

Buy তাকওয়া মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন Online in Bangladesh
লেখক: ড. ওমর সুলাইমান আল-আশকার
- Author: ড. ওমর সুলাইমান আল-আশকার
- Publisher: আয়ান প্রকাশন
- Isbn: 978-984-95998-5-2
- Number Of Pages: 208
- Language: বাংলা
- Edition: ৩য় প্রকাশ, ২০২৩
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
📙 তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বনতাকওয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ, বেঁচে থাকা, দূরে থাকা, পরহেজ করা, নিজেকে বাঁচানো ইত্যাদি। পরিভাষায় এটি আল্লাহকে ভয় করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ আল্লাহর শাস্তি ও তাঁর আজাবের ভয়ে গুনাহ ও অবাধ্যতা থেকে মুক্ত থাকার নামই হল তাকওয়া। জাহান্নামের আজাবের ভয়ে গুনাহে লিপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে থাকা।ইমাম রাগেব ইসফাহানি বলেন, ‘তাকওয়া বলা হয় নফসকে সেসব জিনিস থেকে বাঁচানো যেগুলোর ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করা হয়। তাকওয়ার এই অর্থই সঠিক ও যথার্থ।মুত্তাকি মানে হলো পরহেজগার ব্যক্তি; যিনি তাকওয়া অবলম্বন করেন। তাকওয়ার বিভিন্ন স্তর রয়েছে। যথা:-১। সাধারণ তাকওয়া। যেমন, কুফর থেকে বেঁচে থাকা।২। বিশেষ তাকওয়া। যেমন, সন্দেহ-সংশয়মূলক জিনিস বা বিষয় থেকে হারাম হয়ে যাওয়ার ভয়ে বেঁচে থাকা।৩। সর্বোচ্চ পর্যায়ের তাকওয়া। যেমন, মুবাহ এবং সন্দেহমূলক জিনিস থেকে বেঁচে থাকা।আল্লাহ ও তাঁর রাসুলদের আদেশ তাকওয়া অবলম্বন করো— মহান আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষকে তাকওয়া অবলম্বন করার আদেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন— ‘তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছি তাদেরকে আদেশ করেছি যে, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো।’ (সুরা নিসা: ১৩১)আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘সুতরাং সে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।’ (সূরা বাকারা: ২৪)অন্য জায়গায় আরো বলেন, ‘আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারো সামান্য উপকারে আসবে না।’ (সূরা বাকারা: ৪৮)এক হাদীসে এসেছে, হযরত আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮](সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪২৪৬হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)তাকওয়ার স্থান হল হৃদয়। নীরবে নিভৃতে, একাকী সর্বদা অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকার নামই হল তাকওয়া। প্রতিটি আমলের ক্ষেত্রে বান্দার নিয়ত খালেস হওয়া শর্ত। যদি বান্দার নিয়ত থাকে প্রসিদ্ধি অর্জন এবং লোক দেখানো তাহলে তাকওয়া সামান্যও অর্জিত হবে না। তাকওয়া অবলম্বন করা ব্যতীত প্রকৃত মুমিন হওয়া অসম্ভব। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে হলে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে হলে আবশ্যিকভাবে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তা জানেন যা তোমাদের অন্তরে রয়েছে।’(সূরা মায়িদা: ৭)তাকওয়া তথা খোদাভীতির ফায়দা ও উপকারিতা এবং আবশ্যকীয়তা সহ মুত্তাকিদের ঘটনা এবং তাদের উত্তম পরিসমাপ্তির ব্যাপারে জানতে হলে পড়ুন ‘তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন’ ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
