দাসত্বের মহিমা
বই কালেকশন

Buy দাসত্বের মহিমা Online in Bangladesh

লেখক: شيخ الاسلام ابن تيمية (শাইখুল ইসলাম তাকিউদ্দিন ইবনে তাইমিয়া)

4.87
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: شيخ الاسلام ابن تيمية (শাইখুল ইসলাম তাকিউদ্দিন ইবনে তাইমিয়া)
  • Publisher: মাকতাবাতুল বায়ান
  • Isbn: 9789848041024
  • Number Of Pages: 176
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition, 2018
৳ 219৳ 25012% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"দাসত্বের মহিমা" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা:দুনিয়াতে মানুষের আগমনের উদ্দেশ কেবল আল্লাহর দাসত্ব করা। আল্লাহর বিধানের সামনে আত্মসমর্পণ করা৷ আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে স্বীকার করে নিয়ে তাঁর বান্দা হয়ে যাওয়া। তবে কেউ নিজেকে আল্লাহর বান্দা বলে পরিচয় দিলেই সে তাঁর বান্দা হয়ে যাবে না। আল্লাহর দাস হতে চাইলে বান্দাকে অবশ্যই সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে নিতে হবে। কেউ যদি আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বাদ দিয়ে সৃষ্টির সঙ্গে তার অন্তর জুড়ে দেয় এবং অন্তরে এই বাসনা লালন করে যে, এ সকল সৃষ্টিজীবই বুঝি তাকে সাহায্য করবে, তাকে জীবিকা দেবে কিংবা তাকে সঠিক পথ দেখাবে, তবে সে আর আল্লাহর দাস থাকে না, বরং সৃষ্টির সেবকদাসে পরিণত হয়। যে তার শির আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে নত করে না, যে তার হাত আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে প্রসারিত করে না, যে তার চাওয়াগুলো আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে পেশ করে না, যে আল্লাহর হুকুম ছাড়া আর কোনোকিছুর আধিপত্য মেনে নেয় না, যে ফয়সালা দেওয়ার সময় আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য কিছুর দিকে ঝুঁকে পড়ে না, যে আদর্শিকভাবে আল্লাহর দ্বীন ছাড়া অন্য কোনো ইডিওলজিকে গ্রহণ করে না---সে-ই প্রকৃত অর্থে আল্লাহর দাস। . দাসত্বের মর্মার্থ নিয়ে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা রাহিমাহুল্লাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ কিতাব লিখেছেন। আরবিতে যার নাম "আল উবুদিয়্যাহ"৷ আলহামদুলিল্লাহ, আমরা কিতাবটি বাংলায় অনুবাদ করতে সক্ষম হয়েছি। বাংলা অনুবাদে এর নাম রাখা হয়েছে "দাসত্বের মহিমা"। শাইখুল ইসলাম সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছুই নেই। ইসলামের প্রতিটি মৌলিক শাখায় তিনি ঈর্ষণীয় অবদান রেখেছেন। তিনি যে বিষয়েই কলম ধরেছেন, সে বিষয়েই বিরল কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। "আল উবুদিয়্যাহ" তাঁর বিরল কৃতিত্বের অন্যতম নিদর্শন। এটি এমন একটি কিতাব, যেটি পাঠককে দাসত্বের সঠিক রূপরেখা সম্পর্কে ধারণা দেবে। আল্লাহর দাসের কী কী গুনাবলি থাকা প্রয়োজন, সে সম্পর্কে মৌলিক দিকনির্দেশনা দেবে। অনেকদিন ধরেই আপনারা কিতাবটির জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। আর অপেক্ষা নয়, এবার চলছে প্রি অর্ডার।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.87
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Mahmudul Maruf
Mahmudul Maruf ভেরিফাইড
17 May 2021

Every Muslims should read this book, This book contains much knowledge which is necessary.

