জুলাইর গল্প
বই কালেকশন

Buy জুলাইর গল্প Online in Bangladesh

লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

4.33
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Publisher: বাতিঘর প্রকাশনী
  • Number Of Pages: 192
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2024
৳ 204৳ 26022% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.33
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
60%
4
40%
3
0%
2
0%
1
0%
Md Rakib Hasan
Md Rakib Hasan ভেরিফাইড
20 May 2026

===== বইয়ের কাহিনী/সার-সংক্ষেপ===== ১৯৭১ সালের ঠিক আগের বাংলাদেশ ও পরের বাংলাদেশ যেমন অমূল পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া এক বাংলাদেশ ঠিক তেমনি ২০২৪ সালের আগস্টের আগের বাংলাদেশ ও তার পরের বাংলাদেশও ঠিক আমূল পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া এক নতুন বাংলাদেশ। ‘জুলাই’ এখন এদেশের আপামর জনগণের কাছে গণ-অভ্যুত্থানের আরেক নাম। যে গণ-অভ্যুত্থান ছিলো গণ-মানুষের এক জোয়ার এবং দেশপ্রেমিক তরুণ প্রজন্মের এক বাধাহীন অকুতভয়ের উদ্দাম স্রোত। যে স্রোতে ভেসে গেছে খুনি ও স্বৈরাচারী হাসিনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এই রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে নিখোঁজ, জানা-অজানা হাজার শহীদের আত্মত্যাগ ও হাজার হাজার আহত জুলাই যোদ্ধাদের অজানা গল্পগুলো নিয়েই এই বইটির আয়োজন। =====পাঠ প্রতিক্রিয়া===== কিছু কিছু বইয়ের সম্ভবত পাঠ-প্রতিক্রিয়া বা বই পড়ার পর অনুভূতিগুলো পাতার পর পাতা লিখে গেলেও শেষ হবে না বা বলা যায় শেষ হবার নয়! এই বইটি আসলে সেই কাতারেই পরে। ২০২৪ এর জুলাইয়ের সময়টিতে বর্তমানে আমাদের এই কয়েকটি প্রজন্ম তার প্রত্যক্ষদর্শী। দুঃশাসন, আগ্রাসন, নির্মম হত্যা-গুম, অত্যাচার, বিচারহীনতা, দুর্নীতি, নির্বাচনহীনতা, অর্থনৈতিক ধ্বস, বাক-স্বাধীনতার হরণ সব সহ্য করতে করতে মানুষের পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে গিয়েছিলো তখনই মানুষ জেগে উঠতে শুরু করে। বছরের পর বছর চলতে থাকা সকল অত্যাচারের জবাব একবারে দিতে শুরু করে। বইটিতে ১০ জন লেখকের মোট ১৫ টি হৃদয় নাড়িয়ে দেয়া ছোট ছোট গল্প স্থান পেয়েছে। গল্পগুলো হলো: ১. অভ্যুত্থানের শেষ শ্লোগান, ২. কালান্তর, ৩. জিন্সপ্যান্ট, ৪. ৩৭ শে জুলাই, ৫. লুব্ধক, ৬. ক্ষতপূরণ, ৭. ডাকাতিয়া, ৮. স্লটার হাউজ, ৯. মা, ১০. অজ্ঞাত কয়েদি অথবা জ্যোৎস্না, ১১. সেই জুলাইয়ে, ১২. আদম, ১৩. পথের খোঁজে, ১৪. একটু যদি বাতাস হইতো এবং ১৫. রাণী ইলিশ প্রতিটি গল্পই সেই উত্তাল জুলাইয়ের দিনগুলি মনে করিয়ে দেয়। মনে করিয়ে দেয় মানুষের আত্মত্যাগকে। বাংলার মানুষ কতটা মুক্তিপাগল হয়ে উঠলে বুলেটের সামনে অকাতরে এভাবে বুক পেতে দিতে পারে! প্রতিটি গল্পই যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিলো সেই সময়ের রক্ত গরম করা সব স্লোগানগুলোকে। যে স্লোগানগুলো মানুষ তার মুখে নয় ধারণ করেছিলো তার অন্তরে হৃদয়ে! “রক্ত চোষা মাগি, পালায়া আর কই যাবি!”, “আমরা জয়ী হবো ইনশাআল্লাহ!”, “একটা মারি একটাই মরে...বাকিগুলান তো ডরায় না, স্যার...আগাইতে-ই থাকে!”, “পলাইছেরে পলাইছে খুনি হাসিনা পলাইছে!” আর বইয়ের প্রতিটি গল্পের ভিতরে অনেক সংলাপ নিয়ে যাচ্ছিল সেই দিনগুলোতে; গল্পগুলো পড়ার সময় মনে হচ্ছিলো যেন সেই দিনগুলোতে আবার ফিরে গেছি! চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি যেন! ---“আমি শুধু ভাবছি, এই যে আমি হামাগুড়ি দিচ্ছি, আমার হামাগুড়ি দেওয়া দেখে কুকুরগুলো আমাকে কুকুর ভাবছে না তো?!” ---“শুয়ারের বাচ্চারা! তোগো বাচ্চা হইলে এমনে মারতে পারতি?”, ---“মাঙ্গের পোলাগো সাহস কত, গুলি খাওয়া ছাত্রের ট্রিটমেন্ট করে!”, ---“শুয়ারের বাচ্চা, যাত্রী নিয়া যাইতে চাইছিলি না, এইবার যা...এক্কেরে করাস্থানে নিয়া যা এগো, ঐক আছে? সবটিরে গুলি করবো। যা, ভাগ...”, ---“আমি ঠিক সেভাবেই বার বার মায়ের কাছে ফিরবো, বাবা...যেভাবে আবরার ফাহাদেরা আবু সাঈদ হয়ে ফেরে। যেভাবে সালাম, রফিকেরা প্রিয়, মুগ্ধ ফাইয়াজ কিংবা এই তাহমিদুল হয়ে ফেরে। আমি আমার মায়ের বুকে ফিরবোই, বাবা।”, ---“পুলিশ একটা ভ্যানের উপরে লাশ তুলছে। পলিথিন দিয়ে ঢাকা আছে বেশ কিছু লাশ। পলিথিনের এক পাশ দিয়ে বেরিয়ে আছে সাজ্জাদের পা, দেখা যাচ্ছে তার প্রিয় কেডসটা। আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে আছে ছেলেটার হাত। বাতাসে পলিথিনটা ফিনফিন করে নড়ছে। একটু বাতাস হলেই পলিথিনটা সরে যাচ্ছে আর দেখা যাচ্ছে সাজ্জাদের চেহারা! একটু যদি বাতাস হইতো খোদা, একটু যদি বাতাস...”, ---“একটা গরীব দেশে এই মহিলা রাণীর মতো থাকতো অথচ জনগণরে সবক দিতো মাংসের বদলে কাঁঠাল খাইতে, কুমড়া দিয়া বেগুনি বানাইতে, ভাতের বদলে আলু খাইতে...তেল ছাড়া রান্না করতে!” ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান প্রায় ০২ বছর হতে চলল। কিন্তু কতটুকুই আমরা ধারণ করতে পেরেছি সেই রক্তঝরা জুলাই অভ্যুত্থানকে? লেখার মাধ্যমে, সংলাপের মাধ্যমে সেটাকে কী আমরা জীবিত রাখতে পেরেছি? আজও কী মেহনতি মানুষের দুঃখ লাগব হয়েছে? পেরেছি কী আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুর্নীতিকে না বলতে। ক্ষমতায় যারা আকড়ে ধরে বসে আছে তারাও কী পেরেছে সেই জুলাইকে বেহাত হতে রক্ষা করতে? এখনও মনে পড়ে টেলিভিশনে সেনাপ্রধান ৫ই আগস্ট কথা দিয়েছিলেন সকল অন্যায়ের বিচার হবে। কথা কী তিনি আসলেই রাখতে পেরেছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গেলে বারবারই হতাশ হতে হয়। মনে পড়ে যায় কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর কবিতার লাইন “জাতির পতাকা খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন।” আসলেই তাই! ১৯৭১ এর পরে যেই শকুন পতাকা খামচে ধরেছিলো সেই পুরনো শকুন আবার খামচে ধরেছে জাতির পতাকা। যাই হোক বেশ বড় হয়ে গেল পাঠ-প্রতিক্রিয়া। আমি নিজে জুলাইয়ের প্রত্যক্ষদর্শী বলে এখন আমাদের এই অধঃপতন বা ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা সত্যিই অনেক মানসিক পীড়া দেয়। এ থেকে উত্তরণ না হলে এই অভ্যুত্থান আবার ফিরে আসবে নিশ্চিত। শুধু বেশভূষাই ভিন্ন হবে এই-যা। বইটি সকল বয়সের সব পাঠকের জন্য অবশ্য পাঠ্য একটি বই। এর ছোটগল্পগুলো আমার মতে বিভিন্ন শ্রেণীর জাতীয় পাঠ্যপুস্তকেও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী বলে মনে করি। প্রোডাকশনঃ বইটির কভার ডিজাইন সুন্দর লেগেছে। বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠার কোয়ালিটিও ভালো ছিলো। বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ১০/১০।

