ক্ষীরের পুতুল (দুও আর সুও রাণী গল্প)
বই কালেকশন

Buy ক্ষীরের পুতুল (দুও আর সুও রাণী গল্প) Online in Bangladesh

লেখক: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

4.86
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788170667131
  • Number Of Pages: 54
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition, 1986
৳ 200৳ 200
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

“ক্ষীরের পুতুল” বইয়ের শেষ ফ্ল্যাপের কথা: রাজামশাই বাণিজ্যে গেলেন । সুওরানীর কথা মত নিয়ে এলেন দামী দামী গয়না। আর শাড়ি । দুওরানী চেয়েছিলেন একটা বানর-ছানা । তাঁর জন্য এল তাই বানর। বানর হলে হবে কি, আসলে সে এক জাদুকরের দেশের মায়া-বানর।তাই সে মানুষের মত কথা বলে, ছেলের মত ভালবাসে বড় রানীমাকে, দুঃখিনী মায়ের চোখের জল মুছিয়ে দিতে চায়। তা, সেই মায়া-বানর দারুণ বুদ্ধি খাটিয়ে কী করে রাজার মন ফেরাল বড় রানীর দিকে, কী করে দুওরানীর কোলে এনে দিল সত্যিকারের রাজপুত্র, কী করেই বা হিংসুটে সুওরানীকে ভোগ করলে যাবতীয় পাপের শাস্তি—তই নিয়েই এই অবাক-করা রূপকথা, ক্ষীরের পুতুল’ । আর, এ-গল্প যিনি শুনিয়েছেন, তিনিও এক অবাক-করা জাদুকর । ছবি তাঁর হাতে কথা, কথা হয়ে উঠত। ছবির মতন । আনন্দ সংস্করণ ক্ষীরের পুতুল’-এ বার পৃষ্ঠা চোখ-জুড়োনো রঙীন ছবি ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.86
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Nusrat Onnesha
Nusrat Onnesha ভেরিফাইড
01 May 2026

জোশ

Rajib Paul
Rajib Paul ভেরিফাইড
26 Sep 2021

Good

Akash Sarker
Akash Sarker ভেরিফাইড
16 Sep 2020

Just awesome

Mahmudur Rahman
Mahmudur Rahman ভেরিফাইড
25 Jan 2020

রূপকথার গল্পে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জুড়ি নেই। সুয়োরানী দুয়োরানীর এই গল্পও রুপকথার গল্প। শাড়ি, গহনা নিয়ে উত্তোরত্তোর বিলাসে ভাসা সুয়োরানী আর এক মায়া বানর নিয়ে তুষ্ট থাকা দুয়োরানী মানুষের দুটো আলাদা সত্ত্বাকে প্রকাশ করে। রূপকথার গল্প হলেও ক্ষীরের পুতুল তাই বাস্তবতার এক চিত্র আঁকার চেষ্টা করে যা বিদ্গ্ধ পাঠকের চোখেই ধরা দেবে। ক্ষিরের পুতুল একদিকে ছোটদের জন্য রূপকথা আর বড়দের জন্য ভাষা এবং প্রকাশের এক অনবদ্য সাহিত্য হয়ে টিকে আছে।

