

Buy চেঙ্গিস খান : সব মানুষের সম্রাট Online in Bangladesh
লেখক: হ্যারল্ড ল্যাম্ব
- Author: হ্যারল্ড ল্যাম্ব
- Publisher: দিব্যপ্রকাশ
- Isbn: 9789849054597
- Number Of Pages: 206
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Edition, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
’চেঙ্গিস খান : সব মানুষের সম্রাট' বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা “প্রায় সাতশ বছর আগে একজন মানুষ প্রায় অর্ধেক পৃথিবী জয় করে ফেলেছিলেন। অনেক উপাধি পেলেও তিনি সবচেয়ে পরিচিত ‘চেঙ্গিস খান’ নামে”- এভাবে হ্যারল্ড ল্যাম্ব শুরু করেন তার বিখ্যাত রচনা ‘চেঙ্গিস খান। তার রচিত চেঙ্গিস খানের জীবনীগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে। প্রকাশের পর দারুণ সাড়া পড়ে যায়। প্রচণ্ড জনপ্রিয় হয়। আজও প্রকাশের আশি বছর পরও বইটি চেঙ্গিস খানের জীবনের ওপর লেখা গ্রন্থগুলাের ভেতর সবচেয়ে বেশি পঠিত। কেবল শুষ্ক-রুক্ষ তথ্য উপস্থাপন করে এটিকে তিনি একটি ইতিহাসগ্রন্থ করেননি, গভীর ভালােবাসা আর মমতা দিয়ে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিটি চরিত্রকে। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বারােশ শতকের পটভূমিকায় চেঙ্গিস খানের চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছেন। বইটি পড়ে অবসান হবে চেঙ্গিস খানকে ঘিরে থাকা অনেক ভুল ধারণার। ’চেঙ্গিস খান : সব মানুষের সম্রাট' বইয়ের সূচীপত্র ভূমিকা রহস্যসূচীপত্র..........৯ প্রথম পর্ব মরুভূমি..........১৭ বেঁচে থাকার সংগ্রাম..........২৭ গরুগাড়ির যুদ্ধ..........৩০ তিমুজিন এবং একটি উচ্ছ্বাস..........৩৬ যখন গুপ্ত পাহাড়ে পতাকা উড়ছিল..........৪০ প্রিস্টার জনের মৃত্যু..........৫১ ইয়াসা..........৫৭ দ্বিতীয় পর্ব ক্যাথি..........৬৫ স্বর্ণালি সম্রাট..........৭১ মঙ্গোলদের প্রত্যাবর্তন..........৭৭ কারাকোরাম..........৮২ তৃতীয় পর্ব ইসলামের তরবারি..........৮৯ পশ্চিমের দিকে অভিযান..........৯৫ প্রথম অভিযান..........১০১ বােখারা ১০৬ সেনাপ্রধানদের যাত্রা..........১১৪ চেঙ্গিস খানের মৃগয়া..........১২০ তুলির স্বর্ণ সিংহাসন..........১২৬
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

অনুবাদ কিছু কিছু স্থানে দুর্বোধ্য। তা সত্ত্বেও ইতিহাস পাঠ্য হিসেবে বইটি দারুণ উপভোগ্য।
motamoti

Excellent Book.

