

Buy মওদূদী জামাত কি পাঁচ গুমরাহিয়াঁ Online in Bangladesh
লেখক: মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী
- Author: মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী
- Publisher: আল মাদানী প্রকাশনী সিলেট
- Number Of Pages: 18
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
তেহাত্তর ফিরকা সম্বন্ধীয় হাদীসে মাসলাকের-মতাদর্শের উল্লেখ রয়েছে। এগুলির মধ্য থেকে বাহাত্তর ফিরকাই জাহান্নামে যাবে, কেবল আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআত তাঁদের আকীদা-বিশ্বাসের বিশুদ্ধতার কারণে জান্নাতে যাবে।তাই মানুষদেরকে তো দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া উচিত, পাশাপাশি পথভ্রষ্ট দলগুলোর পক্ষ থেকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের মধ্যমপন্থী মাসলাক দেওবন্দিয়তের উপর হামলা হলে তার প্রতিরোধ-প্রতিরক্ষাও করা উচিত। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআত যদি নীরব থাকে এবং গুমরাহ দলগুলোর গুমরাহীর বিষয়টি স্পষ্ট না করে, তাহলে ক্ষতি আহলে হকেরই হবে; বাতিলপন্থী ফিরকাগুলি তাদের ভ্রষ্টতা ছড়াতে থাকবে এবং হকপন্থীদের ময়দান সংকুচিত হতে থাকবে।সুতরাং নিঃসন্দেহে দ্বীনের দাওয়াত দিতে হবে, পাশাপাশি সঠিক মতাদর্শের হেফাজতও করতে হবে। এই চেতনা ও চাহিদায় পালনপুরী রাহিমাহুল্লাহ মওদূদী জামাতের পাঁচটি গুমরাহী তাঁর এক বয়ানে তুলে ধরেছেন, যার হুবহু বঙ্গানুবাদ এই কিতাবটি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

মওদূদী জামাত বা জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ'লা মওদুদীর চিন্তাধারার মধ্যে ইসলামের মূল স্রোতধারা (আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআত) থেকে কী কী তাত্ত্বিক বিচ্যুতি রয়েছে, তা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী এই বইটিতে দলীলসহ অত্যন্ত সংক্ষেপে ও চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে সাধারণ মুসলিমদের বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সঠিক আকীদা সম্পর্কে সচেতন হতে বইটি সবার পড়া উচিত।
We can't take this book as a pure book. Because some issue is gathering here. Blind faith shouldn't be written. We should stay neutral about this. At the last, We want "Unity". We want "Peace".

✍️ পর্যালোচনামূলক প্রতিক্রিয়া: বই: ‘মওদূদী জামাত কি পাঁচ গুমরাহিয়াঁ’ – একটি বিভ্রান্তিকর সমীকরণ? বর্তমানে একটি বই ছড়িয়ে পড়েছে— ‘মওদূদী জামাত কি পাঁচ গুমরাহিয়াঁ’, যেখানে মওদূদী (রহ.) ও জামায়াতে ইসলামীকে একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে, এবং অনেক পাঠক সেই লেখা না যাচাই করেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করে নিচ্ছেন। 🧠 যুক্তিপূর্ণ কয়েকটি পর্যালোচনার পয়েন্ট: মওদূদী ≠ জামায়াতে ইসলামী মওদূদী (রহ.) ছিলেন একজন চিন্তাবিদ, লেখক ও ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী পুরোধা। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী একটি চলমান কাঠামোগত সংগঠন—যার নিজস্ব শরঈ পর্যালোচনার পদ্ধতি, শুরা ব্যবস্থা, এবং আদর্শিক গাইডলাইন রয়েছে। আক্বীদা হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ' — মওদূদীবাদ নয় জামায়াত কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক মতবাদ বা ‘ism’ গ্রহণ করে না। তাদের আক্বীদা স্পষ্টভাবে কোরআন-হাদীসভিত্তিক, আর তাদের কাজ সেই আক্বীদা অনুযায়ী সমাজে পরিবর্তন আনা। মওদূদীর যেসব বই জামায়াত পাঠ্যক্রমে রয়েছে, সেগুলো শুধুমাত্র তাফসীর, ইতিহাস ও সমাজ-ভাবনার দিক থেকে উপযোগী বলে নির্বাচন করা হয়েছে। মওদূদীর সকল মত জামায়াত গ্রহণ করে না — যা যে কেউ তাদের নিজস্ব ‘তালীম প্রোগ্রাম’ বা ‘শুরার সিদ্ধান্ত’ বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবে। যাঁরা সত্য জানতে চান, তাঁরা অন্ধবিশ্বাস নয় বরং নিজেরাই যাচাই করে নিন। 👉 জামায়াতে ইসলামীর নিজস্ব বই ও দলিল–পত্র এখন অনলাইনে খুব সহজে পাওয়া যায়, যেমন: 🔗 https://jamaat-e-islami.org কারো লেখা পড়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, নিজেদের চোখে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে যাচাই করা-ই হলো মুমিনের দায়িত্ব। 📌 শেষ কথা: “একজন মানুষ বা দলের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে, শরীআত আমাদের বলে আগে যাচাই করো, শুনে নাও দুই পক্ষকে — তারপর রায় দাও।” — এই নীতির আলোকেই আমরা আহ্বান জানাই: আবেগ নয়, বিবেক জাগাও। বই পড়ো, সত্য বুঝো, তারপর সিদ্ধান্ত নাও।

জাযাকাল্লাহু খায়রান جَزَاكَ ٱللَّٰهُ خَيْرًا























