

Buy শরহুল ফিকহিল আকবার Online in Bangladesh
লেখক: ইমাম আবু হানিফা (রা.)
- Author: ইমাম আবু হানিফা (রা.)
- Publisher: মাকতাবাতুস সুন্নাহ (ইসলামি টাওয়ার)
- Number Of Pages: 608
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ইসলামি আকিদা হল মুসলিম জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন মুসলমানের চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস ও ভেতরের সকল সুন্দর উপলব্ধি তার সবই বিশুদ্ধ আকিদার উপর নির্ভরশীল। আর এজন্যই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় দীর্ঘদিন ধরে মুসলিমদেরকে বিশুদ্ধ আকিদার জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেছেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো ইমান-আকিদা ও বিশ্বাসকে যারা সঠিকভাবে আত্মস্ত করেছেন, তাদেরকে তিনি "আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহ" বলে আখ্যা দিয়েছেন। হাদিস শরিফে "আমি ও আমার সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু আনহুমগণ যে আদর্শের উপর রয়েছি" বলে তিনি সে ঘোষণাই দিয়েছেন। ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ ইসলামি আকিদা বিষয়ে লিখেছেন সবার আগে। "আল ফিকহুল আকবার"।তিনি যখন আল ফিকহুল আকবার রচনা করেন তখন আকিদা ইলমুল ফিকহেরই অংশ ছিলো।ইলমুল ফিকহের তখন দু'টি শাখা ছিল, এক-আল ফিকহুল আকবার দুই-আল ফিকহুল আসগার। পরবর্তীতে আল ফিকহুল আসগারকে নিয়ে ইলমুল কিফহ স্বতন্ত্র শাস্ত্রের রূপ ধারণ করে।এবং আকিদা ইলমুল কালাম নামে আলাদা শাস্ত্রের রূপ ধারণ করে।এর পিছনে অবশ্য যৌক্তিকতাও ছিলো।কারণ তখন ইসলামের মূল ভিত্তি আকিদার উপর সর্বদিক থেকে চরমভাবে আক্রমন আসতেছিল। বাতিলদের আক্রমণ মোকাবেলা করতেই আকিদাকে ইলমুল কালাম নামে স্বতন্ত্র শাস্ত্র বানিয়ে একাডেমিকভাবে বাতিলদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছেন সালাফগণ। ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ সর্বপ্রথম আকিদার সমস্ত মাসআলা-মাসাইলের উপর বই লিখেছেন 'আল ফিকহুল আকবার'।এই পর্যন্ত আকিদা বিষয়ক যত বই লিপিবদ্ধ হয়েছে সমস্ত বইয়ে আল ফিকহুল আকবারের রেফারেন্স রয়েছে। সকল ইমাম,ফকিহ ও গবেষকগণ আল ফিকহুল আকবারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন,তা থেকে উপকৃত হয়েছেন। বর্তমানে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমূহ মতবিরোধ ও ফিতনার সময়ে প্রকৃত আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহর আকিদা-বিশ্বাস ও নীতি-আদর্শই হচ্ছে আমাদের জন্য একমাত্র গ্রহণীয় ও অনুসরণযোগ্য। আর এ বিষয়ে জগদ্বিখ্যাত ইলমি ব্যক্তিত্ব ইমাম আজম আবু হানিফা রাহি.-এর বিখ্যাত গ্রন্থ ফিকহুল আকবার হল একটি আকর গ্রন্থ। বক্ষমান গ্রন্থটি সেই ফিকহুল আকবারেরই অসাধারণ চমতকার একটি ব্যাখ্যা গ্রন্থ। ফিকহুল আকবারের বহু ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে।পাকিস্তানের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলিম মুতাকাল্লিমুল ইসলাম আল্লামা ইলিয়াস ঘুম্মান হাফিযাহুল্লাহ প্রায় সবগুলো ব্যাখ্যাগ্রন্থকে সামনে রেখে আল ফিকহুল আকবারের চমৎকার একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন।যার ছত্রে-ছত্রে ফুটে উঠেছে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহর আকিদা। প্রিয় পাঠক! আসুন স্বীয় হৃদয়কে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহর আকিদা-বিশ্বাসে পরিশুদ্ধ করতে গ্রন্থটি মনোযোগ দিয়ে পাঠ করি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অনুবাদে ইচ্ছাকৃত বিকৃতি করছে
আশারি মাতুরিদি আকিদাহ কে প্রমোট করা হয়েছে এই বই এ। ড.আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর ইসলামী আকীদা বইটা সব থেকে ভালো ।
Good book
