

Buy Manufacturing Consent : The Political Economy of the Mass Media Online in Bangladesh
লেখক: Edward S. Herman
- Author: Edward S. Herman , Noam Chomsky
- Publisher: Vintage Books (India)
- Isbn: 9780099533115
- Number Of Pages: 432
- Language: English
- Edition: 1st Edition, 1995
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
Manufacturing Consent is geared towards enlightening the readers on the practices in news media. The authors explain that editorial distortion is worsened due to the reliance of news media on governmental sources of news. They also tell the readers that a magazine or any form of media may be prevented from gaining information, if they publish any information that attracts negative reactions from the government. This results in the news media organization losing their grip over their viewers or readers, which in turn decreases their advertisers. Keeping these dire consequences in mind, the editorial boards of news media businesses twist their reports to favor the government, with the sole objective of sustaining themselves in the market. Through the course of this book, the readers are provided with insights into five editorially distorting filers that are utilized in news reporting these days. They also tell the readers that major media outlets make most of their revenue from advertising. Hence, they need to function according to the political biases of their advertisers. The readers are also enlightened on the subject of flak and the damage it can trigger to the media outlets’ reputation, legal defense expenses, and decrease in advertising revenue. The authors have also touched on the topic of anti-communism, which Chomsky believes, is now replaced by the “War on Terror”, as the primary mechanism for social control. Manufacturing Consent has also been adapted into a documentary film by the same name, directed by Peter Wintonick and Mark Achbar. About The Authors Edward S. Herman is an author, media analyst, and economist. Herman has also written The Myth of The Liberal Media: An Edward Herman Reader, Principles and Practices of Money and Banking, and Counter-Revolutionary Violence - Bloodbaths in Fact
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

পুনর্পাঠ সমাপ্ত। নোয়াম চমস্কি এবং এডওয়ার্ড এস. হারম্যানের এই বইটি বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গণমাধ্যম চিন্তাধারার ওপর খুবই প্রভাবশালী। উদারবাদের পতাকাধারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের আসল চরিত্র জনতার সামনে তুলে ধরেছেন এই দু'জন৷ মূলত, গণমাধ্যমের প্রোপাগান্ডা মডেল উপস্থাপন পুরো পৃথিবীতে গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট 'শুভ' ভাবনাকে ধাক্কা দিয়েছেন। পাঁচটি ধাপে একটি দেশের সকল দলকানা এবং তথাকথিত নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো জনতাকে বলির পাঁঠা বানায়। আর নিজেদের স্বার্থকে সদা রাখে সমুন্নত।সেই ছলচাতুরির ইতিবৃত্ত মার্কিনদেশের প্রেক্ষাপটে লিখেছেন এই বইতে। আসুন, চমস্কি বর্ণিত প্রোপাগান্ডা মডেলের চিরন্তন ধাপগুলো জেনে নিই - ১. গণমাধ্যমের আকার, মালিকানা এবং মুনাফা চিন্তাঃ গণমাধ্যম বড় না ছোট, মালিক কোন দলের, সরকার কি চায় এই তিনটি মোটাদাগের বিষয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ হয় কোন সংবাদটি প্রকাশ করা হবে। আর কোন জনগুরুত্বপূর্ণ কিন্তু মালিকস্বার্থবিরোধী খবরকে মাটিচাপা দেওয়া হবে তাও ঠিক করা হয়। ঠিক এই কারণের যুগান্তর পত্রিকার যমুনা গ্রুপের মালিকের কর ফাঁকির মামলার খবর পান না। এইজন্যই নিউজ টোয়েন্টিফোর কিংবা বাংলাদেশ প্রতিদিন কখনো টু শব্দটি করে না বসুন্ধরা গ্রুপের জমি দখল নিয়ে! ২.