সায়েন্সভেঞ্চার
বই কালেকশন

Buy সায়েন্সভেঞ্চার Online in Bangladesh

লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী

4.45
(65 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: নাঈম হোসেন ফারুকী
  • Publisher: প্রান্ত প্রকাশন
  • Number Of Pages: 304
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2021
৳ 428৳ 50014% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

“সায়েন্সভেঞ্চার" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ বানর থেকে কি আসলেই মানুষ এসেছে? টি রেক্স কি আসলেই ছােটো হয়ে মুরগি হয়ে গেছে? আসলেই কি এককোষী প্রাণী থেকে সকল জীবের জন্ম? তাই যদি হয়, সেই এককোষী প্রাণী আসলাে কীভাবে? কী বলে আসলে বিজ্ঞান? এইসব হাইথটের কথাবার্তা চলবে, পাশে পাশে চলবে অ্যাডভেঞ্চার । অ্যান্টম্যানের সমান ছােটো করে তােমাকে ছেড়ে দিয়ে আসব মজা পুকুরে, আণুবীক্ষণিক দানবরা ডাইনােসরের সমান বিশাল হয়ে ধাওয়া করবে তােমাকে। প্রচণ্ড শক্ত একটা ড্রিল মেশিনে ভরে তােমাকে পাঠিয়ে দিব পৃথিবীর কেন্দ্রে, তােমাকে স্বাগত জানাতে আসবে নরক থেকে উঠে আসা হাজার বছরের পুরনাে জীব। ঠান্ডায় তুমি ঠকঠক করে কাঁপবে ক্রায়ােজেনিয়ানের জমাট বাঁধা বরফের পৃথিবীতে, বহু নিচে তােমার জন্য ওঁৎ পেতে থাকবে অমর প্রাণীরা। তুমি ঝাপ দেবে। ডেভােনিয়ান সাগরের গভীরে, বিরাট বিরাট দাঁড়া নাড়িয়ে তােমাকে তাড়া করতে আসবে দানব বিছারা। বার্বিকিউ পার্টি দেবে জুরাসিকের ডাইনাে ঘেরা জঙ্গলে, খাবারে ভাগ বসাতে আসবে ডাইনােরাজ অ্যালােসরাস । তারপর একদিন, বহু কোটি বছরের বিবর্তনে পৃথিবীতে আবির্ভাব হবে মানুষ নামের প্রজাতির। তখন তুমি হানা দেবে আদিম গুহামানবদের ডেরায়, তাদের সাথে গলা মিলিয়ে গাইবে চার’শ ষাট কোটি বছরের বিবর্তনের গান। এটা গল্পের বই । বিজ্ঞানের গল্প ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.45
(65 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
85%
4
15%
3
0%
2
0%
1
0%
Roni Goswami
Roni Goswami ভেরিফাইড
30 Mar 2026

আমার বরাবরের মতোই বিজ্ঞান বিষয়ক কোনো বই খুব ভালো লাগে। বাংলা ভাষায় লেখা সেরা জীববিজ্ঞান ভিত্তিক বই এটা। আপনিও যদি হাড়িয়ে যেতে চান 460 কোটি বছরের ইতিহাসে। তাহলে দেরি না করে বইটি কিনে আপনা লাইব্রেরির সদস্য করে নিন।

Review Upload 1
Review Upload 2
Review Upload 3
Review Upload 4
Dipta Dhar
Dipta Dhar ভেরিফাইড
15 Oct 2025

Outstanding presentation! The book can make anyone crave science.