তাবলীগ জামাত-দেওবন্দি আকীদার (আশারি-মাতুরিদি আকীদার) হুজুররা যখন ইমাম আবু হানিফার "ফিকহুল আকবর" (প্রকৃত হানাফি আকীদার) বই ব্যাখ্যা করে তখন হুজুররা যে কি পরিমাণ অপব্যাখ্যা করে, ভুল ব্যাখ্যা করে এবং মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নেয় তার একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ হলো এই বইটি। ইমাম আবু হানিফার "ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা বইটি পড়লে সম্মানিত পাঠক বুঝতে পারবেন। (https://www.rokomari.com/book/81486/al-fickhul-akbor-bonganubad-o-bakkha) -- এই বইয়ের পৃষ্ঠা ৯১-৯২ তে বলা হয়েছে, ফিকহুল আকবর হল ইলমে কালাম বা দর্শনশাস্ত্র। তারপর লিখেছে, ইমাম আবু হানিফা তার ছেলেকে বলেছেন "ইলমুল কালাম" শিখতে। ... অথচ ইমাম আবু হানিফার "ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বইটি পড়লে দেখবেন "ইলমুল কালাম" শিখতে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ("ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বইটির পৃষ্ঠা ১৪৬-১৫০ (রিপ্রিন্ট ২০২২) পড়লে পাঠক বুঝতে পারবেন) *** ইমাম আবু হানিফা (রঃ) বলেছেন: “যে ইলম আল-কালাম শিখে এবং অনুশীলন করে সে যিন্দিক (নাস্তিক) হয়ে যায় এবং তারা ইসলামের পরিমণ্ডলের বাইরে চলে যায়।” (সাইয়েদ নাসাইপুরী হানাফী, আল-ইতিকাদ, পৃষ্ঠা ১৭৭) *** ইমাম আবু হানিফা (রঃ) এর ছাত্র, ইমাম আবু ইউসুফ (রঃ) বলেছেন: “যে ইলম আল-কালাম শিখে সে যিন্দিক (নাস্তিক) হয়ে যায়” (ইবনে আবিল ইজ্জ হানাফী, শরহুল আকীদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৭৫) *** ইমাম মালেক (রঃ) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কালামের মাধ্যমে দ্বীন শিখে সে যিন্দিক (নাস্তিক) হয়ে যায়।" (আবু ইসমাঈল আল-হারাবী, ইলমুল কালাম ওয়া আহলিহি, ৪ঃ১১৫ নং ৮৭৩) *** ইমাম শাফেয়ী (রঃ) বলেছেন: "যারা ইলমে কালাম শিখে, তাদের জন্য আমার বিধান এই যে, তাদেরকে খেজুরের ডাল এবং জুতা দিয়ে পেটাতে হবে। এভাবে পেটাতে পেটাতে মহল্লায় ঘুরাতে হবে এবং বলতে হবে যারা আল্লাহর কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহ (হাদিস) বাদ দিয়ে ইলমে কালাম শিখে তাদের এই শাস্তি। " (ইবনে আবিল ইজ হানাফী, শারহুল আকিদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৭৫) (এই বক্তব্যগুলো "ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বইটির পৃষ্ঠা ১৪৬-১৫০ (রিপ্রিন্ট ২০২২) থেকে সংগৃহীত) -- এই বইয়ের পৃষ্ঠা ১২২ এ, আল্লাহ্ তা'আলার উপরে ঈমানের ৩ নং বিষয়ে কেবলমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার নামসমূহ আনা হয়েছে, কিন্তু "আল্লাহ্ তা'আলার সিফাত" এর উপর ঈমান আনার বিষয় টি খুব চালাকির সাথে সরিয়ে ফেলেছেন দেওবন্দি আকীদার (আশারি-মাতুরিদি আকীদার) হুজুর। ("ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বইটির পৃষ্ঠা ১৫৮-১৬০ , ২৩২-২৬০ (রিপ্রিন্ট ২০২২) পড়লে পাঠক বুঝতে পারবেন) -- এই বইয়ের পৃষ্ঠা ৬৬-৬৮ তে "ফিকহুল আকবর" বইয়ের সনদ নিয়ে বেশ কিছু তথ্য লুকিয়েছেন, মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়েছেন। "ফিকহুল আকবর" বইয়ের ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বইটির পৃষ্ঠা ১২৫-১৪০ (রিপ্রিন্ট ২০২২) পড়লে পাঠক বুঝতে পারবেন। -- আরও অনেক ভুল তথ্য ও অপব্যাখ্যার উদাহরণ এই বইটির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়। ছোট কলেবরে এই কয়েকটা উল্লেখ করলাম। এই ২ টা বই compare করলে সম্মানিত পাঠক ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রঃ) এর জ্ঞানের গভীরতা কত বিশাল বুঝতে পারবেন। আল্লাহ্ তা'আলা ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রঃ) কে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান বানিয়ে নিন। কি আর বলব, আমাদের হুজুররা যদি এভাবে অপব্যাখ্যা করে তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? দয়া