ঈমান সবার আগে
বই কালেকশন

Buy ঈমান সবার আগে Online in Bangladesh

লেখক: মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক

4.72
(42 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক
  • Publisher: মাকতাবাতুল আশরাফ
  • Isbn: 9789848950333
  • Number Of Pages: 72
  • Language: বাংলা
  • Edition: 7th Print, 2020
৳ 80৳ 16050% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"ঈমান সবার আগে" বইটি সম্পর্কে কিছু কথাঃ ঈমান মুসলমানের কাছে প্রাণের চেয়েও প্রিয়। ঈমানদার সকল কষ্ট সহ্য করতে পারে, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারে, কিন্তু ঈমান ছাড়তে পারে না। ঈমানই তার কাছে সবকিছু থেকে বড়। ঈমান শুধু মুখে কালেমা পড়ার নাম নয়, ইসলামকে তার সকল অপরিহার্য অনুষঙ্গসহ মনেপ্রাণে কবুল করার নাম। আর একারণে মুমিনকে হতে হবে সুদৃঢ়, সত্যবাদী ও সত্যনিষ্ঠ । মুমিন কখনাে শৈথিল্যবাদী হতে পারে না। কুফরির সাথে যেমন তার সন্ধি হতে পারে না তেমনি মুরতাদ ও অমুসলিমের সাথেও বন্ধুত্ব হতে পারে না। ইসলামের পূর্ণ পরিচয় কী এবং তার অপরিহার্য দাবি ও অনুষঙ্গগুলােই বা কী? সে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলােচনা করাই এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য। দ্বীন ও ঈমান সম্পর্কে বেপরােয়া লােকদের যেহেতু এইসব বিষয়ের জ্ঞান নেই, কিংবা জ্ঞান থাকলেও পরােয়া নেই তাই তাদের মতে ঈমানকুফরের সন্ধিও অসম্ভব কিছু নয়। (লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম)। | কাকে বলে ঈমান আর তার অপরিহার্য অনুষঙ্গ কী-এ সম্পর্কে নিচে আলােকপাত করা হল।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.72
(42 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
95%
4
5%
3
0%
2
0%
1
0%
Sabbir Ahammed
Sabbir Ahammed ভেরিফাইড
05 May 2026

বইটি অনেক ভালো।

jih****com
jih****com ভেরিফাইড
26 Feb 2026

“ঈমান সবার আগে” নামের মধ্যেই যেন একটি বজ্রনিনাদ ঘোষণা। যেন এক অটল অঙ্গীকার, এক অগ্নিসংকল্প প্রাণ যাবে, ঈমান যাবে না। এই গ্রন্থ কেবল একটি প্রবন্ধ নয় এটি হৃদয়ের ভেতরে সুপ্ত ঈমানকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান,আত্মার গভীরে লুকিয়ে থাকা শৈথিল্যকে ভেঙে ফেলার এক দৃপ্ত ডাক। লেখক অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ দৃঢ় ভাষায় স্মরণ করিয়ে দেন ঈমান কেবল ঠোঁটের উচ্চারণ নয়,এটি সমগ্র সত্তার আত্মসমর্পণ। ইসলামকে তার পূর্ণতা, শর্ত, দাবি ও অনুষঙ্গসহ মেনে নেওয়ার নামই প্রকৃত ঈমান। এই উপলব্ধি পাঠকের মনে এক গভীর আত্মসমালোচনার জন্ম দেয়। আমরা কি সত্যিই ঈমানকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি? নাকি তা কেবল পরিচয়ের অলংকার? বইটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর স্পষ্টবাদিতা। এখানে আপোষের কোনো ভাষা নেই, কৃত্রিম নমনীয়তার কোনো ছায়া নেই। লেখক অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন যে, মুমিনের জীবন শৈথিল্যের নয়; বরং তা সত্যের প্রতি অনড় আনুগত্যের। ঈমান ও কুফরের মাঝে আপোষের ধারণা যে কত ভয়াবহ বিভ্রান্তি, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন অকপটে। ভাষাশৈলী মার্জিত, তীক্ষ্ণ এবং হৃদয়স্পর্শী। প্রতিটি অনুচ্ছেদ যেন বিবেককে প্রশ্ন করে, আত্মাকে কাঁপিয়ে দেয়। কোথাও আবেগ, কোথাও যুক্তি, কোথাও তাগিদ— সব মিলিয়ে বইটি হয়ে উঠেছে এক জাগরণী প্রবন্ধ। পাঠক যখন শেষ পৃষ্ঠা উল্টে ফেলেন, তখন তার ভেতরে এক ধরনের নীরব অগ্নিশিখা জ্বলতে থাকে“আমার ঈমান কি যথেষ্ট দৃঢ়?” এ গ্রন্থ দ্বীনের মৌলিক ধারণাকে সংক্ষিপ্ত অথচ প্রখর বিশ্লেষণে উপস্থাপন করেছে। বিশেষত বর্তমান সময়ে যখন ঈমানকে অনেকেই কেবল ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা সামাজিক পরিচয়ের সীমায় আবদ্ধ করে ফেলতে চায়, তখন “ঈমান সবার আগে” এক দৃঢ় প্রতিবাদ হয়ে দাঁড়ায়। এটি মনে করিয়ে দেয়,ঈমান মানে পূর্ণ আনুগত্য, নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ এবং সত্যের পথে অবিচল থাকা। সবশেষে বলা যায়, এই বইটি কেবল পড়ার জন্য নয়,এটি আত্মায় ধারণ করার জন্য। এটি একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো নয় বরং বারবার ফিরে এসে নিজের ঈমানকে যাচাই করার আয়না হিসেবে ব্যবহার করার মতো একটি গ্রন্থ। যারা হৃদয়ে ঈমানের আগুনকে আরও প্রজ্বলিত করতে চান, তাদের জন্য “ঈমান সবার আগে” নিঃসন্দেহে এক অনিবার্য পাঠ।

