

Buy বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস Online in Bangladesh
লেখক: আব্বাস আলী খান
- Author: আব্বাস আলী খান
- Publisher: বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার
- Isbn: 9843107089
- Number Of Pages: 513
- Language: বাংলা
- Edition: 11th Edition, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বিজয়ী বেশে মুসলমানগণ হিন্দুস্তানে সর্বপ্রথম আগমন করেন মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ৭১২ খ্রিস্টাব্দে। (প্রায় হিজরি ২য় শতাব্দীতে উমাইয়াদের শাসনামলে) ইতিহাস বলে তখন থেকেই নয় বরং এর আগে থেকেই বাংলার সাথে মুসলমানদের যুগ-সজাগ ছিলো, বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরে তাদের আগমন ঘটতো ব্যাবসায়ীক সফরে। তখন থেকেই ওতপ্রোতভাবে মুসলিমদের ইতিহাস বাংলার সাথে জড়িত। অপরদিকে বাংলায় মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা লাভ হয়েছিল ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে। (হিজরি সপ্তম শতাব্দীর প্রাক্কালে) তৎকালীন ভারত সম্রাটের অধিনে মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী সর্বপ্রথম বাংলায় তার রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। পলাশীর যুদ্ধের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৫শত বছর বাংলায় মুসলমানদের শাসন অক্ষত ছিল। এর মধ্যে বাংলার নবাবদের অতিরিক্ত উদারতার ফলে শাসনকার্যে মুসলমানদের পাশাপাশি হিন্দুদের অন্তর্ভুক্তিও দেখা যায়, যা পরবর্তীতে বাংলায় মুসলিম শাসকদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। মূলত তারা মনে প্রাণে মুসলিম শাসন মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে তারা নিজেদেরকে প্রয়োজনে এমন কারো কাছে সপে দিতেও প্রস্তুত ছিলো, যারা পরবর্তীতে তাদেরকেও কোনঠাসা করে গোলামে পরিণত করবে। সেই ইংরেজরা ব্যাবসার নামে ধোঁকাবাজি করতে ভারতে এসেছিলো খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতকের শেষ দিকে, এরপর তারা ধিরে ধিরে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে। তাদের প্রথম পদক্ষেপ গুলো বাংলা বিহারের দিক থেকেই শুরু হয়। তারা হয়ত এটাও জেনে নিয়েছিলো যে তাদের উদ্দেশ্য সাধনে তারা সর্বদা হিন্দুদের পাশেই পাবে। এরপর তারা মুসলিম শাসকের আশেপাশে মীর জাফরের মতো চাটুকার তৈরি করে, যাদেরকে মুসলিম শাসকরাই দুধকলা দিয়ে পুষছিল। অবশেষে ইংরেজরা মীর জাফর এবং হিন্দু মহাজনদের সাহায্যে পলাশীর মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলার বীর নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যা করে বাংলায় প্রকৃত মুসলিম শাসনের সমাপ্তি করে। এ যুদ্ধের পর বাংলায় লাল কুকুরদের একচেটিয়া অধিপত্য শুরু হয়, যার ভুক্তভোগী মুসলিমরাই ছিলো। পলাশীর পরে বাংলায় মুসলিম সমাজের চিত্র ছিল, সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবার থেকে শুরু করে একবারে সাধারণ মুসলমানরাও তাদের রোষানল থেকে বাদ পরেনি। প্রতিটি সেক্টরে তারা যেভাবে মুসলমানদের নির্যাতন করেছিল তা যেন বাংলার মুসলমানদের ইতিহাসে তাতারদের ভিন্ন রুপ মাত্র। তাতাররা তো রক্ত বণ্যা বাসিয়ে দিয়েছিলো, আর এরা নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে বাংলার মুসলমানদের পদদলিত করেছে। একজন বাঙালি মুসলিম হিসেবে বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস জানতে এর চেয়ে তথ্যবহুল আর কোন বই আমার চোখে পড়েনি। বইঃ বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস লেখকঃ আব্বাস আলী খান রিভিউ লিখছিঃ মোহাম্মদ নাজমুল


বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা একটি বই। প্রত্যেক মুসলমানদের তাদের নিজ জাতির ইতিহাস জানার জন্য বইটি পড়া ১০০০% বাধ্যতামূলক।

most underrated book I have ever seen
আমার মতে বাংলাদেশের সেরা বইগুলার মধ্যে একটি । লেখক যথেষ্ট জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান। বাংলাদেশের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে এই বইটা থাকা দরকার ও পড়া দরকার এবং জানা দরকার। শত শত বছরের মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত শত ষরযন্ত্র হচ্ছে । তাদেরকে তাদের ইসলামিক ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়ার ষরযন্ত্র হচ্ছে । তাদেরকে যতসব উদ্ভট বানোয়াট যুক্তি দেয়া হচ্ছে । যে মুসলমান তার অতিত ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ তার মুখ থেকে এমন সব মুসলিম ও ইসলাম বিরোধী কথা বেরুবে যেসব কথা একজন অমুসলিম বলার আগে সাতপাচ ভাববে । যে জাতির আত্ম অহংকার নাই,আত্মসম্মান নাই, সে জোর করে কারও থেকে সম্মান আদায় করতে পারবেনা, স্বাথ আদায় করার মত মানসিক সাহস পাবেনা এবং যোগ্যতা তার কমতি থাকবে । মানবিক জাতি-রাষ্ট্র বলে ইতিহাসে কিছু নাই, যারা মানবিকতা দেখায়সে তারা সকলেই করুন পরিনতি বরন করসে । অধিকার -স্বার্থ কখনও আদায় করা যায়না, ছিনিয়ে আনতে হয় । জাতি হিসেবে তারা কোনদিন সফল হতে পারবেনা ।ওই জাতি অনাচার দুর্নীতিগ্রস্থ হয়ে পরবে শয়তানের প্ররচনায় । আল্লাহর রহমত সে জাতির উপর থেকে উঠে যাবে । ওই জাতি আস্তাকুরে পরবে । ইসলামি বই কোরআন শরীফ পড়লে যেমন তাকওয়া বৃদ্ধি পাবে তেমনি ইসলামি ইতিহাস পড়লে জাতি ও ধর্মের প্রতি একটি বিশেষ সম্মান ও দায়িত্ববোধ জাগবে । এই বই পড়লে জানা যাবে অনেক ষরযন্ত্র হইসে মুসলমানদের সাথে যুগে যুগে এবং ভবিষতেও হবে নিজেরা উদ্যেগি না হলে আল্লাহ সাহায্য করবেনা ।
Nice collection























