ফিতনা থেকে বাঁচুন
বই কালেকশন

Buy ফিতনা থেকে বাঁচুন Online in Bangladesh

লেখক: শাইখ ইউসুফ বিননূরী রহ.

4.74
(46 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শাইখ ইউসুফ বিননূরী রহ.
  • Publisher: আয়ান প্রকাশন
  • Number Of Pages: 192
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2025
৳ 210৳ 42050% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

📙ফিতনা থেকে বাঁচুন---------------------------------ফিতনা, এই নামটি শুনেই চমকে উঠলেন, চমকে উঠার কিছুই নেই। এটা তো মহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎবাণী। শেষ যুগটা হবে ফিতনার যুগ। এখন আমরা সেই যুগেই দিনাতিপাত করছি। ফিতনার এই কালো থাবায় মানুষ একেবারেই কাণ্ডজ্ঞানহীন হয়ে পড়েছে। সবাইকে গোলক ধাঁধায় ফেলে দিয়েছে। ফিতনার এই ভয়াবহতা দিন দিন এতোই বেড়ে চলেছে যে, বিশেষ থেকে সাধারণ কেউই এর থেকে নিরাপদ নয়।এখন এই নাজুক পরিস্থিতিতে ফিতনা থেকে কিভাবে বাঁচবো, পরিত্রাণের উপায় কি? লেখক বেশ গোছালোভাবে এখানে উপস্থাপন করেছেন। লেখক এখানে ফিতনাকে দু'ভাগে ভাগ করেছেন। ইলমী ফিতনা এবং আমলী ফিতনা। কোন্ ফিতনা কিভাবে প্রতিহত করতে হবে সেটাও অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।পাঠক! এ বইয়ের একেকটি লাইন যখন পড়বেন তখন মনে হবে এই ফিতনাগুলো প্রতিনিয়তই ঘটছে আমাদের সমাজে। যেমন-মনে করুন, দলের মধ্যে মতবিরোধ করা, অবাধে ফটো তোলা, বস্তুবাদীদের বস্তুবাদী ফিতনা, বিদ্বান ও কলামিস্টদের ফিতনা, নারী স্বাধীনতা ও বেপর্দার ফিতনা ইত্যাদি। এ জাতীয় অনেক বিষয় এখানে উল্লেখ করছেন। মোটকথা লেখক এ কিতাবে বর্তমান সমাজের যত অঙ্গনে ফিতনা ঢুকে পড়েছে সেগুলো সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করেছেন এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় কি হতে পারে তাও বিশেষ ভঙ্গিমায় ব্যক্ত করেছেন।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.74
(46 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Mohammad Ahasan Ullah
Mohammad Ahasan Ullah ভেরিফাইড
10 Jul 2021

#ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন পাঠ্যানূভুতিঃ শর্ট পিডিএফ পড়ার পর বইটিতে আমার অনুভূতি------ ----------- --------- ফিতনা এটি আরবী শব্দ । আরবীতে এর অর্থ হলাে “পরীক্ষা” । সব ধরনের পরীক্ষাকেই ফিতনা বলা হয় । এর অবশ্য আরও অর্থ রয়েছে। যেমন, বিপদ, আযাব, গযব, দাঙ্গা, গােলযােগ, সম্মােহন, আকর্ষণ, শিরক, কুফর, নির্যাতন ইত্যাদি । পরিভাষায় ফেতনা বলা হয় যেই জিনিস মানবিক জ্ঞান ও সংকল্পের কারণ হয় এবং তাকে সরল সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। চাই সেই বিচ্যুতি গবেষণা ভিত্তিকও হতে পারে কিংবা