📑তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন:- মুত্তাকীদের পরকালের পাথেয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম পাথেয় হলো "তাকওয়া"। যার পারিভাষিক অর্থ হলো ইহসান ভাবে ইবাদত করে যাওয়া। আল্লাহ তাকে সর্বদা দেখছেন এই ভয়ে সমস্ত পাপ প্রবৃত্তিকে দমন করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকা। সে তখনই এই বিষয়ে পারদর্শী হয়ে উঠবে যখন জানতে পারবে তাকওয়ার মূল সংজ্ঞা। আওল ইবনু আব্দুল্লাহ বলেন- "তাকওয়ার পূর্নতা এভাবে হয় যে , বান্দা যে বিষয়ের জ্ঞান অর্জন হয় সেগুলোর মাধম্যে অজানা বিষয়ের জ্ঞান ও অর্জন হয়ে যায়।" বান্দার যদি অজানা থাকে তাকওয়ার সংজ্ঞা তাহলে সে গর্হিত কাজ করে ফেলার পরও কোনো অনুশোচনা কাজ করবে না । "আর তোমরা পাথেয় সঙ্গে নিয়ে নাও, নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। হে বুদ্ধিমান! আর আমাকে ভয় করতে থাকো"[ সূরা-বাকারা: ১৯৭] সেই ব্যক্তি কীভাবে মুত্তাকি হতে পারে, যার এই জ্ঞান নেই যে, কীসের ভয় করতে হবে এবং কীসের থেকে বেঁচে থাকতে হবে? তাকওয়া যার মূল ভিত্তি ও বুনিয়াদ, যা মুমিনের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন প্রকৃত মুমিন তাকওয়া দ্বারাই পরিচালিত হয়ে সে তার প্রবৃত্তি দমন করে দূরে এবং সৎকাজে অনুপ্রাণিত হয়। কোরআন কারিমে বলা হয়েছে, ‘'তোমরা যারা ইমান এনেছ, তারা তাকওয়া অর্জন করো।’' [সুরা-আহজাব: ৭০]। আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘'যারা ইমান আনল এবং তাকওয়া লাভ করল, তারা আল্লাহর বন্ধু; তাদের কোনো ভয় নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।’' [সুরা-ইউনুস: ৬২] শরীয়ভাবে তাকওয়ার যে পারিভাষিক অর্থ পাওয়া যায় তার সংক্ষিপ্তরূপ এই যে তাকওয়ার মাধম্যে আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর আদেশসমূহ অনুসরণের মধ্যে দিয়ে নিষেদসমূহ থেকে বিরত থাকা।তাঁর নিয়ামত অর্জনের আশা রাখা। তাকওয়ার অন্তস্থল হলো হৃদয়। অন্তরের নিয়ত অনুসারে আমল করা না হলে, তাকওয়া অর্জিত হওয়া অসম্ভব। আল্লাহ বলেন "তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিঃসন্দেহে আল্লাহতায়ালা ভালো জানেন যে তোমাদের অন্তরে রয়েছে।"[সূরা-মায়িদা: ০৭] 📖 বইয়ে যা আছে ____________________ বক্ষমান বইটির শর্ট পিডিএফের সমগ্র জুড়ে দেখতে পাওয়া যায় কুরআন ও হাদীসের আলোকের মাধম্যে তাকওয়ার সংজ্ঞা, বিস্তারিত পর্যালোচনা,করণীয় ও বর্জনীয় দিক। আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থেকে আখিরাতের পাথেয় সঞ্চায়নের ধারণা আপনাকে দেবে। তাকওয়া অবলম্বনে সালাফদের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি এর করণীয় ও বর্জনীয় দিক গুলো সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে। 📖 বইটি কেন পড়বেন? ____________________________ প্রত্যেক মুমিনের তাকওয়া সম্ব্ধে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮] 📖 এক নজরে বইটি _____________________ 📙 তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন 🖋️ মূল: ড. উমর সুলাইমান আশকার রহি. 🖊️ অনুবাদ: মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার। 🖋️ সম্পাদনা: সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ। মুদ্রিত মূল্য ৩২০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৯২ বাইন্ডিং- পেপারব্যাক প্রকাশনায়: আয়ান প্রকাশন