Rajib Debnath
Rajib Debnath ভেরিফাইড
26 Jun 2025

খুবই চমৎকার একটি বই, পৃথিবীর ইতিহাস জানার জন্য এই একটি মাত্রই ভালো লাগলো।

Tausif
Tausif ভেরিফাইড
17 Feb 2024

a quality book with a stunnnnnnnnnnnnnnnnning cover

Joyant Sheikhar Gupta Joy
Joyant Sheikhar Gupta Joy ভেরিফাইড
08 May 2023

বুক রিভিউ: সায়েন্সভেঞ্চার(৪৬০ কোটি বছরের ইতিহাস) লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০৪ মূল্য: ৪৫০ টাকা প্রকাশনী: প্রান্ত প্রকাশন রিডিং টাইম: বিরতি দিয়ে এক সপ্তাহ রেটিং: 1CB.75C28F5C28F5C28F5C29/460 কখনো কি জানতে ইচ্ছে হয় আমরা মানে দুই পায়ে ভর দিয়ে চলা মগজসম্পন্ন হোমো সেপিয়েন্স থেকে শুরু করে মগজহীন গাছপালার সৃষ্টি কিভাবে হয়েছে?প্রথম প্রাণের উদ্ভব কিভাবে হয়েছে? আমার আপনার পূর্বপুরুষ কে? আমরা কি আসলেই বানর থেকে এসেছি নাকি এক জোড়া নারী পুরুষ থেকে নাকি অন্য কিছু?এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে অ্যাডভেঞ্চারে চললাম।বিজ্ঞানের সাথে ৪৬০ কোটি বছরের ইতিহাস জানার অ্যাডভেঞ্চার। যার নাম দেয়া হয়েছে সায়েন্সভেঞ্চার। ১→ অ্যান্টম্যান হয়ে পুকুরে ঝাঁপ অ্যাডভেঞ্চারের শুরুতেই লেখক তার অলৌকিক ক্ষমতাবলে আমাকে এক মিলিমিটার সাইজের স্যুটে ভরে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছে। ভিন্ন কোনো জগতে চলে এসেছি বলে মনে হচ্ছে। সেখানে শৈবাল আমার সামনে নির্ভয়ে সাঁতার কাটছে।পাশেই পিঁপড়ার সমান ব্যাকটেরিয়ার দল পাতালতা গুলোকে পচাচ্ছে। আমাকেও পচিয়ে ফেলতে পারবে ওরা এখন।লেখক আগেই সাবধান করে দিয়েছে তাই ওদের থেকে দূরে গিয়ে প্যারানিমা বীভৎস ভাবে তার শিকারকে কিভাবে গিলে খাচ্ছে তা দেখছি।সারাজীবন পাঠ্যব‌ইয়ে পড়ে আসা হাইড্রা, ড্যাফনিয়াকে চোখের সামনে নিজের থেকে বড় বড় দেখছি।ওদের পাশ কাটিয়ে আরেকটু দূরে গিয়ে দেখলাম দুইটা অ্যামিবার বিয়ে হচ্ছে।পুকুর ট্যুর করতে করতে আরো অনেক জীবের দেখা পেয়েছি। লেখক তার লেখনী দিয়ে দেখতে বাধ্য করেছে। ২→ জার্নি টু দ্য সেন্টার অভ দ্য আর্থ এবার লেখক আমাকে অলৌকিক ড্রিল মেশিন কাম লিফটে করে পৃথিবীর কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে পাঠাচ্ছে। ড্রিলিং করতে করতে আমি পৃথিবীর ক্রাস্ট পার হ‌ওয়ার চেষ্টা করছি। তাপ, চাপ দুটোই বাড়ছে। একটু পরেই দেখা হয়েছে হাজার বছর বয়সী ব্যাকটেরিয়ার সাথে।তার থেকে বিদায় নিয়ে ড্রিল করতে করতে ক্রাস্টের শেষ অংশে পৌঁছে গেছি। তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। মাটির নিচের ম্যান্টল অংশের ট্যুর শুরু হবে এখন। হীরাদের জন্মস্থানে চলে এসেছি।