

Buy উত্তরণ Online in Bangladesh
লেখক: মিনহাজ উদ্দিন
- Author: মিনহাজ উদ্দিন
- Publisher: চর্চা গ্রন্থ প্রকাশ
- Isbn: 9789849267737
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"উত্তরণ " বইয়ের লেখকের কথা: আসসালামু আলাইকুম, কবিতা নদীর তীরে নতুন এক ছাত্র আমি, সবেমাত্র কবিতার বর্ণমালা শিখছি। আর এই শেখার প্রারম্ভেই আমার কাছে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কবিতার প্রতি মানুষের অনীহা। যে কবিতা মনের ভাব প্রকাশ করে, যে কবিতা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, যে কবিতা কপাট ভাঙ্গতে জানে, আমরা শুধু সেই কবিতাকে নগ্ন কবিতা বলেই জানি। আমরা জানি না যে এই কবিতার মাধ্যমেই রবের গুণগান গাওয়া যায়। আমার নিকটস্থ এই সমস্যা হয়ত আমার পক্ষে সমাধান সম্ভব নয় তবে মনের কিছু অব্যক্ত চরণদ্বয়ের মাধ্যমে একটি প্রতিবাদ লিপি ঠিকই লেখা যায়। যেখানে সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে, সত্যের গুণগান হবে এবং বুঝানাে হবে কবিতা আসলে কি। কবিতার ভালােবাসাটা আসলে কি? কবিরা আসলে কেমন। এই সকল চিন্তা-ভাবনা থেকেই আমি লিখেছি আমার প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ ‘উত্তরণ'। যার পাতায় আমি পাঠকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা দিতে যাচ্ছি। যেখানে থাকবে রবের গুণগান সহ সমাজের বাস্তবতাকে তুলে ধরার মতন কিছু চরণ যাতে করে কিছু মানুষ উপকৃত হতে পারে এবং সহজেই বুঝতে পারে সত্যটা আসলে কি। আর উন্নয়নের পথটাই বা কি হবে। আমি মনেকরি এক আরিফ আজাদ যদি এতবড় ভূমিকা রাখতে পারে তবে আমি কেন নয়! আমিও আমার গন্ডিতেই সমাজ তথা দেশ তথা ইসলামের সত্য বলনে নিজের লেখার কলমকে এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে উৎসর্গিত করলাম। “লিখবাে আমি সত্যের দ্বারে ফুটবে আলাের ঝর্নাধারা, মিথ্যেরা সব লুকিয়ে রবে, কলমেতে চলবে সত্যরা।” পরিশেষে এটাই বলব যে, এ লেখাই বইয়ের মূলভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না, তবে আপনারা আগ্রহী হয়ে যদি আমার বইটি বিশ্লেষণ করেন এবং বইয়ের মূল কথন উপলদ্ধি করতে পারেন তবেই হবে সার্থকতার উত্তরণ'।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
কবিতা খুববেশী পড়া হয়না। খুববেশী লিখতে ও পড়তেও জানিনা তবে এই বইয়ের কয়েকটা কবিতাই আমাকে মুগ্ধ করেছে, টেনে নিয়েছে কবিতার বইয়ের শেষ প্রান্তে। মুনাজাত থেকে মোবাইল অব্দি। ছন্দের যাদুতে হারিয়ে ছিলাম বারবার। কাব্যের ধারায় এমন কবিতা বারবার আসুক সহজ ও সরল ভাষায়। হারিয়ে যাক কবিতার প্রতি সকলের অনীহা। উত্তোরিত হোক লেখকের প্রতিটি সত্য ও ন্যায়ের ম্যাসেজ। নতুন কিছুর অপেক্ষায় রইলাম। অনেক অনেক শুভ কামনা ভাইজানের জন্য