মোহাইমিনুল ইসলাম খান
মোহাইমিনুল ইসলাম খান ভেরিফাইড
14 Dec 2016

#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইঃ ক্ষীরের পুতুল (পেপারব্যাক) লেখকঃ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স বইয়ের ধরনঃ শিশু-কিশোর বই প্রচ্ছদঃ আশিস সেনগুপ্ত পৃষ্ঠাঃ ৫৪ মুদ্রিত মুল্যঃ ৫০৳ (ভারতীয়) #রিভিউঃ এক রাজার দুই রানী। দুয়ো আর সুয়ো। রাজবাড়িতে সুয়োরানীর কত আদরযত্ন! সাতশো দাসী সেবা করে, পা ধোয়, আলতা পরায়, চুল বাঁধে, সাত সিন্ধুক ভরা সাত হাজার ধন-মানিকের গহনা। রাজার একেবারে প্রাণ সুয়োরানী। আর বড়রানী- দুয়োরানীর বড় অনাদর, অযত্ন, অবহেলা। রাজার দু’চক্ষের বিষ। থাকেন ভাঙ্গা ঘরে, পড়েন জীর্ণ শাড়ি, শুতে দিয়েছেন ছেঁড়া কাঁথায়। রাজা একদিন রাজমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে বললেন জাহাজ সাজাতে, তিনি দেশ-বিদেশ ভ্রমনে বের হবেন। রাজা বিদেশ যাবার আগে সুয়োরানীর সাথে দেখা করলেন এবং জানতে চাইলেন কিছু আনবে কিনা। সুয়োরানী সাথে সাথে বললেন তাঁর জন্যে আট গাছা মানিকের চুড়ি, আগুন বরণ সোনার দশগাছা মল, পায়রার ডিমের মত মুক্তোর হার, জলের মত চিকন শাড়ি আনতে। এদিকে দুয়োরানীর কাছে জানতে চাইলে সে বলে রাজা ভালোয় ভালোয় ফিরুক এই কামনা সে করে আর সাথে করে আনতে বলে একটা পোড়ামুখো বানর। দীর্ঘ ছ’মাস পর রাজা দেশ-বিদেশ ঘুরে এলেন। রাজা ছোটরানীকে তাঁর জন্যে আনা সকল উপহার দিলেন। কিন্তু দিলে কি হবে কিছুই যে মাপমতো হয়নি! রাগে-অভিমানে রানী ঘরের দরজায় খিল দিলেন। আর বড়রানী বানরকে পেয়ে সানন্দে গ্রহণ করলেন। লালন-পালন করতে লাগলেন বানরকে। এভাবেই কাটছিল সবার দিন। সুয়োরানী সাতশো দাসীর মাঝে সুখ করে, ওদিকে দুয়োরানী শুধু ছোটরানীর সুখ দেখে হা-হুতাশ করে। এসবতো তারই প্রাপ্য ছিল। অথচ আজ সে পথের ভিকিরি। চোখের জল ফেলতে ফেলতে সে পোড়ামুখো বানরকে নিজের দুঃখের কথা সব খুলে বলে। বানর প্রতিজ্ঞা করে সে যে করেই হোক দুয়োরানীর সবকিছু তাঁকে ফিরিয়ে দিবে। কিন্তু বানর কিভাবে দূর করবে রানীর সব দুঃখ? পারবে কি সব ফিরিয়ে দিতে? কি করেই বা শাস্তি পাওয়ায় হিংসুটে সুয়োরানীকে? হ্যাঁ, রানী সবই ফিরে পায়। স্বামী-সন্তান, রাজবাড়ির আরাম-আয়েশ। কিন্তু কিভাবে তা জানতে হলে পড়তে হবে “ক্ষীরের পুতুল”। আর যিনি এ-গল্প লিখেছেন তিনি হলেন এক-অবাক করা জাদুকর। তাঁর হাতের ছবি কথা বলত, কথা হয়ে উঠত ছবির মতন। তিনি হলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। #বিখ্যাত_লেখকের_পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ “বইটার নাম 'ক্ষীরের পুতুল'। লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পাতায় পাতায় ছবি। 'ক্ষীরের পুতুল' হচ্ছে আমার প্রথম-পড়া 'সাহিত্য'। ...বাসায় এসেই বসেছি ক্ষীরের পুতুল নিয়ে। এই বই নিয়ে বসলেই ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন ফিরে আসত। মূহুর্তে চলে যেতাম অন্য কোনো পৃথিবীতে। কি অদ্ভুত পৃথিবীই-না ছিল সেটি! ....'ক্ষীরের পুতুল' বইটি আমার জীবনধারা অনেকখানি পালটে দিল। এখন আর দুপুরে ঘুরতে ভালো লাগে না। শুধু গল্পের বই পড়তে ইচ্ছে করে। কুয়োতলার লাগোয়া একটা ঘর, দুপুরের দিকে একেবারে নিরিবিলি হয়ে যায়। দরজা বন্ধ করে জানালায় হেলান দিয়ে গল্পের বই নিয়ে বসি। জানালার ওপাশে কাঁঠালগাছের গুচ্ছ। সেই কাঁঠালগাছে ক্লান্ত ভঙ্গিতে কাক ডাকে। এ ছাড়া চারদিকে কোনো শব্দ নেই। অদ্ভুত নৈঃশব্দের জগৎ। এটা যেন চেনা-জানা পৃথিবী নয়, অন্য কোনো ভুবন”। -হুমায়ুন আহমেদ। সূত্র: আমার ছেলেবেলা। লিঙ্কঃ https://www.rokomari.com/book/42753/ক্ষীরের-পুতুল-

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)