

Buy প্রভুর ডাকে সাড়া দাও Online in Bangladesh
লেখক: শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
- Author: শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ , শাইখ সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহফি আলকাহতানী
- Publisher: আয়ান প্রকাশন
- Isbn: 9789849655503
- Number Of Pages: 168
- Language: বাংলা
- Edition: 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহর ইবাদাতের জন্য। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি মানব ও জিন-জাতিকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদাত বা দাসত্ব করার জন্য।’ [সুরা জারিয়াত, আয়াত : ৫২।] আর মানুষের এ দাসত্বের মনোভাব ফুটে ওঠে দোয়ার মধ্যে দিয়ে। তাই তো রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দোয়াই হলো ইবাদাতের মগজ বা মূল।’ [সহিহুল বুখারি, হাদিস : ৪১৪।] আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা না করে জাগতিক উপায়-উপকরণ ও জড়বস্তুর দিকে দু-হাত সম্প্রসারিত করে দিই। যার ফলে আল্লাহর প্রতি আমাদের আস্থা-ভালোবাসার ঘাটতি দেখা যায়। এ থেকে আমাদের ফিরে আসা উচিত। আমাদের উচিত পার্থিব জীবনে কোনো বস্তুর প্রয়োজনে প্রথমেই প্রিয় নবির শিখিয়ে দেয়া সালাতুল হাজাত পড়ে কাঙ্ক্ষিত বস্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে পড়া। ‘দোয়ার শক্তি অপরিসীম; কেবল দোয়াই পারে তাকদির বা ভাগ্য-লিখনকে বদলে দিতে।’ [সুনানুত তিরমিজি, হাদিস : ২১৩৯।] প্রিয় পাঠক! বইটির একটি বিশেষ দিক হলো, এখানে প্রতিটি দোয়া ও জিকির প্রেক্ষাপট সহকারে অনুবাদ করা হয়েছে। দোয়ার মর্মকথা ও প্রকারভেদ, দোয়ার মাহাত্ম্য, দোয়া কবুলের সময়, স্থান, শর্ত ও দোয়া কবুল না হওয়ার কারণ ইত্যাদি সকল বিষয়ে উদ্ধৃতিসহ বিশদভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের উচিত জীবনকে সুশোভিত করা। আর তা তখনই হবে, যখন রাসুলের জীবনাদর্শকে অনুসরণ করবে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
খুব ভালো! সবার পড়া উচিত
'প্রভুর ডাকে সাড়া দাও' আয়ান প্রকাশনের নতুন এই বইটি দ্বীনে ফেরা সম্পর্কিত পরিচিত ঘরানার বই। কিন্তু বইটির কন্টেন্ট ও সাধারণ আলোচনাই বলে দেয় কিছু ব্যতিক্রম তো নিশ্চয়ই আছে। যে দূয়ার মাধ্যমে আমরা ইহকাল ও আখিরাতের সমস্ত ভালোর প্রত্যাশা পূরণের আশায় থাকি, যদি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অজানা ভুলের কারণে দুয়াই কবুল না হয়, তাহলে আমাদের জীবনটাই যে বৃথা। দূয়া কবুলের শর্তের সাথে তাই দুয়ার আদবও রক্ষা করা চাই। জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ননা আমাদের নিজের সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ করে দেয় মৃত্যুর আগে। প্রজ্ঞা ও হিকমত লাভের জন্যও চাই বেধি বেশি দুয়া করা। দুয়া করারও সময় ও নিয়ম রয়েছে। দুয়া করার অভ্যাস ধীরে ধীরে বানদাকে রবের সান্নিধ্যে নিয়ে চলে। বইটির বেশিরভাগ অধ্যায় খুব পরিচিত। কিন্তু সম্পাদনা ও নিরীক্ষণের অভিপ্রেত লেখক দ্বয়ের পরিশ্রমলব্ধ লিখনশৈলীর অনুবাদকৃত জ্ঞানকে আরো সাবলীল ও সুখপাঠ্য করে তুলবে বলে আমার মতামত। বই- প্রভুর ডাকে সাড়া দাও (পেপারব্যাক) লেখক- শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ, সাইদ ইবনু আলি আল কাহতানি অনুবাদ- আব্দুল আহাদ তাওহীদ সম্পাদনা- আয়ান সম্পাদক টিম নিরীক্ষণ - সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ আয়ান প্রকাশন মুদ্রিত মূল্য - ৩২০ টাকা পৃষ্ঠা - ১৬৮
- ইবাদতের জগতে ফরয-ওয়াজিবের বাইরে বহু আমল আছে, যা একজন মানুষকে পূর্ণ মুমিন হতে সাহায্য করে। সে ধরনের একটি আমল হচ্ছে– দৈনন্দিন আল্লাহর নিকট দোয়া করা। দোয়া হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর মধ্যে একটি, যা বান্দা ও আল্লাহর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। দোয়ার মাধ্যমে বান্দা তার রবের কাছে সকলকিছু চাওয়ার মাধ্যমে রবের প্রতি নিজের আনুগত্য পূর্ণরুপে প্রকাশ করে। বান্দার ঈমান দৃঢ় হয়, বিশ্বাস আরও মজবুত হয়। বান্দা যখন দোয়া করে তখন সে তার রবের অত্যন্ত নিকটে চলে যায়। ▪️ আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, “আর আমার বান্দাগণ যখন আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করে, (তখন বলে দিন যে) নিশ্চয় আমি অতি নিকটে। আহ্বানকারী যখন আমাকে আহ্বান করে আমি তার আহ্বানে সাড়া দেই। কাজেই তারাও আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক, যাতে তারা সঠিক পথে চলতে পারে।” (সূরা আল-বাকারাহ : ১৮৬); - বিভিন্ন সময় আমরা বিভিন্ন বিপদ-আপদে পতিত হই। দুঃখ-দুর্দশা আমাদের অন্তরকে গ্রাস করে বসে। হতাশায় ফেলে দেয়। নিরুপায় হয়ে তখন আমরা দুনিয়াবী বিভিন্ন আশ্রয় খুঁজতে থাকি। অথচ, একজন মুমিনের তখন সর্বোচ্চ আশ্রয়স্থল হলো– আল্লাহর নিকট দোয়া করা। মনের গহীন থেকে অনুতপ্ত অন্তর নিয়ে– নিজেদের হীনতা, দূর্বলতা ও পাপের সমিষ্টি নিয়ে যদি আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর শিখিয়ে দেয়া ভাষায় বিষয়ভিত্তিক ভাবে আল্লাহর নিকট দোয়া করি, তাহলে তিনি আমাদের কখনোই ফিরিয়ে দেবেন না। এটা আল্লাহর ওয়াদা। আর কুরআন-হাদীসের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ‘১৫০ টি’রও অধিক দোয়ার সংকলন হচ্ছে “প্রভুর ডাকে সাড়া দাও” নামক বইটি। - বইটির লেখক আরবের উম্মাহ দরদী বিখ্যাত আলিম ‘শাইখ সালেহ আল মুনাজ্জিদ ও সাঈদ ইবনু আলি আল কাহতানি’ (হাফিজাহুমুল্লাহ)। পবিত্র কুরআন ও নববী হাদীসের বুকে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ‘১৫০ টি’র অধিক দোয়া দিয়ে বইটিকে সাজানো হয়েছে। মুমিন জীবনে দোয়ার মাহাত্ম্য, দোয়ার উপকারিতা, দোয়া কবুলের শর্ত, স্থান, সময়, দোয়ার আদব, দোয়ার ফলাফল, ইসমে আজম দিয়ে দোয়া করা ইত্যাদি নিয়ে বক্ষমাণ এই বইটিকে সুসজ্জিত করা হয়েছে। বইটির বিশেষত্ব হচ্ছে– হাদীসে দোয়া করার সময়ের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় রেফারেন্স প্রদান করা হয়েছে। - শর্ট পিডিএফে দীর্ঘ সূচিপত্রের সাথে ভিতরের দুই-তিনটি পেইজ সংযুক্ত করলে হয়তো আরেকটু বিস্তারিত বলা যেতো। তবে এটুকু বলা যেতে পারে, বক্ষমাণ এই বইটি আমাদের সকলের সংগ্রহে রাখা উচিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর শিখিয়ে দেয়া অর্থবহ বাক্য দিয়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, দৈনন্দিন কাজের সময়ে দোয়া করা নিঃসন্দেহে মুমিনের জীবনে আরো বারাকাহ নিয়ে আসবে। আত্মিক প্রশান্তি ও ইবাদতে তৃপ্তির স্বাদ উপভোগ করা যাবে। তাছাড়া, যেকোনো সময়ে প্রয়োজনীয় দোয়াগুলো খুব সহজেই হাতের নাগালে পাওয়া যাবে। যা থেকে উপকৃত হতে পারবো 'ইন শা আল্লাহ। • 📚এক নজরে বই পরিচিতি: –––––––––––––––––– নাম: প্রভুর ডাকে সাড়া দাও লেখক: শাইখ সালেহ আল মুনাজ্জিদ ও সাঈদ ইবনু আলি আল কাহতানি (হাফি.) অনুবাদক: আব্দুল আহাদ তাওহীদ সম্পাদনা: মুফতি আরিফ মাহমুদ প্রকাশনী: আয়ান প্রকাশন পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৮ মুদ্রিত মূল্য: ৩২০৳ .

বই সম্পর্কেঃ ------------------------ দোয়া শব্দের অর্থ আল্লাহকে ডাকা, কিছু চাওয়া, প্রার্থনা করা।বিনয়ের সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে কল্যাণ ও উপকার লাভের উদ্দেশ্যে এবং ক্ষতি ও অপকার থেকে বেঁচে থাকার জন্য প্রার্থনা করাই হল দোয়া।এই দোয়াকে আল্লাহ ইবাদত হিসেবে অভিহীত করেছেন এবং সাহায্য লাভের মাধ্যম বানিয়েছেন। তাইতো কুরআন ও হাদীসে মহানবী ﷺ এর মাধ্যমে মানুষকে দোয়ার বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন।আল্লাহ বলেন,তোমরা আমাকে ডাক,আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব,যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হবে। [সুরা মু’মিন আয়াত-৬০] নবী করিম ﷺ বলেছেন, দোয়া-ই ইবাদত। [জামে আত তিরমিজি]।তাইতো আল্লাহর মুখাপেক্ষী হওয়া এবং তার নৈকট্য লাভ করা ব্যতীত মানুষের কোন উপায় নেই,আর দোয়া হল আল্লাহর নৈকট্যলাভের বিশেষ বাহন ও মাধ্যম। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা, প্রত্যাশা ও সাহায্য কামনার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নিকটবর্তী হয়।এর দ্বারা মানুষ তার প্রতিপালকের ইবাদত করে, উদ্দেশ্যে লাভে সফল হয়, তার সন্তুষ্টি অর্জন করে।‘আয়ান প্রকাশন’ কর্তৃক ‘প্রভূর ডাকে সাড়া দাও’ বইটিতে দোয়ার মহিমা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।পাশাপাশি দোয়া ও জিকিরের প্রেক্ষাপট অনুবাদসহ আলোচনা করা হয়েছে।দোয়ার সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ,দোয়ার ফজিলত, দোয়া কবুল হওয়ার শর্ত,দোয়া কবুল না হওয়ার কারণ ইত্যাদি বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। আশা করা যায় যে,এই বইটি পড়ার মাধ্যমে পাঠকসমাজ ইহকালীন সুখশান্তির পাশাপাশি পরকালীন সুখশান্তিও লাভ করবে,ইন শা আল্লাহ। বইটির প্রয়োজনীয়তাঃ ------------------------------- হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন,‘মুসলমান যখন অন্য কোন মুসলমানের জন্য দোআ করে,যার মধ্যে কোনরূপ গোনাহ বা আত্মীয়তা ছিন্ন করার কথা থাকে না,আল্লাহ তাআলা উক্ত দোআর বিনিময়ে তাকে তিনটির যেকোন একটি দান করে থাকেন। (১) তার দোআ দ্রুত কবুল করেন অথবা (২) তার প্রতিদান আখেরাতে প্রদান করার জন্য রেখে দেন অথবা (৩) তার থেকে অনুরূপ আরেকটি কষ্ট দূর করে দেন। একথা শুনে সাহাবীগণ উৎসাহিত হয়ে বললেনতাহলে আমরা বেশী বেশী দোআ করব। