

Buy যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো Online in Bangladesh
লেখক: শক্তি চট্টোপাধ্যায়
- Author: শক্তি চট্টোপাধ্যায়
- Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
- Isbn: 9788170666905
- Number Of Pages: 64
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 1982
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব শক্তি চট্টোপাধ্যায় ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভাল... এত কালো মেখেছি দু হাতে এত কাল ধরে। কখনো তোমার করে, তোমাকে ভাবিনি। এখন খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে চাঁদ্ ডাকে আয়, আয়, আয়। এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে চিতা কাঠ ডাকে আয়, আয়, আয়। যেতে পারি, যেকোনো দিকেই আমি চলে যেতে পারি কিন্তু, কেন যাবো? সন্তানের মুখ ধরে একটি চুমো খাবো যাবো ..কিন্তু, এখনি যাবো না তোমাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাবো একাকী যাবো না অসময়ে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

অসম্ভব সুন্দর!

কবিতাগুলা পড়ে অনেক ভাল লাগলো।
কবিতা গুলো অনেক সুন্দর পড়ে ভাল লাগল

গভীর সুখে , দুখের প্রদীপ নিভু নিভু জ্বলে। আঁধার আলোর কোল ঘেঁষে মোর খেয়া তরী ভাসে। মৃত্যু - জীবনে অসংখ্য বার মানুষ এই একটি জিনিস নিয়ে চিন্তা করে দিশেহারা হয়। জীবনের বিভিন্ন ধাপে যখন মৃত্যুর চেতনা হানা দেয় তখন খুব অবাক ভাবে আমরা প্রত্যেকেই ছন্দপতনের ধারাগুলো নিয়ে চিন্তায় মগ্ন হই। মৃত্যু কি? মরার পর কি হবে ? কোথায় যাবো আমরা? কেনই বা আমাদের আয়ু শেষ হবে ? আমরা কি অমর হতে পারি না ? এমন কত প্রশ্ন আমাদের ক্ষুদ্র আয়তনের বিশাল মস্তিষ্কে ঘুরপাক খেতে থাকে । কোন উত্তর কি আদৌ আমরা পাই ? উত্তর না পাওয়া প্রশ্ন গুলো নিয়ে বিভ্রান্তীর গভীর পীড়নে আমরা নিঃস্ব হয়ে শূন্যের মেলায় চোখ মেলে রাখি। কাব্যের পটভূমিকায় যদি আসি, যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো?- মৃত্যুর ডাক অনুভব করছেন কবি প্রাণ ভরে। কবিকে চাঁদ ডাকছে , চিতাকাঠ ডাকছে। কবি যেতে নারাজ । সন্তান কে আলিঙ্গন করে চুমো খাবেন। একা যাবেন না , আর যদি যেতে ও চান সেক্ষেত্রে সবাইকে নিয়ে যাবেন । জগতের তীব্র মায়া ছেড়ে যেতে চাইছেন না। আমাদের সবার মাঝেই এমন আকুতি সব সময়ই থাকে। মায়াময় এই পৃথিবী আমাদের মনের গহীনে দুর্বল চিত্তের ভাব জাগিয়ে রেখেছে। এই পৃথিবী ছেড়ে যেতে মন চায় না কারোই । মৃত্যু -কবি পুড়তে ভালোবাসেন। পুড়তে চান নদীর ধারে। যখন এই মৃত্যুই অসহনীয় মনে হয় তখন মৃত্যু তার যথার্থতা হারায়। বিড়াল- অসুখী বিড়াল, অসুস্থ বিড়াল। সুখের অত্যন্ত কাছে, পশমের অন্তর্গত হয়ে, অমরতা পাবে বলে বসে আছে সেই বিড়াল। মানুষ , টিকে থাকা মানুষ, ভালো থাকা মানুষ, অসহায় মানুষ, আরো শত ধরনের মানুষ খুব নিবিড়ভাবে মৃত্যুর যাত্রা পথে হাঁটছে। শুধু বাঁচতে চাই- সব কিছু একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে তবুও মানুষের বাঁচার তীব্র আকুতি। কবির ভাষায় – ' ডাঙ্গা থেকে তালকানা পাখি মারছে আকাশের দিকে লাফ, পরিত্রাণ চাই, বাঁচতে চাই , বেঁচে থাকতে চাই' শেষদিনে- ' হৃদয়ের মধ্যে ক্ষুধা, এতদিন পর- এতদিন বাসযোগ্য ছিল না কি ঘর? হৃদয়ের মধ্যে ক্ষুধা, এতদিন পর! মৃত্যু স্বাদ আজো পায়নি যারা, ঘুরে বেড়াছে এই ভুবনের চরে আপন সুখের, দুখের, সংগোপনে ভালোবাসা আর আলো আশার মাঝে। তারাই আমরা, প্রতিটি দিন উজ্জীবিত হই কতো স্বপ্নের আন্দোলনে । কবিতাগুলো অনেক যত্ন নিয়ে লেখা । পড়ে পড়ে আবার পড়তে হয়েছে। আরো পড়ার ইচ্ছা জেগেছে। কবির মত আমার মানসপটে ভেসে ওঠে কিছু পঙ্কতি- সুখের পায়রা, সুখের ঘরে, দুখেরই সাঁজ সাজায় রে মন দরিয়ায় আপন করে কিসের খেলা চলে রে। খেলাচ্ছলে বহু দূরে হারায় অনেক পায়রা হে কাছে দুরের সকল মোরা কিসের ঘোরে আসি রে।








-Joy_Goswami-47cc0-73142.jpg)