⬛️ভূমিকা ◼️ছোটবেলা থেকেই আমরা "সততা একটি মহৎ গুন","মিথ্যা বলা মহাপাপ" ইত্যাদি বলে আসলেও বাস্তব জীবনে আমরা এর প্রতিফলন দেখাতে পারি না। সততা,বিশ্বস্ততা ইত্যাদি কোন অবহেলিত বস্তুর মতোই আমাদের কাছে বিবেচিত হয়। অথচ আমরা জানি না এসব চারিত্রিক গুনাবলির মহত্ত।আমরা ধরে রাখতে পারি না একটা সুন্দর চরিত্র। এসব বিষয়ের গুরত্ব বোঝা কিংবা এগুলোর চর্চা করা আমাদের তথাকথিত ব্যস্ততাপূর্ণ জীবনের অন্তরালেই রয়ে যায় । ◼️ যেখানে সুন্দর চরিত্রই আমাদের ঈমানের অন্যতম মানদন্ড সেখানে আমরা এর প্রতি অত্যন্ত উদাসীন। তাই সুন্দর চরিত্র গঠন ও আমাদের ঈমানী বন্ধনকে দৃঢ় করার জন্য আয়ান প্রকাশন এর উদ্যেগে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে "মুসঅাদ হুসাইন মুহাম্মদ" রচিত "আহলুল্লাহ মুনীব" অনুদূতি "দ্য বন্ড অফ ফেইথ" বইটি। ⬛️যা যা থাকবে বইটিতেঃ ৩০ টি আলাদা আলাদা শিরোনামে সুন্দর চরিত্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু শিরোনাম হচ্ছে বন্ধু নির্বাচন,বিশ্বস্ততার প্রাধান্য,কৃত্রিমত্তা পরিহার করো,ভুলগুলো ক্ষমা করো,ভ্রাতৃত্বের শিষ্টাচার ইত্যাদি । গল্প,কুরআন ও হাদিসের আলোকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় উক্ত বিষয়গুলো আলোচনার কারণে পাঠকের সবগুলো বিষয় বুঝতে সুবিধা হবে এবং এখান থেকে পুর্নাঙ্গ জ্ঞান লাভ করে বাস্তব জীবনে সেগুলোর প্রয়োগ করে নিজের চরিত্রকে আরো উন্নত করে নিজের ঈমানী বন্ধনকে আরো মজবুত করতে পারবে ইন শা আল্লাহ। একনজরে বইটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যঃ ◼️ কুরআন ও হাদিসের আলোকে সুন্দর চরিত্র গঠনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বর্ননা। ◼️গল্পের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সম্পর্কে পাঠদান। ◼️বাস্তব জীবনে সুন্দর চরিত্র চর্চার প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বিস্তারিতভাবে বিবরণ দেওয়া। ◼️সহজ,সরল ভাষায় প্রত্যেকটি বিষয় উপস্থাপন। ◼️সুন্দর অলংকরণ ও বিন্যাস। ◼️সর্বোপরি, বইটির সরল অনুবাদ বইটিকে পূর্নতা দান করেছে। ⬛শর্ট পিডিএফ পড়ে আমার পাঠ্যানুভুতিঃ বইটির পড়ার শুরুতেই যে বিষয়টি আমাকে মুগ্ধ করেছে সেটি হলো বইটির অলংকরণ ও বিন্যাস। এককথায় চমৎকার। যার কারণে বইটিতে মনোযোগ ধরে রাখা অনেকটাই সহজ হবে। তাছাড়া,বইটির অনুবাদ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বইটির সহজ ও সরল অনুবাদই বইটিকে পূর্নতা দান করেছে। প্রত্যেকটা অধ্যায়তেই কুরআন ও হাদিসের রেফারেন্স এর কারণে পাঠকের মনেও কোন বিষয় নিয়ে সন্দেহপ্রবনতায় ভোগার সুযোগ নেই। সবাই বইটি থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবে বলে আমি আশাবাদী। প্রত্যেক মুসলিমেরই বইটি একবার হলেও পড়ে দেখা উচিত। ⬛ যে কারণে বইটি আপনার পড়া উচিতঃ একজন মুসলিম হিসেবে উত্তর চরিত্র থাকা আমাদের সবারই আবশ্যক একটি বিষয়। উত্তম চরিত্র ঈমানী বন্ধন দৃঢ় করে,সবার সাথে সম্পর্ক সুন্দর করে ও আখিরাতের সফলতার পথের দিকে মানুষকে ধাবিত করে। তাছাড়াও একটি সুন্দর সমাজ গঠনের জন্যও এর গুরুত্ব অপরিসীম। উত্তম চরিত্র চর্চার মাধ্যমে বিষাক্ত সমাজকে অনেকটাই পুনর্গঠন করা সম্ভব। এর জন্য সর্বপ্রথম আমাদের নিজেরদেরকে বদলাতে হবে। তবে দিশেহারা পথিকের যেমন একটা নির্দেশনা প্রয়োজন তেমনি আমাদেরও এক্ষেত্রে একটি নির্দেশনা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আয়ান প্রকাশন থেকে প্রকাশিতব্য "দ্য বন্ড অফ ফেইথ" আপনার জন্য একটি দিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। আশা করি বইটিকে অনুসরণ করে আপনারাও পৌছে যেতে পারবেন আপনাদের