

Buy বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস Online in Bangladesh
লেখক: ড. মোহাম্মদ আমীন
- Author: ড. মোহাম্মদ আমীন
- Publisher: পুথিনিলয় প্রকাশনী
- Isbn: 9789849165255
- Number Of Pages: 320
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
“বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস” বইটি সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ বাংলা ভাষায় অনেক পৌরাণিক শব্দ রয়েছে, যা আমরা প্রায়শ ব্যবহার করে থাকি। সে শব্দগুলোর উৎস-কাহিনী সাহিত্যরসে সমৃদ্ধ সৌন্দর্যে প্রাঞ্জল ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছে। প্রত্যেক ভুক্তি যেন এক একটি অনুগল্প। একটি পড়লে আরেকটি পড়ার আগ্রহ প্রবল হয়ে উঠে। নামতই দেখে পাঠক যাই ধারনা করুক না কেন, পড়ার পর বুঝতে পারবেন লেখক কি যত্নসহকারে বাংলা শব্দের উৎপত্তি ও বিকাশ নানা জানা অজানা তথ্য দিয়ে গল্পচ্ছলে তুলে ধরেছেন। অনেকগুলো বেশ রোমাঞ্চকর ও আনন্দদায়ক।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

কোন লেখাকে সুন্দর ও উন্নতমানের করতে বাগধারা ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই এবং আমরা দেখেছি যে, বাংলাভাষায় ব্যবহৃত বেশিরভাগ বাগধারারই উৎস হচ্ছে রামায়ণ, মহাভারতসহ অন্যান্য মহাকাব্য। আমরা হয় তো আমাদের লেখাতে নিজের অজান্তেই বাগধারা ব্যবহার করি কিন্তু প্রতিটা বাগধারার পিছনে যে এক একটা অনুগল্প রয়েছে- তা জানা নেই।যেমন- ঘরের শত্রু কেন বিভীষণ, অগস্ত্য যাত্রা কেন শেষ যাত্রা, কালনেমির লঙ্কাভাগ কী ইত্যাদি। “বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস” বইটিতে লেখক আমাদের এই অজানাকে জানার পথ সুদৃঢ় করে দিয়েছেন। সেই সাথে আমাদের জ্ঞানের গভীরতাকে আরও প্রসারিত করার জন্য, সহজে মনে রাখার জন্য বোধগম্য ভাষায় বইটি রচনা করেছেন। আমরা যদি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এক ‘বিদ্রোহী’ কবিতার দিকে লক্ষ্য করি, সেখানে প্রচুর পরিমাণে রামায়ণ ও মহাভারতের চরিত্রের সমাবেশ পাই- যেমন পরশুরামের কুঠার, হল বলরাম, ক্ষত্রিয় ইত্যাদি। এগুলোর সকল ব্যাখ্যাই পাবেন বইটিতে। বইটি পড়ার পর আপনার জ্ঞানজগৎ একটি বিশেষমানে উন্নীত হবে। বাংলা ভাষাকে, লেখাকে সমৃদ্ধ করতে এ বইয়ের বিকল্প খুব কমই আছে। তবে, অনুগল্পগুলোর পরিসর আরেকটু বেশি হলে ভাল হত। তারপরও লেখককে অন্তরের অন্তস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

it is excellent.