করে, আলেম নির্বাচনে সতর্ক হন, পর্যাপ্ত যাচাই বাছাই করুন। আমাদেরকে আল্লাহ্ তা'আলা কান, চোখ, বুদ্ধি দিয়েছেন আমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। ***** ইসলামী আকীদা বুঝার একটা গুরুত্ব পূর্ণ মূলনীতি শেয়ার করতে চাই -- রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চাচাতো ভাই সাহাবিগণের মধ্যে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ তাফসীর বিশেষজ্ঞ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,"যে বাক্তি দ্বীন কে বানাবে নিজের ধারনা (Rational Thinking / যুক্তি / দর্শন) এর উপর নির্ভরশীল সে সর্বদা সন্দেহ তে পড়ে থাকবে। হক্ক পথ থেকে বক্রতায় নিমজ্জিত থাকবে, বক্রতায় বহুদূর চলে যাবে।" তারপর তিনি বলেন, "আমি আমার রবকে চিনি সে রকম যেমনটি তিনি নিজের পরিচয় নিজে দিয়েছেন, কোনও প্রকার যুক্তি / দর্শনের / চিন্তা -গবেষণার ধার না ধরে, আমি তাকে গুণান্বিত করি সেসব গুনে, যেভাবে তিনি নিজেকে গুণান্বিত করেছেন।" (সুয়ুতি, সাওনিল মানতিকই ওয়াল কালাম, পৃষ্ঠা ৫০) নাজদাহ আল হারুরি এ রকম আরও প্রশ্ন করেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে (সহিহ মুসলিম, হাঃ নং ১৮১২) ***** রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "অচিরেই আমার উম্মাত ৭৩ ভাগে বিভক্ত হবে। তার মধ্যে ১ টি দল জান্নাতে যাবে, বাকি সব গুলো দল জাহান্নামে যাবে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, সেটি কোন দল? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি এবং আমার সাহাবীরা যে মতের উপর প্রতিষ্ঠিত আছি, যে দল এর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।" (তিরমিজি হা/২৬৪১, হাকিম হা/১২৯, সনদ সহিহ হাসান)। *** সুপথপ্রাপ্ত ও বুদ্ধিমান মানুষদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ১। তারা মনোযোগ সহকারে কথা শুনে (বা পড়ে)। ২। শুনা বা পড়ার পরপরই মানে না, বরং যাচাই বাছাই করে, সঠিক ও উত্তমটা বের করার চেষ্টা করে। ৩। যা উত্তম ও সঠিক সেটি অনুসরণ করে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, "অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে। যারা মনোযোগ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ হেদায়েত করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান। (সুরা যুমার - ৩৯ঃ আয়াত ১৭-১৮) *** রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, কেয়ামতের আরও একটি আলামত হল নামধারী আলেম নামের মূর্খরা বিনা ইলমেই ফতোয়া দিবে। ফলে তারা নিজেরা গোমরাহ হবে এবং মানুষদেরকেও গোমরাহ করবে। (সহিহ বুখারি, কিতাবুল ইলম, হা/১০০, ৭৩০৭) (সহিহ মুসলিম, হা/২৬৭৩) *** ইমাম আবু হানিফা (রঃ) এর ছাত্র ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রঃ) বলেন, " ইসলামের এ ধ্বংস ও বিপন্নদশার জন্য দায়ী সূফী-দরবেশ, অসৎ-চরিত্রহীন আলেম ও রাজা-বাদশাহ রা"। (ইবনু কাসির, তাফসিরুল কুরানুল আজিম, ৪/১৩৮) *** ইমাম শাফেয়ী (রঃ) বলেন, "যে কেউ সূফীদের সংস্রবে চল্লিশ দিন অতিবাহিত করবে তার বুদ্ধি বিবেক কখনো ফিরে আসবে না।" (ইবনুল জাওজী, তাবলিসু ইবলিস, ৩২৭) ***** নিজে ও নিজের সন্তানকে জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখার জন্য প্রয়োজন ইসলামের সঠিক জ্ঞান। সবাইকে ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রঃ) এর "ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ" বইটি পড়ার অনুরোধ **** এই সব তথ্য পাঠক বিনা প্রশ্নে মেনে নিবেন সেই অনুরোধ আমি করছি না, শুধু সম্মানিত পাঠকবর্গকে এতটুকু অনুরোধ আপনারা এই তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করবেন। যাচাই-বাছাই করার পর যেটা সঠিক এবং উত্তম, সেটি গ্রহণ করবেন।

আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো,,, সবার পড়া উচিৎ























