

Buy প্যাথেটিক ফ্যালাসি Online in Bangladesh
লেখক: সানজিদা হোসাইন
- Author: সানজিদা হোসাইন
- Publisher: চলন্তিকা
- Isbn: 9789849711414
- Number Of Pages: 120
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আমি একটা যৌথ পরিবারের টিপিক্যাল গৃহবধূ এবং দুই সন্তানের জননী। স্বামী, সংসার, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে বিভোর থাকি। এখানে ব্যস্ত থাকি বললে কিন্তু ভুল হবে। আমি বিভোরই থাকি। সাহিত্য জগতের সাথে আমার তেমন কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে মাঝে মাঝে আমার কথা বলার মানুষের অভাববোধ হলে আমি লিখি। তাতে মাথার ভেতর উড়ে এসে জুড়ে বসা যেসব কথা নিউরনের মধ্যে ব্যাপক হারে গুঁতোগুঁতি করতে থাকে, তারা কিছুটা শান্ত হয়। মানুষের যেমন সকাল বেলা পার্কে হাঁটতে গেলে ডোপামিন, সেরোটনিন নামক হরমোন রিলিজ হয়, আমার তেমন লিখলে হয়। সুযোগ পেলেই মনে হয় কিছু লিখি। একটা সাধারণ কথাকেও কত রকম ভাবে বলা যায়, কত সুন্দরভাবে লেখা লেখা যায়... সেগুলো নিয়ে খেলা করতে আমার ভালো লাগে... শব্দের খেলা।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

“প্যাথেটিক ফ্যালাসি”, এরকম অদ্ভুত নামের জন্য বইটার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। এছাড়াও লেখিকা সানজিদা হোসাইন এর কিছু লেখা ফেসবুকে পড়ে ভালো লাগায় বইটা নিতে উৎসুক ছিলাম। “প্যাথেটিক ফ্যালাসি” মানে কি? আক্ষরিক অর্থে এই শব্দ দুইটার মানে “দুঃখজনক মিথ্যা”। যদিও লেখিকা বলেছেন এখানে ‘প্যাথেটিক’ শব্দটা দুঃখজনক অর্থে ব্যবহত হয়নি। ‘প্যাথেটিক’ শব্দটা ল্যাটিন ‘প্যাথে’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘অনুভূতি’। ‘ফ্যালাসি’ শব্দটা ‘ফ্যালাক্স’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘ছলনা’ বা ‘মিথ্যা’। তার মানে “প্যাথেটিক ফ্যালাসি” এর অর্থ আমরা বলতে পারি “মিথ্যা অনুভূতি”! তা হলে লেখক সানজিদা হোসাইনের “প্যাথেটিক ফ্যালাসি” কি ধরণের বই? গল্প, উপন্যাস না প্রবন্ধ! আমার মনে হয়েছে এটা লেখিকার নিজের অভিজ্ঞতার গল্প। টুকরো টুকরো ঘটনা আর নিজের অভিজ্ঞতার কথা উঠে এসেছে এই বইয়ে। বইটা শুরু হয়েছে লেখকের নিজেকে দিয়ে। অল্প কথায় নিজেকে তুলে ধরেছেন লেখক সানজিদা হোসাইন। এরপর ছেলেমেয়ের সাথে ওনার সম্পর্ক এবং বাচ্চাদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, এবং উনি কিভাবে ওনার বাচ্চাদের সাথে কথা বলেন, সময় দেন তা নিয়ে কথা বলেছেন। বইটিতে সুন্দর সুন্দর শিরোনামে ৩৫টি অধ্যায় আছে। লেখায় লেখিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কথা, নিজের ছোটবেলার কথা, সংসার জীবন, ছেলেমেয়ের কথা, তাদের বড় করা সহ পারিপার্শিক অনেক অনেক বিষয় উঠে এসেছে। বইটা যেহেতু আর দশটা বইয়ের মতো না, এটা একটু সময় নিয়ে অল্প অল্প করে পড়লে ভালো হবে। ব্যতিক্রমী এই বইটি ভালো লেগেছে এবং সময় নিয়ে পড়লে পাঠকের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস। অধ্যায়গুলোর প্রকাশের সময়কাল দিলে ভালো হতো। তা হলে লেখক কোন বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখাটা লিখেছেন কি না এবং তখন ওনার মনোভাব কি ছিল তা জানা যেত। বইয়ের প্রচ্ছদ অদ্ভুত সুন্দর, আর আকর্ষণীয়। বইটা চোখে পড়লে নাম আর প্রচ্ছদের জন্য একবার হলেও হাতে নিতে ইচ্ছা করবে। বইটির প্রিন্ট সুন্দর। মুদ্রণ বিভ্রাট চোখে পড়েনি বললেই হয়। যদিও কয়েকটা জায়গায় কিছু শব্দ ভেংগে দুই লাইন চলে এসেছে। ব্যাপারটা বেশ বিরক্তিকর। . বই পরিচিতিঃ বইয়ের নামঃ প্যাথেটিক ফ্যালাসি লেখকঃ সানজিদা হোসাইন প্রকাশনীঃ চলন্তিকা প্রচ্ছদঃ আশরাফুল ইসলাম প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১২০ মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ টাকা
#প্যাথেটিক_ফ্যালাসি "লেখার মধ্যে জীবনকে আটকে ফেলায় আনন্দ নেই, জীবনের মধ্যে লেখাকে টেনে আনাতেই মূল আনন্দ।" ভাবনাটা সুন্দর না? জি! এমনই অসংখ্য চমৎকার ও মন ছুঁয়ে যাওয়া চিন্তা ভাবনার সমন্বয়ে রচিত হয়েছে সুলেখক সানজিদা হোসাইনের তৃতীয় বই "প্যাথেটিক ফ্যালাসি।" প্যাথিটিক ফ্যালাসি অর্থ কি আসলে? যেখানে লেখক কোন বস্তুর মাঝে মানবিক আবেদনকে ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে সেটিকে( Pathetic Fallacy) প্যাথেটিক ফ্যালাসি বলে। প্রকৃতি যখন মানুষের আবেগ অনুসারে সারা দেয় সাহিত্যের ভাষায় সেটাকে প্যাথেটিক ফ্যালাসি বলে। "সুপ্ত চেতনার বহমান স্মৃতিই জীবনবোধের গীতি " এই মূলমন্ত্রেই বইটি লেখা। যেখানে লেখক নিজের সুনিপুণ চিন্তাধারা ও মননশীলতার মাধ্যমে জীবনকে দেখার এক নতুন উপায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ★পাঠ প্রতিক্রিয়া : লেখকের আগের দুটি বই থেকে এই বইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাচেঁর। এটি না কোন রোমান্টিক উপন্যাস না থ্রিলার। না এটি সম্পূর্ণ কোন প্রবন্ধ। আমি বলব এটি মূলত জীবনবোধের গল্প। বইটি মোট ৩৫টি শিরনামের মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলার এক অভিনব দিক প্রদর্শন এবং জীবনের কিছু কঠিন বাস্তবতাও তুলে ধরেছেন লেখক। সমারোহে নয়... নিজস্বতায় বাঁচি, রশোমন ইফেক্ট, খেলিছো এ বিশ্বলয়ে বিরাট শিশু, আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে, নস্টালজিয়া,যে রাঁধে সে কবিতাও বাঁধে, আাত্নতুষ্টিই মনের পুষ্টি, সুখানুভব, মৃত্যুন্জয়ী। এমনই আরও বেশকিছু শিরোনাম বইটিতে পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে পাঠক জীবনকে অন্যরকমভাবে উপভোগ করতে পারবে। ★ প্রিয় উক্তি : বইটি পুরোটাই যেন ভালোলাগার উক্তিতে ঠাসা। প্রতিটা পাতায় যেন জীবনকে নতুন রূপে উপস্থাপন করেছে। যেমন- ১. যে জিনিস মানুষের চিরায়ত অভ্যাসের বাহিরে, তাতে সে অস্বস্তিবোধ করবে সেটাই স্বাভাবিক। ( সমারোহে নয়... নিজস্বতায় বাঁচি) ২.স্রোতের দিকে তো কচুরিপানা ভাসে, বিপরীতে চললে কেউ থাকে না পাশে। ( যে রাঁধে সে কবিতাও বাঁধে) ৩. জনস্বার্থে নয়, নিজের স্বার্থেই সুচিন্তা আর সদাচরণ দিয়ে নিজেকে ন্যাচারাল বিউটি হিসেবে গড়ে তুলুন। ( প্যাথেটিক ফ্যালাসি) ৪. পৃথিবীর যেকোন অপেক্ষাই ভীষণ কষ্টের। তবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কষ্টের হচ্ছে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা। ( জীবন বড়োই সুন্দর) ৫. রক্ষণশীল বিদ্যার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে আমরা নিজের অবস্থান থেকে ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তচিন্তার মাধ্যমে সত্য নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হই। ( শিখতে নেই মানা) ৬. জীবনের জন্য সুখ...