সোনার তরী
বই কালেকশন

Buy সোনার তরী Online in Bangladesh

লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

4.86
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • Publisher: বিশ্বসাহিত্য ভবন
  • Isbn: 98483094999
  • Number Of Pages: 109
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2011
৳ 159৳ 20021% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

বইটির সূচিপত্রের কিছু অংশ:* সােনার তরী * বিম্ববতী * শৈশবসন্ধ্যা * রাজার ছেলে রাজার মেয়ে * নিদ্রিতা * সুপ্তোত্থিতা * তােমরা ও আমরা * সােনার বাঁধন * বর্ষাযাপন * হিংটিং ছট * পরশ পাথর * বৈষ্ণব কবিতা * দুই পাখি* আকাশের চাঁদ * গান ভঙ্গ * যেতে নাহি দিব * সমুদ্রের প্রতি

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.86
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Nishad Kamol
Nishad Kamol ভেরিফাইড
20 Feb 2021

অন্যতম সেরা কাব্যগ্রন্থ

Al Amin
Al Amin ভেরিফাইড
27 Nov 2019

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালোত্তীর্ণ কাব্যগ্রন্থের মধ্য একটি হচ্ছে ‘সোনার তরী।’ সোনার তরী কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ)। কাব্যগ্রন্থটি কবি দেবেন্দ্রনাথ সেনের প্রতি উৎসর্গিত। সোনার তরী কাব্যগ্রন্থের নামকবিতা অর্থাৎ যে কবিতাটির নামে বইটির নামকরণ করা হয়েছে সে কবিতাটি হলো‘সোনার তরী’। কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতাও ‘সোনার তরী’। এটি বহুল পঠিত ও আলোচিত কবিতার মধ্যে একটি। এই কবিতাটির অর্থ-নিরূপণ নিয়ে যত বাদ-প্রতিবাদ হয়েছে, এমন আর কারো কোনো কবিতা নিয়ে হয়েছে কি না স’েদহ। সোনার তরী কবিতার অর্থ নানাজনে নানাভাবে করেছেন। যাকে বলে বহুরৈখিকতা। একটি কবিতা পাঠের পর একেকজন পাঠক যখন একেকরকম অর্থ আবিষ্কার করে তখনই কবিতাটি সার্থক। পরবর্তীতে কবি নিজেই তাঁর বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কবিতাটির ভাবার্থ সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। কবিতাটিতে একজন কৃষক তার জমির ধান কেটে নদীর পাড়ে একা বসে আছে নৌকার অপেক্ষায়। কবির ভাষায়- ্রএকখানি ছোটো খেত, আমি একেলা, চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা। পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসীমাখা গ্রামখানি মেঘে ঢাক প্রভাতবেলা- এ পারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা।গ্ধ এখানে ছোট ক্ষেত, রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন কবি। ছোট ক্ষেত বলতে কবি এই ধরিত্রীকে বুঝিয়েছেন। যেখানে মানুষ একা আসে এবং যাবার সময় একাই যায়। কৃষকের কাছে নৌকা আসে, কৃষকের কষ্টার্জিত সোনার ধান নৌকায় তুলে নেয় কিন্তু কৃষক যখন নৌকায় উঠতে চায়, মাঝি কৃষককে সেই নৌকায় উঠায় না। তখন কৃষক হতাশ হয়ে উচ্চারণ করেন, ‘আর আছে?-- আর নাই, দিয়েছি ভরে। এতকাল নদীকূলে যাহা লয়ে ছিনু ভুলে সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে-- এখন আমারে লহ করুণা করে।গ্ধ ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই-- ছোটো সে তরী আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।