

Buy মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১ Online in Bangladesh
লেখক: পিনাকী ভট্টাচার্য
- Author: পিনাকী ভট্টাচার্য
- Publisher: সূচীপত্র
- Isbn: 9789849213079
- Number Of Pages: 112
- Language: বাংলা
- Edition: 8th Edition, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
'মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১' বইয়ের পরিচিতি : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটা ডমিন্যান্ট বয়ান আছে আমাদের দেশে। এই বয়ান মূলত স্যেকুলারপন্থীদের তৈরি করা। সেখানে বলা হয়ে থাকে, আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল, সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল পক্ষে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ঠেকানোর জন্য আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এই বয়ান তৈরি করেছে ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন। আর মূলত বাংলাদেশের রুশপন্থী বামেরা এই বয়ান প্রচার করেছে। কেউ তাদের এই হেজিমনিক বয়ানকে কখনো চ্যালেইঞ্জ করেনি। আমেরিকান ডকুমেন্টগুলো অনলাইনে রিলিজ হওয়ার পরে আমরা নিখুঁতভাবে জানতে পারছি আমেরিকা আসলে কী চেয়েছিল, কেন চেয়েছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে, নিক্সন প্রশাসন এটা জানত। এটা নিয়ে নিক্সন প্রশাসনের কোনো সন্দেহ ছিল না, বহু আগে থেকেই। আর এটা এতই অনিবার্য ছিল যে, সেটাকে ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়ার কোনো চেষ্টাও করেনি আমেরিকা। কিন্তু তাদের উদ্বেগের জায়গা ছিল ভিন্ন। সেটা হলো, পাকিস্তানের অংশে থাকা কাশ্মীর। যেন এই সুযোগে, ডিসেম্বরের যুদ্ধের শেষবেলায় ভারতীয় সব সৈন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর ছিনিয়ে নিয়ে না যায়। সেটা ঠেকানোই ছিল আমেরিকানদের উদ্বেগের বিষয়। প্রপাগাণ্ডায় আমরা শুনেছিলাম, বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়া ঠেকাতে নাকি আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এইটাও ডাহা মিথ্যা কথা। খোদ নিক্সন প্রশাসন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে নানা ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়েছিল। আমেরিকা ঠিক সেইসময়ে পাকিস্তানের মাধ্যমে চীনের বাজারে বিনিয়োগের লক্ষ্যে কাজ করছিল। পাকিস্তান ছিল এই গড়ে ওঠা নতুন সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী। তাই আমেরিকার তরফ থেকে পাকিস্তানকে ডিল করার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সতর্কতা নিতেই হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিপুল আয়তনের মার্কিন ডকুমেন্টের কিছু নির্বাচিত ডকুমেন্ট নিয়েই এখানে আলোচনা হয়েছে, সবগুলো নিয়ে নয়। এই আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা বা কূটনীতি নিয়ে যে-সব বয়ান চালু ছিল বা আছে তার সাথে আমেরিকান ডকুমেন্ট মিলিয়ে যেন পাঠক পড়তে পারেন। এবং এই দৃষ্টিকোণ থেকে আবারো মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারেন সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখেই ডকুমেন্টগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। এই সিরিজটি মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের জানা-বোঝার জায়গাগুলো আরো পরিচ্ছন্ন করতে পারবে বলে আমাদের আশাবাদ। ব্যাক কভার আমেরিকা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রচলিত বয়ানের বিপরীতে যা যা পাবেন : “বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাধা দেয়ায় জন্যে আমেরিকা পাঠায়নি” “স্বাধীন বাংলা সরকার শপথ নেয়ার আগেই সি আই এ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষুদ্র অস্ত্র দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা করেছিল’’ “পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী বঙ্গবন্ধুর জীবন রক্ষার জন্যে আমেরিকা পাকিস্তানকে চাপ দিয়েছিল” “পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১০ ডিসেম্বরেই ঢাকায় জাতিসংঘের কাছে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক ইচ্ছে জানায়” “সোভিয়েতরা আমেরিকান স্বার্থ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে একসঙ্গে কাজ করেছিল”
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

প্রকৃত সত্যের উন্মোচন।
অসাধারণ দুইটা বই। সবারই পড়া উচিৎ..
