

Buy ক্যাকটাস ও এর প্রজাতি Online in Bangladesh
লেখক: শাহরিয়াজ সরকার
- Author: শাহরিয়াজ সরকার
- Publisher: বিজ্ঞান একাডেমী
- Isbn: 9847020200000
- Number Of Pages: 108
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2009
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
লেখকের ক্যাকটাসের "ক" সম্পর্কেও ধারণা নেই।
Good.
Author: শাহরিয়াজ সরকার Publisher: বিজ্ঞান একাডেমী Category: কৃষি বিষয়ক প্রবন্ধ ও বিবিধ Language: বাংলা ISBN: 9847020200000 Edition: 1st Published, 2009 Quality: হার্ডকভার
ক্যাকটাসের আদি নিবাস হলো আমেরিকা। এটি মরুভূমির গাছ। ক্যাকটাসের নামকরণ করেছিলেন উদ্ভিদবীদ ক্যারোলাস লিনিয়াস।ক্যাকটাস এ দেশেও জন্মে। সবুজ এই গাছটায় কাঁটা থাকলেও এর রয়েছে অন্য রকম সৌন্দর্য৷ দৃষ্টিনন্দন এই ক্যাকটাস এখন ঘরের গাছ হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শহুরে মানুষের কাছে। শুধু একই প্রজাতির নয়, বরং একই টবে আছে সব রকম ক্যাকটাসের সমন্বয়। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাকটাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। অর্থনৈতিক গুরুত্বের দিকটি বলতে গিয়ে তিনি জানান, এখন সহজেই ক্যাকটাসের চারা উৎপাদন সম্ভব। সে ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ক্যাকটাসের চারা উৎপাদন ও বিক্রির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে ব্যবসাসফল হওয়া সম্ভব৷ ক্যাকটাসের তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন না হলেও টবে রোপণকৃত ক্যাকটাসে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পানি দিতে হয়। দুই-তিন মাস পরপর দুই-তিন দিনের জন্য রোদে দিলে ক্যাকটাস দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও সবুজ হয়। পাঁচ-ছয় মাস পরপর টিএসপি ও এমপি সার দিলে বৃদ্ধি স্বাভাবিক থাকে। এক বছর পরপর সরিষা পচা খৈল ও পচা গোবর মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হয়। নষ্ট, রোগাক্রান্ত ও শাখা-প্রশাখা বছরে একবার ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে কেটে দিতে হবে। প্রায় দুই হাজার জাত আছে। ব্যারেল বা বল ক্যাকটাসের চাহিদা বেশি। অন্যান্য জাত হচ্ছে ফণিমনসার, উপজাত হলো ডিলেনাই, ইলেটিওর, কোচিনেলিফেরা, মনাকাটা, নাইগ্রিকান্স, ওপানসিয়া আমাদের দেশে টবে লাগানোর উপযোগী কয়েকটি ক্যাকটাস হলো একাইনো ক্যাকটাস, এপিফাইলাম, নিপল ক্যাকটাস, সেরেয়াস, গোল্ডেন ব্যারেল, ওল্ড লেডি, মাদার-ইন-ল-চেয়ার, সেরিয়াস, ফণীমনসা ইতাদি। নিপল ক্যাকটাসের উপজাতগুলো হলো কোয়াড়া স্পাইনা, এমটেনুইস, এমআট্রা ইত্যাদি। মেলোক্যাকটাস, সেরিয়াস, এপি ফাইলাস, রিপম্যালিস ইত্যাদি বহুজাতের ক্যাকটাস আমাদের দেশে পাওয়া যায়।
‘ক্যাকটাস ও এর প্রজাতি’ বইটিতে ক্যাকটাস সম্পর্কে, এর ফুল, গাছ সম্পর্কে, এর দৈহিক কাঠামো, বৈশিষ্ট্য, ফুলের ধরণ, এর কাঁটার আকার আকৃতি, কোন জলবায়ুতে কোন গুলো কেমন জন্মায়, বিভিন্ন প্রকার ক্যাকটাস সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যে অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠ সূর্যের তাপে উত্তপ্ত হয় এবং রাতের বেলা ভূ-পৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে সেই সব অঞ্চলে ক্যাকটাস ভালো জন্মায়। আমেরিকার পশ্চিম অঞ্চলের সুসারো জঙ্গলকে ক্যাকটাস এর এলাকা বলা হয়। এখানে প্রচুর ক্যাকটাস পাওয়া যায়। সারা বিশ্বে দুই হাজারেরও বেশি ক্যাকটাস প্রজাতি রয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই নতুন। ক্যাকটাস এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে গেলেও তা দৈহিক পরিবর্তন করে সতেজ ভাবে বেড়ে উঠে। অঞ্চল ভেদে একই প্রজাতির ক্যাকটাস এর দৈহিক গড়ন ভিন্ন হয়। ক্যাকটাস গুলো সাধারণত চারটি সাধারণ দৈহিক কাঠামো নিয়ে গঠিত হয়। অন্য সব যে কোন উদ্ভিদের থেকে ক্যাকটাস দেখতে একটু অন্য রকম, একটু অদ্ভুত রকমের দেখতে। অন্য সব উদ্ভিদের সাথে এর কোন মিল নেই। তবে হ্যাঁ অন্য উদ্ভিদের মত ক্যাকটাসেও ফুল হয়। এবং এই ফুল দেখতে খুব সুন্দর মনোমুগ্ধকর হয়। মানুষ বহু বছর ধরে এই অদ্ভুত উদ্ভিদের মাধ্যমে হতবাক হয়েছে। এটি অনেক প্রাচীন একটি উদ্ভিদ, তবে বর্তমানে এর আরও নানা নতুন প্রজাতি আবিষ্কার করা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকারের ক্যাকটাস থেকে আমরা কিছু প্রজাতির ক্যাকটাস নিয়ে চাষ করতে পারি। বাড়ির বাগানে টবে এগুলো রোপণ করে পরিচর্যা করা যায়। এগুলো আমাদের বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। এটি আমরা ঘরের ভিতরও রাখতে পারি। ক্যাকটাসের প্রজাতি গুলো আমাদের ঘরের ভিতর রাখলে তা আমাদের ঘরের পরিবেশ বাঁচাতে পারে। এর চাষের জন্য প্রাকৃতিক আলোর পরিবর্তে কৃত্রিম আলো ব্যবহার করা যায়। তাই সহজে আমরা আমাদের ঘরে ক্যাকটাস এর চাষ করতে পারি।























