Buy সোজন বাদিয়ার ঘাট Online in Bangladesh
লেখক: জসীম উদদীন
- Author: জসীম উদদীন
- Publisher: পলাশ প্রকাশনী
- Number Of Pages: 160
- Language: বাংলা
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"সোজন বাদিয়ার ঘাট" বইটির ফ্ল্যাপের অংশ থেকে নেয়া:‘সােজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যোপন্যাসটি জসীম উদ্দীনের সেরা বহুলপঠিত বই। ১৯৩৩ সালে কবির মাত্র তিরিশ বছর বয়সে লেখা এই বইটি বাংলা কাব্যোপন্যাসের জগতে বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। ‘সােজন বাদিয়ার ঘাট' সর্বাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত বাংলা বই। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “তােমার ‘সােজন বাদিয়ার ঘাট” অতীব প্রশংসার যােগ্য। এ বই যে বাংলার পাঠক সমাজে আদৃত হবে, সে বিষয়ে আমার লেশমাত্র সন্দেহ নেই।” মুসলমান চাষীর ছেলে সােজন আর নমুর মেয়ে দুলীর অপূর্ব প্রেমকাহিনী। তার সঙ্গে বিগত সামন্ত যুগের জমিদারী প্রথার নিষ্ঠুরতার আলেখ্য। নমুমুসলমানের দাঙ্গা-ঝন্ ঝন্ ঝন্ কাইজার থালা বাজিল। অন্ধকার রাতে দুলালীকে সঙ্গে নিয়ে সােজনের পলায়ন, গড়াই নদীর তীরে পাখির মত সােজন-দুলীর নীড় রচনা, তারপর সােজনের বিচার...দুলীর অন্যত্র বিবাহ। জেল থেকে ফিরে বেদের ঝালি মাথায় নিয়ে দেশে দেশে সােজনের দুলীর অন্বেষণ, নানা ঘটনাবৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে সােজন বাদিয়ার ঘাটে এনে কবি এই কাব্যের পরিসমাপ্তি ঘটান। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন পন্ডিত চেকোশ্লাভাকিয়ার ভাষাবিদ প্রফেসর ডঃ দূশন জুভিতেল জসীম উদ্দীন সম্পর্কে বলেন, “...জসীম উদ্দীনের বই যখন পড়ি তখনই তাতে নতুন নতুন সৌন্দর্য আবিষ্কার করি। ...কবি জসীম উদ্দীন ... এইসব গ্রাম্য সাহিত্য ঘনিষ্ঠভাবে চেনেন, লম্বা লম্বা বছর ধরে নিজেই গ্রাম্য গান সংগ্রহ করেছিলেন। উনি কবি, বাল্যকাল থেকে কবিশিষ্যের মত সবচেয়ে বড় কবির পায়ে বসেছিলেন যার নাম হচ্ছে জনসাধারণ। আমার বিশ্বাস ওর থেকে উনি তার নকশী কাঁথার মাঠ', সােজন বাদিয়ার ঘাট’ ‘সকিনা ইত্যাদি বইগুলির বাইরের রূপ পেয়েছেন, গ্রাম্য কবিদের সঙ্গে একই অতল সৌন্দর্যের সাগর থেকে পান করতে শিখেছেন।... জনসাধারণের প্রতি জসীম উদ্দীনের অপরিসীম মমতা ও সমবেদনাবােধ যাকে বলা যায় Poetic Humanism. ... উনি তাে গ্রামের মানুষ, মাটির মানুষ, বাংলা জনসাধারণের সঙ্গে অসংখ্য বন্ধন দিয়ে বাঁধা কবি। তাদের সুখ দুঃখ বুঝতে পারেন, তাদের আনন্দ-বেদনা মুখরিত করতে জানেন।”
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বাংলা সাহিত্যের অমর গাথা। জসীমউদ্দীন এর লেখা অসাধারণ। বইয়ের কোয়ালিটি মুটামুটি ভালো আপনার নিতে পারেন
বাংলা সাহিত্যের এক অমর গাঁথা। বিশ্ব সাহিত্য দরবারে সিনা টান করে দাঁড়াতে পারার যোগ্য এই বইখানি।

Jara romantic kahini porte chai tader jonno ata best

" গড়াই নদীর তীরে, কুটির খানি লতাপাতা ফুল মায়া রয়েছে ঘিরে বাতাসে হেলিয়া, আলোতে খেলিয়া সন্ধ্যা সকালে ফুটি, উঠোনের কোনে বুনো ফুল গুলি হেসে হয় কুটি কুটি " ছোট বেলায় চতুর্থ শ্রেণী তে থাকতে কবিতাটি পড়েছিলাম। আমার মত সবাই ই হয়তো কবিতাটি পড়েছে। কিন্তু কয়জন জানে, যে কুটিরের বর্ণনা কবি দিয়েছেন,তা সোজন দুলিরই বাড়ির ছবি? এই কাব্য গ্রন্থের শেষে এসে সত্যিই কষ্ট পেয়েছি। আর অভিভূত হয়েছে কবির লেখনী তে। গ্রাম বাংলার সহজ সরল জীবন,আর অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্যের কি অসম্ভব সুন্দর ছবি কবি এই বইতে একেছেন,তা না পড়লে বোঝা সম্ভব নয়।