যে কবিতা ভালোবাসে না সে প্রেম-ভালোবাসাও বুঝে না। কবিতা অনেকটা প্রেমের মতো, অল্প কিছু অক্ষরে গাঢ় ঘনত্বের অনুভূতি। কবিতার তীব্রগম্ভীর দুঃখ মাখা শব্দ গুলো আমাকে অজানা দুঃখের পাল তোলা নৌকা করে ভাসিয়ে নিয়ে যায় দুঃখের রাজ্যে, যেখানে শব্দের ঘোমটা পরে লাজুক অবস্থায় কুকুরকুণ্ডলী হয়ে বসে থাকে। মেয়েদের লিখা কবিতায় নাকি শুধু চাপা ক্ষোভ আর জমাট বেঁধে থাকা রক্ত মাখা কষ্ট থাকে। কিন্তু ছেলেদের লেখা কবিতায় তার উল্টো। শব্দের ফুলঝুরিতে শুধু ব্যর্থতার ফিরিস্তি আর গাঢ় বিষণ্ণতা। শুনেছি কবিরা নাকি স্বার্থপর হয়। সব সুখ নিজের কাছে রেখে দিয়ে নিজের দুঃখ হাল্কা করতে লাল কালো অক্ষরে কবিতা সাজিয়ে রাখে। অথচ গত কয়েকদিনে আমার পড়া পুরো একটা কাব্যগ্রন্থে আমি কবির সব কিছু উজাড় করে দিতে দেখেছি । কবির সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা, ব্যর্থতা -সফলতা সব দিয়েছে সেই কাব্যগ্রন্থে। হুম! সব বলতে সব। অন্যায়ের প্রতি তিরস্কার আর ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, জুলুমবাজদের প্রতি আগ্রাসী ভাবটাও ফুটে উঠেছে কবিতায়। বলছিলাম মিনহাজ উদ্দিন ভাইয়ের লিখা #উত্তরণ নামের কাব্যগ্রন্থের কথা। এই যেন কবিতার ফেরিওয়ালা। শেষ কবে পুরো একটা কাব্যগ্রন্থ পড়েছি আমার মনে নেই। কেন জানি এই গ্রন্থের প্রতিটা কাব্যের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ পেয়েছি। পড়ার প্রতি আকৃষ্টতা সৃষ্টি করেছে প্রতিটা কাব্যে স্থান করে নেওয়া শব্দ সম্ভার। রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন- "হাত ধরো, হাত ধরো- আমি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিবর্তে এনে দিবো তৃতীয় পৃথিবীর শ্রেণিহীন কবিতার ভুবন"! আমার মনে হয় আপনি সেই কবিতার ভুবনের একজন। নাহ! বাড়তি আশা জাগানো নয়, তবে সত্যি বলছি আপনি অনেক দূর এগিয়ে যাবেন। একদিন আপনার কবিতা হবে এই যুগের কিশোর-যুবকদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। এই আমার প্রত্যাশা নয়, আত্মবিশ্বাস। #উত্তরণ
আমি ভালো একজন সাহিত্যিক নই, নই আমি কাব্যের কোন নিয়মিত ছাত্রী তবে কবিতার প্রতি যে আমাদের অনীহা তা দূর করতে লিখেছেন আমাদের মিনহাজ ভাই। আমি লেখকের বাণিতেই যেন কবিতার গন্ধ পেয়েছিলাম। আমি পেয়েছিলাম তৃপ্ততা। অনেকদিনের কাব্যের খরা মিটালেন কবি নিজেই। আমি অপলক ভাবেই পড়ে শেষ করেছি কবিতাগুলো, প্রতিটি কবিতাই যেন এক একটি বার্তা দিতে হাজির। আমার কাছে সবচেয়ে বেশী যা ভালো লেগেছে তার ক্রমিক নং দিলে এমন যে, ১। সহজ ভাষায় লিখেছেন, ২।সকলে মিলে পাঠ করার যোগ্য, ৩।ছন্দের তালে লিখেছেন, ৪।প্রতিটি কবিতায় তিনি মেসেজ দিয়েছেন, ৫।নগ্নতার ঠাঁই নেই যেখানে, ৬।বাস্তবতার কথা লিখেছেন। হয়তো তিনি অরোও অনেককিছু লিখেছেন কিন্তু আমি ইহাই বুঝলাম এবং তৃপ্ত হলাম। আমি সত্যিই আনন্দিত এমন একজন মানুষের সাথে রয়েছে আমার কিঞ্চিত যোগাযোগ। সত্যিই আপনি হবেন একজন কবি। আমি আমার কথাগুলো লিখলাম মাত্র। তাহার উত্তরণের নামের সাথে সাথে উত্তরণ হোক কাব্যের প্রতিটি ধাপের। উত্তরণ হোক আমাদের সমাজের। উত্তরণ হোক আমাদের। আক্ষেপ থাকবে কাব্যের সাথে আগামীতে তার কাছে অন্য লেখার জন্য। এমন একজন লোক সাহিত্যে বড্ড প্রয়োজন। দোয়াকরি তাহার সফলতার।
বাংলা ভাষার সহজলভ্য ব্যবহারে এত গভীর ভাবের প্রকাশ আমি কখনো পাইনি। আমি সত্যিই আনন্দিত এই ভেবে যে, উত্তরণের মত একটি কবিতার বই পড়তে পেরেছি। যার প্রতিটি কবিতায় রয়েছে এক একটি তথ্যের উত্তরণ। অনেক অনেক সফলতা কামনা করি তার জন্য।

কবিতায় প্রতিবাদ আছে সাথে রব গুণাগুণ, বাস্তবতার তথ্য স্লোগানে লেখা বই উত্তরণ।























