

Buy গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি Online in Bangladesh
লেখক: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী
- Author: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী
- Publisher: মাকতাবাতুন নূর
- Number Of Pages: 144
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের থেকে গাজওয়াতুল হিন্দের অঙ্গীকার নিয়েছেন। সুতরাং আমি যদি উক্ত যুদ্ধ পেয়ে যাই, তাহলে সে যুদ্ধে আমার প্রাণ ও অর্থ-সম্পদ ব্যয় করবো। যদি সে যুদ্ধে আমি শহীদ হয়ে যাই, তাহলে আমি হবো সর্বোত্তম শহীদের মর্যাদার অধিকারী। আর যদি যুদ্ধ থেকে (লড়াই শেষ করে) ফিরে আসতে পারি, তাহলে আমি হবো জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত আবু হুরায়রা।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত যতগুলো হাদিস আছে তার মধ্যে একটি মাত্র পরিপূর্ণ সহিহ হাদিস। বাকিগুলোর মধ্যে দুর্বল এবং এমনকি কিছু মিথ্যাও থাকতে পারে । সহিহ হাদিসটি হচ্ছে ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। এখন সহিহ যে হাদিস আছে আছে সেখানে কোন নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ নেই যে কতগুলো যুদ্ধ হবে। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে হয়তোবা গাজোয়াতুল হিন্দ আগেও হয়েছে আবার এখনও হবে অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই গাজওয়াতুল হিন্দ অথবা আগেই শেষ হয়েছে । এখন দুর্বল অর্থাৎ হতেও পারে নাও হতে পারে এমন হাদিস যদি সত্যি হয় তাহলে শেষ সময়ে হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেটা আবার প্রথমে বর্ণনাকৃত সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কারণ হাদিসের নির্দিষ্ট সময়কাল কিংবা যুদ্ধের সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। আমাদের উচিত হবে যেকোন সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকা। এখন সেটা গাজওয়াতুল হিন্দ হোক বা না হোক।
বই রিভিউ — ১২ বইয়ের নাম: গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি লেখক: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী অনুবাদক: আতা খান প্রকাশনী: Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর রিভিউ লেখক — নোমান আল-ফারিস আমার অনুভূতি:—বইটি পড়তে গিয়ে আমার উপলব্ধি হয়েছে যেন বইটি ইতিহাস, ধর্ম ও রাজনীতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন। লেখক বিষয়টি শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং বর্তমান আধুনিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করেছেন। “গাজ-ওয়াতুল হি/ন্দ” নিয়ে পড়া এটিই আমার প্রথম বই! এর আগে গাজওয়াতুল হিন্দ নিয়ে হাদিস শুনলেও বিস্তারিত ভাবে এই বইয়ের মাধ্যমে সম্যক ধারণা লাভ করেছি। অনেক ভুল ব্যাখ্যা প্রচলিত আছে—কিন্তু এই বই সেই বিভ্রান্তির ভেতর থেকে সত্যকে খুঁজে বের করেছে। পাঠ শেষে মনে হয়েছে, ইসলামের বার্তা কখনো সহিংসতা নয়, বরং ন্যায়, ঐক্য ও আত্মরক্ষার পথ দেখায়। বইয়ের মূল বিষয়বস্তু: বইটিতে “গাজওয়াতুল হিন্দ” সংক্রান্ত হাদীস, তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মুসলিম বিশ্বে এর প্রতিফলন, এবং আধুনিক দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। লেখক হাদিস ও যুক্তি, দলিল এবং বাস্তব ঘটনার আলোকে ইসলাম যে শান্তি, ন্যায় ও মানবতার ধর্ম—তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই বইয়ে রাসুল সাঃ এর যুগ থেকে শুরু করে হিন্দুস্তানে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধ নিয়ে ও বলা হয়েছে এবং গাজওয়াতুল হিন্দের সব বিষয় পরিষ্কার করে তুলে ধরা হয়েছে । তেমনি একটা হাদিস হচ্ছে — "হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের একটি