সুখের জন্য জীবন না। যখন যেখানে যেমন তেমন ভাবে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার নামই জীবন। ( আসলে কেউ সুখী নয়) ৭. বদলে যাওয়ার দোহাই দিয়ে যারা সম্পর্কগুলো এক চুটকি তে উড়িয়ে দিয়ে পুরনো মানুষটাকে ছেড়ে চলেই যায়, তারা জানেই না...মানুষের কোন রিপ্লেসমেন্ট হয়না। ( দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না ) ৮. পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে ভাল থাকা, জীবনকে উপভোগ করা, বিষন্নতায় না ভোগা, হাসিমুখে প্রকৃতিকে মেনে নেয়া। ( মৃত্যুঞ্জয়ী) ★ প্রচ্ছদ ও ফ্ল্যাপ : বইটির প্রচ্ছদেই এর ভিতরের রহস্য ফুটে উঠেছে। হাসি আর কান্না। মানুষের জীবনের দুটি অপরিহার্য দিক প্রচ্ছদ শিল্পী এখানে অংকন করেছেন। চমৎকার এই প্রচ্ছদটি করেছেন আশরাফুল ইসলাম। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখেছেন পাঠকপ্রিয় কবি এবং লেখক রাশেদ রানা। ★পরিশেষে বলব, বইটি শেষ করার পর একটাই কথা মাথায় আসে। জীবন সুন্দর। এই সুন্দর জীবনের প্রতি মুহূর্তে উপভোগ করুন। নিজে বাঁচুন এবং অন্যকেও বাঁচার অনুপ্রেরণা দিন। দিনশেষে যেন আফসোস করতে না হয় যে, কি করলাম জীবনে? আরেকটু যদি চেষ্টা করতাম তাহলে কি আরও সুন্দর মতো জীবনটাকে গড়ে তুলতে পারতাম? এমন চিন্তা বা আফসোস করার আগেই বাঁচুন প্রাণভরে বাঁচুন। লেখকের ভাষায়... "পৃথিবীতে কোন মানুষই পারফেক্ট নয, তবে চাইলেই সম্পর্কগুলোকে পারফেক্ট করা যায়। "

#প্যাথেটিক_ফ্যালাসি ❝ জীবন আসলে অংকের মতোই। একে সহজভাবেও সমাধান করা যায়, চাইলে জটিলও করে ফেলা যায়। আর প্রকৃতি হলো সবচেয়ে বড় mathematician... জীবন অংকে ভুল করলেও প্রকৃতি তার হিসাবে ভুল করে না। ❞ উপরের চমৎকার লাইনগুলো লেখক সানজিদা হোসাইনের লেখা ‘প্যাথেটিক ফ্যালাসি’ বই থেকে নেয়া। লেখক বইটিতে মুক্ত গদ্যের মতো করে জীবনের নানা গল্প ফুটিয়ে তুলেছেন। বইটিতে ৩৫ টি শিরোনামে লেখা ভিন্নস্বাদের লেখা রয়েছে। আমাদের জীবন হলো একধরনের জার্নি। এই পুরো যাত্রাপথে মানুষের কোন থামাথামি নেই। কখনো সাফল্যের চূড়ায় উঠে, কখনো খাঁদে পড়ে, কখনো বা আঁকা বাঁকা বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে পুরো জার্নিটা শেষ করতে হয়। বিচিত্র অনুভবের এই জীবনে ঘটে নানা ধরনের ঘটনা। লেখক বইটিতে নিজের ভাষায় চলমান জীবনে ঘটমান নানা গল্প বলেছেন। বইটিতে চমৎকার কিছু শিরোনামে লেখা জীবনের গল্প রয়েছে। এরমধ্যে কতগুলো শিরোনাম হলো: •সমারোহে নয়... নিজস্বতায় বাঁচি •অভিমানে যেন না হই ম্রিয়মাণ •ভার্চুয়াল বনাম অ্যাকচুয়াল •তুলনায় ভুলো না •অন্ধকারে প্রদীপ জ্বলে •রশোমন ইফেক্ট •খেলিছো এ বিশ্বলয়ে বিরাট শিশু •অন্তরলোকের আহ্বান •কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া •আসলে কেউ সুখী নয় •মেরুদন্ড সংকট •বিশ্বাসে দরিয়া পার •অভিলাষী মন বিভিন্ন শিরোনামে লেখক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, অনুভূবের কথা তুলে ধরেছেন। এরমধ্যে কয়েকটি হলো: ★ সমারোহে নয়... নিজস্বতায় বাঁচি: ক্ষুদ্র এই জীবনে মেয়েদের নানা চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করতে হয়। তবে, জীবনে ভালো থাকতে পারাটাই মূল কথা। তাই, যেই কদিন আমরা বেচেঁ আছি, সমারোহে নয়... নিজস্বতায় বাঁচি। ★ অভিমানে যেন না হই ম্রিয়মাণ : অভিমান শব্দটাকে যতটা নিরীহ ভাবা হয়, আসলে ততটা নিরীহ না। এই অভিমানের কারণেই মানবজীবনে