কাংখিত সফলতায়। ইন শা আল্লাহ। ◼️ মুসলিম জাতির জন্য একটি ম্যাসেজ, ◾জীবনে চলার পথে আমরা সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না । অনেক সময় আমরা ভুল লোকের সাথে মিশের আমাদের সুন্দর চরিত্রকে কুলষিত করি । আমরা আল্লাহ তায়লার কাছে সবসময় এধরণের লোকের থেকে পানাহ চাইবো এবং এধরনের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করব না । এজন্য আমাদেরও বন্ধু নির্বাচনের জন্য কিছু জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব । "দ্য বন্ড অফ ফেইথ" বইটির বন্ধু নির্বাচন অধ্যায়টি এক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করতে পারবে । আমরা সবসময় ভালো মানুষকে আমাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করবো এবং এসব মানুষকে আমাদের সাথে মিশতে দিয়ে আমাদের পরকালীন সফলতাকে রহিত করবো না । আল্লাহ তায়লা সবাইকে সফলতা দান করুক । আমীন । ◼️বই পরিচিতিঃ ◾বইয়ের নামঃ দ্য বন্ড অব ফেইথ (দৃঢ় করো ঈমানী বন্ধন) ◾মূলঃ মুসআদ হুসাইন মুহাম্মাদ ◾অনুবাদকঃ আহলুল্লাহ মুনীব ◾সম্পাদনাঃ হামদুল্লাহ লাবীব ◾মুদ্রিত মূল্যঃ ২২০৳ ◾পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২ ◾বাইন্ডিং পেপারব্যাক ◾প্রকাশনায়ঃ আয়ান প্রকাশন

তাকওয়া মুমিনের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। যার মাধ্যমে কিয়ামত দিবসে মহান আল্লাহ মানুষে মানুষে পার্থক্য নির্ধারণ করবেন। স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আর আল্লাহ তাকওয়াবান ব্যক্তিদের বন্ধু (সূরা আল জাসিয়াঃ ১৯)। যে ব্যক্তি আল্লাহর বন্ধু হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করবে তার ইহকাল, পরকাল কতোটা উত্তম তা নিশ্চয়ই সবার জানা আছে আলহামদুলিল্লাহ্। তাকওয়া অর্জনকারী ব্যক্তির মর্যাদা সম্পর্কে আমাদের কিছুটা ধারণা থাকলেও তাকওয়া বলতে প্রকৃতপক্ষে কি বুঝায় এবং কিভাবে তাকওয়া অর্জন করা যায় এর সম্যক ধারণা আমাদের অনেকের নেই। তাকওয়া সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের জবাব খুঁজতেই আয়ান প্রকাশনের প্রকাশ্যিতব্য বই তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন। তাকওয়া মূলত কি? তাকওয়া বলতে বুঝায় মহান আল্লাহর ভয়ে শির্ক থেকে নিজেকে বিরত রেখে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে তাঁর দেওয়া আদেশ নিষেধ মেনে জীবন গড়া। তাকওয়ার পরিধি কেবল এতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর বিস্তৃতি সুবিশাল। তাই তো কুরআন হাদিসের দালিলিক আলোচনার ভিত্তিতে এর বিস্তারিত আলোচনায় হাজারো গুণীজন তাদের কলমের কালি ঝরিয়েছেন। শর্ট পিডিএফ থেকেঃ ------------------------------- শর্ট পিডিএফের সূচিপত্র থেকে দেখতে পাই বইটি সর্বমোট আটটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। যার মধ্যে কিছু অংশ পড়ার সুযোগ হয়েছে সেগুলো পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। ➤প্রারম্ভে তাকওয়া মূলত কি সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে তাকওয়ার অবস্থান, মহান আল্লাহর ইরশাদকৃত কুরআনের আয়াতের মাধ্যমে মুত্তাকিদের পরিচয় এবং পরকালের শ্রেষ্ঠ পাথেয় তাকওয়া এই সম্পর্কিত আলোচনা মাধ্যমে প্রথম আলোচনার ইতি টানা হয়েছে। ➤দ্বিতীয় আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে আল্লাহকে ভয় করার বিষয়টি৷ ➤ তৃতীয় আলোচনায় উঠে এসেছে কালিমাতুত তাকওয়ার বিষয়। ➤চতুর্থ আলোচনার মুখ্য বিষয় তাকওয়া অর্জনের আবশ্যকীয় বিষয়সমূহ - নেক আমল করা ও গর্তিহ কাজ থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি। ➤ তাকওয়া অর্জনের জন্য যেসব বিষয় থেকে দূরে থাকা আবশ্যক যেমন শির্ক, কুফর, বিদাত ইত্যাদি বিষয়গুলো উঠে এসেছে পঞ্চম আলোচনায়। ➤ নবম আলোচনার ১ পৃষ্ঠা পড়ে বুঝলাম সেখানে তাকওয়া ও সবরের মধ্যবর্তী সংযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে৷ একজন তাকওয়াবান ব্যক্তিকে অবশ্যই সব ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর ভরসা করে ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বইটি কাদের জন্যঃ ---------------------------- উপরিউক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলার আর অপেক্ষা রাখে না বইটি নারী - পুরুষ, যুবা - বৃদ্ধ সকল মুসলমানদের জন্য আবশ্যকীয় একটি বই হবে ইন শা আল্লাহ। যেসব মুসলিম ভাই - বোনেরা তাকওয়া সম্পর্কিত কিছুটা ধারণা রাখেন তারা যেমন বইটি পড়ে সুস্পষ্ট, পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাবেন তেমনি একজন অজ্ঞাত পাঠক যার তাকওয়া সম্পর্কিত কোনো ধারণা নাই তিনিও বইটি পড়ে তাকওয়া সম্পর্কিত একটা স্পষ্ট ধারণা পাবেন ইন শা আল্লাহ্, কেননা বইটিতে একদম প্রাথমিক দিক থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে তাই আগের জ্ঞান না থাকলেও বুঝতে সমস্যা হবে না ইন শা আল্লাহ। বইটি কেনো পড়বেনঃ ------------------------------- তাকওয়াকে বলা চলে সৃষ্টিকর্তা ও বান্দার মধ্যবর্তী সেতুবন্ধন। একজন মুমিন ব্যক্তি তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেন। এককথায় বলতে গেলে যে বই তাকওয়া অর্জনের পথ দেখানোর মাধ্যমে আপনাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ করে ইহকাল ও পরকালীন জীবনের সফলতার পথ দেখাবে সেই বই না পড়ে কোনো উপায় আছে কি? শর্ট পিডিএফ থেকে সমালোচনাঃ ---------------------------------------------- বইটি সম্পর্কে সুস্পষ্ট মন্তব্য করা না গেলেও শর্ট পিডিএফ পড়ে যা বুঝলাম বইটি সকল মুসলমানদের জন্য অবশ্যপাঠ্য একটি বই হবে ইন শা আল্লাহ। বইটির সহজ প্রাঞ্জল মূল্যবান লেখা সাথে চমকপ্রদ প্রচ্ছদ পাঠকের হৃদয় কাড়বে ইন শা আল্লাহ্। তবে শর্ট পিডিএফে একটা অধ্যায়ের একটা দুইটা পেইজ দিয়ে বেশ কিছু অধ্যায় কাভার করা হয়েছে এই বিষয়টি ভালো লাগে নি, এর চেয়ে ১ম দিকের ১-২ টা অধ্যায় পূর্ণাঙ্গ তুলে ধরলে মনে হয় পাঠক হিসেবে বইটি সম্পর্কে আরেকটু ভালো ধারণা পেতাম। সর্বশেষ বলতে চাই বই সংশ্লিষ্ট সবাইকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দান করুক, আমিন। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা এই মহা-মূল্যবান বইটি পেতে যাচ্ছি আল্লাহ চান বইটি যেনো তাদের নাজাতের উছিলা হয় ইন শা আল্লাহ। ||বই পরিচিতি || বইঃ তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন মূল: ড. উমর সুলাইমান আশকার রহি. অনুবাদ: মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার। সম্পাদনা: সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ। মুদ্রিত মূল্য ৩২০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৯২ বাইন্ডিং- পেপারব্যাক প্রকাশনায়: আয়ান প্রকাশন