ভ্রান্ত চিন্তা ও কুপ্রবৃত্তির চাহিদা অনুসরনীয়ও হতে পারে । এর থেকে বুঝে আসে যে ফিতনার নানা দিক রয়েছে। রাসূল সা. বিভিন্ন সময় এ ধরনের ফিতনা অধিক পরিমাণে আসার ব্যাপারে সতর্ক করতেন। এক হাদীসে এসেছে হযরত উসামা রা. থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, নবী সা. মদীনার কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর আরােহণ করে বললেন, আমি যা দেখি তােমরা কি তা দেখতে পাচ্ছাে? ( তিনি বললেন ) বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার স্থান সমূহের মতাে আমি তােমাদের গৃহের মাঝে ফিতনার স্থান সমূহ দেখতে পাচ্ছি । ( সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৭৮ ) যে কারণে বইটি গুরুত্বপূর্ণঃ- ফিতনা! এই নাম শুনেই চমকে উঠলেন। চমকে উঠার কিছুই না। এটা তাে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষ্যদ্বাণী। শেষ যুগটা হবে ফিতনার যুগ । এখন আমরা সেই যুগেই দিনাতিপাত করছি। ফিতনার এই কালােথাবায় মানুষ একেবারেই কাণ্ডজ্ঞানহীন হয়ে পড়েছে। সবাইকে গােলকধাঁধায় ফেলে দিয়েছে। ফিতনার ভয়াবহতা দিন বাড়ছে। এখন আমাদের জন্য করণীয় কি? আমাদের জন্য যা করণীয় বইটিতে তা বাতলে দেওয়া হয়েছে। অনেক সুন্দর ভাবে। বইটি যেমনঃ- কিতাবটি অত্যন্ত চমৎকার । লেখক এ কিতাবে সমাজের যত অঙ্গনে ফিতনা ঢুকে পড়েছে । সেগুলা সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করেছেন । এবং এ ফিতনা থেকে উত্তরণের উপায় কী তাও তিনি বিশেষ ভঙ্গিমায় ব্যক্ত করেছেন । আমি আশিকরি পাঠকবর্গ কিতাবটি যদি একবার হলেও পাঠ করেন । অজানা অনেক বিষয়ের জ্ঞান লাভ হবে । জানা হবে না - জানা অনেক সমাধান । বইটি সুন্দর ও নির্ভুল করতে যথাযথ চেষ্টা করা হয়েছে । শেষ কথাঃ- যুগে যুগেই ফিতনা কম বেশি ছিল । প্রত্যেক জাতিই কমবেশি ফিতনার সম্মুখীন হয়েছে । সেই ধারাবাহিকতায় আমরা এমন একটা সময়ে এসে উপনীত হয়েছি যে , মানুষ এ সময়টাকে ফিতনার যুগ বলে আখ্যায়িত করে । সে হিসেবে বর্তমান যুগ হলাে ফিতনার যুগ । আর এ যুগে ঈমান টিকিয়ে রাখা সে তাে আগুনের আঙ্গার হাতে রাখার মতাে প্রায় । কারণ নবী কারীম আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদিসে ইরশাদ করেছেন- আমি দেখছি তােমাদের ঘরে বৃষ্টির ফোঁটার ন্যায় ফিতনা আসছে । লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ- মুহাম্মদ ইউসুফ, তার জন্ম , পাকিস্তানের পেশাওয়ার জেলার একটি ইলমী খান্দানে ১৩২৬ হিজরী মতান্তরে ১৯০৮ ঈসায়ী সনে জন্মগ্রহন করেন । মাহমুদুল হাসান ও জুনায়েদ বাবুনগরী । এই মহান ব্যক্তি নশ্বর এ প্রথিবী ছেড়ে ১৩৯৭ হিজরী মােতাবেক ১৯৭৭ ঈষায়ী ১৭ ই অক্টোবর সােমবার রফীকে আ’লার সান্নিধ্য লাভে ধন্য হন । বই পরিচিতিঃ- বইঃ ফিতনা থেকে বাচুন লেখকঃ শাইখ ইউসুফ বিননূরী রহ. অনুবাদঃ মারগুব ইরফান সম্পাদনাঃ আয়ান টিম প্রথম প্রকাশঃ জুন ২০২১ প্রকাশনায়ঃ আয়ান প্রকাশন পরিবেশনায়ঃ মাকতাবাতুন নূর

