

Buy মক্কা মদিনা জেরুজালেম Online in Bangladesh
লেখক: আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
- Author: আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ
- Publisher: অন্যধারা
- Isbn: 9789849638339
- Number Of Pages: 272
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Good
ইসলাম সহ সেমেটিক বাকি দুই ধর্মের (ইহুদী,খ্রিষ্টান) ইতিহাস, ধর্মীয় গুরুত্ব, এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের প্রতি যাদের আগ্রহ আছে, তাদের জন্য আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদের লেখা "মক্কা মদিনা জেরুজালেম" বইটি এক অনন্য সৃষ্টি। এই বইয়ে মক্কা, মদিনা এবং জেরুজালেম—তিনটি পবিত্র নগরীর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক, এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত গোছানো ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক সংক্ষেপে এই নগরীগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরলেও তার প্রতিটি বর্ণনা আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে। বইয়ের প্রথমেই আলোচনা করা হয়েছে মক্কা নিয়ে, মক্কা, যাকে আরবিতে "মাক্কাহ আল-মুকাররামাহ" বলা হয়। এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর। লেখক মক্কার ইতিহাস শুরু করেছেন পবিত্র কাবা গৃহের নির্মাণ ও ধর্মীয় তাৎপর্য দিয়ে। কাবা ঘরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর পাশাপাশি জমজম কূপ, হাজরে আসওয়াদ, এবং আব্রাহার হাতির মতো বিশেষ ঘটনারও চমৎকার বিবরণ দিয়েছেন লেখক এখানে। এছাড়া মক্কা শহরের বিভিন্ন স্থাপত্য,বর্তমান সৌদি আরবের আধুনিকায়ন, এবং কালে কালে মক্কার ঐতিহাসিক নিদর্শনের সংরক্ষণ ও ধ্বংসের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে বইটিতে। মক্কার বিবরণ পড়ার সময় মনে হয়েছে আমি যেন মক্কাতে ভ্রমণ করছি এখন। বইয়ের দ্বিতীয় অংশ মদিনাকে নিয়ে, ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্র শহর মদিনার কথা শুনলেই প্রথমেই মনে আসে সবুজ গম্বুজযুক্ত মসজিদে নববী এবং প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারকের কথা। লেখক এখানে মদিনার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের পাশাপাশি মসজিদে কুবা ও মসজিদে আল ক্বিবলাতাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কথাও উল্লেখ করেছেন। মদিনায় যুগে যুগে যেসব জাতিগোষ্ঠী বসবাস করতো, তাদের সম্পর্কেও এই অংশে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সঙ্গে, মহানবীর (সা.) সময়কার রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং সৌদি শাসনামলে শহরের পরিবর্তন সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়েছে বইটির এই অংশে। সৌদি আরব প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস,সালাফি ওয়হাবি মুভমেন্ট সমন্ধেও বেশ ভালো পাঠ আছে এই মদিনা অংশটিতে। জেরুজালেম হলো এই বইয়ের তৃতীয় এবং শেষ অংশ, পৃথিবীর প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি জেরুজালেম, যা হিব্রুতে ইয়ারুশালেইম এবং আরবিতে আল-কুদস নামে পরিচিত। এই নগরী সেমেটিক তিনটি ধর্মের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাইতুল মুকাদ্দাসের ইতিহাস এবং এটি ঘিরে ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই অংশে। সোনালী গম্বুজের মসজিদ (ডোম অফ দ্য রক), মিরাজের পাথর, এবং বাইতুল মাকদিসের বর্তমান অবস্থানসহ অন্যান্য নিদর্শনের কথাও উঠে এসেছে এখানে। এছাড়াও ইজ্রায়েল প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত বিবরণও বেশ সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন লেখক। বইটির সচিত্র বিবরণ যেকোনো পাঠকদের চোখের সামনে মক্কা,মদিনা এবং জেরুজালেমের পুরো ইতিহাস ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলবে। বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে যেন আমি নিজেই সেই নগরীগুলো ভ্রমণ করছি। প্রতিটি পরিচ্ছেদে চিত্রসহ উপস্থাপনা বইটিকে আরো জীবন্ত করে তুলেছে। রঙিন পৃষ্ঠা এবং উন্নত বাইন্ডিং বইটিকে এক অনন্য নান্দনিকতা দিয়েছে। লেখকের ভাষা সরল, যা ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। ধর্মীয় ইতিহাস ছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরেছি এই বইটি পড়ে, যা আগে জানা ছিল না। "মক্কা মদিনা জেরুজালেম" বইটি শুধু ধর্মীয় অনুরাগীদের জন্য নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, এবং প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে যারা আগ্রহী, তাদের জন্যও এ এক অসাধারণ রচনা। লেখক ইতিহাসের জটিলতাকে সহজ ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন, যার জন্য বইটিকে অনেক গতিশীল লেগেছে। আমার পড়া এই বছরের বইগুলোর মধ্যে এই বইটিকে অন্যতম সেরা লেগেছে। ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৫/৫

Outstanding
অনেক ভাল লেগেছে।

খুবই তথ্যবহুল এবং পয়সা উসুল একটি বই।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
কবে প্রকাশিত হবে?
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 20 Feb 2022 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে দৈব দুর্বিপাক বা বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে।
এখনো প্রি-অর্ডার। প্রকাশ হবে কবে?
বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৭২। ধন্যবাদ।
কবে প্রকাশিত হবে?
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 20 Feb 2022 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে দৈব দুর্বিপাক বা বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে।