পরিচলন প্রক্রিয়ায় পাথরগুলো অতিরিক্ত তাপ আর চাপের কারণে ম্যাগমায় পরিণত হচ্ছে।ম্যান্টলের গভীরের প্লেটগুলো থেকে ভূমিকম্প কিভাবে হয় কিভাবে এতো মহাদেশ হলো সেগুলো বুঝিয়ে লেখক আমাদের নিয়ে যাবে পৃথিবীর কোর অংশে।সেই সাথে এই কোর অংশ কিভাবে আমাদের রক্ষা করছে তা বুঝিয়ে আরো গভীরের দিকে র‌ওনা দিবে। অবশেষে পৌঁছে গেছি পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে যেখানে মাথার উপর ৪৮ হাজার হাতির সমান চাপ আর সূর্যের পৃষ্ঠের সমান তাপ। ৩→ প্রাচীন পৃথিবী: ৪৬০ কোটি বছরের ইতিহাস এবার শুরু হচ্ছে ৪৬০ কোটি বছরের প্রাগৈতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার। এই ইতিহাস আমার,আপনার, আপনার বাড়ির পোষা বিড়ালটার, আপনার বাড়ির পাশের আম গাছটার। এই ইতিহাস প্রতিটা জীবের। তো শুরুতেই লেখক প্রাণ,বিবর্তন আর ফসিল সম্পর্কে বুঝিয়ে নিচ্ছে যাতে এই ৪৬০ কোটি বছরের অ্যাডভেঞ্চারটা সহজ হয়। লেখক টাইম মেশিনে করে পৃথিবীর জন্মলগ্ন, শৈশবকাল ঘুরিয়ে দেখাচ্ছে।আমরা এখন আছি হেডিয়ান যুগের নারকীয় পৃথিবীতে। লেখক আমার আপনার তথা প্রতিটা জীবের পূর্বপুরুষ মহামান্য লুকার সাথে দেখা করিয়েছে। ‌আর্কিয়ান ইওনে অক্সিজেনের জন্য সায়ানোব্যাকটেরিয়াদের আত্মত্যাগ দেখে তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ হয়ে গেছি। এবার ২৫০ কোটি বছর আগের প্রোটারোজয়িক ইওনে আছি। বহুকোষীদের ডেলিভারি দেখছি। মাইটোকন্ড্রিয়া আর প্লাস্টিডের জন্ম দেখলাম এইমাত্র। ঘুরতে ঘুরতে শীতকাল চলে এসেছে। প্রায় দশ কোটি বছর থাকবে এই শীতকাল। পুরো পৃথিবী এখন সাইবেরিয়া হয়ে গেছে। বরফের উপরে কোনো প্রাণের চিহ্ন না থাকায় লেখক বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা মহাসমুদ্রে আমাকে নিয়ে ঝাঁপ দিলো। সেখানে আদিম এককোষীদের সাথে পরিচয় হয়েছে। এবার লেখক সাগরের আরো গভীরে নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সফল প্রাণী স্পঞ্জের সাথে আলাপ করালো। দীর্ঘ শীতকাল‌ শেষ করে এবার পৌঁছালাম এডিয়াকারান যুগে, আদিম উদ্ভট চেহারার প্রাণীদের যুগ চলছে এখন, এখনো সমুদ্রের তলদেশেই আছি।ছত্রাকের জন্ম হলো একটু আগে।আশেপাশে চার প্রতিসম প্রাণী দেখছি। এডিয়াকারানের তথা প্রোটারোজয়িক ইওনের শেষের দিকে চলে এসেছি। স্প্রিগনা, ট্রাইলোবাইট, প্রোটোস্টোম, ডিউটেরোস্টোমদের থেকে বিদায় নিয়ে লেখক ফ্যানরোজয়িক ইওনে নিয়ে চলে এসেছে। এই ফ্যানরোজয়িক ইওনের তিনটা বাচ্চা আর বারোখানা নাতি আছে। এবার ক্যাম্ব্রিয়ান যুগে আছি, পিকাইয়া আর ম্যারেলা ভাজা খাচ্ছি সেইসাথে এই যুগের অ্যানোম্যালাকারিস আর হ্যালিউসিজেনিয়া ইত্যাদি নিয়ে লেখকের লেকচার শুনছি।