তাকওয়ার স্থান হল হৃদয়। নীরবে নিভৃতে, একাকী সর্বদা অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকার নামই হল তাকওয়া। তাকওয়া এমন এক সুতীব্র অনুভূতি যা সর্বদা অন্তরের নিভৃতে জাগ্রত রাখে, You are being watched by Allah Subhanahu taaala ‘আল্লাহ তাআলা সব সময় তোমাকে দেখছেন।’ তাকওয়া মুমিনের সম্বল, আখিরাতের সফরের গুরুত্বপূর্ণ পাথেয়। আল-কুরআনে সর্বাধিক উল্লিখিত এক মহৎ গুণ যা প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, কাছের অথবা দূরের সকল কল্যাণের আধার। অনুরূপভাবে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, কাছের অথবা দূরের সকল অন্যায় ও পাপাচারের বিরুদ্ধে তাকওয়া হলো মনের অতন্দ্র প্রহরী, প্রতোরোধক দুর্গ। যার মাঝে তাকওয়া নেই, সে ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না। কারণ, তাকওয়ার বদৌলতেই মানুষ ফুরকান (ভালো-মন্দের পার্থক্যকারী গুণ) লাভ করে। তাকওয়া বা আল্লাহভীতিই মানুষকে ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র গুনাহ থেকে বিরত রাখে যেমন তেমন ভালো কাজে উৎসাহী করে। দুনিয়াবি চাকচিক্যময় ফিতনায় আবর্তিত আদম সন্তানের তালাবদ্ধ অন্তরকে তাকওয়ার পরশে জাগিয়ে তুলতে আয়ান প্রকাশনার অনবদ্য প্রয়াস "তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন" বইটি।এটির লেখক ড. উমর সুলাইমান আশকার রহি. এবং অনুবাদ: মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার। প্রিভিউ পর্যালোচনা ---------------------------- পাঠকদের সুবিধার্থে একটি বাইশ পৃষ্ঠার ছোট্ট পিডিএফ উন্মুক্ত করা হয়েছে যা থেকে বইটির স্বরূপ ধারণা করা যায়। বইটির বিষয়বস্তু সজ্জিত হয়েছে প্রায় আটটি অধ্যায়ে বিভিন্ন শিরোনামে, আবার প্রতিটি অধ্যায়ের অধীনে রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট পরিচ্ছেদ। 🍂সূচিপত্র থেকে একঝলক🍂 সূচনাতেই আলোচিত হয়েছে: 📚তাকওয়ার পরিচয় 📚তাকওয়া ও কুরআন মাজিদ 📚তাকওয়া: ইবাদতের মহান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য 📚 মুত্তাকীদের পরিচয় 📚 তাকওয়া পরকালের শ্রেষ্ঠ পাথেয় 📚 আল্লাহ কে ভয় করো 📚কালিমাতুত তাকওয়া 📚তাকওয়া অর্জনের পদ্ধতি ও মাধ্যম 📚 কীভাবে অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি হবে 📚ইসলামে ও মুসলমানদের তাকওয়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ মূলত বইটির বিষয়বস্তু তাকওয়া অর্জনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, তাকওয়ার ফযীলত, তাকওয়া পরকালীন পাথেয় ও তাকওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ। তাকওয়ার জন্য আবশ্যকীয় বিষয়সমূহ ও তাকওয়া অর্জনের পদ্ধতি ও মাধ্যম প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। বইটির বিশেষত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ------------------------------------------------ ⬛বর্তমান যুগ ফিতনা বিশৃঙ্খলার যুগ, যে যুগে বৃষ্টির ন্যায় ঝরে পড়ে ফিতনা। নফসের কুমন্ত্রণা, শয়তানের ওয়াসওয়াসা এবং দ্বীনহীন পরিবেশ মানুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলছে যার ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত ডুবে যাচ্ছে ফিতনার সমুদ্রে। হারিয়ে ফেলছে পার্থিব শান্তি এবং আখেরাতের পাথেয়। মানুষের চারিত্রিক অবক্ষয়ের কারণ অন্তরে তাকওয়ার শূন্যতা। উম্মাহর ক্রান্তিকালে এমন একটি বই গাফেল হৃদয়কে জাগ্রত করে, আকুতি জানায় গাফিলতির চাদর ছেড়ে বেরিয়ে আসার। আমাদের পিপাসার্ত অন্তরে তাকওয়ার বীজ রোপণ করে সীরাতুল মুস্তাকিমের পথে অটুট রাখতে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, ইন শা আল্লাহ। ⬛আলোচ্য বইটি তাকওয়ার মাহাত্ম নিয়েই রচিত যেখানে তাকওয়ার গুরুত্ব ও মাহাত্ম নিয়ে কুরআন-সুন্নাহর বক্তব্য ও