

Buy রাখালী Online in Bangladesh
লেখক: জসীম উদদীন
- Author: জসীম উদদীন
- Publisher: পলাশ প্রকাশনী
- Language: বাংলা
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"রাখালী"বইটির প্রথমের কিছু অংশ:রাখালীএই গায়েতে একটি মেয়ে চুলগুলি তার কালাে কালাে,মাঝে সােনার মুখটি হাসে আঁধারেতে চাদের আলাে।রাতে বসতে, জল আনতে, সকল কাজেই হাসি যে তার,এই নিয়ে সে অনেক বারই মায়ের কাছে খেয়েছে মার।সান করিয়া ভিজে চুলে কাঁখে ভরা ঘড়ার ভারেমুখের হাসি দ্বিগুণ হােটে কোন মতেই থামতে নারে।এই মেয়েটি এমনি ছিল যাহার সাথেই হত দেখা,তাহার মুখেই এক নিমেষে ছড়িয়ে যেত হাসির রেখা।মা বলিত, “বডুরে তুই, মিছে মিছি হাসিস্ বড় ...এ শুনেও সারা গা তার হাসির চোটে নড় নড়।মুখখানি তার কাঁচা কাঁচা, না সে সােনার না সে আবীর, সে করুণ সঁঝের গাঙে আধ-আলাে রঙীন রবির।কেমন যেন গাল দুখানি, মাঝে রাঙা ঠোটটি তাহার,মাঠে-ফোটা কলমি ফুলে কতকটা তার খেলে বাহার।গালটি তাহার এমন পাতল, ফুয়েই যেন যাবে উড়ে,দুএকটি চুল এলিয়ে পড়ে মাথার সাথে রাখছে ধরে।সঁঝ সকালে এ-ঘর ওঘর ফিরত যখন হেসে-খেলে,মনে হত ঢেউয়ের জলে ফুলটিরে কে গেছে ফেলে!এই গাঁয়ের এক চাষার ছেলে ও-পথ দিয়ে চলতে ধীরে,ওই মেয়েটির রূপের গাঙে হারিয়ে গেল কলসটিরে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Very Good.
Owesome

nice

.
#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইয়ের নাম-রাখালী জনরা-কবিতা কবি-জসীম উদ্ দীন পৃষ্ঠা-৬৮ মূল্য-৮০ "রাখালী" জসীম উদ্ দীনয়ের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ছাত্রাবস্থাতেই এই কাব্য রচিত। কবির তরুন বয়সের লেখা কবিতাগুলো এই কাব্যে রয়েছে। বইটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত। যদিও সূচনালগ্নের কাব্য তবুও কবির সাহিত্যিকর্মে এই কাব্য গুরুত্বপূর্ণ এক স্থান দখল করে আছে। এ কাব্যের জন্য আবুল ফজল তাঁকে "পল্লীর কবি প্রতিনিধি" রূপে চিহ্নিত করেছেন। বইটিতে ১৯টি কবিতা আছে এর মধ্য "কবর" কবিতাটি বেশ জনপ্রিয় হয়। ২টি কবিতা গান এর সুরে গান হিসেবে প্রচলিত। এর মধ্যে পাঁচটি রাখালিয়া ভাষায় রচিত কবিতা। বাঙালির স্বভাবের ভাষায় রচিত গানগুলোর মধ্যে পল্লী নরনারীর প্রাণের পরিচয় পাওয়া যায়। তাছাড়া কবিতায় পল্লীর বাস্তবতা, মৃত্যুর দৃশ্য, প্রেমের চিত্র, সাংসারিক চরিত্র ফুটে উঠেছে। "রাখালী" কাব্যের প্রথম এবং নাম কবিতা "রাখালী"। এক পল্লী কিশোর ও পল্লী কিশোরীর ব্যর্থ প্রেমের কাহিনী এখানে বর্ণিত। "সেই মেয়েটির চলা পথে সেই মেয়েটির গাঙের ঘাটে, একলা রাখাল বাজায় বাঁশী ব্যথায় ভরা গাঁয়ের বাটে।" "সিঁদুরে বেসাতি" কবিতায় ভিনদেশি এক সিঁদুর বিক্রেতা বেনে শাখা সিঁদুর নথ বিক্রির ছলে গ্রামপ প্রবেশ করে এক কিশোরীর মন কেড়ে নিয়েছে। সেই কিশোরী বেনের আশায় পথ পানে চেয়ে আছে। সিঁদুরের বেসাতি মূলত মেয়েলী সুরে বিরহের গান। "বৈদেশী বন্ধু " এই কবিতায় অন্যগ্রাম থেকে আসা এক চাষা যুবক ধান কাটার সময় ধান কাটতে আসে। এই গ্রামের এক নারী তাকে ভালোবেসে ফেলে। ধান কাটা শেষ হলে যুবক চলে যেতে চাইলে তার কাছে বিনীত অনুরোধ করছে দেশে ফিরে গিয়ে সে যেন তাকে ভুলে না যায়। "রাখাল ছেলে" কবিতায় কবি গেঁয়ো মাঠ ধরে হেটে ফিরা রাখাল ছেলেকে তুলে ধরেছেন। "খেলা মোদের গান গাওয়া ভাই, খেলা লাঙল চষা সারাটা দিন খেলতে জানি জানিইনেক বসা।" "কবর" জসীমউদদীনের অন্যতম কবিতা। এক স্বজনহারা পল্লী বৃদ্ধের দুঃসহ বেদনা উত্থিত হয়েছে। গ্রামীন বৃদ্ধ তার একমাত্র জীবিত পৌত্রের কাছে তার স্ত্রী, কন্যা, পুত্র, পুত্রবধু, পৌত্রীর অকাল মৃত্যুর কাহিনী বর্ণনা করছে। জসীমউদদীনের বিশেষ নৈপুণ্যে কবর কবিতায় লোকজ উপাদানে বৃদ্ধের ব্যক্তিজীবনের বেদনাকে সার্বজনীনতা পেয়েছে। "জোড়হাতে দাদু মোনাজাত করি,"আয় খোদা!রহমান, ভেস্ত নাজেল করিও সকল মৃত্যু-ব্যথিত-প্রাণ!"