লেখক বেশ কিছু মেরুদন্ডী প্রাণীদের সাথে পরিচয় করালো। মেরুদন্ডী প্রাণীদের সম্ভাব্য প্রথম পূর্বপুরুষের সাথেও আলাপ করালো।এ যুগে যথেষ্ট কারণের সাথেই প্রাণীরা দ্রুত বিবর্তিত হচ্ছে। বিবর্তনের এই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীতে আংশিক মাছ জাতীয় প্রাণীর আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। লেখক টাইম মেশিনে করে অর্ডোভিসিয়ান যুগে নিয়ে এসেছে।আশেপাশে হাতের তালুর সমান মস।এরাই আপনার বাড়ির পাশের গাছটার পূর্বপুরুষ।লেখক ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে শামুক ঝিনুক ও তাদের দূরের আত্মীয়দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। অর্ডোভিসিয়ান জায়ান্টদের‌ও চিনিয়ে দিলো। বর্তমান পৃথিবীতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বাড়লেও অর্ডোসিয়ান যুগের শেষের দিকে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কমে গিয়ে পৃথিবী আবার জমে বরফ হয়ে যায়। ঐ যুগের শেষে মাত্র ১৪% প্রজাতি জীবিত থাকে। যাদের নিয়ে সাইলুরিয়ান যুগ শুরু হচ্ছে। লেখক টাইম মেশিনে বসে বেশ ভয়ে ভয়ে এ যুগের প্রাণীদের চিনিয়ে দিচ্ছে।এ যুগের সমুদ্র ভয়ানক কাঁকড়া বিছায় ভরপুর। লেখক ই‌উরেপ্টিডদের মতো কাঁকড়া বিছার কাছে নিয়ে যেতে চাচ্ছে না। তাই টাইম মেশিন স্টার্ট দিয়ে চলে এলাম পরবর্তী ডেভোনিয়ান যুগে। এসেই লেখক রাইনিওগ্ন্যাথা←ইকথাইওস্টেগা← জায়েকিলোপ্টেরাস← ডাঙ্কলিওস্টিয়াসের সুন্দর একটা খাদ্যশৃঙ্খল দেখালো। এ যুগেই প্রথম বড় গাছ আর চোয়ালযুক্ত মাছের দেখা মিলেছে। এদেরকে ফেলে রেখে চললাম কার্বোনিফেরাসের যুগে চললাম।বর্তমানে যে কয়লা ব্যবহার করা হয় সেগুলো এই যুগের সম্পত্তি। চারপাশে দুই-তিন ফুট লম্বা ফড়িং উড়ে বেড়াচ্ছে। লেখক বললো সেগুলো গ্রিফিনফ্লাই। একটুদূরে ১৬৬টা দাঁত ওয়ালা প্রাণীকে দেখিয়ে বললো ওটা ওফিয়াকোডন। এর পরে লেখক এই যুগের সিড রাজকুমারদের কাহিনী বলতে শুরু করেছে। কাহিনী শুনতে শুনতে চলে এলাম প্যালিওজোয়িক ইওনের শেষ যুগ পার্মিয়ানে।লেখক এখন ডাইমেট্রডন, গরগনপ্সিড ইত্যাদির গল্প বলছে। গল্প শুনতে শুনতে চলে এলাম পার্মিয়ানের শেষে দিকে, এখন থেকে প্রায় ২৫ কোটি বছর আগে। চোখের সামনে পারমিয়ান-ট্রায়াসিক এক্সটিঙ্কশন দেখছি। পৃথিবী ঘন কালো অন্ধকারে ছেয়ে গেছে। সূর্যের আলোর অভাবে জল স্থলের সিংহভাগ প্রাণী মারা যাচ্ছে। চারপাশে শুধু লাশ আর লাশ।