

Buy নিষ্ফলা মাঠের কৃষক Online in Bangladesh
লেখক: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
- Author: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
- Publisher: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- Isbn: 9841805138
- Number Of Pages: 246
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"নিষ্ফলা মাঠের কৃষক" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ রাজশাহী কলেজে শিক্ষকপদে তিনি যােগ দেন ১৯৬২ সালের পহেলা এপ্রিল; আর ১৯৯২ সালে ঢাকা কলেজের অধ্যাপক পদটি যেদিন ছেড়ে দেন-সেদিনও ছিল পহেলা এপ্রিল, এপ্রিল ফুলের দিন। দুই বােকা-দিবসের মধ্যবর্তী তিরিশটি বছর শিক্ষকতাকেই জীবনের মহত্তম ব্রত হিসেবে জেনে তিনি নিজেকে নিয়ােজিত রেখেছিলেন। অধ্যাপনায়-যার প্রেরণা তিনি পেয়েছিলেন স্কুল ও কলেজ-জীবনের তাঁর ক’জন শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় শিক্ষক, আর তার অধ্যক্ষ পিতার কাছ থেকে। 'নিষ্ফলা মাঠের' কৃষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের অধ্যাপনা-জীবনেরই স্মৃতিচারণ; এ স্মৃতিচারণার একটি দিক জুড়ে আছে তার স্কুল আর কলেজ-জীবনের শিক্ষকদের কথা। আরাে আছে মুনীর চৌধুরী থেকে শুরু করে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী পর্যন্ত বেশ ক’জন বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষক সস্পর্কে তাঁর নির্মোহ মূল্যায়ন যে মূল্যায়ন শ্রদ্ধা সমালােচনার দ্বন্দ্বে দীর্ণ। জীবনের তিরিশটি বছর অধ্যাপনায় কাটানাের পর সেই ফেলে-আসা দিনগুলির দিকে তাকিয়েছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, দুর্যোগে ধ্বস্ত ক্ষেতের দিকে যেমন করে অশ্রুসজল চোখ আর বুকভরা হাহাকার নিয়ে তাকায় একজন কৃষক। সম্পূর্ণভাবে ধসে-পড়া শিক্ষাঙ্গনের অবক্ষয়গ্রস্ত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাঙ্গন, এর ব্যবস্থাপনার আর মূল্যবােধের দিকে তাকিয়ে নিজেকে তার মনে হয় নিষ্ফলা মাঠেরই কৃষক। তাঁর অপরিসীম ভালােবাসা, তীব্র পর্যবেক্ষণশক্তি ও প্রজ্ঞা মিশিয়ে তিনি অনুসন্ধান করেন এই সর্বগ্রাসী অবক্ষয়ের স্বরূপ ও কারণ। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সহৃদয় রসস্নিগ্ধ সংবেদী কুশলী বর্ণনা এই গ্রন্থটিকে দিয়েছে বহুতলসম্পন্ন বিভা। এই গ্রন্থ একই সঙ্গে স্মৃতিচারণ আর উপন্যাস। বর্ণনার মুনশিয়ানায় চরিত্রগুলাে জীবন্ত ও বৈশিষ্ট্যময়। আবেগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রজ্ঞা, একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষকের মতােই জাতির সামনে তিনি তুলে ধরতে চেয়েছেন। আমাদের শিক্ষাঙ্গনের মুখ থুবড়ে পড়ে যাওয়ার ছবি, নীরব কিন্তু ভয়াবহতম এই জাতীয় দুর্যোগটির দিকে তিনি ফেরাতে চেয়েছেন জাতির মনােযােগ। এই গ্রন্থ তাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে মূল্যবান অন্যতম গ্রন্থ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

ছাত্র আবু সায়ীদ এবং শিক্ষক আবু সায়ীদ- এই দুই দৃষ্টিকোণ থেকে এদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উত্থান-পতনের নানামাত্রিক দিক উঠে এসেছে এ বইয়ে। ছাত্র আবু সায়ীদের বর্ণনায় বিশেষভাবে উঠে এসেছেন তার শিক্ষকেরা। তিনভাগে এবং ভাবে তাদের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। স্কুল কলেজের শিক্ষকদের সহজভাবে ভালো এবং মন্দের ছকে এঁকেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের করেছেন সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ। মুনীর চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, আহমদ শরীফ, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, গোবিন্দ চন্দ্র দেব, সৈয়দ আলী আহসান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এর মতো শিক্ষকদের সান্নিধ্যে তিনি যেমন হয়েছেন ঋদ্ধ, তেমনি এদের কারো কারো কিছু আচরণকে তিনি করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ। কয়েকজনের প্রতি অভিযোগ তো রীতিমতো গুরুতর! আশৈশব যে মানুষটা শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন, সেই মানুষটাই কোন পরিস্থিতিতে কী কারণে স্বেচ্ছায় এই পেশা ছাড়তে বাধ্য হলেন? উত্তর এই বইতে আছে। বইটা ১৯৯৭ সালে লেখা। অথচ অবক্ষয়ের যে চিত্র তিনি সেই সময়ে এঁকেছেন, তা দিব্যি আজকের বলে চালিয়ে দেয়া যায়। শিক্ষক হিসেবে হার মেনেছিলেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। নিজে যা হতে পারেননি, ভবিষ্যৎ শিক্ষকদের মধ্যে সেই আলো জ্বেলে দেবার জন্যই হয়তো তিনি গড়লেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বললেন- ❝আলোকিত মানুষ চাই❞


অল্প দামে কাঙ্খিত বই পেয়েছি

স্মৃতিচারণ মূলক বইটি যে কারো ভালো লাগবে। বিশেষ করে যারা শিক্ষকতা পেশায় আছেন এবং যারা শিক্ষকতা করতে চান তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য। বইটিতে শিক্ষক কিভাবে ছাত্র/ছাত্রীদের জীবনে গভীর প্রভাব রাখেন, যা ক্ষেত্র বিশেষে অভিবাবক অপেক্ষা বেশী হতে পারে তার উল্লেখ রয়েছে। একই সাথে বর্তমান ছাত্র/শিক্ষক-সমাজ এর অধপতন কিভাবে লেখককে পীড়া দিচ্ছে তা অনুধাবন করা যায়। সার্বিক ভাবে বিষয় যতটা গুরুগম্ভীর মনে হচ্ছে তা নয়, সুখপাঠ্য বই বটে।

মার্জিত রুচির, ভালোলাগার একটি বই ❤️
অসাধারণ
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
কবে নাগাদ আসতে পারে?
এই মুহূর্তে নিশ্চিত নয় , বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
কবে নাগাদ আসতে পারে?
এই মুহূর্তে নিশ্চিত নয় , বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।