দল সিন্ধ ও হিন্দুস্তানের দিকে যুদ্ধ পরিচালনা করবে। যদি আমি সে যুদ্ধ পেয়ে যাই এবং এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হয়ে যাই, আর এটাই আমার কামনা। আর যদি আমি যুদ্ধ থেকে ফেরত আসতে পারি, তাহলে আমি হবো স্বাধীন। আল্লাহ তাআলা আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন।" এরকম অসংখ্য হাদিস ও ঘটনা এই বইয়ে আছে যেগুলো আমাদেরকে গাজওয়াতুল হিন্দ এর জন্য সাহস ও অনুপ্রেরণা দিবে। যাদের জন্য উপযোগী: এই বইটি তাদের জন্য উপযোগী, যারা ধর্ম, ইতিহাস ও সমসাময়িক রাজনীতি একসাথে জানতে চান। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী, ইসলামিক চিন্তাশীল পাঠক, এবং বিশ্ব রাজনীতিতে আগ্রহী যে কেউ বইটি থেকে গভীর জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। আমার মন্তব্য ও পরামর্শ হচ্ছে "প্রতিটি মুসলমানের উচিত এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা"। আর গাজওয়াতুল হিন্দ বিষয় এ বইটি তথ্যসমৃদ্ধ ও চিন্তাজাগানিয়া। এটি একটি মূল্যবান গ্রন্থ, যা পাঠককে ভাবতে শেখায়—ধর্মীয় ধারণাকে কীভাবে শান্তি ও সচেতনতার মাধ্যমে বোঝা উচিত। আমি বইটি পড়ার পর উপলব্ধি করেছি, ইসলাম কখনো অন্যের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি এমন একটি বই, যা পাঠককে শুধু তথ্য দেয় না—বরং চিন্তার নতুন দরজাও খুলে দেয়।
📌 রিভিউ নং: ১১ 📖 বই: গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি ✍ লেখক: ডা. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী 🌿 প্রকাশনী: মাকতাবাতুন নূর 🌿 রিভিউ : আয়েশা 🍁 আমার পাঠ অনুভূতি: এই বইটি পড়ে এক ভিন্ন ধরণের চেতনা ও চিন্তার খোরাক পেয়েছি। গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ ও আধুনিক বিশ্বের রাজনৈতিক বাস্তবতা একত্রে উপস্থাপন করায় বইটি অসাধারণ লেগেছে। 🍁 মূল বিষয়বস্তু: বইটিতে গাজওয়াতুল হিন্দের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, হাদীসসমূহ, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং ভবিষ্যতে মুসলিম উম্মাহর করণীয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। 🍁 কোন পাঠকের জন্য উপযোগী: যারা ইসলামি ইতিহাস, ভবিষ্যদ্বাণী, ভূরাজনীতি ও উম্মাহর ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহী, তাদের জন্য বইটি খুবই উপকারী। 🍁 পরামর্শ ও মন্তব্য: বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের করণীয় ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিন্তাশীল পাঠকদের পড়া উচিত।

🌿বই রিভিউ ৭🌿 "হিন্দুস্থানের বাতাস সবচেয়ে বেশি পবিত্র"__হযরত আলী (রা.) বই: গাজওয়াতুল হিন্দ লেখক: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী প্রকাশনা: Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর “গাজওয়াতুল হিন্দ” বইটি এমন এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় নিয়ে লেখা, যা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগায়। এতে বর্ণিত হয়েছে হাদীসে উল্লেখিত ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত হতে যাওয়া এক মহাযুদ্ধের কথা, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর পথে লড়বে বিজয়ের উদ্দেশ্যে। লেখক প্রামাণ্য হাদীস ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটি শুধু যুদ্ধের আলোচনা নয়, বরং এতে রয়েছে ঈমান, ত্যাগ ও জিহাদের সঠিক ধারণা। মুসলমানদের আত্মসম্মান, ঐক্য ও ঈমানের জাগরণ বইটির মূল বার্তা। পড়তে পড়তে হৃদয়ে জাগে গর্ব, শক্তি ও তাওহীদের আহ্বান।বইটি গভীর চিন্তার খোরাক দেয়। যারা ইসলামি ইতিহাস ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় জানতে চান, তাদের জন্য “গাজওয়াতুল হিন্দ” এক অনন্য গ্রন্থ। বর্তমান সময়ে সকলের জন্য বইটি পড়া জরুরী মনে করছি। রাজনীতি বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে। AyeSha✍️ ছবি : সংগ্রহিত