লাশের স্তুপের উপর দিয়ে চলে যাওয়া একটা প্রাণীকে দেখিয়ে বললো এটাই আর্কোসর। আগামী ১৫ কোটি বছর এর বংশধররা রাজত্ব করবে, টাইম মেশিন স্টার্ট করো,চলো মেসোজোয়িকে। এ যুগের শুরু ট্রায়াসিকে গিয়ে প্রথমেই দেখা হলো ইকথাওসর শনিসরাসের সাথে। এটা কি তা জানতে হলে ব‌ইটা পড়ে ফেলুন।আশেপাশে অনেক পাইন গাছ। সেগুলোর ডালে প্ল্যাটিওসরাসরা বসে আছে। দূরের জলাভূমিতে একটা ইউর ্যাপ্টার প্যারাসুচার ধরে খাচ্ছে। তার লাঞ্চে ডিস্টার্ব না করে লেখক জুরাসিকে নিয়ে চলে এলো। চলে এলাম ডাইনোসরদের পৃথিবীতে। বর্তমান থেকে প্রায় বিশ কোটি বছর আগের পৃথিবীতে আছি।লেখকের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে এই জুরাসিক অ্যাডভেঞ্চার বেশ দীর্ঘ হতে চলেছে। দূরের ফার্নের জঙ্গলগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছে ৯০ ফুট লম্বা জিরাফোটাইটান দম্পতি।লেখক এই যুগের প্রাণীদের বর্ণনা দিচ্ছে, নানা জাতের উদ্ভট নামের টিকটিকির কথা বলছে। মাংসাশী তৃণভোজী বিভিন্ন ধরণের ডাইনোসরদের সাথে আলাপ করালো। সেই সাথে ম্যামালদের দেখিয়ে দেখিয়ে বর্ণনা দিচ্ছে।ডাইনোসরদের দেখতে দেখতে তাদের বিলুপ্তির সময়কালের কাছাকাছি চলে এসেছি। এখন ক্রেটাসিয়াস যুগের ভারতীয় উপমহাদেশে আছি।এখনি টাইম মেশিনের উপর দিয়ে ১৩০ ফুট লম্বা পাতাগোটাইটান চলে গেলো। লেখক আমাকে শুরুতে যে পুকুরে নামিয়ে ছিলো তার সামনে টাইম মেশিন ল্যান্ড করেছে।এই প্রাগৈতিহাসিক পুকুরে এখন ৪০ ফুট লম্বা কুমির ডেইনোসুচাস একটা টি-রেক্সের মাথা চিবাচ্ছে। কুমিরের ব্রেকফাস্ট দেখতে দেখতে লেখক এ যুগের প্রাণীদের বাইট ফোর্স, গতি নিয়ে বেশ সহজ একটা লেকচার দিলো।টাইম মেশিনের উপরে আর্কিওপ্টেরিক্স বসেছে। এখনো আমাদের খেয়াল করে নি। লেখক আর আমি টাইম মেশিনে ঢুকে পরে আরেকটু ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে গেলাম। যাওয়ার আগে আর্কিওপ্টেরিক্সের একটা পালক ছিঁড়ে এনেছি। দুই কোটি বছর পরের সময়ে চলে এসেছি। টাইম মেশিনের সাথে একটা সাইনোসরেপ্টেরিক্সের ধাক্কা লেগেছে, ব্যথাও পেয়েছে। উপর দিয়ে ভেলোসির ্যাপ্টরের তাড়া খেয়ে কনফুসিয়র্নিস পালাচ্ছে। আমি, লেখক আর আমাদের থেকে কয়েক মিটার দূরে বসে থাকা থেরিজাইনোসরাস সেটা দেখছিলাম।লেখক এদের বিবর্তন নিয়ে আবার বেশ লম্বা লেকচার দিয়ে সিটে বসেছে।টাইম মেশিনের পেছন দিকে অ্যাঙ্কাইলোসরাস আর ট্রাইসেরাটন্সের ঝগড়া লেগেছে।