

Buy ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ : আলোচিত ও অনালোচিত কারণসমূহ Online in Bangladesh
লেখক: ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
- Author: ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
- Publisher: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স
- Number Of Pages: 272
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Edition, 2009
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ : আলোচিত ও অনালোচিত কারণসমূহ " বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা আমাদের সমাজের সকল মানুষ এবং ইসলাম সম্পর্কে যাদের সামান্য জ্ঞানও আছে তারা সকলেই জানেন যে, জাতি, ধর্ম , বর্ণ , গোত্র নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা ইসলামী ধর্মবিশ্বাসের অন্যতম প্রেরণা । তাত্ত্বিক , প্রায়োগিক ও ঐতিহাসিকভাবে তা সর্বজনবিদিত । বাংলাদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর সকল মানুষই ধর্মীয়ভাবে শান্তিপ্রিয় । সবাই আমরা শান্তি চাই । এখন সমস্যা হলো, তাহলে ইসলামের নামে বোমাবাজি , অশান্তি , নিরিহ নিরপরাধ মানুষ হত্যা, আত্মহত্যা ইত্যাদি কেন ঘটছে ? এ সকল ঘটনার কারন জানা শুধু কৌতূহল নিবারণের বিষয় নয়, বরং সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায় । সন্ত্রাস একটি ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি । এর নিরাময়ের জন্য এর সঠিক কারন নির্ণয় করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ । সঠিক কারন নির্ণয় এই ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময়ের পথ সুগম করে । পক্ষান্তরে এর কারন নির্ণয়ে বিভ্রান্তি সমস্যাকে আরো ভয়ঙ্কর করে তুলতে পারে ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বই: ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ লেখক: ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) প্রকাশনী: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত একটি বিষয় হলো ইসলামোফোবিয়া। এর পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে ইহুদি ও পশ্চিমা শক্তিগুলো। বিশ্বের প্রায় সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামকে জড়িয়ে দেওয়াই যেন তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে শত শত বছর ধরে তারা লক্ষ লক্ষ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু ক্রুসেডের সময়েই তাদের হাতে নিহত হয়েছে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ; প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা তো আলাদাভাবে উল্লেখের দাবি রাখে। অথচ মহানবী মুহাম্মদ ﷺ–এর সমগ্র জীবনের যুদ্ধগুলোতে উভয় পক্ষের নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজারেরও কম। এরপরও ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একের পর এক প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বরতা ও গণহত্যার বাস্তব চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হওয়ায় অনেকের চোখের পর্দা সরে যেতে শুরু করেছে। তবুও আমাদের জানা প্রয়োজন—এই অপপ্রচারের সূচনা কোথায় এবং কারাই বা এর প্রকৃত রূপকার। অন্যদিকে মুসলিম সমাজের ভেতরেও কিছু বিভ্রান্ত গোষ্ঠী রয়েছে, যারা জিহাদের নামে খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ থেকেই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এদের এই বিপথগামীতার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং মহানবী ﷺ–এর সুন্নাহ ও সহিহ হাদিস থেকে বিচ্যুতি। এদের সম্পর্কে রাসূল ﷺ পূর্বেই সতর্ক করে বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে এমন একটি সম্প্রদায় বের হবে, যাদের সালাতের তুলনায় তোমাদের সালাত তোমাদের কাছেই নগণ্য মনে হবে, যাদের সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সিয়াম তোমাদের কাছেই তুচ্ছ মনে হবে। তারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যেমন তীর শিকারের দেহ ভেদ করে বেরিয়ে যায়, তেমনি তারা দীনের ভেতরে প্রবেশ করে আবার সেখান থেকে বেরিয়ে যাবে।” — সহিহ বুখারি, ৪/১৯২৮ এইসব বিভ্রান্ত গোষ্ঠীর মতাদর্শ ও দাবিদাওয়া পর্যালোচনা করলে তাদের চরিত্রের কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে— ১। নিজের জীবনে ইসলাম বাস্তবায়নের চেয়ে অন্যের জীবনে ইসলাম চাপিয়ে দেওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া ২। করণীয় ও বর্জনীয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য করতে অক্ষমতা ৩। ইসলামী শিক্ষার বিকৃত ও খণ্ডিত অনুধাবন এবং উপস্থাপন সাম্প্রতিক সময়ের এমনই একটি গোষ্ঠীর প্রসঙ্গে লেখক উল্লেখ করেছেন— “এরা মূলত মেধাবী। একসময় এদের অনেকেই নিজেদের মেধা, মনন ও বুদ্ধির ওপর ভর করে কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা ও ‘ফতোয়া’ দিতে শুরু করে। অথচ তারা বিশাল হাদিসভাণ্ডার, সাহাবায়ে কেরামের কর্মপদ্ধতি এবং পূর্ববর্তী আলিমদের মতামত সম্পর্কে অবগত নয়, এমনকি তা জানার প্রয়োজনও অনুভব করে না।” জিহাদ ইসলামী আকিদার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ; যথাযথভাবে অস্বীকার করলে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু এসব বিভ্রান্ত গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় দায়িত্বকে ব্যক্তিগত ফরজের মতো বিবেচনা করে এবং তথাকথিত ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে জিহাদকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বাস্তবতা হলো—জিহাদের জন্য যে দুটি মৌলিক পূর্বশর্ত আবশ্যক, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা পূরণ হয় না: ১. রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও বৈধ রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমোদন ২. রাষ্ট্র বা মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা সরাসরি হুমকির মুখে পড়া এছাড়াও জিহাদের সময় যোদ্ধা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা স্থাপনায় আঘাত হানা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু এই বিভ্রান্ত গোষ্ঠীগুলোর কাছে এসব নীতিমালা কোনো গুরুত্ব বহন করে না। ফলে তাদের কর্মকাণ্ড জিহাদ নয়; বরং তা নিখাদ সন্ত্রাসবাদ। এইসব বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকার একমাত্র উপায় হলো কুরআন ও সহিহ হাদিসের সঠিক ও প্রামাণ্য জ্ঞান অর্জন। লেখক এই বইটিতে সেই বিষয়টিই অত্যন্ত সুন্দরভাবে দলিল-প্রমাণসহ উপস্থাপন করেছেন। তিনি প্রতিটি মতামতের পেছনে কুরআন, হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্র উল্লেখ করেছেন, যা বইটির গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। আমার দৃষ্টিতে, ফিতনা ও বিভ্রান্তির এই যুগে প্রত্যেক সচেতন মুসলিমের জন্য বইটি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি শুধু একটি বুক রিভিউয়ের উপকরণ নয়; বরং চিন্তার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।



great book to academically challenge the islamophobes

সকল ইসলাম প্রিয় যুবকদের জন্য এই বইটি একবার হলেও পড়া উচিত। লেখক অতি সুন্দরভাবে ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।


অনেক সুন্দর বিশ্লেষণমূলক গবেষণাধর্মী একটি ইসলামিক বই। ডক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ স্যারের বইগুলো এক কথায় অসাধারণ। আর রকমারির সার্ভিস— সুপার।জাযাকাল্লাহু খাইর।


অসাধারণ একটা বই,, সন্ত্রাস জঙ্গি খারেজীদের নিয়ে আলোচনা করেছেন,স্যার কে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন।