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে, নিক্সন প্রশাসন এটা জানত। এটা নিয়ে নিক্সন প্রশাসনের কোন সন্দেহ ছিল না বহু আগে থেকেই। আর এটা এতটা অনিবার্য ছিল যে, সেটাকে ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়ার কোন চেষ্টাও করেনি আমেরিকা। কিন্তু তাদের উদ্বেগের বিষয় ছিল ভিন্ন। সেটা হল- পাকিস্তানের অংশে থাকা কাশ্মীর। যেন এই সুযোগে ডিসেম্বরের যুদ্ধের শেষবেলায় ভারতীয় সব সৈন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর ছিনিয়ে না নেয়। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের কূটনৈতিক বন্ধু রাষ্ট্র আমেরিকা বুঝতে পেরেছিল যে, ডিসেম্বর এর শেষের দিকে পাকিস্তান এই অঞ্চলে(পূর্ব পাকিস্তান) পরাস্ত হবে। কিন্তু, বাস্তবতায় তারা আরো আগে স্যারেন্ডার করতে বাধ্য হয়েছিল। আমেরিকা বুঝতে পেরেছিল যে, শ্রীমতী গান্ধীর শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতাই মূল উদ্দেশ্য নয়, এর সাথে আজাদ কাশ্মীরের একটা সংশ্লিষ্টতা আছে। অর্থাৎ, এক মাছের তেলে অন্য মাছ ভাজার ইচ্ছা। মূলত, ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১- এ সিআইএ(CIA) একটি জরুরি বার্তা পাঠায় হোয়াইট হাউজে। এই বার্তাটা ইন্দিরা গান্ধীর আগের দিন মন্ত্রিসভার মিটিং-এ ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ সম্পর্কে তার যুদ্ধ পরিকল্পনার কথা কী বলেছে সে সম্পর্কে ব্রিফিং দেয়া নোট। এই ব্রিফিং এর উপর ভিত্তি করেই কিসিঞ্জার নিক্সনকে একটি ব্রিফ দেন। আর সেই ব্রিফিং এর উপর বিস্তারিত আলোচনা করে ববঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠানোর আদেশ দেন। যখন সপ্তম নৌবহর পাঠানো হয় তখন বাংলাদেশ কার্যত(De facto, not de jure) যুদ্ধে জয় লাভ করেছে। কারণ, পয়লা ডিসেম্বর যখন আমেরিকান পলিসিমেকারদের সভায় কিসিঞ্জার জানতে চেয়েছিল যে, পাকিস্তান ভারতীয় আক্রমণের মুখে কয়দিন টিকতে পারবে তারা বলেছিল সর্বোচ্চ দুই-তিন সপ্তাহ। কিন্তু ভারতীয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত আক্রমণে আগেই তাদের সামরিক শক্তি নিঃশেষ হয়ে যায়। সুতরাং, বাংলাদেশ ইস্যুতে সপ্তম নৌবহর পাঠানোর কোন প্রশ্নই আসেনা। কারণ, ততদিনে বাংলাদেশ তার অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমেরিকার কৌশল, পররাষ্ট্রনীতি এবং কূটনীতি কিভাবে আবর্তিত হয়েছিল সেসব বিশ্লেষণ অনেক বইতেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। দালিলিক ব্যাখা বিশ্লেষণে অল্পতেই সারকথা তুলে ধরা হয়েছে এমন বই অপ্রতুল। সূচীপত্র প্রকাশনা কর্তৃক প্রকাশিত "মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ' ৭১" বইটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে মার্কিন বিভিন্ন দলিলপত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সপ্তম নৌবহর আর আলোচনাকে আমার চুম্বক অংশ মনে হয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় এবং জানতে চায় তাদের জন্য বইটি সহায়ক হবে।
I like this book mostly because with every claim/statement an evidence was included. I could look up to those evidence/reference to ensure the integrity of the information.
আলহামদুলিল্লাহ ,,সব গুলোই সঠিক সময়ে হাতে পেয়েছি,,,ধন্যবাদ রকমারি
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
কবে পাওয়া যাবে বইটা??
প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বইটি পাওয়া যাবে না। ধন্যবাদ।
কবে পাওয়া যাবে বইটা??
প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বইটি পাওয়া যাবে না। ধন্যবাদ।