আঘাত পেয়ে ট্রাইসেরাটন্স আমাদের টাইম মেশিনের উপর আছড়ে পরতে পারে সেইজন্য লেখক আরেকটু ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা শুরু করলেন। যেতে যেতে ম্যামলদের নিয়ে কিছু তথ্য দিলেন। সেই সাথে সাগরে দানবীয় কচ্ছপ আর্কিলন, মেজোসর, প্লেসিওসর ইত্যাদি প্রাণীদের‌ও দেখালেন। নিয়ে চলে আসলো ক্রেটাসিয়াসের শেষের দিকে। পৃথিবীতে পঞ্চমবারের মতো প্রাণীজগতে ধ্বংস হচ্ছে। কয়েক কোটি বছর ধরে দাপিয়ে বেড়ানো ডাইনোসর আর নেই। প্রাণীজগতের চার ভাগের একভাগ শুধু জীবিত আছে। এবার সময় এসেছে ম্যামালদের রাজত্ব করার। প্রকৃতি তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছে। শুরু হচ্ছে সিনোজোয়িক মহাযুগ।যার শুরু হচ্ছে প্যালিওজিন‌ দিয়ে। গাছের গাঁ বেয়ে দুই ইঞ্চি লম্বা টাইটানোমাইরা সারি বেঁধে উপরে উঠে যাচ্ছে। সেই সারি ভেঙে দিয়ে টাইটানোবোয়া গাছকে পেঁচিয়ে ধরে ঝুলে আছে।একটু পরে উড়ে এসে গ্যাস্টর্নিস গাছে বসতেই টাইটানোবোয়া কপ করে কামড়ে ধরলো।লেখক এখন ট্রি এঁকে তিমির বিবর্তন বুঝাচ্ছে। আরো ভবিষ্যতের দিকে যাবার আগে লেখক একটা দুই ফুট লম্বা একটা প্রাণীকে দেখিয়ে বললো এই প্রাণীটার কোনো ভাই আমার তোমার আদি পূর্বপুরুষ। এটার নাম ডার‌উইনিয়াস। নিওজিন যুগে আছি,এবার বনমানুষদের জন্মানোর সময় হয়েছে।লেখক এই সময়ের সাগর দাপিয়ে বেড়ানো মেগালোডনের একটা গল্প শুনালেন।উল্কাপাতে গর্ত গিয়ে প্রাণ রক্ষাকারী পার্গেটোরিয়াসরা মহাসুখে দিনযাপন করছেন এখন।এদের কোনো ভাই/বোন হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষ।লেখক প্রাইমেটদের কমন বৈশিষ্ট্য নিয়ে খুব সুন্দর লেকচার দিলো।প্রাইমেট সিমিয়ানদের শহরে এসে পরেছি এখন। অ্যাডভেঞ্চারে এই প্রথম আমাদের কাছাকাছি লেভেলের প্রাণী দেখছি। টাইম মেশিন থেকে বের হয়ে চারপাশ দেখছি। মাথার উপর দিয়ে সাঁই করে কি যেনো একটা চলে গিয়ে গাছে থাকা প্ল্যাটারহিনকে ধরে নিয়ে গেলো। লেখক বললো এটা এ যুগের সবচেয়ে বড় পাখি থান্ডারবার্ড আর্জেন্টাভিস। সবচেয়ে বড় গন্ডার প্যারাসেরাথেরিয়াম‌ও আশেপাশে ঘুরঘুর করছে। জায়গা সুবিধার না আরেকটু ভবিষ্যতে যেতে হবে।যেতে যেতে আদিম এইপ, আর্ডিপিথেকাস আর অস্ট্রেলোপিথেকাসের‌ সাথেও দেখা হয়েছে। কোয়ার্টার্নারি অর্থ্যাৎ আমাদের যুগে এসে পরেছি। শুষ্ক ঘাসে ফাঁকে ফাঁকে উলি ম্যামথের তাড়া খাচ্ছে স্মিলোডন, টাইম মেশিনের একটু দূরেই মেগালোসিরাস হেঁটে বেড়াচ্ছে। সেই প্রাগৈতিহাসিক পুকুরে পানি খেতে এসেছে আর্কটোডাস।