বইটা পরলে সেই সময়ের অনেকটা ধারনা পাওয়া যায়।যারা ইতিহাসের অজানাকে জানতে চায় তারা এই বইটি পড়তে পারেন।সবচেয়ে মজার ব্যাপার বইটি পড়ার সময় আপনার মনে হবে আপনি সেই সময়ের সমাজে বসবাস করছেন।
চেঙ্গিস খান এমন একজন সম্রাট যিনি প্রায় পুরো পৃথিবীতে প্রায় সাতশো বছর শাসন করেছিলেন। চেঙ্গিস খান কি প্রকৃতই খুব বেশি নৃশংস শাসক ছিলেন? পৃথিবীর এত বড় অংশ জয় করার পেছনে ওনার রণকৌশল ছিল কেমন? ছোটবেলা থেকে ধীরে ধীরে ওনার বড় হয়ে ওঠা, ওনার ক্ষমতার শীর্ষে থাকার সময়কাল, ওনার মৃত্যু, ওনার মৃত্যু পর ওনার উত্তরাধিকাদের পৃথিবী শাসন ইত্যাদি আরও অনেক কিছু জানার জন্য ‘চেঙ্গিস খান, সব মানুষের সম্রাট’ একটি দারুণ বই। বইটি লিখেছেন মার্কিন ইতিহাসবিদ হ্যারল্ড ল্যাম্ব এবং অনুবাদ করেছেন যায়নুদ্দিন সানী। বইটি ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। বইটি চেঙ্গিস খানের জীবনের উপর লেখা গ্রন্থগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পঠিত। বইটি থেকে চেঙ্গিস খানের কিছু উক্তি তুলে ধরা হলোঃ ১। আমার সবচেয়ে বেশি রাগ হয় যখন শুনি একজন শিশু তার বাবা-মার অবাধ্য, ছোট ভাই তার বড় ভাইয়ের, একজন স্ত্রীর মাঝে একজন স্বামীর তার বিশ্বস্ততা খোঁজা, স্বামীর প্রতি একজন স্ত্রীর পূর্ণ সমর্পণ না থাকা। গরিবদের সাহায্য করতে ধনীদের ব্যর্থ হওয়া আর নেতার প্রতি অধীনস্তদের সম্মান না দেখানো। ২। কোনো কাজের গুণ লুকিয়ে থাকে তার সফল পরিসমাপ্তিতে। ৩। একজন নেতাকে সবসময় তার সেনাদের ক্ষুধা, তৃষ্ণা চিন্তার করা উচিত, তাহলে সে তার অধীনে থাকা সেনাদের কষ্ট বুঝতে পারবে। তবেই সে তার সেনাদের আর পশুদের সামর্থ্যের খেয়াল রাখতে পারবে। ৪। ভিখিরির মতো খালি হাতে কারো কাছে যাওয়া মানে তার বন্ধুত্ব চাওয়া নয়, নিজেকে অথর্ব প্রমাণ করা। ৫। আকাশে কেবল একটাই সূর্য আছে আর স্বর্গের একটাই শক্তি আছে। আর পৃথিবীর বুকে কেবল একটাই খাঁ খান থাকা উচিত। বইটির কিছু অংশ নিচে তুলে ধরা হলঃ ‘মধ্য এশিয়ার ভয়ানক শীতে আড়াই লাখ কষ্টসহিষ্ণু সেনা এগিয়ে চলতে লাগল। হয়তো আধুনিক সেনারা এই অবস্থাই থাকলে তাদেরকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াতে হতো। মঙ্গোলরা খুব একটা মনঃক্ষুণ্ণ হয়নি। ভেড়ার চামড়ার তৈরি পোশাক পরে তারা তুষারপাতের মাঝেই শুয়ে পড়ত। প্রয়োজনে কখনো তাঁবুগাড়ি তাদের উষ্ণতা দিত। খাবার কম পড়লে কখনো তারা ঘোড়ার একটা শিরা কেটে ঘোড়ার রক্ত পান করে আবার শিরাটা বন্ধ করে দিত।’ ‘এর আগেই সির নদীর উত্তরে, ওত্রারে খানের দুই পুত্র পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই ওত্রারের শাসকই মঙ্গোল ব্যবসায়ীদের হত্যা করেছিল। আর সেই হত্যার নির্দেশ দেয়া ইনালজুক তখনো ওত্রারের শাসক। তিনি ভালোমতোই জানতেন মঙ্গোলদের কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আশা খুবই ক্ষীণ। তিনি শ্রেষ্ঠ কয়েকজন যোদ্ধা নিয়ে নিজেকে দুর্গে অন্তরীণ রাখলেন, পাঁচ মাস সেখানে ছিলেন। তিনি শেষ সময় পর্যন্ত যুদ্ধ করেছিলেন। যখন মঙ্গোলরা তার এলাকা দখল করে তার শেষ সেনাটিকে হত্যা করেছিল, তখন তিনি একটি টাওয়ার আশ্রয় নিয়েছিলেন। যখন তার তীর শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন তিনি তার শত্রুদের দিকে পাথর ছুড়ছিলেন। এমন মরিয়া আচরণের পরও তাকে জীবিত ধরা হয় এবং খানের কাছে পাঠানো হয়। খান তখন তার চোখে আর কানে গরম রুপো ঢালার নির্দেশ দেন- তার কাজের পুরষ্কার হিসেবে পাওয়া একটি মৃত্যু।’ ‘এভাবে একে একে পার্শ্ববর্তী সব শহরগুলো চালাকি করে আক্রমণ করা হলো। এক জায়গায় খুন হয়ে যাওয়া মানুষের মাঝে শুয়ে থেকে কিছু মানুষ বেঁচে গিয়েছিল। এ খবর মঙ্গোলরা শুনল, আর এরপরে নির্দেশ জারি হয় ভবিষ্যতে সব বাসিন্দাদের মাথা কেটে ফেলার।’ ‘মৃত্যুর সময় চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বাধীন সেনা দলে তার রাজকীয় রক্ষী ছাড়া চারটি সেনাগুচ্ছ ছিল, অর্থাৎ মোট ১,৩০,০০০ সেনা।’ ‘চেঙ্গিস খান মারা গিয়েছিলেন সুংদের ভূমিতে। আর মঙ্গোলরা কী হারিয়েছে তা শত্রুদের বুঝতে না দেয়ার জন্য তার মরদেহ বহনকারী যোদ্ধারা মরুভূমিতে না পৌঁছা পর্যন্ত পথে যাদের সঙ্গেই দেখা হয়েছিল, তাদের সকলকে হত্যা করে। আর গোবিতে উপজাতির সকল মানুষ, পুরনো যোদ্ধারা সবাই তার মরদেহ বহনকারী গাড়ির পাশে চলতে চলতে উচ্চস্বরে শোক জানিয়েছিল।’