Mohammad Ahsan Ullah
Mohammad Ahsan Ullah ভেরিফাইড
10 Jul 2021

#ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন পাঠ্যানূভুতিঃ শর্ট পিডিএফ পড়ার পর বইটিতে আমার অনুভূতি------ ----------- --------- ফিতনা এটি আরবী শব্দ । আরবীতে এর অর্থ হলাে “পরীক্ষা” । সব ধরনের পরীক্ষাকেই ফিতনা বলা হয় । এর অবশ্য আরও অর্থ রয়েছে। যেমন, বিপদ, আযাব, গযব, দাঙ্গা, গােলযােগ, সম্মােহন, আকর্ষণ, শিরক, কুফর, নির্যাতন ইত্যাদি । পরিভাষায় ফেতনা বলা হয় যেই জিনিস মানবিক জ্ঞান ও সংকল্পের কারণ হয় এবং তাকে সরল সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। চাই সেই বিচ্যুতি গবেষণা ভিত্তিকও হতে পারে কিংবা ভ্রান্ত চিন্তা ও কুপ্রবৃত্তির চাহিদা অনুসরনীয়ও হতে পারে । এর থেকে বুঝে আসে যে ফিতনার নানা দিক রয়েছে। রাসূল সা. বিভিন্ন সময় এ ধরনের ফিতনা অধিক পরিমাণে আসার ব্যাপারে সতর্ক করতেন। এক হাদীসে এসেছে হযরত উসামা রা. থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, নবী সা. মদীনার কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর আরােহণ করে বললেন, আমি যা দেখি তােমরা কি তা দেখতে পাচ্ছাে? ( তিনি বললেন ) বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার স্থান সমূহের মতাে আমি তােমাদের গৃহের মাঝে ফিতনার স্থান সমূহ দেখতে পাচ্ছি । ( সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৭৮ ) যে কারণে বইটি গুরুত্বপূর্ণঃ- ফিতনা! এই নাম শুনেই চমকে উঠলেন। চমকে উঠার কিছুই না। এটা তাে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভবিষ্যদ্বাণী। শেষ যুগটা হবে ফিতনার যুগ । এখন আমরা সেই যুগেই দিনাতিপাত করছি। ফিতনার এই কালােথাবায় মানুষ একেবারেই কাণ্ডজ্ঞানহীন হয়ে পড়েছে। সবাইকে গােলকধাঁধায় ফেলে দিয়েছে। ফিতনার ভয়াবহতা দিন বাড়ছে। এখন আমাদের জন্য করণীয় কি? আমাদের জন্য যা করণীয় বইটিতে তা বাতলে দেওয়া হয়েছে। অনেক সুন্দর ভাবে। বইটি যেমনঃ- কিতাবটি অত্যন্ত চমৎকার । লেখক এ কিতাবে সমাজের যত অঙ্গনে ফিতনা ঢুকে পড়েছে । সেগুলা সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করেছেন । এবং এ ফিতনা থেকে উত্তরণের উপায় কী তাও তিনি বিশেষ ভঙ্গিমায় ব্যক্ত করেছেন । আমি আশিকরি পাঠকবর্গ কিতাবটি যদি একবার হলেও পাঠ করেন । অজানা অনেক বিষয়ের জ্ঞান লাভ হবে । জানা হবে না - জানা অনেক সমাধান । বইটি সুন্দর ও নির্ভুল করতে যথাযথ চেষ্টা করা হয়েছে । শেষ কথাঃ- যুগে যুগেই ফিতনা কম বেশি ছিল । প্রত্যেক জাতিই কমবেশি ফিতনার সম্মুখীন হয়েছে । সেই ধারাবাহিকতায় আমরা এমন একটা