Md. Touhidul Islam
Md. Touhidul Islam ভেরিফাইড
02 Feb 2021

Average Book

Salman Mahadi
Salman Mahadi ভেরিফাইড
08 Dec 2019

বই পরিচিতিঃ এটি শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়া'র "আল উবুদিয়্যাহ" গ্রন্থের অনুবাদ। বইটি ইবাদত সম্বন্ধনীয়। এবং বইয়ের লেখার উদ্দেশ্য নিয়ে অনুবাদক ইমামের ৫ টি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন (পৃঃ৮). যেমন- ইবাদত কি? উদ্দেশ্য কি? ইত্যাদি। আমার কথাঃ ইসলামে প্রবেশ করেছেন বা একটু একটু করে ইসলাম জানছেন তাদের জন্য একটি উত্তম পাথেয়। আবার অনেকে ইসলাম সম্পর্কে মোটামুটি ভালই জানে, কিন্তু কিছু বিষয়ে নিজের অজান্তে গুলিয়ে ফেলেন কিংবা নব্য উদারপন্থী মশলায় ধুকছেন তাদের ঔষধ এই বই। কেননা বইয়ের প্রথমেই আপনাকে কয়েকটা বেসিক সূত্রে আপনাকে নিক্তিতে তুলতে সহায়তা করবে। যেমন- ইবাদত পরিচিতি (এখানে আপনাকে শিখাবে ইবাদত কি শুধু আল্লাহর নামাজ, রোযা, হজ্জ নাকি অন্য কিছু। এর ব্যপকতা বর্ণনায় লেখক দাসত্ব, দীন বিষয় গুলো এনে পাঠককে চিন্তায় ফেলতে বাধ্য করবে সে কার দাসত্ব করছে। অনেক সময় দাস ও দাসত্ব বিষয় অনেকে গুলিয়ে ফেলে লেখক তার পার্থক্য সহজ করেছেন। এই পরিচ্ছেদের সবচেয়ে চুম্বক অংশ হল "দাসত্বের দুই অর্থের মধ্য পার্থক্য করা"। কারণ এর মাধ্যমে আপনার আকিদা ঠিক হবে আপনি কার দাসত্ব করবেন)। এই অধ্যায়ের মূল কথা হল " ভালবাসা ও আনুগত্য"। এটাই আকিদা। পরবর্তীতে এটার ব্যাপকতা এভাবে লেখা হয়েছে " আল্লাহর যা ভালাবাসেন তা ভালবাসা এবং তিনি যা ঘৃণা করেন তা ঘৃণা করা"। মূলত আমার কাছে মনে হল "এই কথাটাকে কেন্দ্র করে বইটি সাজানো হয়েছে। যা লেখক সারকথায় বলেছেন সবকিছু " আল্লাহ" কে কেন্দ্র করে। দ্বিতীয় বিষয় যা আলোচনা করেছেন তা হল "তাকদির" নিয়ে। এবং দেখিয়েছেন এই বিষয়ে পদস্খলিত কিছু দলের আকিদা। যেমন- (উজুদ, জাবরিয়া, মুতাযিলা) তাদের পরিচয় দিতে গিয়ে প্রথমে তাদের ভুলটা দেখিয়েছেন তারপর মুমিনদের আকিদা কি তা এনেছেন। [এজন্য ব্যক্তিগতভাবে মনে হল সম্পূর্ন বই পড়ার পর ৩০-৫৭ পৃষ্ঠা পুনরায় পড়লে আপনার জ্ঞানের পরীক্ষা হবে, আপনি নিজ থেকে সহজেই মিলাতে পারবেন মুমিন আর ভ্রষ্টদের আকিদার পার্থক্য]. তবে লেখক এ ক্ষেত্রে প্রথমেই তাকদির নিয়ে আমাদের কি করণীয় তা বলে দিয়েছেন এবং শুরু করেছেন শায়খ জিলানি (রহিঃ)র উক্তি দিয়ে, এর মাঝে তিনি আলোচনা করেছেন তাকওয়াবান ও পাপিষ্ঠদের দায়িত্ব (এজন্য তিনি আদম (আঃ) ও মূসা (আঃ) এর [তাকদির] বিতর্ক টেনেছেন এবং বুঝিয়েছেন তাওবার গুরুত্ব)। ভ্রষ্টদের পরিচয় শেষে তিনি তাদের সাথে বিদআতিদের সাদৃশ্য টেনেছেন। তৃতীয় বিষয় হল ইবাদতের মূলনীতি হল "আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত না করা। সেই পন্থায় ইবাদত করা......” এই আলোচনায় সালিহ বান্দাদের ইবাদতের নীতি টেনেছেন। তারপর একটি পর্যালোচনা এনেছেন। এ দিয়ে মূলত " দাসত্ব" বিষয় সহজ করেছেন। এবং দুই পাঠে "দাসত্বেই" যে সৃষ্টজীবের পূর্নতা এবং তা ফিতরাতের অংশ তা সুন্দর করে বুঝিয়েছেন এই জায়গায় এসে বইয়ের বাংলা নামের সার্থকতা পেলাম। তার সাথে সম্পর্ক রেখে আলোচনা করেছেন মানুষের মর্যাদা কিসে নিহিত এবং এক্ষেত্রে মানুষের পদস্খলনের কিছু রোগ উল্লেখ্ করেছেন। যা অতীব গুরুত্ব ব্যক্তি জীবনে (প্রেমের দাসত্ব, নেতৃত্বের দাসত্ব ইত্যাদি)। এই পাঠের সারকথা হল "যে জিনিসই অন্তরকে দাস বানিয়ে ফেলে এবং গোলামে পরিণত করে, মানুষ তারই বান্দা হয়ে যায়"। এই পাঠের আর একটি আলোচনা হল " সৃষ্টির কাছে কোন কিছু চাওয়ার নীতি এবং সালাফদের সতর্কতা"। এরপরই তিনি এনেছেন পার্থিব জিনিসগুলোর চাহিদা। এই জায়গায় সালাফদের নীতি উল্লেখ করেছেন এবং এর সূত্র ধরে জিহাদের কথা এনেছেন তারপূর্বে আলোচনা করেছেন আল্লাহর বান্দা কারা? তাদের পরিচয় দিতে তিনি জিহাদের কথা এনেছেন। এ পাঠের সারকথা হল " বান্দা আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করবে; অন্য কারও কাছে নয়।" তারপর আলোচনা করেছেন সকল নবীর দীন কি ছিল। প্রথমেই বলেছেন ইসলাম সহকারে তারা প্রেরিত হয়েছেন। এবং ওহির বানী দিয়ে তা ব্যাখ্যা করেছেন। তারপর আলোচনা করেছেন "আল্লাহ তা আলাই সবকিছুর স্রষ্টা " কারণ পরবর্তীতে তিনি এর ভিত্তিতে ভ্রষ্টদের পরিচয় দিয়েছেন। যারা স্রষ্টা ও সৃষ্টি এক করে ফেলে। তারপর তিনি মিল্লাতে ইবরাহীম এর চেতনা আলোচনা করেছেন - যার মূল বিষয় হল ঈমানের মিষ্টতা। যা তিনটি জিনিসের মাধ্যমে অর্জিত হয় - ক) আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ভালোবাসা খ) ভালোবাসা শাখা-প্রশাখা বিস্তৃতি গ) ভালোবাসার পথে প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ। এর মাধ্যমে বিশেষ ও সাধারণ ভালোবাসা নির্নয় হয়। এই পাঠে অনেক তাসাউফ পন্থীরা কিভাবে পদস্খলিত হয় তা আলোচনা করেছেন। যা ফানার পরিচয় অধ্যায়ে সহজ করেছেন। ফানা তিন প্রকার - ক)পূর্ণাঙ্গ মানুষের ফানা। (পূর্ণাঙ্গ হলেন নবী এবং ওলীরা) খ) মধ্যপন্থীদের ফানা। (ওলি ও নেককা্র) গ) মুশাব্বিহা, মুলহিদ ও মুনাফিকদের ফানা। ( ভ্রষ্টদের) এবং এক্ষেত্রে তাদের ব্যাপক আলোচনা করেছেন এবং সালাফদের আকিদা উল্লেখ করেছেন। তার আগে তিনি সহজ করেছেন মুমিন ও মুনাফিকদের পার্থক্য যা কিনা একনিষ্ঠতার উপর নির্ভর করে। শেষে তিনি যিকির প্রসংগে কথা বলেছেন- আল্লাহ আল্লাহ জিকির এর ব্যবচ্ছেদ করেছেন যুক্তি ও ব্যাকরণ দিয়ে এবং বলেছেন অসম্পূর্ণ ও উদ্দেশ্যহীন শব্দ দিয়ে জিকিরের অসারতা। তারপর কিছু অতি উত্তম জিকিরের কথা ও ফযীলত উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ তিনি দ্বীনের সারকথার মূলনীতি দিয়েছেন - ক) আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কার ও ইবাদত করব না । খ) এবং পন্থা হবে যা তিনি শরীয়তে বিধিবদ্ধ করেছেন। এর ব্যাপকতা বর্ণনা করেছেন এবং দো'আ করেছেন আল্লাহ যেন আমাদেরকে এই দ্বীনের উপর অবিচল রাখেন ও মানার তাওফিক দান করেন এবং তার উপরই আমাদের ও আমাদের মুসলিম ভাইদের মৃত্যু দান করেন।

abdur rahman
abdur rahman ভেরিফাইড
23 Mar 2019

স্বাধীনতা হলো অন্তরের স্বাধীনতা। দাসত্ব হলো অন্তরের দাসত্ব। একইভাবে সচ্ছলতাও হলো অন্তরের সচ্ছলতা। নবিজি স. বলেছেন,"ধনের আধিক্য থেকে সচ্ছলতা হয় না। সচ্ছলতা হলো অন্তরের সচ্ছলতা।" [সহিহ বুখারি : ৬৪৪৬; সহিহ মুসলিম : ১০৫১] অসাধারন একটি বই।

Jahid Ahsan
Jahid Ahsan ভেরিফাইড
21 Mar 2019

রূহের জগতেই আমরা এই ব্যাপারে ওয়াদাবদ্ধ হয়েছি যে, সকল বাতিল উপাস্যকে অস্বীকার করে কেবল আল্লাহর গোলামী করবো। কিন্তু দুনিয়ায় আসার পর, এর চাকচিক্যের মোহে পড়ে আমাদের সে ওয়াদার কথা ভুলে বসে আছি। তাই তো আজ আল্লাহকে বাদ দিয়ে অজস্র সৃষ্টির দাসত্ব করছি। আর এটাকেই আধুনিকতা মনে করছি। অথচ মাখলুকের দাসত্বের মধ্যে কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। মাখলুকের দাসত্ব বাদ দিয়ে এক আল্লাহর দাসত্বে নিয়োজিত হওয়াটাই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির পরিচায়ক।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)