

Buy জেনেটিক্স : বংশগতিবিদ্যার সহজ পাঠ Online in Bangladesh
লেখক: আরাফাত রহমান
- Author: আরাফাত রহমান
- Publisher: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড(ইউ পি এল)
- Isbn: 9789845064286
- Number Of Pages: 207
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
বইটির চমৎকারিত্ব এর ইতিহাস-সচেতন উপস্থাপনায়। জেনেটিক্সের জ্ঞান কীভাবে ধাপে ধাপে বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেটার আকর্ষণীয় বিবরণের পাশাপাশি আধুনিকতম প্রযুক্তিগুলোও এখানে আলোচিত হয়েছে। মুখস্থবিদ্যার বদলে জেনেটিক্সকে বুঝতে সাহায্য করবে এই বই, এর ভাষাটাও সকলের উপযোগী। জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মতো মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার জন্য যারা নিজের জ্ঞানের ভিত মজবুত করতে চান, যারা ভবিষ্যতের গবেষক হয়ে উঠতে চান, এমন সকলেই এ বইটি থেকে উপকৃত হবেন। সৌমিত্র চক্রবর্তী সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই আক্ষেপ করে বলে “ইশ্! এই লেখাগুলো যদি বাংলায় থাকত! একবার বাংলায় পড়লেই বোঝা সহজ হয়ে যেত!” আমাদের শিক্ষার্থীদের এই দুঃখ অবশেষে ঘুচতে যাচ্ছে। আরাফাত রহমান সহজবোধ্য, আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল সহজ বাংলায় লিখেছেন বংশগতিবিদ্যা নিয়ে। জেনেটিক্সের গবেষণায় আমাদের পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ মাতৃভাষায় তেমন কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকা। বাংলায় এমন বই যত বেশি প্রকাশিত হবে, তত বেশি পাঠক তৈরি হবে, আগ্রহী গবেষক তৈরি হবে, বংশগতিবিদ্য তত বেশি মানুষের কল্যাণে আসবে। আদনান মান্নান সহযোগী অধ্যাপক, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বংশগতির জটিল বিষয় গুলো খুব সহজ ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে ❤️