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আল্লাহ তার চাইতে আরও বেশী দোআ কবুলকারী। [আহমাদ, হাকেম, মিশকাত হা/২২৫৯ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯।] বইটিতে কুরআন ও হাদিসের আলোকে অনেকগুলো দোয়া সংযোজন করা হয়েছে,যা প্রতিটি মানবসমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইহকালীন সুখশান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য প্রতিটি ব্যক্তির দোয়া সম্পর্কে ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সেক্ষেত্রে 'প্রভূর ডাকে সাড়া দাও' বইটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে,ইন শা আল্লাহ। বইটি কাদের পড়া উচিতঃ ------------------------------------- আমার বান্দারা যখন তোমার কাছে আমার বিষয়ে জিজ্ঞেস করে, তখন বলে দাও যে, আমি তাদের অতীব নিকটবর্তী। আমি আহবানকারীর আহবানে সাড়া দিয়ে থাকি,যখন সে আমাকে আহবান করে।অতএব তারা যেন আমার আদেশ সমূহ পালন করে এবং আমার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে। যাতে তারা সুপথ প্রাপ্ত হয়। [সূরা বাকারাহ,আয়াত ১৮৬] আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা পথভ্রষ্ট হয়ে,মুক্তির পথ খুঁজে পায়না।দিশেহারা হয়ে ভূল পন্থায় মুক্তি লাভ করতে চায়। তারা হয়তো জানেনা সকল সমস্যা হতে মুক্তিলাভের একমাত্র পন্থা হচ্ছে প্রভূর সাকে সাড়া দেওয়া।আর প্রভূর ডাকে সাড়া দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে দোয়া। বইটি পড়ার মাধ্যমে পথভুলা ব্যক্তিরা দোয়ার গুরুত্ব ও দোয়া কবুলের শর্ত সম্পর্কে জানতে পারবে এবং তদানুযায়ী রবের নিকট চাইবে। ইন শা আল্লাহ তারা তাদের সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবে। ব্যক্তিগত অনুভূতিঃ --------------------------- ব্যক্তিগতভাবে বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে,আলহামদুলিল্লাহ। দোয়ার স্বরূপ ও দোয়া সম্পর্কে বিস্তারিত লেখনি নিয়ে খুব কম বই দেখা যায়। বইটিতে দোয়ার ফজিলত,দোয়া কবুলের শর্তাবলি ইত্যাদি বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে,যা আমার অনেক ভালো লেগেছে। পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সব দোয়া এখানে উল্লেখ করা হয়েছে,যা প্রতিটি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বই পরিচিতিঃ ------------------ বই- প্রভূর ডাকে সাড়া দাও অনুবাদ-আব্দুল আহাদ তাওহীদ সম্পাদনা-মুফতি আরিফ মাহমুদ প্রকাশনী- আয়ান প্রকাশন মুদ্রিত মূল্য-৩২০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা-১৬৮

