

Buy ইস্কাবনের টেক্কা Online in Bangladesh
লেখক: নীহাররঞ্জন গুপ্ত
- Author: নীহাররঞ্জন গুপ্ত
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 8172935080
- Number Of Pages: 200
- Language: বাংলা
- Edition: 5th Print, 2012
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

One of the best write up for kirity

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। জার্মানি বীরদর্পে এগিয়ে যাচ্ছে। জাপান তখনও পার্ল হার্বার আক্রমন করেনি। সিঙ্গাপুর থেকে ক্রিশ্চিনা নামে একটা জাহাজ বেশ কয়েকজন ইভাকুইয়্যে নিয়ে কোলকাতায় আসছিল। সেসময় খবরের কাগজের নিচের দিকে একটা ছোট্ট বিজ্ঞাপন দেখে চমকে উঠলো সুব্রত রায়। "Ace of Spades" ইস্কাবনের টেক্কা! আজকাল যে কত রকম বিজ্ঞাপন বেরোয় কাগজে। তখনই আরেকটা পাতায় একইভাবে আরেকটা বিজ্ঞাপন দেখলো সুব্রত। "Ace of Spades, Cristiana M. S. এইদিকে খবরের কাগজে বেরিয়েছে টর্পেডোর আঘাতে ক্রিশ্চিনা ডুবছে। নড়েচড়ে বসলো সুব্রত, নিশ্চয় এর মধ্যে কোনও রহস্য আছে। সেদিন সন্ধাবেলায়ই রহস্য নিজে এসে ধরা দিল সুব্রতর কাছে। শশাংক মিত্র নামে একজন ২৪-২৫ বছরের যুবক এল ওর সাথে দেখা করতে। তাকে সাহায্য করতে গিয়ে এমন একটা চক্রের সাথে জড়িয়ে পড়ল সুব্রত, যারা হেন কোনও খারাপ কাজ নেই করেনা। চক্রের নাম "নেকড়ের থাবা"। সুব্রতর সাহায্য করার মধ্যে দেশের স্বার্থও আছে। আচ্ছা ব্যাপারটা খুলেই বলি। শশাংক মিত্রর কাকা অজয় মিত্র এমন একটা ফাংগাস আবিষ্কার করেছন যেটা দিয়ে যেকোনও ধরণের সংক্রামক ক্ষত থেকে শুরু করে মরণব্যাধি রোগ পর্যন্ত মাত্র ২৪ ঘন্টায় সেরে যাবে। এমন একটা আবিষ্কার দেশের জন্য কতটা সম্মান বয়ে আনবে বুঝতে পারছেন? তাছাড়া যুদ্ধের এই সময়ে কতটা কাজে লাগবে বুঝতেই তো পারছেন। এইরকম একটা আবিষ্কারের রিসার্চ পেপার যদি কেউ চুরি করে বিদেশীদের কাছে বিক্রি করে দিতে চায় তাহলে কেমন লাগে বলুন। আচ্ছা সুব্রতকে চিনেন? সুব্রত হলো কিরীটী রায়ের বন্ধু এবং সহকারী। এককালে পুলিশের বড় অফিসার ছিল। কিন্তু ব্রিটিশদের অধীনে কাজ করবেনা বলে চাকরী ছেড়ে দিয়েছে। কিরীটীর সাথে প্রায় সব অভিযানেই থাকে ও। এই বইটি কিরীটী সিরিজের হলেও এই বইয়ের কাহিনী টেনে নিয়ে গেছে সুব্রত নিজেই। গল্পের শুরুর দিকে কিরীটীর কাছ থেকে গাড়ি চেয়ে সাহায্য নেয় সুব্রত। এরপর গল্পে কিরীটী নেই। এবার আসি পাঠ প্রতিক্রিয়ায়। প্রতিক্রিয়া কি লিখবো বুঝতেই পারছিনা। মাথা এখনও হ্যাং হয়ে আছে। নীহাররঞ্জন গুপ্ত এত সুন্দরভাবে চরিত্রগুলো ফুটিয়েছেন যে অবাক হতে হয়। বেশিরভাগ রহস্য উপন্যাসেই যেটা দেখেছি, চরিত্রের আধিক্য থাকলে কাহিনীটা কিছুটা খাঁপছাড়া হয়ে যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে নীহাররঞ্জন গুপ্ত তার মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। এতগুলো চরিত্র নিয়ে পড়তে গিয়ে মাঝে মধ্যে হয়তো আপনার হিমশিম খেতে হতে পারে। কিন্তু এমন কোনও চরিত্র পুরো বইটিতে খুঁজে পাবেন না যেটাকে আপনি অতিরিক্ত বলতে পারেন। কে যে শত্রু আর কে যে বন্ধু এটা নিয়ে ভিষন বিপাকে পড়তে হতে পারে আপনার। তাছাড়া পুরো বই জুড়ে এত সাসপেন্স যে আপনি কিছুক্ষণ পর পরই হয়তো ধাক্কা খাবেন। শেষদিকে গিয়ে বড় ধাক্কাটা খাবেন। এমন একটা ধাক্কা যেটা আগে থেকে চিন্তাও করতে পারবেন না। আমি নিজে কিছুক্ষণ থম মেরে বসেছিলাম। যদি আপনার হাই প্রেশার থেকে থাকে তাহলে নিজ দায়িত্বে বইটি পড়বেন, প্রেশার বেড়ে গেলে আমি দায়ি নই :D






