Syed Abdul Latif
Syed Abdul Latif ভেরিফাইড
02 Feb 2026

📘 বই রিভিউ: ঈমান সবার আগে লেখক: মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক ঈমান সবার আগে—এই বইটি কেবল একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়; বরং একজন মুসলিমের জীবনদর্শনকে সঠিক ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর এক গভীর ও বাস্তবধর্মী নির্দেশনা। বর্তমান সময়ে যখন আমল, পরিচয় ও ব্যস্ততার ভিড়ে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো অনেক সময় আড়ালে পড়ে যায়, তখন এই বইটি পাঠককে আবার মূল জায়গায় ফিরিয়ে আনে—ঈমানই সবকিছুর শুরু। লেখক মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ঈমানের গুরুত্ব, বাস্তব জীবনে তার প্রভাব এবং ঈমান দুর্বল হওয়ার কারণগুলো তুলে ধরেছেন। কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমনভাবে, যা সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে তালিবুল ইলম—সবার জন্যই সহজবোধ্য ও গ্রহণযোগ্য। বইটির বিশেষত্ব হলো—এটি উপদেশমূলক হলেও কোথাও ভারী বা বক্তৃতামূলক মনে হয় না। বরং প্রতিটি অধ্যায় পাঠককে আত্মসমালোচনার সুযোগ দেয় এবং নিজের ঈমানি অবস্থান নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। যারা ঈমানকে মজবুত করতে চান, দ্বীনের পথে নতুনভাবে শুরু করতে চান কিংবা পরিবারে ঈমানি পরিবেশ গড়ে তুলতে চান—তাদের জন্য এই বইটি নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও মূল্যবান সংগ্রহ। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ঈমান সবার আগে এমন একটি বই, যা পড়া শেষ হলে শুধু জ্ঞান বাড়ে না—বরং হৃদয়ে ঈমানের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও গভীর হয়। ⭐ Highly Recommended for Every Muslim Reader

