

Buy দেবযান Online in Bangladesh
লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 8172930550
- Number Of Pages: 208
- Language: বাংলা
- Edition: 26th Edition, 2013
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

খুবই ব্যতিক্রমধর্মী কাহিনী। জীবন-মৃত্যুর দোটানা নিয়ে এরকম কয়জন লেখক লিখেছেন, তা একজন সামান্য পাঠিকা হিসাবে সত্যিই আমার জানা নেই। হয়তো এই ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্যের কারণে অনেকের কাছে এটা "বোরিং" মনে হতে পারে। কিন্তু একবার যতীন আর পুষ্পর স্বর্গে পা রাখলে সেই কল্পনার জগতে আপনি হারিয়ে যেতে বাধ্য! একবার হলেও পড়ে দেখা উচিত!
মোটেও ভালো লাগেনি। তার অন্য বইগুলোর তুলনায় এটা মানানসই নয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, ধোঁয়াশা তৈরি করলেই তাতে অসাধারণ কিছু থাকে না। এত দীর্ঘ বইটা অনেক কষ্টে শেষ করতে হয়েছে।

অত্যন্ত ব্যতিক্রমধর্মী উপন্যাস। ততধিক বিচিত্র এই উপন্যাসের কাহিনিবিন্যাস। বিভূতিভূষণ বাডুজ্জে একেবারেই নবরূপে আবির্ভূত হয়েছেন এই উপন্যাসে। বামুনের ছেলে যতীন। উচ্চশিক্ষিত ছেলে হিসেবে গাঁয়ের লোকে বেশ সম্ভ্রমের চোখেই দেখতো। বৌ আশা আর দুই সন্তান নিয়ে সুখেই ছিল যতীন। সেইসব সুদিন এখন অতীত। যতীনের সবকিছু হারিয়ে গেছে। বৌ ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে গেছে। গ্রামের লোকের কাছে যতীন এখন কিছুটা করুণা আর অনেকটাই অনাদরের পাত্র। চরম দারিদ্র্যে জীবনপ্রদীপ নিভু নিভু করছে। এমনই পরিস্থিতিতে একপ্রকার না খেতে পেয়ে অসুখে ভুগে মারা গেল যতীন। যতীনের মৃত্যুর পর থেকেই 'দেবযান'-এর কাহিনি শুরু। মৃত্যুটি উপক্রমণিকা মাত্র। মৃত যতীন নিজেকে এক ভিন্ন জগতে আবিষ্কার করল। সেখানে প্রথমেই দেখা হলো তার বাল্যসখি পুষ্পের সঙ্গে। কিন্তু পুষ্প তো অনেকবছর আগেই মারা গিয়েছে। সে এখানে কী করছে? যতীন বুঝতে পারল সে স্বর্গে চলে এসেছে। পৃথিবীর দুনিয়া থেকে এই জগতের ভিন্নতা, প্রেমের মাহাত্ম্যে বিশ্বাসী এবং মনুষ্যত্বের জয়গান যারা গেয়েছে, সেইসব মহৎপ্রাণ যতীনদের স্বর্গে অত্যুচ্চ অবস্থানে আছে। দেব-দেবীরা আছেন। আছেন এমন এক মহত্তম সত্তা যার বর্ণনা ঔপন্যাসিক দেননি। কিন্তু বুঝিয়েছেন তিনিই সবকিছুর নিয়ন্তা। তাঁকে যে যেভাবে চায়, সেই রূপের তিনি হাজির হন। বৈষ্ণবের কাছে এই মহাপবিত্র অস্তিত্ব আসেন রাধা-কৃষাণের রূপে। শাক্তর কাছে তিনিই আবার কালী। তাঁরই অন্যরূপ দুর্গা। অর্থাৎ স্রষ্টার কোনো নির্দিষ্ট রূপের কথা বলেন নি বিভূতিভূষণ। এখানে তিনি যেন রামকৃষ্ণপরমহংসের 'যত মত, তত পথ' বাণীতে আস্থা রেখেছেন৷ হিন্দু পুরাণের সাথে বাস্তব জগৎ মিশিয়ে যে কথার যান বিভূতিভূষণ তৈয়ার করেছেন তাই 'দেবযান'। এই উপন্যাসে একটা বার্তা বারবার দিতে চেয়েছেন ঔপন্যাসিক। তিনি পাঠকের উদ্দেশে নিবেদন করেছেন, সৎ পথের চলার আহ্বান। দেখেছেন, মানবপ্রেমে উদ্ভাসিত হয়ে মঙ্গলময় পৃথিবীর গড়ার স্বপ্ন।
বাংলা সাহিত্যে তিনি উজ্জ্বল নক্ষ। তিনি বাংলা সাহিত্যকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।যাদের সাহিত্য নিয়ে পড়ার আগ্রহ আছে তাদের অবশ্য এই বই পরা উচিত।রকমারিতে বইটি পাওয়া যাবে সুলভ মুল্যে।বইটি যারা ভালোভাবে পরবে অনেক কিছু যানতে পারবে।বই পড়ার মজাই আলাদা
ভাল একটা বই সবাই পড়তে পাড়েন























