্টা করেছিলো ক্রুসেডাররা। তবে ক্রুসেডের মূল পর্যায় চলছিলো সুলতান আলপ আরসালানের হাতে মালাজগির্ট পরাজয়ের সময়। এর মাধ্যমে এই লড়াই একটু আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নিয়েছিলো। এবং যানকী ও আইয়ুবী সালতানাতের সময়ে এটির নামই হয়ে যায় "ক্রুসেড"। ক্রুসেড যুদ্ধ সম্পর্কে আমরা খুব কমই জানি। ড. রাগিব সারজানির ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস বইটি পড়ার আগে আমিও ক্রুসেড বলতে সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর সংগ্রাম আর ঈমানদীপ্ত দাস্তানই বুঝতাম। অবশ্য স্পেন টু আমেরিকা পড়ার সময় জেনেছিলাম ক্রুসেড যুদ্ধ উসমানী সালতানাতের সময়ও চলছিলো। ড. সারজানি দীর্ঘ পাঁচ খন্ডে ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস সিরিজ সংকলনের ইচ্ছে করেছিলেন। দুই খন্ড প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি নি'মাল আমীর শিরোনামে সুলতান মুহাম্মদ আল ফাতিহ নিয়ে কাজ শুরু করায় ক্রুসেড সিরিজের পরের তিন খন্ড তখনও সমাপ্ত হয় নি। Maktabatul Hasan ও শুধু প্রথম দুই খন্ড অনুবাদ করেই পরের অংশের অপেক্ষায় আছে। পরের অংশ লেখক সম্পূর্ণ করেছেন নাকি এখনও.......! মজার বিষয় হচ্ছে ক্রুসেড যুদ্ধ বলতে আমরা সালাহউদ্দীন আইয়ুবীকে জানলেও প্রকাশিত এই দুই খন্ডে সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর ইতিহাস আসে নি। ক্রুসেড যুদ্ধের প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে সুলতান ঈমাদুদ্দীন আতাবেগ যানকী রহঃ পর্যন্ত এসেছে মাত্র। এরপর সুলতান নুরুদ্দীন মাহমুদ যানকী হয়ে তারপর সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর হাতে ধরে এগিয়ে যেতে থাকবে ক্রুসেড সিরিজ। অবশ্য দ্বিতীয় খন্ডের শেষে প্রায় ৫০ পৃষ্ঠার একটি পরিশিষ্টে পরবর্তী তিন খন্ডের সারকথা চলে এসেছে। পাঠকের আবেগকে সামান্য দমিয়ে রাখার চেষ্টা আরকি। বইটির কাজ সুন্দর। তবে বাইতুল মাকদিস নিয়ে ঝামেলা। বাইতুল মুকাদ্দাস বলা হয়? বাইতুল মাকদিস জানতাম অথবা আল বাইতুল মুকাদ্দাস। এটি নিয়ে একটু খোঁজ খবর দরকার। "আল" প্যাঁচ। 🖋️ জহির বিন আইয়ুব ১০/১২/২০২৫ বুধবার

রাগিব সারজানির বই মানিই আগুন। ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য বইটি পড়তে পারেন। রকমারি থেকে সুন্দর ভাবে বই দুইটা পেয়ে গেলাম। আলহামদুলিল্লাহ

এটা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনাই নয়, বরং মুসলিম জাতির একটি স্বচ্ছ দর্পণ, যেখানে মুসলিমদের বারবার উত্থানপতনের কারণ এবং বর্তমান মুসলিমদের ছন্নছাড়া অবস্থার কারণ চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন লেখক। কোথায় মুসলিমরা হোঁচট খেয়েছে এবং কেন, প্রতিটি পরাজয়ের কারণগুলো দেখলে মনে হবে এ যেন আজকের পৃথিবীকেই দেখছি। ইতিহাস বারে বারে ফিরে আসে। এই চিরন্তন সত্যই বার বার আমাদের সামনে উদ্ভাসিত করে দেবে এই বই। লেখকের জন্য ৫ স্টার চোখ বন্ধ করে দেওয়া যায়। কিন্তু অনুবাদককে ৪ স্টার দিলেই বেশি হয়ে যাবে। দ্বিতীয় খণ্ডে হঠাৎ করে মওদুদ বিন তুগতেকিনের আলোচনা দিয়ে শুরু করার কারণটা বোধগম্য হয়নি। আগামাথা ছাড়া হঠাৎ করে একজন ব্যক্তি দৃশ্যপটে আসবেন কেন? ত্রিপোলি-পতন পরবর্তী পরিস্থিতিতে কী ঘটেছিল তাঁর আলোচনায় না গিয়ে লেখক নিশ্চয়ই হঠাৎ একজন ব্যক্তির আলোচনা শুরু করবেন না। এই অতি পণ্ডিতিটা নিশ্চয়ই অনুবাদকদের কাজ! অনুবাদও তেমন ভালো লাগেনি। আরও সুখপাঠ্য হওয়া উচিত ছিল। ডিকশনারি হাতড়িয়ে কঠিন দুর্বোধ্য ও অপ্রচলিত শব্দের জোড়াতালি দিয়ে অনুবাদক যুগশ্রেষ্ঠ সাহিত্য রচনা করতে গিয়ে আরও বিদঘুটে করে ফেলেছেন। প্রকাশনীর উচিত ছিল অভিজ্ঞ ও দক্ষ অনুবাদকের কাছে যাওয়া যিনি পূর্ব থেকেই ইতিহাস গবেষক এবং সাহিত্যিক। কচি হাতে ভারী জিনিস তুলে দেওয়া উচিত হয়নি।
ড. রাগিব সারজনি মানেই ইতিহাসের অনন্য এক পাঠ, তার বইতে ইতিহাসের ছোটখাটো বিষয়ও বিস্তারিত আকারে বর্ণনা পাওয়া যায়। ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাসের ক্ষেত্রেও তাই। অনুবাদক ভাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, প্রত্যেকটি বিষয়ের ইন্ডিটেইল রেফারেন্স দেওয়ার জন্য। মাক্তাবাতুল হাসানের অনন্য আরোও একটি কন্টেন্ট।

best