সময়ে এসে উপনীত হয়েছি যে , মানুষ এ সময়টাকে ফিতনার যুগ বলে আখ্যায়িত করে । সে হিসেবে বর্তমান যুগ হলাে ফিতনার যুগ । আর এ যুগে ঈমান টিকিয়ে রাখা সে তাে আগুনের আঙ্গার হাতে রাখার মতাে প্রায় । কারণ নবী কারীম আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদিসে ইরশাদ করেছেন- আমি দেখছি তােমাদের ঘরে বৃষ্টির ফোঁটার ন্যায় ফিতনা আসছে । লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ- মুহাম্মদ ইউসুফ, তার জন্ম , পাকিস্তানের পেশাওয়ার জেলার একটি ইলমী খান্দানে ১৩২৬ হিজরী মতান্তরে ১৯০৮ ঈসায়ী সনে জন্মগ্রহন করেন । মাহমুদুল হাসান ও জুনায়েদ বাবুনগরী । এই মহান ব্যক্তি নশ্বর এ প্রথিবী ছেড়ে ১৩৯৭ হিজরী মােতাবেক ১৯৭৭ ঈষায়ী ১৭ ই অক্টোবর সােমবার রফীকে আ’লার সান্নিধ্য লাভে ধন্য হন । বই পরিচিতিঃ- বইঃ ফিতনা থেকে বাচুন লেখকঃ শাইখ ইউসুফ বিননূরী রহ. অনুবাদঃ মারগুব ইরফান সম্পাদনাঃ আয়ান টিম প্রথম প্রকাশঃ জুন ২০২১ প্রকাশনায়ঃ আয়ান প্রকাশন পরিবেশনায়ঃ মাকতাবাতুন নূর

Kamrunnahar Mim
Kamrunnahar Mim ভেরিফাইড
10 Jul 2021

চারিদিকটা জুড়ে আছে ভয়ংকর ফিতনা। উম্মাহ আজ বাস করছে এক ফিতনাময় দুনিয়ায়। ফিতনার এই যুগে কখনো জেনে আবার কখনো অজান্তেই পড়ছি ফিতনার কবলে। আর এভাবেই ক্রমশই দ্বীন থেকে ছিটকে পড়ে যাচ্ছি অন্ধকার এক জগতে। জানা নেই ফিতনা কী! অথচ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন শেষ যুগের ফিতনার কথা৷ জানা নেই ফিতনার উদ্ভব কোথা থেকে হতে পারে, জানা নেই ফিতনার ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে , ফিতনার প্রতিকারের উপায় কী হতে পারে! ফিতনার এই যুগে তাই জরুরি হয়েছে উম্মাহকে ফিতনা সম্পর্কে অবগত করে কঠিন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করা। আর সেই উদ্দেশ্যে আয়ান প্রকাশনী থেকে খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হচ্ছে "ফিতনা থেকে বাঁচুন"। "ফিতনা থেকে বাঁচুন" বইটির লেখক শাইখ ইউসুফ বিননুরী রহ.। তিনি পাকিস্তানের পেশাওয়ার জেলার একটি ইলমী খান্দানে ১৩২৬ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শেখ আবদুল কাদের আফগানী এবং শেখ মুহাম্মদ সালেহ আফগানী এর সহচার্যে এসেছিলেন এবং শিক্ষা নিয়েছেন তাদের থেকে। এছাড়াও তিনি ফাতহুল মুলহিমের রচয়িতা শাব্বির আহমাদ উসমানী (রহ.) এর কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছেন এবং ইমামুল আসর মুহাদ্দিস মুহাম্মদ আনোয়ার শাহ কাশ্মেরী রহ. ও তার উস্তাদ ছিলেন। তিনি তাফসীর, হাদিস, ফিকহশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাতিল ফিরকার বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। আজীবন এসবের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন। কাদিয়ানীর