Mahbubul Hasan
Mahbubul Hasan ভেরিফাইড
02 Feb 2026

সভ্যতার বিকাশ যেন আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বদলে যোজন যোজন পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক সকল আবিষ্কার দেখে যেখানে আমাদের আরও বেশি বিশ্বাসী, কৃতজ্ঞ, নমনীয় হওয়ার কথা ছিল সেখানে আমরা অবিশ্বাসী, অকৃতজ্ঞ, অ*হং*কা*রী হয়ে উঠছি দিন দিন। এই যে আমাদের মাঝে বিশ্বাসের ঘাটতি, সেটা কোন বিশ্বাস? সর্বশক্তিমান আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার প্রতি বিশ্বাস, দৃঢ় ঈমান- যা সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান দিন দিন লোপ পাচ্ছে আর আমরাও নিজেদের প*ত*ন ডেকে আনছি। ঈমানের প্রাথমিক ধারণাটা এমন যে- সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হল ঈমান। ঈমানের বিপরীত কুফর। ঈমান সত্য, কুফর মিথ্যা। ঈমান আলো, কুফার অন্ধকার। ঈমান জীবন, কুফর মৃ*ত্যু। ঈমান পূর্ণ কল্যাণ আর কুফর পূর্ণ অকল্যাণ। ঈমান সরল পথ, আর কুফার ভ্ৰ*ষ্টতার রাস্তা । ঈমান মুসলমানের কাছে প্ৰা*ণের চেয়েও প্রিয়। ঈমানদার সকল কষ্ট সহ্য করতে পারে, মৃ*ত্যু*কে আলিঙ্গন করতে পারে, কিন্তু ঈমান ছাড়তে পারে না। ঈমানই তার কাছে সবকিছু থেকে বড়। ঈমান শুধু মুখে কালেমা পড়ার নাম নয়, ইসলামকে তার সকল অপরিহার্য অনুষঙ্গসহ মনেপ্ৰাণে কবুল করার নাম। আর একারণে মুমিনকে হতে হবে সুদৃঢ়, সত্যবাদী ও সত্যনিষ্ঠ। মুমিন কখনো শৈথিল্যবাদী হতে পারে না। কু*ফরির সাথে যেমন তার সন্ধি হতে পারে না তেমনি মু*র*তাদ ও অমুসলিমের সাথেও বন্ধুত্ব হতে পারে না। "ঈমান সবার আগে" বইটিতে ঈমান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বইটি লিখেছেন বর্তমানে জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক (হাফি.) হুজুর। হুজুর বইয়ের উদ্দেশ্যের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন - ইসলামের পূর্ণ পরিচয় কী এবং তার অপরিহার্য দাবি ও অনুষঙ্গগুলোই বা কী? সে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করাই এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য। দ্বীন ও ঈমান সম্পর্কে বে*প*রোয়া লোকদের যেহেতু এইসব বিষয়ের জ্ঞান নেই, কিংবা জ্ঞান থাকলেও পরোয়া নেই। তাই তাদের মতে ঈমান-কু*ফরের সন্ধিও অসম্ভব কিছু নয়। (লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আমীম) কাকে বলে ঈমান আর তার অপরিহার্য অনুষঙ্গ কী-এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়েই এই বই। নিজেকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়ার আগে নিজের ঈমান ঠিক আছে কিনা তা পরখ করে নেয়া আবশ্যক। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, রমাদানের সাওম, যাকাত, বিত্তবানদের হজ্জ এসব কোনো কাজে আসবে না যদি ঈমান নড়বড়ে হয়। ঈমানের প্রাথমিক পরিচয় হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আস্থার ভিত্তিতে শরীয়তের সকল বিধিনিষেধ মেনে নেয়া। শরীয়ত গ্রহণ করা যেমন ঈমান তেমনি বা*তিলকে বর্জন করাও ঈমানদারের পরিচায়ক। শরীয়তের কোনো বিধান নিয়ে বিদ্রুপ, অবজ্ঞা কু*ফরের চেয়েও ভ*য়া*বহ অর্থাৎ আস্থা-ভালোবাসা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা ব্যতীত ঈমান মজবুত করার কোনো সুযোগ নেই। ঈমানকে একক হিসেবে ধরে নিয়ে এতে কোনো বিভাজনের অবকাশ না দিয়ে দিল ও যবানের একাত্মতা প্রকাশ করা এবং মুমিন ও গায়রের মুমিনের মিশ্রণ থেকে বিরত থাকা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য। ঈমান নিয়ে কুরআন-হাদিসের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা শেষে ঈমান পরীক্ষার ৮ টি উপায় নিয়ে চমৎকার আলোচনা করেছেন হুজুর। এতো সুন্দর ভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন যে সকল শ্রেণির পাঠক খুব সহজেই বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারবে এবং শিক্ষা নিতে পারবে। বইয়ের ভাষাশৈলী, বিষয়বস্তু, আলোচনা সব দিকে থেকে টপনচ। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো থেকে আমরা ইচ্ছেকৃত ভাবেই নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখছি। নিজেদের ধ্বং*সের জন্য নিজেরাই পথ তৈরি করছি। বই থেকে কয়েকটি কথা: ★ ঈমানের গোটা বিষয়টা নির্ভরশীল প্রাধান্যের উপরেই। ঈমান বিল্লাহর প্রথম কথা, গায়রুল্লাহ থেকে বিমুখ হয়ে আল্লাহর দিকে রুজু করা, শুধু তাঁরই ইবাদত করা, সকল তাগূতের আনুগত্য অস্বীকার করা। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা। তদ্রুপ ঈমান বির রাসূলের গুরুত্বপূর্ণ কথা, রাসূলে উপর নাযিকৃত কিতাব, শরীয়ত এবং তাঁর উসওয়ায়ে হাসানাকে দুনিয়ার সকল ইজম, মতবাদ ও সংস্কৃতির চেয়ে অগ্রগণ্য মনে করা এবং ঐ সব থেকে বিমুখ হয়ে একেই গ্রহণ করা। আর আল্লাহর মনোনিত দ্বীন ইসলামে পরিপূর্ণভাবে দাখিল হওয়া। ★ ঈমান ও ইসলামের অর্থই হচ্ছে হেদায়েতকে গো*মরাহীর উপর, আলোকে অন্ধকারের উপর, কল্যাণকে অকল্যাণের উপর, তাওহীদকে শিরকের উপর, সুন্নাতকে বি*দআতের উপর, নেকীকে গুনাহের উপর, আনুগত্যকে বিদ্রোহের উপর, আখিরাতকে দুনিয়ার উপর, ইসলামকে গায়রে ইসলামের উপর, এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অন্য সবার উপর প্রাধান্য দেয়া। ★ ঈমান যাচাইয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হল, নিজের অবস্থা বিচার করা যে, আমার কাছে প্রাধান্যের মানদণ্ড ঈমান ও ইসলামের পরিবর্তে নিজের রুচি-অভিরুচি, প্রবৃত্তির চাহিদা কিংবা নিজের দল, গোত্র ও স*ম্প্র*দায়ের পক্ষপাত নয় তো? এমনটা হলে তৎক্ষনাৎ তাওবা করে শুধু এবং শুধু ইসলমী প্রাধান্যের মাপকাঠি অবলম্বন করতে হবে এবং ঈমানের তাজদীদ ও নবায়ন করতে হবে। ★ আমলের সং*শো*ধনের হিম্মত যদি এই মুহুর্তে না হয় তাহলে ঈমান তো দিলের বিষয়। ঈমানের সং*শো*ধন তো তৎক্ষনাৎ হতে পারে। ★ তাগূত ও তার বিধি-বিধান থেকে সম্পর্কচ্ছেদ ছাড়া ঈমানের দাবি নিফাক ও মুনাফেকী (তা*গূ*ত - আল্লাহর ঐ বি*দ্রো*হী বান্দা, যে আল্লাহর মোকাবেলায় নিজেকে বিধানদাতা মনে করে এবং মানুষের উপর তা কার্যকর করতে চায়) কত ক্ষুদ্র কারণেও যে ঈমান চলে যেতে পারে সে বিষয়ে আমাদের অধিকাংশদেরই কোনো ধারণাই হয়তো নেই। তাই সহজ ভাষায় নিজদের মুসলমানিত্ব বজায় রাখতে, ঈমানকে ধরে রেখে সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে বইটি সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ। নিজের ভুলগুলো শুধরে তাওবা করে নিলেই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে অপ্রিয় থেকে পুনরায় প্রিয় হয়ে উঠা যায়। কেননা আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা অত্যন্ত ক্ষমাশীল এবং আল্লাহর দরবারে বান্দার জন্য তওবার দরজা সবসময়ই খোলা আছে। বই পরিচিতি: বই: ঈমান সবার আগে লেখক: মাওলনা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক (হাফি.) পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭২ রিভিউয়ার: মাহবুবুল হাছান

