

Buy মানুষ মূলত শিবির Online in Bangladesh
লেখক: ফায়াজ শাহেদ
- Author: ফায়াজ শাহেদ
- Publisher: ইনসাফ পাবলিকেশন
- Isbn: 9789849875888
- Number Of Pages: 238
- Language: বাংলা
- Edition: পরিমার্জিত সংস্করণ: মে ২০২৫
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
একাত্তর আমাদেরকে পাকিস্তান থেকে মুক্তি এনে দিয়েছে। কিন্তু এই মুক্তি হস্তচ্যুত হয়ে দিল্লির জাদুঘরে গ্লাসবন্ধি হয়ে গেছিল। প্রভুত্বের জাদুঘরে। চব্বিশ ছিল জাদুঘর ভেঙ্গে মুক্তি-ঐতিহ্য ছিনিয়ে আনবার যুদ্ধ।কেউ কেউ একাত্তর ও চব্বিশকে মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছেন৷ এটা ঠিক নয়। একাত্তরকে পুনরুদ্ধারের লড়াই, চব্বিশ। একাত্তরকে একজন আহত মানুষ কল্পনা করা হলে, চব্বিশ আহতের অক্সিজেন। একাত্তরকে আরোগ্য করে চব্বিশ। পূর্ণতা দেয় চব্বিশ। একাত্তর ও চব্বিশ সাংঘর্ষিক চেতনা নির্মাণ করে না। ঘাটতি পূর্ণতার ইতিহাস নির্মাণ করে। একাত্তরের ঘাটতিতে পূর্ণতা দেয় চব্বিশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বাদ দিল্লির জিহ্বা দিয়ে অনুভবের রেওয়াজই, একাত্তরের ঘাটতি। কেউ কেউ বলতে চান চব্বিশের লড়াই হাসিনা উৎখাতের লড়াই। আমি বলব, এই চিন্তা সঠিক নয়।ফটোতে আঘাত করলে কেউ শরীরে নয় হৃদয়ে ব্যথা পায়। আত্মসম্মানে গ্লানি লাগে। হাসিনা হাসিনা নয়, দিল্লির ফটো। হাসিনাকে দেখলে দিল্লি দেখা হয়ে যায়৷ এই ফটোতে যখন আঘাত লাগে, দিল্লির অন্তরফ্রেমে তখন রক্তের ঢেউ খেলে উঠে। অন্যায্যতার ঢেউ। বেহায়ার ঢেউ। বেশরমের ঢেউ। শোষণ ও বঞ্চনার ঢেউ। আধিপত্যত্ববাদের ঝনঝন শব্দের ঢেউ। সেই ঢেউয়ের ভাঁজে ভাঁজে আগুনের স্ফুলিঙ্গ ধরিয়ে দিয়েছে চব্বিশের বাংলাদেশী তরুণ প্রজন্ম। জুলাই অভ্যুত্থান ছিলো মূলত আওয়ামী লীগের দিল্লিবাদী কেরানিগিরি ধ্বংসের জিহাদ। তাই বলি, চব্বিশের লড়াই হাসিনা বিরোধিতার মোড়কে দিল্লিবাদী বয়ান ভেঙ্গে দেওয়ার সূচনাযুদ্ধ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Actually this book is written with valid resources and with pure history. This book is a GREAT.

An interesting book. I wish to read it.

শিবিরের নাম দিয়ে বই। ভাবছিলাম পুরোটাই শিবিরের পক্ষে দালালি করা হয়েছে, কিন্তু পড়া যতই শেষ হচ্ছে আমার ভাবনার দরজা পাল্টাচ্ছে। শিবির এবং শিবিরের মত করে মাজলুম হওয়া সকল প্রাণীকে লেখক ‘শিবির’ শব্দে রূপায়ন করেছেন দারুণভাবে। কখনো কখনো নির্যাতিত ছাত্রদলকে শিবির, কখনো রক্তাক্ত ছাত্রকে শিবির এমনকি কখনো মাজলুম হিন্দুকেও লেখক এখানে শিবির আখ্যা দিয়েছেন। হ্যাঁ, শিবিরকে নিয়েও ভীষণ রকমের লেখা হয়েছে। আমার মতে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির আগামী এক শতাব্দির ন্যারেটিভ তৈয়ার করে দিয়েছে এই বই। বিশেষত তিনটি অধ্যায়:- ১। শিবির ধ্বংসের বৈজ্ঞানিক প্রকল্প ২। শিবির ধ্বংসে ট্রোজেন হর্স ৩। শিবির ধ্বংসে প্লাসিবো ইফেক্ট ৪। শিবির রগ কাটে, দুধ আনারসে মানুষ মরে ৫। শিবির চেনার ম্যাজিক ৬। শিবির গোপন, অন্যরা গো পর্ন এছাড়াও এই বইয়ের মারাত্মক রকমের স্যাটায়ার শিল্প দিতে সক্ষম হয়েছে প্রিয় লেখক ফায়াজ ভাই। তার হাত ও চিন্তা যে এতো গভীর এই বই না পড়লে সাড়ে তিন হাত ফায়াজের দিকে তাকালে বুঝা অসম্ভব। আমি ফরাসি কিছু উপন্যাস ও ফিকশান পড়েছি, ওইসব লেখকের মতই বা কখনো কখনো তাদের চে' সুক্ষ্মদর্শী মনে হয়েছে ‘মানুষ মূলত শিবির’ লেখক ফায়াজ শাহেদকে। এই বইয়ে লেখক তাত্ত্বিক আলাপ এনেছে বহু। তাত্ত্বিক ডিসকোর্সে মারাত্মক সিদ্ধহস্ত লেখক ফায়াজ। ১২২ পৃষ্ঠায় ‘মুজিব বাবার সন্তান সমীপে’ অধ্যায়ে যেই বয়ান ও প্রশ্নগুলো লেখক হাজির করেছেন, আওয়ামী লীগ তা কখনো খন্ডাতে পারবে না, আমার মনে হলো। শেখ মুজিবকে জাতির পিতার আসন থেকে উ*লঙ্গ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এই বইয়ে। ভারতের রাজনীতি ও বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে প্রগাঢ় ন্যারেটিভ দিয়েছেন লেখক, যা আমার কাছে অত্যন্ত দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মনে হয়েছে। সমালোচনা: বইয়ের দামটা অধিক হয়েছে, বানানে কিছু জায়গায় সমস্যা আছে এবং শেখ হাসিনার মত ফ্যাসিস্টকে কখনো কখনো লেখক ‘আপনি’ বলে সম্বোধন করেছেন। ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করলে হাসিনার মান কমতো, এ জায়গায় হাসিনার মান কমাতে ব্যর্থ হয়েছেন লেখক। ফায়াজ ভাই ভবিষ্যতে হাসিনাকে তুমি অথবা তুই উল্লেখ করে বই লেখবেন৷ আশা রাখছি, ধন্যবাদ... রিভিউ করেছেন: নেজাম উদ্দিন তুষার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
জুলাইনবিপ্লবকে জানতে হলে এই বই অবশ্যই পড়তে হবে
বহু অপেক্ষার পর আজ অপেক্ষা শেষ হবে। সারাদেশে এই বইয়ের নাম শোনা যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ























