

Buy ফিকহুর রিবা Online in Bangladesh
লেখক: মুফতি সাজ্জাদুর রহমান
- Author: মুফতি সাজ্জাদুর রহমান
- Publisher: পেনফিল্ড পাবলিকেশন
- Isbn: 9789849910329
- Number Of Pages: 456
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Edition, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আধুনিক লেনদেনে সুদ ও তার বিধিবিধান সম্পর্কে আমরা বেশিরভাগই উদাসীন। তাই জেনে না জেনে আমরা জটিয়ে পড়ছি সুদের মতো ভয়ঙ্কর কবিরা গুনাহে। সুদের ভয়াবহতা, তার তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক বিশ্লেষণ এবং আধুনিক লেনদেনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সুদের বিস্তারিত বিধিবিধান ও তার প্রয়োগ নিয়ে রচিত ‘ফিকহুর রিবা’ বইটি। আশা করি, বইটি আমাদের সুদ সম্পর্কে সচেতন করবে এবং বিকল্প শারয়ী গাইডলাইন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেবে, ইনশাআল্লাহ।বইটিতে যে বিষয়গুলো নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে—• কুরআন, হাদিস ও ফিকহুস সালাফের আলোকে রিবার পরিচিতি ও বিশ্লেষণ।• প্রচলিত অর্থনীতি ও ইসলামী অর্থনীতির আলোকে সুদের প্রকৃতি ও বিস্তারিত পর্যালোচনা।• কুরআন, হাদিস ও আছারের আলোকে সুদের ভয়াবহতা।• বিভিন্ন ধর্মে সুদের নিষিদ্ধতার বর্ণনা: প্রামাণিক উপস্থাপন।• সুদ-বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের দলিলভিত্তিক জবাব।• রিবার প্রকারভেদ: পরিচিতি ও বিশ্লেষণ।• বাস্তবতার আলোকে প্রতিটি বিষয়ের পর্যাপ্ত উদাহরণ।• প্রচলিত বীমা, ব্যাংকিং ও সুদসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ।• আধুনিক লেনদেনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রিবার প্রচলিত ও প্রায়োগিক রূপগুলোর সাবলীল উপস্থাপন।• আধুনিক প্র্যাকটিসের আলোকে সুদ ও হিলা-বাহানার দালিলিক উপস্থাপন।• সুদের অর্থনৈতিক নেতিবাচক প্রভাব তুলনামূলক আলোচনা। • সমাজে রিবার অশুভ ছায়া।• বাস্তবতার নিরিখে রিবাবিহীন সমাজের সম্ভাব্যতা-অসম্ভাব্যতা পর্যালোচনা।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
সলামী দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী — তাদের জন্য এই বইটি একেবারে must-read।
"ফিকহুর রিবা" – সুদের শেকল ভাঙার দিগন্ত উন্মোচন আধুনিক অর্থনীতির এক অন্ধকারাচ্ছন্ন অধ্যায় হলো সুদ। সুদের এই জালে আটকে পড়েছে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র। কিন্তু মুক্তির পথ কি নেই? মুফতি সাজ্জাদুর রহমান লিখিত "ফিকহুর রিবা" বইটি যেন এক আলোর দিশারী। বইটির প্রতিটি অধ্যায়ে সুদের ভয়াবহতা, ইসলামের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা, সুদের ব্যপ্তি এবং তার বিকল্প অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকনির্দেশনা এতটা নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, পাঠকের মনে নতুন এক চিন্তার জগত উন্মোচিত হয়। লেখক শুধু শাস্ত্রীয় দলিল তুলে ধরেননি, বরং বাস্তবতার নিরিখে সুদের প্রভাব ব্যাখ্যা করেছেন। একদিকে হৃদয়ে দাগ কাটবে সুদভিত্তিক সমাজের পরিণতি, অন্যদিকে জাগ্রত হবে সুদমুক্ত অর্থনীতির স্বপ্ন। ভাষার মাধুর্য, তথ্যের প্রাচুর্য ও বিশ্লেষণের গভীরতা – সব মিলিয়ে বইটি শুধু ইসলামি ফিকহের একটি রচনা নয়, বরং এটি হলো এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর। একটি সমাজব্যবস্থা পাল্টে দেওয়ার হাতিয়ার যে বই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হতে পারে, "ফিকহুর রিবা" তেমনই একটি বই। এই গ্রন্থ পড়তে পড়তে মনে হবে, যেন একজন চিন্তাশীল ফকিহ আমাদের সামনে বসে কথা বলছেন, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন কীভাবে সুদের শৃঙ্খল আমাদের গ্রাস করেছে। সুদ যে একটি নিরীহ লেনদেন নয়, বরং এটি একটি ভয়ানক দাসত্বের শৃঙ্খল—এই বইটি সেটাই প্রমাণ করেছে কুরআন ও হাদিসের শক্তিশালী দলিলের মাধ্যমে। লেখক এমন এক দক্ষতায় আলোচনা করেছেন যে, বইটি পড়তে পড়তে পাঠকের মন আবেগে ভরে উঠবে। অর্থনৈতিক দাসত্ব থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা যেন আরও প্রবল হয়ে ওঠে। বইটি শুধু পড়ার নয়, উপলব্ধিরও "ফিকহুর রিবা" বইটি এমন এক কিতাব, যা শুধু পড়ার জন্য নয়, উপলব্ধির জন্য। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ইন্স্যুরেন্স, বিনিয়োগ—এসবের সাথে সুদের সম্পর্ক কেমন, ইসলামে এর বৈধতা-অবৈধতা কেমন, তা নিয়ে অসাধারণ বিশ্লেষণ আছে বইটিতে। এই বইটি শুধু একজন গবেষকের জন্য নয়, বরং সাধারণ পাঠকের জন্যও সহজবোধ্য করে লেখা হয়েছে। যারা সুদের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চান এবং সুদমুক্ত অর্থনীতি কেমন হতে পারে, তা বুঝতে চান, তাদের জন্য বইটি একটি অবশ্যপাঠ্য। শেষ কথা "ফিকহুর রিবা" শুধু একটি ইসলামি বই নয়, এটি একটি বিপ্লবের ডাক। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সুদমুক্ত অর্থনীতি গড়ার জন্য এই বইটি হতে পারে প্রথম পদক্ষেপ। যে পাঠক একবার বইটি হাতে নেবেন, তিনি বুঝতে পারবেন—এটি শুধু বই নয়, বরং একটি চিন্তার জাগরণ।