সালাফদের তাগিদ আলোচিত সুষ্পষ্ট ভাষায় রেফারেন্স ভিত্তিক আলোচিত হয়েছে। ⬛ বইটির ছোট্ট পিডিএফ টির হৃদয়গ্রাহী আলোচনা অন্তরে গভীর দাগ টানতে বাধ্য করে। মুমিন হৃদয়কে সতর্ক করে উপলব্ধি ঘটায় যে তাকওয়া মুত্তাকীদের বৈশিষ্ট্য জান্নাতের পাথেয় লাভের পথ। এই তাকওয়া মানুষকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করে, জাহান্নামের পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। স্মরণ করিয়ে দেয় তাকওয়ার অপরিসীম তাৎপর্য। আল কুরআনে যেখানে আল্লাহ তাআলা স্বয়ং বলেছেন, "আর তোমরা নিজেদের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করো, কেননা তাকওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয় । " (সূরা আল বাকারা; আয়াত ১৯৭) তাকওয়ার মাধ্যমেই অর্জিত হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি তথা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য। আদম সন্তানের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ। সুতরাং বক্ষ্যমাণ বইটি একটি সুষ্পষ্ট সতর্কীকরণ। ⬛প্রতিটি আমলের ক্ষেত্রে বান্দার নিয়ত খালেস হওয়া শর্ত। যদি বান্দার নিয়ত থাকে প্রসিদ্ধি অর্জন এবং লোক দেখানো তাহলে তাকওয়া সামান্যও অর্জিত হবে না। তাকওয়া অবলম্বন করা ব্যতীত প্রকৃত মুমিন হওয়া অসম্ভব। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে হলে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে হলে আবশ্যিকভাবে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তা জানেন যা তোমাদের অন্তরে রয়েছে।’ (সূরা মায়িদা: ৭) তাকওয়া তথা খোদাভীতির ফায়দা ও উপকারিতা এবং আবশ্যকীয়তা সহ মুত্তাকিদের ঘটনা এবং তাদের উত্তম পরিসমাপ্তির ব্যাপারে সুষ্পষ্ট ধারণা জোগান দেয় ‘তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন’ গ্রন্থটি। ⬛বইটির সহজ সাবলীল ঝড়ঝড়ে অনুবাদ এবং প্রাঞ্জল উপস্থাপন পাঠকের হৃদয়কে মুগ্ধ করবে। 📚এক নজরে বই পরিচিতি বই- তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন মূল: ড. উমর সুলাইমান আশকার রহি. অনুবাদ: মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার সম্পাদনা: সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ মুদ্রিত মূল্য ৩২০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৯২ বাইন্ডিং- পেপারব্যাক প্রকাশনায়: আয়ান প্রকাশন

▪️প্রারম্ভিকা: ____________________ ❝অবশ্যই জালেমরা একে অপরের বন্ধু। আর আল্লাহ তা'আলা হলেন মুত্তাকীদের বন্ধু।❞ -সূরা জাছিয়াহ; আয়াত: ১৯ আর তারাই মুত্তাকী, যারা আল্লাহভীরু ও পরহেজগার। আল্লাহভীরু, পরহেজগার মানেই হলো তাকওয়াবান। তাকওয়া এর শাব্দিক অর্থ হলো- নিজের নফসকে নেক আমলের মাধ্যমে গুনাহে লিপ্ত হওয়া ও আযাব থেকে বাঁচানো। শরিয়ভাবে তাকওয়ার পূর্ণাঙ্গ সংঙ্গা হলো- আল্লাহর ইবাদত করার মাধ্যমে ও শরিয়তের অত্যাবশকীয়, মুস্তাহাব আমলসমূহ করা, শরিয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ ও অপছন্দীয় আমল পরিহার করা। আয়ান প্রকাশনের এবারের প্রকাশিত বই তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন। বইয়ের শিরোনাম স্পষ্টত'ই জানান দিচ্ছে বই অভ্যন্তরে কী থাকছে। . ▪️বই অভ্যন্তরে: ____________________ তাকওয়ার মূল পরিচয়, একজন মুসলিমের জন্য তাকওয়াবান হওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ, মুত্তাকীদের পরিচয়, কীভাবে অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি হবে, তাকওয়া