◾অবতরণিকা: আদদু'আ-উ মুখখুল 'ইবা-দাতি। অর্থ: দু'আ ইবাদাতের মূল। (জামে তিরমিজি) আমরা যদি কিছু চাই বা করতে চাই আর সেটা কারো কাছে না বলি তাহলে সেটা পাওয়া বা করা কখনোই সম্ভব নয়। মা-বাবা আমাদের সবচেয়ে আপন, তাদের কাছেও আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো চেয়ে নিতে হয়। আল ওয়াহহাব- আল্লাহ পরম দাতা। তিনি আমাদেরকে পুরো পৃথিবীর সমান কিছু দিয়ে দিলেও তাঁর সাম্রাজ্য থেকে এক চিমটি পরিমাণও কমবে না। আমরা সৃষ্টির কাছে যতটা চাই, আমাদের স্রষ্টার কাছে ততটা চাই না। চাওয়ার শিক্ষাটাও আমরা অনেকেই পাই না। বা নিতান্ত সাধারণ জিনিস আল্লাহর কাছে চাইবো এইটাও মাথায় আসে না। অথচ, সাহাবাগণ জুতা ছিঁড়ে গেলেও আল্লাহর কাছে চাইতেন। আল্লাহর কাছে চাইলে তিনি বান্দার প্রতি খুশি হন। আমরা সাধারণত নামাজে ব্যবহৃত দু'আ সাথে প্রয়োজনীয় কিছুর দু'আর কথাই জানি। সেগুলোই প্রয়োজনে পড়ি, আবার পড়িও না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা পবিত্র কুরআনে আমাদেরকে দু'আ করা শিখিয়ে দিয়েছেন। প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ তিনিও জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে আল্লাহর কাছে দু'আ করে গিয়েছেন। কিন্তু এই দু'আসমূহ আমরা ক'জনই জানি বা আমল করি। ◾বই সম্পর্কে: শাইখ সালেহ আল মুনাজ্জিদ, সাঈদ ইবনু আলি আল কাহতানি- কুরআন ও হাদীসে উল্লিখিত দু'আসমূহ সংকলন করে এক খন্ডে নিয়ে এসেছেন। আর সেটিই অনুবাদ করে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য নিয়ে এসেছে আয়ান প্রকাশন “প্রভুর ডাকে সাড়া দাও” শিরোনামে। বইটিতে প্রায় ১৬০ টির মতো দু'আ সংকলন করা হয়েছে। জীবনের প্রতি মুহূর্তে প্রয়োজনীয় যত দু'আ রয়েছে তার সবই উল্লিখিত হয়েছে বইটিতে। শুরোতেই দু'আ কবুলের শর্তসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সবশেষে সূরা ফালাক, সূরা নাসের তাফসির উল্লেখ করা হয়েছে। ঘুম থেকে জেগে উঠা, ঘুমানো, গোসল, কাপড় পরিধান, নতুন চাঁদ দেখা, যানবাহনে চড়া, বজ্রপাত, বৃষ্টির সময়, খাওয়ার আগে পরে, অসুস্থ ব্যক্তি দেখতে গেলে, মুসিবতে পতিত হওয়া, খারাপ স্বপ্ন দেখা- অর্থাৎ জীবনের প্রতি মুহূর্তেই আমাদের দু'আ করার অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে এই বইয়ের মাধ্যমে। ◾বইটি কেনো পড়বেন: সাধারণ একটা বিষয়েও যদি আমরা দু'আ করি তাহলে সেই সাধারণ বিষয়টাও আরও বরকতময় হয়ে উঠে, আমরা আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠতে পারি, নবীর সুন্নাহ মানা হয়, দু'আ করার জন্য অতিরিক্ত নেকী অর্জন হয়, আবার দু'আর মাধ্যমে সেই জিনিসটাও আমাদের জন্য কল্যাণকর হয়ে আসে আর অকল্যাণকর হলে সেটা হতেও আমরা দূরে থাকতে পারি, ইন শা আল্লাহ! হ্যাঁ, দু'আ এতোটাই পাওয়ারফুল। ◾শর্ট পিডিএফ পড়ে অনুভূতি: শর্ট পিডিএফে বইয়ের সূচিপত্র টুকুই এড করা হয়েছে। তাই বেশি কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না বই নিয়ে। তবে বইটি যেহেতু দু'আর সংকলন আলাদা করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। নিঃসন্দেহে বইটি আমাদের জন্য উপকারী হবে, আমাদের সঙ্গী হয়ে রবে সবসময়।