গ্ধ তরী অর্থাৎ মহাকাল, মানুষের কর্মটুকুকে শুধু তার বুকে ঠাঁই দেয়, এখানে ব্যক্তির কোন স্থান নেই। তাই কৃষক যতই অনুনয়বিনয় করুক না কেন, মাঝির কাছে করুণা ভিক্ষা পাবে না। সংসার সমস্তই নেবে, একটি কণাও ফেলে দেবে না-কিন্তু যখন মানুষ বলে, ঐ সঙ্গে আমাকেও নাও আমাকে রাখ; তখন সংসার বলে-তোমার জন্য জায়গা কোথায়? তোমাকে নিয়ে আমার হবে কী? তোমার জীবনের ফসল যা-কিছু রাখবার সমস্তই রাখব, কিন্তু তুমি তো রাখবার যোগ্য নও! কবি নিজে তাঁর কোন এক লেখায় বা সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ্রমহাকাল মানুষের কর্ম কীর্তি বহন করিয়া লইয়া যায়, রক্ষা করে; কিন্তু স্বয়ং কীর্তিমান্ মানুষকে সে রক্ষা করিতে চায় না। হোমার,বাল্মীকি, ব্যাস, কালিদাস, শেক্স্পীয়ার, নেপোলিয়ান, আলেকজান্ডার, প্রতাপসিংহ প্রভৃতির কীর্তিকথা মহাকাল বহন করিয়া লইয়া চলিতেছে, কিন্তু সে সেই সব কীর্তিমানদের রক্ষা করে নাই। যিনি প্রথম অগ্নি আবিষ্কার করিয়াছিলেন, বস্ত্রবয়নের তাঁত ইত্যাদি আবিষ্কার করিয়াছিলেন, তাঁহাদের নাম ইতিহাস রক্ষা করে নাই, কিন্তু তাঁহাদের কীর্তি মানব-সভ্যতার ইতিহাসে অমর হইয়া আছে।” তাই তো কবিতার শেষে কবিকে বলতে শুনি, শ্রাবণগগন ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি-- যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।গ্ধ রূপকের মাধ্যমে কবির গভীর দর্শন ফুটে উঠেছে কবিতায়। কবি যেন এখানে একজন কৃষক আর তাঁর সাহিত্য হচ্ছে ধান। মহাকালে যদিওবা কবির সৃষ্টিকর্মের ঠাঁই হবে কিন্তু ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের ঠাঁই সেখানে নেই। সোনার তরীতে শুধু সোনার ধানই গ্রহনযোগ্য। ‹সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের সবক’টি কবিতা নিখুঁত ছ’েদ রচনা করেছেন কবি। উপমা এবং অলংকার প্রয়োগে তিনি যে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন, তা যেকোনো পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে যায়। কবিতাগুলোতে ফুটিয়ে তুলেছেন আলো-আঁধারির এক অন্যরকম চিত্র। সোনার তরীতে রয়েছে,‘পুরস্কার’‘বর্ষাযাপন’‘আত্মসমর্পণ’‘দেউল’‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’‘যেতে নাহি দেব’ এরকম অনেক বিখ্যাত কবিতা। ‘পুরস্কার’ কবিতায় কবির কাজেকর্মে উদাসীনতা লক্ষ্য করে কবির স্ত্রী বলেন, ‘অন্ন জোটে না, কথা জোটে মেলা, নিশিদিন ধরে এ কী ছেলেখেলা! ভারতীরে ছাড়ি ধরো এইবেলা লক্ষীর উপাসনা॥’ একজন কবির সংসার জীবনের চিত্রকে দীর্ঘ এই কবিতায় রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছেন কবি; যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় পরিণতি শোনার আকাঙ্ক্ষায়। রবীন্দ্রনাথের সোনার তরী বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক অমূল্য সম্পদ। সোনার তরীতে সোনা ধান তুলে দিয়ে প্রকারান্তরে কবি নিজেই নৌকায় উঠে বসেছেন। দৈহিকভাবে তিনি আমাদের মাঝে নেই কিন্তু তিনি তাঁর সৃষ্টির দ্বারা রয়েছেন সকলের অনুভবে। ১৫৮তম জন্মবার্ষিকীতেও তিনি মানুষের কাছে সমানভাবে চির উজ্জ্বল। তাঁর আবেদন ফুরাবার নয়।

MD.  G. M Hossain Rajib
MD. G. M Hossain Rajib ভেরিফাইড
19 Oct 2019

অনেক সুন্দর একটি বই। বইটিতে অনেক সুন্দর ভাবে রবিন্দ্রনাথা ঠাকুর আমাদের গ্রামবাংলার সুন্দর্রয্য কে ফুটিয়ে তুলাছেন। রকমারি ডট কম থেকে আপনি খুব সহজেই বইটি পেয়েযাবেন।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)