অর্জনের পদ্ধতি ও মাধ্যম, তাকওয়ার জন্য আবশ্যকীয় বিষয়, ইসলাম ও মুসলমানদের তাকওয়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ, তাকওয়া সম্পর্কিত আল্লাহর তা'আলার আদেশ, নবীগণের স্ব স্ব উম্মতকে তাকওয়াবান হওয়ার আদেশ দেওয়া, এই উম্মতকে বেশি বেশি অসিয়ত করা তাকওয়া অবলম্বন করার ব্যাপারে, তাকওয়া সম্পর্কিত নবী সাঃ এর বাণী, সালাফগণের মন্তব্য ইত্যাদি। অর্থাৎ একজন মুসলিম কীভাবে নিজেকে একজন মুত্তাকী হিসেবে গড়ে তুলবে! কীভাবে আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠতে পারবে! কীভাবে জান্নাত হাসিল করা সহজ হবে! আর কীভাবে ইহকাল, পরকাল উভয় জীবনে সফল হতে পারবে! তার সব কিছুই আলোচিত হয়েছে এ'বইয়ে। আর এ'সব কিছুই সম্ভব তাকওয়াবান হওয়ার মাধ্যমে। . ▪️শর্ট পিডিএফ থেকে পাঠ্যভিমত: ____________________________________ কেউ কেউ নির্জনে নফসের খায়েশ মেটাতে পাপকাজে মগ্ন হয়। আর কেউ কেউ আল্লাহ সব দেখছেন, আল্লাহ সকল গোপন বিষয়ে অবগত, এই ভেবে নিজেকে নিবৃত্ত করেন। সে আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হওয়ার ভয় করে। শর্ট পিডিএফে বইটির কিছু চুম্বকাংশ দেওয়া হয়েছে। ভূমিকা দেখে জানতে পারলাম বইটি ১৫টি আলোচনায় বিভক্ত। ১৫টি আলোচনায় তাকওয়ার আদ্যোপান্ত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বলা যায়, তাকওয়া সম্পর্কীয় এক তথ্য সমৃদ্ধ ভান্ডার এই বই। . ▪️বইটির প্রয়োজনীয়তা: _____________________________ সুরা বাকারায় বলা হয়েছে, ❝আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে যাও। নি:সন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। হে বুদ্ধিমানগণ, আর আমাকে ভয় করতে থাক।❞ (আয়াত: ১৯৭) উপরিউক্ত আয়াতখানি বলে দিচ্ছে বইটি আমাদের মানে মুসলিম সকলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায় তাদের জন্য মাস্ট রিড একটি বই। আর যারা তাকওয়া সম্পর্কে কিছুই জানে না তাদের জন্যেও বইটি দরকারি।কারণ, মৃত্যু আমাদের বলে-কয়ে আসবে না। আর মৃত্যুর আগেই আল্লাহভীতির মাধ্যমে সকল খারাপ কাজের জন্য তাওবাহ করা উচিত। তাকওয়া পরকালীন জীবনের জন্য সর্বোত্তম অবলম্বন। যে ব্যক্তি স্বচ্ছ ইমান, নেক আমল নিয়ে আসবে পরকালে সে-ই সফলকাম হবে। আর মুসলিমের গন্তব্য পরকাল। পরকালের সফলতার জন্য প্রত্যেকের উচিত তাকওয়াবান হওয়া। . ▪️উপসংহার: ________________________ মহানবী সা: বর্ণিত একটি হাদীস পড়েছিলাম এমন, ❝যে ব্যক্তি যত বেশি তাকওয়াবান, সে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট তত বেশি মর্যাদাবান।❞ আল্লাহ সবচে' বেশী ভয় পাওয়ার যোগ্য। অন্য কেউ নয়। আমরা এখন দুনিয়াবি অনেক কিছুকে ভয় করলেও আল্লাহকে থোড়াই কেয়ার করি। আল্লাহুম্মাগফিরলি! আল্লাহ যেমন ক্ষমাশীল, দয়াবান, তেমনি শাস্তি দানেও কঠোর। কুরআনে উল্লেখ আছে, যারা না দেখে রব্বকে ভয় করে ও বিশ্বাস করে তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাকওয়াবান হিসেবে কবুল করে নিক। তাকওয়ার মতো উত্তম গুণে গুনান্বিত করে দিক। আল্লাহর প্রিয়পাত্র হওয়ার তাওফিক দিক। আমিন। . ▪️বই পরিচিতি: _______________________ বই- তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন লেখক- ড. উমর সুলাইমান আশকার রাহি. অনুবাদ- মুহিবুল্লাহ খন্দকার সম্পাদনা- সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ প্রকাশনী- আয়ান পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৯২ মূল্য- ৩২০/-