বিরুদ্ধেও তার কঠোর আন্দোলন স্মরণীয়। তিনি ১৩৯৭ হিজরিতে মৃত্যুবরন করেন। বইটির নাম দেখেই অনুধাবন করা যায় বইটিতে বর্তমানের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় "ফিতনা" নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। শর্ট পিডিএফ জুড়ে ফিতনা কী, ফিতনার প্রকারভেদ, মুসলিম বিশ্বের দিকে ধেয়ে আসা ফিতনা, ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার উপায়ের আলোচনা থাকবে। এরপরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিতনা ছবি তোলা, ছবি নির্মাণ, ইস্তেখারা, চলমান যুগের ফেতনা, দলবিভক্তি সহ দলের মধ্যকালীন ফিতনা, দুনিয়াপ্রীতি, পাশ্চাত্যের নানা ফিতনা, নারী স্বাধীনতা, বেপর্দা সহ নানা ইলমি ও আমলি ফিতনা খুঁটিনাটি আলোকপাত করা হবে। এসবের বাহিরেও তাবলীগ, দাওয়াতভিত্তিক বেশ কিছু আলোচনা করা হবে বইয়ে। আধুনিক প্রজন্মের অস্থিরতা, চিন্তার কারণ,আধুনিক সভ্যতা আর শিক্ষার ক্ষেত্রে ফিতনাসহ মুসলিম উম্মাহর এই ক্রান্তিলগ্নের প্রতিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সব আলোচনায় সজ্জিত এই বই। ফিতনা আজ কোনো অজানা শব্দ নয়। চারপাশের এই ফিতনার মাঝে আজ উম্মাহ বড্ড অসহায়, বিষণ্ণ৷ তার দরকার নসীহা, দরকার ফিতনার অবসানে একধাপ এগিয়ে যাওয়া। সেই কাজকে সহজ করতে, অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া মুসলিমকে আশার আলো দেখাতে আমাদের এই ফিতনা নিয়ে আরও জানা প্রয়োজন। না জানলে সতর্কতা অবলম্বন সম্ভব নয়। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ বলেছেন, "আমি তোমাদের উপর ভয় করছি ফিতনা সম্পর্কে যেন তা ধোঁয়া। তাতে মানুষের অন্তর মরে যাবে। যেমন তার দেহ মরে যায়।" আজ পরাজিত মুসলিম সন্ধিহান তার ঈমান নিয়ে,অন্তর নিয়ে। অন্তর জাগ্রত হোক, পরাজয়ের গ্লানি মুছে যাক, উম্মাহ জানুক ফিতনা সম্পর্কে আর দূরীভূত করুক ফিতনা। বইটি ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র আর আপনারাও পড়ে অন্যকে জানান। আমি মনে করি, আয়ান প্রকাশনী নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বই উপহার দিতে যাচ্ছে পাঠককে। বইঃ ফিতনা থেকে বাচুন লেখকঃ শাইখ ইউসুফ বিননূরী রহ. অনুবাদঃ মারগুব ইরফান সম্পাদনাঃ আয়ান টিম প্রথম প্রকাশঃ জুন ২০২১ প্রকাশনায়ঃ আয়ান প্রকাশন

Ahmad Siddique
Ahmad Siddique ভেরিফাইড
10 Jul 2021

#ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন “আমি দেখছি— তোমাদের বাড়িঘরে বৃষ্টিবিন্দুর ন্যায় ফিতনা পতিত হচ্ছে!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে যতই বাড়ছে আমাদের দূরত্ব ততই বাড়ছে ফিতনার ভয়াভহতা ও অমাবশ্যার গাঢ়ত্ব-ঘনত্ব ৷ নিকটবর্তী হচ্ছে দাজ্জালের আগমন-মূহুর্ত ৷ মুসলিম উম্মাহর অভিশপ্ত শত্রু ইহুদী-খ্রিষ্টানরা সে-থেকে এ-পর্যন্ত সর্বদা আমাদের সমাজে চিড় ধরাতে সিদ্ধহস্ত ও বদ্ধপরিকর ৷ এখন ওরা আমাদের জাতিসত্ত্বার এক বিশাল অংশের উপর চালাচ্ছে নির্যাতনের স্টীমরোলার ৷ চালাচ্ছে ‘পাশবিক রাজত্ব’ ৷ আর আমাদের অন্য অংশ? তারা তো এখনও ফিতনার জালে আটকা পড়ে ঘুমের ঘোরে বেঘোর হয়ে আছে! আর ওরা এদের ঘুমকে স্থায়ী থেকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্যে রকমারি ফিতনার আয়োজন করেছে এবং করেই যাচ্ছে ৷ তাই তো আজ চারিদিক এতো অন্ধকার! চারপাশজুড়ে পাতানো ফিতনার জাল! এ-জন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপরের কথাটি বলেছিলেন যে, বৃষ্টির মতো অবিরত আমি তোমাদের বাড়িঘরে ফিতনা পতিত হতে দেখছি! এই সর্বগ্রাসী ফিতনা থেকে বাঁচতে হলে ফিতনাকে জানতে হবে, চিনতে হবে ৷ আশপাশকে জানাতে হবে, সতর্ক করতে হবে ৷ আমাদের জানানোর জন্যেই আয়ান প্রকাশনের এবারের আয়োজন ‘ফিতনা থেকে বাঁচুন’! ★ লেখক ও বই পরিচিতি: ‘ফিতনা থেকে বাঁচুন’-র লেখক আল্লামা ইউসুফ বিন্নূরী রাহিমাহুল্লাহ ৷ উপমহাদেশের ইলমী আকাশে তিনি এক প্রদীপ্ত তারকা, উলূমুল হাদীসের উজ্জ্বল নক্ষত্র ৷ তাঁর পরিচয় হিসেবে এতটুকু যথেষ্ট যে, তিনি আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী রাহিমাহুল্লার সুযোগ্য শাগরিদ ৷ তাঁর রচিত তিরমিজী শরীফের আরবী ব্যাখ্যাগ্রন্থ বিশেষজ্ঞমহলে বেশ সমাদৃত ও প্রশংসিত ৷ বিভিন্ন রচনাবলিতে পাঠক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁর দক্ষতার প্রমাণ পাবেন ৷ তাঁর জন্ম হয় ১৯০৮ সালে আর মৃত্যু হয় ১৯৭৭ সালে ৷ আমাদের আলোচ্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত ‘দাওরে হাযের কে ফিতনে আওর উনকা ইলাজ’-র অনুবাদ ৷ অনুবাদ করেছেন মুহতারাম মারগুব ইরফান ৷ লেখক এ বইয়ে সমকালীন বিভিন্ন ফিতনা ও তা থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন ৷ ★ বইটিতে যা রয়েছে: বইয়ের নাম থেকেই স্পষ্ট যে, লেখক এ গ্রন্থে মুসলিম উম্মাহর মাঝে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন ৷ তিনি এ গ্রন্থে প্রথমে আমাদের পরিচয় করিয়েছেন ফিতনার সাথে ৷ বয়ান করেছেন ফিতনার প্ৰধান দু’ ধারার ৷ বুদ্ধিবৃত্তিক (ইলমী) ফিতনা ও কর্মগত (আমলী) ফিতনা ৷ এরপর তাঁর আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে ফিতনার বিভন্ন উপশাখা বা উপধারায় ৷ দুনিয়াপ্রীতি, ছবি তোলা, নারীবাদ, বেপর্দা, জামাতের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধসহ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফিতনা, যা আমাদের সমাজকে ঘুণপোকার মতো ভেতর থেকেই ঝাঁঝরা ও ফোঁপরা করে দিচ্ছে—এমন সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই আলোচিত হয়েছে বইটির পাতায় পাতায় ৷ ★ বইটির গুরুত্ব ও গুণাগুণ: শর্ট পিডিএফ পড়ে বইটির গুরুত্ব যে কেউ অনুধাবন করতে পারবেন ৷ কারণ— → সমকালীন অনেক ফিতনার বিশ্লেষণ করা হয়েছে বইটিতে, ফলে এর মূলবার্তা অবশ্যই মুসলিম গণজাগরণের জন্য সহায়ক সাব্যস্ত হবে ৷ → লেখক শুধু ফিতনা আর সমস্যার কথা উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হন নি, সাথে সাথে বাতলে দিয়েছেন সমাধানের পথ ৷ → প্রয়োজনীয় স্থানে রেফারেন্স বা তথ্যসূত্র-প্রদান বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ৷ → সাবলীল ও সহজবোধ্যভাবে বিষয়গুলোকে পাঠকের দস্তরখানে পরিবেশন করা হয়েছে ৷ ফলে পাঠককে পাঠকালে কোথাও আটকাতে হবে না ৷ → মুহতারাম অনুবাদক বিভিন্ন স্থানে টীকা-টিপ্পনী যোগ করে লেখকের বয়ানকে আরও স্পষ্ট করেছেন, ফলে বইয়ের বার্তাগুলো পাঠকের কাছে খুব সহজেই ধরা দিবে ৷ সর্বোপরি বইয়ের বিষয়বস্তু বিবেচনায় বইটি খুবই গুরুত্ববহ ৷ বর্তমান সমাজের ভয়াবহ ফিতনার স্বরুপ উন্মোচন ও সমাধানপ্রদানে বইটি ফলপ্রসূ প্রমাণিত হবে আশা করি ৷ এমন একটি বই বাংলাভাষীদের সামনে নিয়ে আসায় প্রকাশক-অনুবাদক অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য ৷ আল্লাহ তাআলা লেখক-অনুবাদক-প্রকাশকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জাযায়ে খাইর দান করুন ৷ একনজরে বই পরিচিতি : ------------------------------------ ▪ বই : ফিতনা থেকে বাঁচুন ▪ লেখক : শাইখ ইউসুফ বিননূরী (রহি:) ▪ অনুবাদক : মারগুব ইরফান ▪ প্রকাশনায় : আয়ান প্রকাশন ▪ মূদ্রিতমূল্য : ২৮০/- ▪ পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৮৪ ▪ কভার : পেপারব্যাক

MUNSHI MAHADY HASSAN
MUNSHI MAHADY HASSAN ভেরিফাইড
10 Jul 2021

#ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন সম্প্রতি আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ভাইয়ের ভিডিও যারা দেখেছেন, তারা খেয়াল করেছেন তার ভিডিওর বিষয়বস্তুতে ‘শেষ জমানায় ও ফেতনা’ প্রাধান্য পেয়েছে। মূলত শেষ জামানার সাথে ফিতনা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মূলত প্রতিটি যুগে ফিতনা থাকলেও বর্তমানে নিত্য-নতুন মোড়কে যে হারে ফিতনার সয়লাব হচ্ছে, তাতে ব্যক্তি, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে এর মারাত্মক প্রভাব লক্ষণীয়।আল্লাহ তায়ালা বলেন- وَ الۡفِتۡنَۃُ اَشَدُّ مِنَ الۡقَتۡلِ “ ফিতনা হত্যার চেয়েও জঘন্য”। (সূরা বাকারা,আয়াত ১৯১) ‘ফিতনা’ আরবি শব্দ। আরবিতে এর অর্থ পরীক্ষা। পরিভাষায় ফিতনা বলা হয় যেই জিনিস মানবিক জ্ঞান ও সংকল্পের কারণ হয় এবং তাকে সঠিক ও সরল পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়।