বিজ্ঞাপনঃ মোবাইল কোম্পানিরগুলোর ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য, হাজার কোটি টাকা কর ফাঁকির সংবাদ কিংবা স্নো মাখলেই নূরানি চেহারা হয় না তা নিয়ে কখনোই উচ্চবাচ্য করতে পারে না এদেশিয় গণমাধ্যমগুলো৷ কারণ এইসব বিজ্ঞাপনদাতাদের টাকায় তারা চলেন। তাই বিজ্ঞাপনদাতা বড় বড় কোম্পানির অপকর্ম কিংবা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে - এমন কোনো অনুষ্ঠান করার সাধ্য গণমাধ্যমগুলোর কলিজায় নেই। ৩.সংবাদের জন্মদানঃ ভাবছেন দেশে যা ঘটছে তাই পড়ছেন পত্রিকায়, দেখছেন টিভির পর্দায়। বিলকুল নেহি। সংবাদমাধ্যমগুলো ঠিক যা চাইছে তা দেখছেন, তাই পড়ছেন প্রতিদিন। এজন্য হিরো আলম বিরাট কাভারেজ পান। কিন্তু তনু হত্যার ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় না তুললে কানেই নেয়না মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো। 'ক্রসফায়ার'এর খবরের উৎস হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেই সংবাদে থাকে না নিহতের পরিবারের কথা। আসেনা 'ক্রসফায়ার' এর প্রকৃত সত্য। ৪.হুমকি, ভয়ঃ 'নিউজ করবি তো জানে মাইরা ফালামু। ' এই হুমকির পর দ্বিতীয়বার ভাবতে হয় সংবাদটি আলোর মুখ দেখবে কীনা। রাষ্ট্রযন্ত্র যখন বিভিন্ন অজুহাতে সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল বিনা নোটিশে বন্ধ করে দেয়, তখন সেই সংবাদমাধ্যমের মালিক, কর্মী সবাইকে ভীত থাকতে হয় 'নিউজ করলে অফ করে দিব।' এই অঘোষিত হুমকির ভয়ে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। অথচ রাষ্ট্রই যখন কালা কানুনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের মুখ সজোরে চেপে ধরে, তখন নিশ্চয়ই 'সত্য খবর' পাওয়ার আশা অঙ্কুরেই শেষ হয়ে যায়। ৫. লালভীতিঃ চমস্কির প্রোপাগান্ডা মডেলের সর্বশেষ ধাপ ছিল জনতাকে কমিউনিজমের ভয় দেখিয়ে সত্য সংবাদ 'কিল' করা। কিন্তু সোভিয়েটের পতনের পর শত্রু বদলেছে। আগে দেশের গণমাধ্যমগুলো পশ্চিমাদের প্রেসক্রিপশনে কিংবা চাপে সাম্যবাদ ভীতি ছড়াতো, ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করতো কমিউনিজম বিরোধিতার নামে। কিন্তু এখন গণমাধ্যমগুলোর কমন শত্রু পালটেছে। হান্টিংটনের 'ক্লাশ অফ সিভিলাইজেশন' পড়লেই পরিষ্কার বোঝা যায় ব্যাপারটা। গণমাধ্যমের মূল বিরোধিতা এখন সাম্যবাদ না। শক্র এখন ইসলাম। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর কাভারেজ লক্ষ করলেই এই সত্য বোঝা যায়। দেশে এখন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। সক্কল নিরপেক্ষ বুদ্ধিমানের চাওয়া আমাদের পশ্চিমা দাদাবাবুরা কি বলেন তার দিকে। তেনারা ভালো বললে বুদ্ধিমানরা সমস্বরে বলবেন, 'নির্বাচন গুড হয়েছে।' তেনারা মন্দ বললেই স্লোগান হবে, ' নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। ' এই পশ্চিমা পর্যবেক্ষকদের রায় যারা বেদবাক্য মনে করেন, তাদের উদ্দেশে চমস্কি তৃতীয় বিশ্বের তিনটি দেশের নির্বাচনের উদারণ টেনেছেন। এল সালভাদর, গুয়েতেমালা এবং নিকারাগুয়া৷ দেশ তিনটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে চমস্কির মত, পশ্চিমা দাদাবাবুরা নিজেদের স্বার্থে সেনাবাহিনীর একনায়কের নির্বাচনকে বলে অবাধ, সুষ্ঠু। যেমনটি করেছে গুয়েতেমালা আর এল সালভাদরে। আবার তুলনামূলক সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেও পশ্চিমা পর্যবেক্ষকদের চোখে নিকারাগুয়ার নির্বাচন ভালো মনে হয় না। তাই চমস্কির বিশ্লেষণের পর সহজেই কইতে পারি, পশ্চিমা দাদাবাবু পর্যবেক্ষকদের কথায় ভরসা করা ঠিক হইবো না। তাদের পর্যবেক্ষণ নির্ভর করে দেনা-পাওনার ওপর। গণতন্ত্র কিংবা বাকস্বাধীনতার সপক্ষে তো নয়ই।























