

Buy মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল Online in Bangladesh
লেখক: ড. কামাল হোসেন
- Author: ড. কামাল হোসেন
- Publisher: প্রথমা প্রকাশন
- Isbn: 9789849176480
- Number Of Pages: 95
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
‘মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল ইতিহাসের এক অনিবার্যতা। ইয়াহিয়াসহ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও ভুট্টোর একগুঁয়েমি, অপরিণামদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষ আসলে সেই অনিবার্যতাকেই ত্বরান্বিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল বইটিতে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের পটভূমি, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের একটি অন্তরঙ্গ ও বস্ত্তনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যাবে। বইটির লেখক ড. কামাল হোসেন ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষের অন্যতম কৌঁসুলি। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান আহূত গোলটেবিল বৈঠকেও আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের একজন আইনি পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি যোগ দেন। ১৯৭১-এর মার্চে ঢাকায় ইয়াহিয়া, ভুট্টো ও তাঁদের সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনায়ও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের পক্ষে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অসহযোগ আন্দোলন চলাকালীন অনেক নীতি ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নের সঙ্গেও তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। মোটকথা আমাদের ইতিহাসের ওই কালপর্বের অনেক ঘটনারই তিনি ছিলেন একাধারে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও সক্রিয় অংশীদার। সেদিক থেকে ড. কামালের এই বইটির একটি ঐতিহাসিক মূল্য বা তাৎপর্য আছে। তৎকালে সংবাদপত্রে এসেছে এবং যা একান্তই ভেতরের ঘটনা—উভয়ই লেখক বিশ্বস্ততার সঙ্গে এ বইয়ে তুলে ধরেছেন।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Every Bangladeshi should read this book. The perspective is just unthinkable. You can never say that the Liberation War of Bangladesh was unnecessary fight after you read this one. Must read for evey Bangladeshi to be aware of their self respect.

.
বইটি আমার খুব ভালোলেগেছে,

ড. কামাল হোসেন তাঁর "মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল" গ্রন্থটি ভারত ও পাকিস্তান বৃটিশ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর নব্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত পাকিস্তান কিভাবে বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ ও শাসন করতেছিল তার এক অকাট্য দলিল হিসেবে পাঠকের নিকট উপস্থাপন করেছেন। বইটিতে জনাব হোসেন দেখিয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে বঙ্গবন্ধু ও পরবর্তীতে বাঙালির জাতির পিতা হয়ে উঠলেন । "মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল" গ্রন্থটিতে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরেছেন।

আইনের প্রত্যেকটা ছাত্র-ছাত্রীরই বোধোয় ড. কামাল হোসেনের প্রতি একটা বাড়তি শ্রদ্ধাবোধ কাজ করে, তিনি আমাদের সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব দান করায়। সেই শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তির লেখা বই হওয়ায় খুব বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। বই - মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল লেখক - ড. কামাল হোসেন প্রচ্ছদ মূল্য - ২০০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৯৫ প্রকাশনী - প্রথমা প্রকাশন লেখক শুরু করেছেন ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ আর তার পরিণামে পাঞ্জাবিদের ক্ষয়ক্ষতি আর বাঙালিদের অরক্ষিত অবস্থার করুণ বহিঃপ্রকাশ এবং তার ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খানের জনপ্রিয়তার ধসের বর্ণনা দিয়ে। শোষিত-বঞ্চিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবি প্রেক্ষাপট সহ উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সার্জেন্ট জহুরুল হকের নিহত হওয়া, বিবাদীপক্ষের কৌসুলি দলে যোগ দিতে ঢাকায় এসে ব্রিটিশ ব্যারিস্টার টমাস উইলিয়ামস কিউসি, এমপি-র নজিরবিহীন ভাবে হয়রানির শিকার হওয়া, ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ড ফিরে যাওয়া এবং মামলাটির অন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ। আইয়ুব খানের পতন এবং ইয়াহিয়ার ক্ষমতার মঞ্চে প্রবেশ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং একক এক নেতার নেতৃত্বে তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া - যা হয়ে উঠেছিলো ইয়াহিয়ার প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ! পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের ১৬৭টি তে আওয়ামী লীগের বিজয়ী হওয়া, ফলশ্রুতিতে পশ্চিমা ক্ষমতালিপ্সু শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর 'অসহযোগ আন্দোলন'এর ডাক এবং বাঙালি জাতির স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই ডাকে সাড়া দেয়া, ক্ষমতা হস্তান্তরে পশ্চিমাদের টালবাহানা - উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। ঘটনার পরম্পরায় সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিচলতা আর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সেই সাথে তাঁর পাশাপাশি আমাদের জাতীয় ৪ নেতার অবিস্মরণীয় অবদান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে জাতির প্রতি তাঁর দেয়া নির্দেশাবলি, কেন 'স্বাধীনতা'কে চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে স্থির করা হলেও দেয়া হলো না সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা? ১৫ই মার্চ ১৯৭১ ইয়াহিয়া ঢাকায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনা শুরু করলেও, আলোচনার আড়ালে ১৭ই মার্চেই তৈরী হয় 'অপারেশন সার্চলাইট'এর নীলনকশা। এরপর শুধু ছিলো বর্বর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চূড়ান্ত আক্রমণের প্রস্তুতি পর্যন্ত কালক্ষেপণের পালা! পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র অনুমান করে, সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়ানোর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের ইচ্ছা ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, পূর্ব পাকিস্তানের নেতাদের আশায় রেখেও, আড়ালে ২৩ মার্চই পাকিস্তানি জেনারেলরা দিয়েছিলো তাদের 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন! একটি ফরমান ঘোষণার চূড়ান্ত আলোচনা যা টেলিফোনেই করা হবে বলে ২৪শে মার্চ আস্বস্ত করছিলো বেঈমান পাকিস্তনী শাসকগোষ্ঠী, ২৫ শে মার্চের রাত সাড়ে ১০টা নাগাদও বঙ্গবন্ধু, ড.কামাল কে সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আর ঐ রাতেই পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙালি জনগণের ওপর আক্রমণ চালায়, শুরু কর গণহত্যা ও রক্তস্নান; যা এড়ানোই ছিলো আলাপ-আলোচনা চালানো ও দর-কষাকষির মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক মীমাংসায় পৌঁছানোর প্রয়াসের প্রধান লক্ষ্য। পরিহাসের বিষয় এই যে, বাংলাদেশের গণহত্যার পর ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, ক্ষমতাদস্যু ইয়াহিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠান ছিল অসাংবিধানিক! বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল ইতিহাসের এক অনিবার্যতা। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও ভুট্টোর একগুঁয়েমি, অপরিণামদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষ সেই অনিবার্যতাকে শুধু ত্বরান্বিতই করেছে। এই বইটিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের একটি অন্তরঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যায়। বইটির লেখক ড.কামাল হোসেন ছিলেন একাধারে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষের অন্যতম কৌঁশুলি ও আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের একজন আইনি পরামর্শদাতা। অসহযোগ আন্দোলনের অনেক নীতি ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে তিনি যুক্ত ছিলেন সরাসরি। মোটকথা আমাদের ইতিহাসের ঐ কালপর্বের অনেক ঘটনারই তিনি একাধারে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও সক্রিয় অংশীদার। সে দিক থেকে এই বইটির রয়েছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Can I add this book by Dr. Kamal Hossain to my order no. (Rokomari.com) Your order no. 47153554063083
No. Create new order.
Can I add this book by Dr. Kamal Hossain to my order no. (Rokomari.com) Your order no. 47153554063083
No. Create new order.