বই এর নাম - সোজন বাদিয়ার ঘাট, লেখক - জসীম উদ্দীন, ক্যাটাগরি - কাব্যোপন্যাস, প্রকাশনী -পলাশ প্রকাশনী সোজন বাদিয়ার ঘাট রচিত হয় ১৯৩৩ সালে।এটি একটি কাব্যোপন্যাস। সোজন বাদিয়ার ঘাট সর্বাদিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত একটি বই। #কাহিনী_সংক্ষেপ : শিমুলতলী গাঁয়ে নমু এবং মুসলমান দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস। গলায় গলায় তাদের ভাব। একে অপরের উৎসবে মেতে ওঠে তারা। পূজোর গান বাজনা,কিংবা আজানের ধ্বনি কোনকিছুই তাদের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়না।একবার মহরমে সাউদ পাড়ার মুসলমানরা নমুদের সামনে পেয়ে তাদের মেরে আহত করেছিল। তারা রামনগরে নায়েব মশাই এর কাছে নালিশ করতে গেলে তিনি সব মুসলমান এমন কী শিমুলতলীর মুসলমানদের উপর আক্রমন করতে উদ্বুদ্ধ করেন। কিন্তু ভালবাসার বন্ধনের কাছে দুটি সম্প্রদায় হার মেনে নেয়। কেউ কাউকে আক্রমন করেনা। নমুদের সেরা গদাই মোড়লের মেয়ে দুলালী আদর করে দুলী ডাকা হয় তার সাথে ছমু মুসলমানের সন্তান সোজনের বন্ধুত্ব অনেক গভীর। একে অপরের প্রতি মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ তারা।সোজনকে ছাড়া দুলীর সময় অতিবাহিত হতে চায়না। সোজনকে সে এতোটাই ভালবাসে যে তাকে সিঁদুর কৌটে ভরে নিজ আচলের নিচে লুকিয়ে রাখতে চাইতো। সোজনের অসুস্থতায় তার দেবতার নিকট সাতটি মহিষ মানত করে এসেছিল। সোজনকে ছাড়া তার কোন কাজ এগুতে চাইতোনা। সোজনও দুলীকে অনেক ভালবাসতো। দুলীকে করা সব শপথ পালন করেছে সে। তার খুব শখ যখন সে বড় হবে, অনেক টাকা পয়সা জমিয়ে দুলীর জন্য সিঁদুর, ময়ূর পাখা, শঙ্খের চুড়ি, মধুমালা শাড়ি নিয়ে আসবে। বনে কোন গাছের নিচে বসে, গাছপালা, ফুল ফল পাখিদের সাথে খেলা করে কেটে যেত তাদের সুন্দর সময়। অনেক মধুর স্মৃতি জড়িয়ে আছে তাদের এই প্রকৃতিকে ঘিরে। আম্র শাখার মুকুল হলে গাছটিকে বউ সাজিয়ে কদম গাছের সাথে বিয়ে দিত। আবার মেঘলার দিনে যখন কদম ফুল ফুটতো তখন তাকে বউ সাজিয়ে আম গাছের সাথে বিয়ে দিতো । কখনো বা বউ কথা কও পাখির মত ডাক দিয়ে পাখিটিকে রাগিয়ে তুলতো। এমনি করে একদিন দুলী মায়ের চোখে ধরা পড়ে যায়। এরপরেও সে সোজনকে নিয়ে স্বপ্ন বুনতে ভুলেনা। একটা সময় দুলীর বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। বিয়ের আসর থেকে দুলী পালিয়ে এসে সোজনকে বলে তাকে নিয়ে দূরে কোথাও যেতে। সোজন প্রথমে রাজী না হলেও দুলীর ভালবাসার প্রকাশের কাছে হার মেনে তাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে রাজী হয়। গড়াই নদীর তীরে পাখির নীড়ের মত করে ছোট একখানা নীড় বাঁধে সোজন দুলী ☺ সোজন কাঠ কেটে দূর হাঁটে বিক্রি করে আর দুলী তার স্বপ্নজাল দিয়ে নিজের মত করে সাজিয়ে তোলে তার এই ছোট আবাস। সারাদিন শিকা বুননে সে ফুটিয়ে তোলে তার মনের ভাব। শিমুলতলীতে সোজনের সাথে কাটিয়ে দেওয়া মুহূর্তগুলোকে।ভালবাসার প্রত্যেকটি প্রতিচ্ছবিকে তার হাতের নিপুন ছোঁয়ায় সে ফুটিয়ে তোলে একেকটি শিকা রচনায়। এভাবেই কাটতে থাকে সোজন দুলীর সংসার। এখানেই শেষ নয় বাকিটা গোপনীয়। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো। #আমার_উপলব্ধি : নক্সী কাঁথার মাঠ পড়ে জসীম উদ্দীন এর আরো লেখা পড়তে ইচ্ছে করছিল। সোজন বাদিয়ার ঘাট পড়ার ইচ্ছেটা হয়েছিল বেশি। পড়ার পর মুগ্ধ হয়েছি। সুখপাঠ্য ছিল। এতো সুন্দর উপমা,এতো সুন্দর প্রেমের বহিঃপ্রকাশ সত্যিই মুগ্ধ করেছে।প্রত্যেকটি পার্টে রয়েছে মুর্শিদা গান, জারিনাচের গান, ছেলে ভুলানো ছড়া সহ ইত্যাদির ছোঁয়া। দুলীর ভালবাসা, সোজনের প্রতি তার মায়া, সোজনকে ঘিরে তার স্বপ্ন, সোজনের প্রতি তার ভক্তি হৃদয় ছুঁয়েছে।মনে হচ্ছিল দুলীর ছেলে মানুষীগুলো আমার মত। কাব্যের শেষ অংশে গিয়ে দুঃখ পেয়েছি অনেক। চোখে ভেসে উঠছিল চরিত্রগুলো।ইচ্ছে করছিল শেষটা নিজের মত করে রচনা করি..
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Ata ki hard cover er?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।
Ata ki hard cover er?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।