মূলত রাসুল (স) এর ওফাতের পরবর্তী সুযোগে ফেতনা থাকলেও, তাদের ঈমানী শক্তি ও ফিতনা সম্পর্কিত যথেষ্ট জ্ঞান থাকার কারণে তারা ব্যাপারটি মোকাবেলা করতে পেরেছেন। কালের পরিক্রমায় আমাদের ঈমানী চেতনা ও ফিতনা সম্পর্কিত জ্ঞান দুটোরই অবস্থা বেশ শোচনীয়। যেকোনো সমস্যা সমাধানের প্রথম ধাপ হলো —সমস্যার অস্তিত্ব স্বীকার করা। তাই উম্মাহর ক্রান্তিলগ্নে প্রতিটি মুসলিমের ফিতনা সম্পর্কে ধারণা রাখা ও পরিত্রাণের উপায় জানা জরুরী।হযরত মুজাহিদ (র)থেকে বর্ণিত, নবী করীম (স) বলেছেন, “অন্ধকার রাত্রির টুকরার মতো ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে একজন মুমিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে।তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রীর বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে ফেলবে।” [আল ফিতান–নুয়াইম বিন হাম্মাদ] ফিতনা নিয়ে জরুরি আলোচনা ও এর প্রতিকার নিয়ে লিখিত বই ‘দাওরে হাযের কে ফেতনে আওর উনকা য়িলাজ’। বইটি আয়ান প্রকাশন থেকে বাংলায় অনূদিত হয়ে ‘ফিতনা থেকে বাচুঁন’ নামে সদ্য প্রকাশিত হয়েছে। বইটির লেখক আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী (রহ)। তিনি পাকিস্তানের ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। কুরআন হিফজ ও প্রাথমিক শিক্ষা পিতার কাছে সম্পন্ন করার পর তিনি দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন।তিনি জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়্যা এর প্রতিষ্ঠাতা। তার বিভিন্ন রচনাবলী রয়েছে। তিনি জীবনভর বাতিল-ফিরকার সাথে লড়াই করে গেছেন। শর্ট পিডিএফ এ সূচিপত্র দেখে বইটির সম্পর্কে সুন্দর ধারণা পাওয়া যায়। বইটির লেখক শুধু ফিতনা ও তার প্রকারভেদ আলোচনা করেই ক্ষান্ত হননি,সাথে তিনি ফেতনার প্রতিকার এবং ফিতনা থেকে উত্তরণে বর্তমানে প্রচলিত বিভিন্ন দ্বীনি কার্যক্রমের বাস্তবতা নিয়েও আলোচনা করেছেন। যেমন- তাবলীগ জামাতের মাধ্যমে ইলমি ফেতনা বন্ধ করা সম্ভব নয়, ইস্তেখারার বাস্তবতা ইত্যাদি। সাথে বর্তমান যুগের বিভিন্ন প্রচলিত ফিতনা ও প্রধান্য পেয়েছে।সূচিপত্রের প্রতিটি শিরোনামে ছোট বড় আকারে প্রবন্ধ হিসেবে লেখা হয়েছে। প্রতিটি প্রবন্ধে প্রয়োজনীয় কুরআন ও হাদিসের আয়াত সাথে বর্তমানের করুণ পরিণতিকে একীভূত করে অত্যন্ত সহজবোধ্য ভাষায় লেখা হয়েছে। আশাকরি একটি ভাল গ্রন্থ হিসেবে সবার নিকট গ্রহণযোগ্য হবে। এমনিতে ফিতনা নিয়ে আমাদের জানাশোনা যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। অথচ এটি নিয়ে সবারই ধারনা রাখা জরুরি। রাসুল (স) বারবার আমাদেরকে ফিতনার ভয়াবহতা নিয়ে সতর্ক করেছেন। তাই ফিতনার জ্ঞান দিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করার ক্ষুদ্র প্রয়াস থেকে পড়তে পারেন বইটি।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)