টাইম মেশিনে করে আরো ভবিষ্যতে দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। হোমো হ্যাবিলিস,হোমো জর্জিকাস,হোমো ইরেক্টাসদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করেছি। হোমো নিয়ানডার্থালদের আর হোমো সেপিয়েন্সের সংসার দেখে খুব ভালো লাগছে।এক‌ই সাথে তাদের যুদ্ধ দেখেও খারাপ লাগছে। যুদ্ধে হেরে যাওয়া নিয়ানডার্থালরা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে।অন্য প্রজাতিদের বিপন্নতার মুখে ফেলে দিয়ে হোমো সেপিয়েন্সদের মুখে যুদ্ধ জয়ের তৃপ্তিমাখা হাসি। ৪৬০ কোটি বছরের অ্যাডভেঞ্চার এখানেই শেষ। সরি সায়েন্সভেঞ্চার। উদ্ভট সব নামের জন্য জীববিজ্ঞানকে খুব‌ই বিদঘুটে এবং বোরিং লাগতো। তবে এই ব‌ইয়ের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। কাল্পনিকতাকে পুঁজি করে লেখক প্রমাণিত ও বাস্তব সত্যকে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। অ্যাডভেঞ্চার নিয়ে গেছে কোটি কোটি বছর অতীতের।লেখকের লেখন শৈলী ও সবলীল ভাবে বুঝানোর দক্ষতা ঈর্ষনীয়। আরেকটা ভালোদিক হলো লেখক শেষে তথ্যসূত্র সংযুক্ত করে দিয়েছেন এবং ব‌ই/মুভি থেকে অনুপ্রাণিত হ‌ওয়া টপিকের ক্রেডিট দিতেও কার্পণ্য করেননি। ব‌ইয়ের বাইন্ডিং, কভার ও পেইজ কোয়ালিটি খুব‌ই ভালো ছিলো। ব‌ইয়ের বেশ কিছু ইভ্যুলিউশন ট্রি বুঝতে অনেকটাই কষ্ট হয়েছে।ট্রিগুলোকে আরেকটু সহজভাবে উপস্থাপন করা দরকার ছিলো বলে মনে হয়েছে। বেশ কিছু বানান ভুল ছিলো। পরবর্তী সংস্করণ অথবা সায়েন্সভেঞ্চার 2 তে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখার অনুরোধ করবো। আমি বিজ্ঞান পাঠক। পড়তে ভালোবাসি।বুক রিভিউ দেয়া পড়ার তুলনায় অনেকটাই কঠিন লাগে আমার কাছে। ব‌ইটা পড়তে গিয়ে চোখের সামনে যা ভেসে উঠেছে সেগুলোই রিভিউ হিসেবে লিখেছি। হ্যাপি রিডিং হ্যাপি জার্নি

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

I wanna buy this book is it available?

উত্তর

Dear customer, Yes, The book is available in stock—order before stock out. Thanks for your question.

প্রশ্ন

পেইজ সংখ্যা?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০৪। ধন্যবাদ।

প্রশ্ন

I wanna buy this book is it available?

উত্তর

Dear customer, Yes, The book is available in stock—order before stock out. Thanks for your question.

প্রশ্ন

পেইজ সংখ্যা?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০৪। ধন্যবাদ।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)