

Buy বিশ্বসভ্যতা বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান Online in Bangladesh
লেখক: আলী আহমাদ মাবরুর
- Publisher: গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস
- Isbn: 9789849512684
- Number Of Pages: 192
- Language: বাংলা
- Edition: ২য় সংস্করণ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
বিশ্বসভ্যতা নির্মাণের একচ্ছত্র দাবিদার পশ্চিমারা। সেই দাবিকে ফোকাস করে তাদের হাতে নির্মিত ইতিহাসে একপাক্ষিক ভাষ্যের জয়জয়কার। খুব সচেতনভাবে তারা এড়িয়ে গেছেন মুসলমানদের অবদান। এই ধরনের অভিব্যক্তি মূলত ইতিহাসের জঘন্যতম বিকৃতি। তবে পশ্চিমারা ইতিহাসের লম্বা একটি সময়কে যতই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুক না কেন, ইতিহাস কখনোই নীরব ছিল না; থাকার সুযোগও নেই। এর বিপরীতে আমাদের যদি সভ্যতা বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলমানদের অবদান সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকে, তাহলে পশ্চিমা জগতের জাহেলিয়াতি ও মিথ্যা দাবিকে যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারর। সেইসঙ্গে মুসলমানদের সম্বন্ধে যে ধরনের সহিংস, বর্বর ও অসভ্য ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে একটি মোক্ষম জবাব দিতে সক্ষম হব। দেখাতে পারব আমাদের অসংখ্য সুপার হিরো কী পরিমাণ পরীক্ষণ, পর্যবেক্ষণ, বিবেচনাবোধ ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে নিজেদের কাজগুলোকে সম্পন্ন করে গেছেন। ‘বিশ^সভ্যতা বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান’ বইটি তারই ক্ষুদ্রতম প্রয়াস।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
পরিপূর্ণ জীবন দর্শন হিসেবে ইসলামকে যতদিন প্রয়োগ করা হয়েছে ততদিন কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যখন ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয়, তখন সমন্বিত সেই সুব্যবস্থাটি আস্তে করে ভেঙ্গে পড়ে। এর আগে ইবাদতকে একটি ব্যবহারিক আচারাদি হিসেবে গণ্য করা হলেও পরবর্তীতে তা নিছক ধর্মীয় আচারাদিতে পরিণত হয়। আগে একজন মানুষ অতিরিক্ত কাজ করে মানবতার কল্যাণে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করত। পরবর্তীতে এই ধরনের অতিরিক্ত কাজগুলোকে নফল ইবাদতের মর্যাদা দেয়া হয়। প্রাথমিক যুগে সব ধরনের জ্ঞান অন্বেষণের যে আগ্রহ ছিল পরবর্তী সময়ে গিয়ে তা নিছক ধর্মীয় জ্ঞান আহরণে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং সামাজিকতার বিভিন্ন জায়গায় ইসলাম যুক্তি এবং সৃষ্টিশীলতার চর্চা করার সুযোগ দিলেও পরবর্তী সময়ে তা আর অব্যাহত রাখা যায়নি। মুসলমানদেরকে বাহ্যিক বা আন্তর্জাতিক যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, এগারো শতকের ক্রুসেডের ঘটনা, ১২৫৮ সালে মঙ্গোলীয়দের বাগদাদ দখল, ১৪৯২ সালে স্পেন থেকে মুসলমানদের বিতাড়ন, ১৯২২ সালে খেলাফতের অবসান, সমাজতন্ত্র ও ঔপনিবেশিকতার উত্থান প্রভৃতি। এইসব ঐতিহাসিক ঘটনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে মুসলমানদের জন্য আরো যে চ্যালেঞ্জগুলো যুক্ত হয়েছে তা হলো সুবিধাবাদী রাজনীতি, শক্তিশালী মিডিয়ার উত্থান এবং মজলুমকে অত্যাচারী এবং অত্যাচারীকে ভিকটিম হিসেবে চিত্রায়িত করার নোংরা অপপ্রয়াস। (প্রকাশিত গ্রন্থ “বিশ্ব সভ্যতা বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান) প্রকাশনায়: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিশ্বসভ্যতা বিনির্মানে মুসলমানদের অবদানকে সুকৌশলে এড়িয়ে যায় পশ্চিমা ইতিহাসবিদগণ। কিন্ত বিশ্বসভ্যতা নির্মাণে মুসলমানদের রয়েছে ঝলমলে স্বর্ণালি ইতিহাস। সেই ইতিহাস জানলে তবেই না আমরা একচোখা পশ্চিমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পারব- আমাদের সুপার হিরোরা কী পরিমাণ পরীক্ষণ, পর্যবেক্ষণ, বিবেচনাবোধ ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে সভ্যতার ভিত রচনা করেছেন।
👌👌👌























