

Buy ভবিষ্যতে যাওয়া যাবে, যাবেনা পিছন ফেরা Online in Bangladesh
লেখক: আসিফ.
- Author: আসিফ.
- Publisher: সাহিত্য প্রকাশ
- Isbn: 9847012400456
- Number Of Pages: 180
- Language: বাংলা
- Edition: 3rd Print, 2017
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
শত বছরেরও আগে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব যুগান্ত বয়ে আনে বিজ্ঞানে, দর্শনে ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে; কিন্তু তার সাথে সমতালে বিকশিত হয়নি বিজ্ঞান-সংস্কৃতি। মানবসভ্যতা জ্ঞানের মহাদিগন্তে যাত্রা শুরু করেছিল সময়ের প্রহেলিকাজাল ছিন্ন করে নতুন এক চেতনার ভূমিতে উপনীত হয়ে, অথচ মহাসময়ের সেই ধারণার সঙ্গে মানুষজনের মহাবিশ্বের বােধ মানবচৈতন্যে কাক্ষিত অভিঘাত বয়ে আনতে পারেনি। আধুনিক এই বিজ্ঞানােপলব্ধি সমাজে ব্যাপকভাবে সঞ্চারণের লক্ষ্যে নানাভাবে উদ্যোগী নিষ্ঠাব্রতী বিজ্ঞানবক্তা আসিফ এবং সেই তাগিদ থেকে প্রণীত হয়েছে বিশেষ এই গ্রন্থ-আপেক্ষিকতা ও সময়ের আধুনিক ধারণার জনবােধ্য বিশ্লেষণ। নিছক বিজ্ঞানভাবনার গ্রন্থ এ-নয়, বিজ্ঞানের সর্বশেষ অগ্রগতির সঙ্গে আমাদের যে যােগ; সেই ভূমিতে দাঁড়িয়ে আপেক্ষিকতার বিজ্ঞান ও দর্শনকে মানবসভ্যতার সঙ্গে যুক্ত করে প্রাঞ্জলভঅবে ব্যাখ্যা করেছেন আসিফ। এই বই তাই বিজ্ঞানবােধ করবে গভীরতর, বিজ্ঞানচেতনায় পুষ্ট হয়ে জীবনকে বিশাল পটভূমিকায় বিবেচনা করতে সহায়ক হবে এবং পাঠকচিন্তা নিঃসন্দেহে আলােড়িত করবে প্রবলভাবে। সূচিপত্র* পরম স্থান বলে কিছু নেই* ঘটনার সমকালীনতার কোনো পরম অর্থ হয় না* আলোর গতি বিশ্বে পরম* আলোর দ্রুতির ধ্রুবতা পরিমাপের প্রথম সফলতা* কর্তব্যপরায়ণতা নয়, ভালোবাসাই সবচেয়ে বড়ো শিক্ষক* ভবিষ্যতে যাওয়া যাবে, তবে পেছনে ফেরা যাবে না* প্রসারণশীল মহাবিশ্ব* আইনস্টাইনের অন্তিম স্বপ্ন* জ্যামিতি ও পদার্থবিজ্ঞানের একীভূত হওয়ার মহাপথ* মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ও বক্রতার পরীক্ষামূলক প্রমাণ* টপোলজির সন্ধানে* সময়ের মৃত্যু, না নতুন ব্যাখ্যা* কৃষ্ণগহব্বর,শ্বেতগহ্বর ,কীটগহ্বর* আলোর গতিকে কি অতিক্রম করা সম্ভব!* ফোটন টেলিপোর্টেশন -এনটেঙ্গেলমেন্ট ব্যাখ্যার প্রয়োজন* সময় পরিভ্রমণ সম্ভব হলে ইতিহাসকে কতটা প্রভাবিত করা যেত* উপসংহার
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
so much informative . this book enables people to have another level of view on time . and the concept of travelling in time , easily explained in this book .
আমার কাছে ভাল লাগেনি বইটা।এমন না এখানে ভাল জিনিস তুলে দেওয়া নাই।আসলে লেখার ভাষা অথবা বিজ্ঞানের যে মাধুর্য থাকে সেটা কেন যেন নাই। অনেকটা স্কুল কলেজের বই এর মত হয়েছে






