ছোট-বড় নানা সমস্যার উৎপত্তি হয়। সুতরাং, সবারই অভিমানটাকে একপাশে সরিয়ে আপস করতে শেখা উচিত। ★ তুলনায় ভুলো না: মানুষ তুলনাপ্রিয়। মানুষের সহজাত স্বভাব হচ্ছে তুলনা করা। সবকিছুতে মানুষ তুলনা করে। আর সমস্ত তুলনার ফলাফল দাঁড়ায় মনের অসুখ। সুন্দরভাবে বেচেঁ থাকতে হলে এই মনোভাব ত্যাগ করতে হবে। ★ রশোমন ইফেক্ট: রশোমন ইফেক্ট হলো একই ঘটনা ভিন্ন ভিন্নভাবে বিশ্লেষণ করা। দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য খারাপ কিছু নয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এরফলে সমাজে যাতে কোন দ্বন্দ্বের সৃষ্টি না হয়। ★ প্যাথেটিক ফ্যালাসি: সাহিত্যের ভাষায়, প্রকৃতি যখন মানুষের আবেগ অনুসারে সাড়া দেয় তাকে প্যাথেটিক ফ্যালাসি বলে। একজন মেয়ে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য লেখালেখি করলে তাতে সমালোচনার অভাব পরে না। প্রেম, ভালোবাসা বা বিচ্ছেদ- যা কিছু নিয়ে লিখুক না কেন, তার সাথে ব্যাক্তিগত জীবনের মিল খুঁজবে। এইসব পরর্চচা, পরনিন্দা থেকে মানুষের বেরিয়ে আসা উচিত। এছাড়া আরো বিভিন্ন শিরোনামে লেখক সুন্দর সব লেখা ফুটিয়ে তুলেছেন। লেখাগুলো লেখকের জীবন থেকে নেয়া হলেও, নিজের জীবনের সাথে বেশিরভাগ ঘটনার মিল পাওয়া গেছে। বইটা পড়ার পর নিজের ছোটবেলার অনেক স্মৃতি মনে পরে যায়। একটি ঘটনাকে ভিন্নভাবে দেখতে শেখায় ‘প্যাথেটিক ফ্যালাসি’ বইটি। বইয়ের নামটি বেশ ভিন্ন ধাঁচের। বইয়ের নাম দেখেই বইটি সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। প্রচ্ছদটিও বেশ সুন্দর এবং বইয়ের সাথে একদম মানানসই। এছাড়া, চলন্তিকা প্রকাশনীর অন্যসব বইয়ের মতো এই বইয়েরও বাঁধাই, কোয়ালিটি চমৎকার। ‘প্যাথেটিক ফ্যালাসি’ বইটি জীবনকে ভিন্নভাবে দেখতে শেখায়। অসম্ভব সুন্দর লেখনীর এই বইটির সবগুলো লেখা দারুণ ছিল এবং লেখাগুলো পাঠকের মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম। বইটিতে অনেককিছু শেখার বিষয়ও রয়েছে। লেখক সানজিদা হোসাইনের লেখা ‘প্যাথেটিক ফ্যালাসি’ বইটি আমার অসম্ভব ভালো লেগেছে। লেখকের জন্য নিরন্তর শুভকামনা। ◾বই থেকে নেয়া কিছু প্রিয় লাইন: • প্রকৃতি শূন্যস্থান পছন্দ করে না। পৃথিবীতে যত মন্দ আছে তা আসলে ভালোর অনুপস্থিতি। যত কালো আছে তা আসলে আলোর অনুপস্থিতি। • যোগাযোগ টেলিগ্রাম বা ট্রাঙ্ককল যুগের মতো কঠিন হোক, আর ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার যুগের মতো সহজ হোক... সম্পর্কগুলো হোক পায়ে চিঠি নিয়ে উড়ে যাওয়া কবুতরগুলোর মতো শান্তির প্রতীক। • ছুঁয়ে দিলে শুধু চোরই হয় না...রাতের আঁধার কেটে ভোরও হয়। আর ২০২০- এর করোনা মহামারিতে এসে জানলাম, ছুঁয়ে দিলে শুধু সুখ হয় না... অসুখও হয়। • কোথাও একটা কিছুর অনুপস্থিতিকে প্রাধান্য না দিয়ে সেখানে যা আছে তাকে কাজে লাগিয়ে ভালো থাকতে পারাটাই সবচেয়ে জরুরি। যে জিনিসটাকে আপাতদৃষ্টিতে দুর্বলতা মনে হয়, চাইলেই সেটাকে শক্তিতে রূপান্তর করা যায় না। তার জন্য প্রয়োজন প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। ◾বই পরিচিতি: বই: প্যাথেটিক ফ্যালাসি লেখক: সানজিদা হোসাইন প্রকাশনী: চলন্তিকা প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০২৩ প্রচ্ছদ: আশরাফুল ইসলাম ধরন: মুক্ত গদ্য মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০