Mohammad Mahmudur Rahman Khan
Mohammad Mahmudur Rahman Khan ভেরিফাইড
27 Mar 2026

খুব দ্রুতই ভুলতে বসা "জুলাই অভ্যুত্থান"-কে সাহিত্যের পাতায় ধরে রাখার সুন্দর চেষ্টা। যেমনটা আমরা জহির রায়হান, মুনির চৌধুরী প্রমুখ সাহিত্যিকের উপন্যাস, গল্প, নাটক থেকে একাত্তর আর মুক্তিযুদ্ধকে জানতে পারি, আশা করি পঞ্চাশ বছর পরে এই গল্প সংকলন পড়ে সেভাবেই আগামীর সন্তানেরা জানবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার জুলুমের কথা, তার পেটোয়া পুলিশ বাহিনী, ছাত্র(!)লীগ আর যুবলীগের সন্ত্রাসিদের নৃশংসতা; আর এর বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্র-জনতার প্রতিরোধের কথা। মোট ১৫টি গল্প, যেগুলো লেখা হয়েছে জুলাই অভ্যুত্থান এর খুবই কাছাকাছি সময়ে, যেকারণে গল্পগুলোতে প্রামাণ্য ঘটনাগুলো উঠে এসেছে অনেকটাই টাটকা, ভুলহীন ভাবে। লেখকদের কেউ কেউ নবীন হওয়ায়, সবগুলো গল্পই যে অনেক অসাধারণ হয়েছে, তা বলা যাবে না। তবে কিছু কিছু গল্প আসলেই মনে দাগ কেটে যায়।

880****331
880****331 ভেরিফাইড
18 Jan 2026

এক কথায় অসাধারণ

Alif
Alif ভেরিফাইড
08 May 2025

জুলাইয়ের সেই রক্তাক্ত ইতিহাসের কথা মনে পড়ে গেল

Nazmul Islam
Nazmul Islam ভেরিফাইড
07 Feb 2025

Seems a good one...

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

পেইজ কতগুলো

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯২। ধন্যবাদ।

প্রশ্ন

পেইজ কতগুলো

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯২। ধন্যবাদ।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)