চমৎকার একটি বই। খুব সহজে বোঝা যায়।


পেপারব্যাক করা চাররঙা এই বইটির প্রচ্ছদ, নকশা নিয়ে ইতোমধ্যেই অনেক প্রশংসার কথা এসেছে। আমি বরং সরাসরি বই এর বিষয়বস্তুতে যাই। প্রকৃতি আমাদের জীবনের মহাকাব্য লিখেছে নিউক্লিওটাইডস এর অনুক্রম দিয়ে। আমাদের গায়ের রং, উচ্চতা, বুদ্ধিমত্তা, চুলের রং, চোখের রং থেকে শুরু করে যাবতীয় বৈশিষ্ট্য কোষের ডিএনএ তে থাকা কিছু নিউক্লিওটাইডস এর অনুক্রম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সেসব অনুক্রমকে বলে জিন। এই জিন বংশানুক্রমে পিতা-মাতার এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যায়। বংশগতি নিয়ে মানুষের কৌতূহল ছিল সেই কৃষি বিপ্লব থেকেই। হিপক্রিটাস, অ্যারিস্টটল, ডারউইনসহ অনেকেই বংশগতিকে বোঝার চেষ্টা করে গেছেন। শেষে এই যুগান্তকারী কাজটা অনেকটাই করে ফেলেছিলেন অস্ট্রিয়ান ধর্মযাজক গ্রেগর জোহান মেণ্ডেল। মটরশুঁটি নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর গবেষণা করে মেণ্ডেলই প্রথম বলেন কিছু ফ্যাক্টর এর মাধ্যমে বংশানুক্রমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানের দেহে যায়। মেণ্ডেল এর এই থিওরি তখন মেনে নেন নি জীববিজ্ঞানের বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই। তার অবশ্য কারণও আছে। তখনও বিজ্ঞানীদের এটা জানা ছিল না যে, ‘’ক্রোমোজোম এ থাকা ডিএনএ-ই বংশগতবস্তু। আর ক্রোমোজোম কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ডিএনএ কে বংশানুক্রমে স্থানান্তরিত করে।’’ থমাস হান্ট মরগান, ফ্রেডরিখ মিশারসহ অনেক নামকরা জীববিজ্ঞানীও তখন বিশ্বাস করতেন ডিএনএ নয় প্রোটিন-ই বরং বংশগত বস্তু। তবে পরবর্তীতে মরগান-ই ফলের মাছি নিয়ে গবেষণা করে দেখান যে, মেণ্ডেল দেয়া থিওরিই সঠিক। তিনিই মেণ্ডেল এর ফ্যাক্টরকে জিন নামে অভিহিত করেন এবং বলেন জিন এর অবস্থান ক্রোমোজোম এ। বংশগতির এই ইতিহাস বেশ বিস্তারিত আর সুন্দরভাবে উঠে এসেছে জেনেটিক্স বইটায়। বইটার ইতিহাস বর্ণনা সন্দেহাতীত ভাবে পাঠকের মনে জায়গা করে নেবে। শুধু তাই-ই নয় মেণ্ডেল এর দেয়া সুত্রগুলোর সীমাবদ্ধতা কোন জায়গায়, বংশগতির নতুন শাখা এপিজেনেটিক্স, মিউটেশন কি- এই সব কিছুরই সহজ বাংলায় উপস্থাপন করা হয়েছে বইটিতে। ডিএনএ এর গঠন, ডিএনএ এর সংখ্যা বাড়ে কি করে, কি করে ডিএনএ তে থাকা জিন কাজ করে সেসব সম্বন্ধেও পাঠকের জ্ঞানতৃষ্ণা মিটবে আশা করি বইটি পাঠ করে। তাছাড়া ডিএনএ এর দ্বিসুত্রাকার গঠন আবিষ্কারের সেই বিতর্কিত প্রশ্ন, ফ্রান্সিক -ক্রিক কি রোজালিণ্ড ফ্রাঙ্কলিন এর ডিএনএ নিয়ে গবেষণার তথ্য চুরি করেছিল? তার উত্তরও মেলবে এই বইয়ে। বইটির সপ্তম এবং অষ্টম অধ্যায় দুটি আমার কাছে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে। এই অধ্যায় দুটি আলোচনা করেছে বর্তমান এর বেশ আলোচিত বিষয় জিনোম সিকোয়েন্স প্রযুক্তি এবং জিনোম সম্পাদনার প্রযুক্তি নিয়ে। সেই সাথে এই ক্ষেত্রে আমাদের ভবিষ্যৎ কি তাও বিশেষ গুরুত্বের সহকারে তুলে ধরা হয়েছে। কোন জীবের ডিএনএ তে থাকা সকল জিন এর সমষ্টিকে একসাথে বলে জিনোম। কোন জীব এর জিনোম এর অনুক্রম বের করে ফেলতে পারলে ঐ জীব এর বংশগতির বলা যায় সবটাই জানা হয়ে যাবে। জিনোম সিকোয়েন্স প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই মানুষকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে। এখন মানুষ চাইলেই পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকলে তার জিনোম সিকোয়েন্স করে জেনে ফেলতে পারবে তার বংশগতিতে কোন ত্রুটি আছে কিনা। বর্তমানে মানুষ ধীরে ধীরে তার নিজের বংশগতিকে নিজেই সম্পাদনা করার ক্ষমতা অর্জন করছে। ক্রিসপার ক্যাস-৯ এর মতন প্রযুক্তি গুলো দিয়ে জীবের জিনোম এ একদম জিন লেভেল এ গিয়ে পরিবর্তন করা যায়। বংশগত রোগের চিকিৎসায় এই আবিষ্কার একটা বিপ্লব তো বটেই। কিন্তু এর অন্য খারাপ দিকও আছে। মানুষেরা তাদের জিনোম নিজের ইচ্ছে মতন সম্পাদনা করার সুযোগ পেয়ে গেলে কল্পকাহিনীর ফ্রাঙ্কেস্টাইন কে সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে নিজেই নিজের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সংস্থা দাবী করে তারা দম্পতিদের উচ্চ গুন সম্পন্ন ভ্রুন নির্বাচন করে দিতে পারবে। এতে করে সমাজের প্রতাপশালী একটা অংশ নিজেদের ইচ্ছে মতন প্রজন্ম বাছাই এর সুযোগ পাবে। তাছাড়া জিনোম সম্পাদনা করে তারা ইচ্ছে মতন তাদের পরবর্তী প্রজন্মের জিনোম পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে। এইসব কতটা মানবিক বা ন্যায় তা এখন বিতর্কের বিষয়। সবশেষে বংশগতিবিদ্যা নিয়ে যারা একেবারেই নতুন তাদের জন্যে বাংলা ভাষায় এই বইটা দিয়ে শুরু করা একটা উত্তম সিদ্ধান্ত হবে। সেই সাথে যাদের ইতোমধ্যেই বংশগতি নিয়ে পড়াশোনা আছে তারাও বইটির রস আস্বাদন করতে পারবেন বলে আমার ধারণা।
Highly recommended for Genetic Engineering students.
ভার্সিটিতে ভর্তির শুরুতেই যদি এই বইটা পড়া থাকতো, তাহলে হয়ত অনেক কিছুই সহজ হয়ে যেত। স্কুল কলেজে থাকাকালীন সময়টাতে প্রচুর গল্প উপন্যাস পড়লেও, ইউনিভার্সিটিতে ওঠার পর আমি সবসময়ই চেষ্টা করেছি শুধু এমন বইগুলোই পড়তে যেগুলো বায়োলজিকাল সায়েন্স রিলেটেড হবে। সাথে সহজে বোধগম্য, ইন্টারেস্টিং এবং একাডেমিকে হেল্পফুল এমন ফিচারগুলোকেই প্রাধান্য দিয়ে এসেছি। আর আমার ইন্টারেস্টের সাথে শতভাগ মিলে গেছে এই বইটি। আমার রেটিংঃ ১০/১০ (মাস্টারপিস হিসেবে সংগ্রহে রাখার মতো ❤️)


প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Boita ki ace...?
জি, বইটি পাওয়া যাবে। অর্ডার করতে পারেন।
Boita ki ace...?
জি, বইটি পাওয়া যাবে। অর্ডার করতে পারেন।






