Umair Al Hasan
Umair Al Hasan ভেরিফাইড
01 Feb 2026

একজন মুমিনের জীবনে ঈমানই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। একজন মুসলমান সারাজীবন চেষ্টা করেন নিজের ঈমানকে রক্ষা করতে এবং মজবুত রাখতে। ঈমান মানুষকে কষ্ট সহ্য করার শক্তি দেয়, সত্যের ওপর অটল রাখে এবং মিথ্যা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। তবে ঈমান এমন কোনো জিনিস নয় যা আপনাআপনি স্থায়ীভাবে একই রকম থাকে; বরং তা বাড়ে ও কমে। গাফিলতি, গুনাহ এবং সঠিক জ্ঞানের অভাবে ঈমান দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ ঈমানের প্রকৃত অর্থ না বুঝে শুধু মুখের দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে। ঈমান সবার আগে বইটিতে ঈমানের প্রকৃত অর্থ কী, ঈমানের সাথে আমলের সম্পর্ক এবং কেন ঈমান রক্ষা করা সবকিছুর আগে জরুরি—তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখক দেখিয়েছেন, সঠিক ঈমান ছাড়া মানুষের আমল তার প্রকৃত মূল্য হারায়। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন যে, ঈমান ছাড়া দুনিয়াবি সফলতা শেষ পর্যন্ত ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সহজ ভাষা ও নির্ভরযোগ্য দলিলের মাধ্যমে বইটি দুর্বল ঈমানের লক্ষণগুলো বুঝতে সাহায্য করে এবং ঈমান মজবুত করার বাস্তব উপায় তুলে ধরে। সব মিলিয়ে, যারা ঈমানের বাস্তবতা বুঝতে চান এবং জীবনে ঈমানকে অগ্রাধিকার দিতে চান, তাদের জন্য এই বইটি অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সবকিছুর আগে ঈমান, কারণ ঈমান ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাত—দুটোরই প্রকৃত অর্থ থাকে না।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)