

Buy হযরত ফাতেমা রা. এর ১০০ ঘটনা Online in Bangladesh
লেখক: মাওলানা মোহাম্মদ ওয়ায়েস সারোয়ার
- Author: মাওলানা মোহাম্মদ ওয়ায়েস সারোয়ার
- Publisher: আশরাফিয়া বুক হাউস
- Number Of Pages: 112
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2017
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো। প্রত্যেকটা ঘটনা সোর্সসহ দেওয়া আছে । আপনারা চাইলে নিতে পারেন


অসধারন বই, অনেক তথ্য সমৃদ্ধ
#Rokomari_Book_Club_Review_Competition নামঃইসরাত জাহান রাখি বইয়ের নামঃফাতেমা (রা) ১০০ ঘটনা লেখক ঃমাওলানা মুহাম্মদ ওয়ায়েস সারওয়ার অনুবাদ ঃকাজী আবুল কালাম সিদ্দীক মূলঃ১৫০ পৃষ্ঠা ঃ১১১ রিভিউ ঃ৬ এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির মূলে আল্লাহর রয়েছে মহাপরিকল্পনা। আরে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নারী পুরুষ হলেন প্রধান সিপাহসালার।ইসলামের সূচনা থেকে নারীজাতির ভূমিকা কোন অংশে কম নয়। সুপ্রাচীন কাল থেকে নারী সমাজের ইসলাম প্রচার, প্রসার ও সভ্যতার বিকাশের রয়েছে অনন্য অবদান। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে খাতুনে জান্নাত ফাতেমা তুয যাহরা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা। নবী পরিবারের নারী সদস্যদের চেতনা, কর্মস্পৃহা রচনায় শানিত অনুপ্রেরণা। এ সময় নারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ও সাধারণ হবে খুবই কঠিন অবস্থার সম্মুখীন ছিল। বিশেষত আরব সমাজে। আরবরা কন্যা সন্তানের জন্মকে অপছন্দ করতেন। তাদের কেউ মেয়েকে জ্যান্ত দাফন করত যেন মাটির নিচে তার মৃত্যু ঘটে। ইসলাম বলেছেন নারী কেবল জননী কিংবা ধাএী নন, গতিময় অভিসারের সমাজের সহযাত্রী। তারা শুধু রহণীই নয় ইতিহাসের জননী। হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু সুন্দর গুণাবলী ও মর্যাদা সম্পর্কে গভীর চিন্তা করলে দেখলে অনুমতি হয় যে,তিনি ইলম, ন্যায় পরায়নতা, জিহাদ ও অন্যান্য সব কল্যাণকর কাজে ছিলেন সর্বাধিক অগ্রগামী। সম্মান ও ফজিলত এর অধিকারী,উচ্চ স্তর ও ইসলাম গ্রহনে তিনি ছিলেন অগ্রগামী। একদিকে তিনি তো এমন লোক আল্লাহর যার অন্তরে তাকওয়ার জন্য বাছাই করেছেন। তিনি ছিলেন প্রকৃত জ্ঞানী। তার উপরে রয়েছে রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাতের রহমত। আমাদের উচিত সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু এর জীবনী,তাদের সম্মান ও মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশোনা করা। হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ১০০ ঘটনা অধ্যায়নের দ্বারা প্রথমত ঃ নবী কন্যার প্রতি আমাদের ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে।তার প্রশংসা ও তার জন্য দোয়া এবং ক্ষমা প্রার্থনার পথ প্রশস্ত হবে। তার সম্পর্কে সব সময় ভালো আলোচনার বিষয়টি সহজ হবে। ★★★দ্বিতীয়তঃ তার সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন এর প্রতি আমরা আরো যত্নশীল হতে পারব। আর আমরা জীবনে চলার পথে সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু এর সাথে যত বেশি সাদৃশ্য বজায় রাখতে পারব। কল্যাণের ততবেশি কাছাকাছি থাকতে পারবো। কেননা মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন, তোমরা হল সর্বোত্তম ও উত্তম মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের উদ্ভাবিত ঘটনা হয়েছে। ★★★তৃতীয়তঃ সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু কে গালমন্দ করা তাদেরকে নিন্দা ও সমালোচনা করা ইত্যাদি নিকৃষ্ট কাজ থেকে আমাদের সর্বোচ্চ দূরত্বে অবস্থান করতে পারব। আমরা হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু 100 ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা আমরা জানব ঃ ★★★হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু এর অশ্রু ঃ একবার নবী ( সা) সফর থেকে ফিরে এলেন এবং পবিত্র স্ত্রীদের ঘরে যাবার আগে হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু করে গেলেন। হয়রত ফাতেমা (রা) ঘরের দরজায় নবী (সা)কে স্বাগত জানানোর জন্য প্রতীক্ষা করছিলেন। তিনি নবী ( সাঃ) এর জ্যোতিময় চোখে মুখে চুমু খেতে লাগলেন। সেইসঙ্গে কান্নাও শুরু করে দিলেন। রাসুল সালাম সালাম কান্নার কারণ জানতে চাইলেন, তিনি বললেন হে আল্লাহর রাসূল আপনার এ অবস্থা দেখে আমি কান্না করছি। আপনার চেহারা রং পরিবর্তন হয়ে গেছে। পুরনো হয়ে গেছে আপনার জামা কাপড় । একথা শুনে রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম বললেন হে ফাতেমা কান্না করো না। আল্লাহ তোমার বাবাকে এমন দীন করে পাঠিয়েছেন। ★★★সাদাসিধে জীবন যাপন ঃ ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু জীবন শৈশবকাল থেকে ছিল জাগতিক চাকচিক্য মুক্ত। শৈশবকাল থেকে দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকা ছিল তার অভ্যাস। তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রিয় ভজন। পরমুখাপেক্ষিতা মুক্ত ছিল তার গোটা জীবন। ★★★ফাতেমার তীক্ষ্ণ মেধা ঃ শিশু হযরত ফাতেমা মাঝে মাঝে রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম কে এবং হযরত খাদিজাতুল কোবরা কে এমন প্রশ্ন করতেন -যাতে মেধা ও বুদ্ধি ফুটে ওঠে। রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম যখন ঘরে আসতেন তখন শিশু হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু কে এমন বিষয় শেখাতেন -যাতে আল্লাহর পরিচয় লাভ করা যায় এবং মানুষের সঙ্গে সদাচরন করা যায়। আল্লাহ তাকে মেধা দান করেছিলেন।যে কথা একবার সন্তান সব সময় মনে রাখতে পারতেন। ★★★সবচেয়ে ভালো গুণ ঃ একবার রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু কে জিজ্ঞেস করলেন -তুমি কি বলতে পারো মহিলাদের সবচেয়ে ভালো গুন কোনটি??? হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু বলেন -মহিলাদের সবচেয়ে ভালো গুণ হলো এই যে, সে কোন ভিন্ন পুরুষ দেখবেন এবং ভিন্ন কোন পুরুষও তাকে দেখবে না। ★★★সবচেয়ে বেশি স্নেহ পদঃ একবার হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আলাই সালাম রাসূল ( সা) জিজ্ঞেস করলেন -আপনি কি আমাকে বেশি মহব্বত করেন না ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু কে?রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম বললেন ফাতেমা আমার কাছে তোমার চেয়ে বেশি প্রিয় এবং আমার কাছে ফাতেমার চেয়ে তুমি বেশি স্নেহময় ★★★ফজিলতের কারনঃ লোকজন হযরত উমর ইবনে খাওাব (রা) এর আশেপাশে তাঁর কথা শুনছিল।কথাপ্রসঙ্গে হযরত ওমর ( রা) বললেন -হয়রত আলী( রা) এর মধ্যে এমন ৩ টি বৈশিষ্ট্য এমন আছে,যদি এর একটু আমার থাকতো তাহলে এটা আমার কাছে লাল উট অপেক্ষা উওম ছিল। মানুষ খুব আগ্রহ নিয়ে বললো-সেই ৩টি গুন? তিনি বললেন -প্রথমটা হচ্ছে তাঁর বিবাহ ফাতেমার সঙ্গে হয়েছে বইটি আরো এমন অনেক ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে




