📖 বই রিভিউ১৬: গাজওয়াতুল হিন্দ Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর “গাজওয়াতুল হিন্দ” বইটি এমন এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় নিয়ে লেখা, যা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগায়। ⚔️ এতে বর্ণিত হয়েছে হাদীসে উল্লেখিত ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত হতে যাওয়া এক মহাযুদ্ধের কথা, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর পথে লড়বে বিজয়ের উদ্দেশ্যে। লেখক প্রামাণ্য হাদীস ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছেন। 📚 বইটি শুধু যুদ্ধের আলোচনা নয়, বরং এতে রয়েছে ঈমান, ত্যাগ ও জিহাদের সঠিক ধারণা। মুসলমানদের আত্মসম্মান, ঐক্য ও ঈমানের জাগরণ বইটির মূল বার্তা। পড়তে পড়তে হৃদয়ে জাগে গর্ব, শক্তি ও তাওহীদের আহ্বান।বইটি গভীর চিন্তার খোরাক দেয়। যারা ইসলামি ইতিহাস ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় জানতে চান, তাদের জন্য “গাজওয়াতুল হিন্দ” এক অনন্য গ্রন্থ। বর্তমান সময়ে সকলের জন্য বইটি পড়া জরুরী মনে করছি। রাজনীতি বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত যতগুলো হাদিস আছে তার মধ্যে একটি মাত্র পরিপূর্ণ সহিহ হাদিস। বাকিগুলোর মধ্যে দুর্বল এবং এমনকি কিছু মিথ্যাও থাকতে পারে । সহিহ হাদিসটি হচ্ছে ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। এখন সহিহ যে হাদিস আছে আছে সেখানে কোন নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ নেই যে কতগুলো যুদ্ধ হবে। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে হয়তোবা গাজোয়াতুল হিন্দ আগেও হয়েছে আবার এখনও হবে অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই গাজওয়াতুল হিন্দ অথবা আগেই শেষ হয়েছে । এখন দুর্বল অর্থাৎ হতেও পারে নাও হতে পারে এমন হাদিস যদি সত্যি হয় তাহলে শেষ সময়ে হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেটা আবার প্রথমে বর্ণনাকৃত সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কারণ হাদিসের নির্দিষ্ট সময়কাল কিংবা যুদ্ধের সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। আমাদের উচিত হবে যেকোন সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকা। এখন সেটা গাজওয়াতুল হিন্দ হোক বা না হোক।
প্রিয় গ্রাহক, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত যতগুলো হাদিস আছে তার মধ্যে একটি মাত্র পরিপূর্ণ সহিহ হাদিস। বাকিগুলোর মধ্যে দুর্বল এবং এমনকি কিছু মিথ্যাও থাকতে পারে । সহিহ হাদিসটি হচ্ছে ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। এখন সহিহ যে হাদিস আছে আছে সেখানে কোন নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ নেই যে কতগুলো যুদ্ধ হবে। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে হয়তোবা গাজোয়াতুল হিন্দ আগেও হয়েছে আবার এখনও হবে অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই গাজওয়াতুল হিন্দ অথবা আগেই শেষ হয়েছে । এখন দুর্বল অর্থাৎ হতেও পারে নাও হতে পারে এমন হাদিস যদি সত্যি হয় তাহলে শেষ সময়ে হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেটা আবার প্রথমে বর্ণনাকৃত সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কারণ হাদিসের নির্দিষ্ট সময়কাল কিংবা যুদ্ধের সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। আমাদের উচিত হবে যেকোন সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকা। এখন সেটা গাজওয়াতুল হিন্দ হোক বা না হোক।
প্রিয় গ্রাহক, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।























