

Buy অমুসলিম দেশে মুসলমান Online in Bangladesh
লেখক: মাওলানা আখতার ইমাম আদিল কাসেমি
- Author: মাওলানা আখতার ইমাম আদিল কাসেমি
- Publisher: কালান্তর প্রকাশনী (সিলেট)
- Isbn: 9789849783442
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
সবচেয়ে বেশি মানুষ বাইরে থাকেন এমন দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো ছাড়াও আমাদের বাংলাদেশি ভাইবোনদের বড় একটি অংশ বাস করছেন ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন অমুসলিম দেশে। তাঁদের মনে প্রশ্ন জাগে—মুসলমানদের জন্য অমুসলিম দেশে বসবাস, নাগরিকত্ব, চাকরি, রাজনীতি ইত্যাদি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ কি না? অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠানে শরিক হওয়া, তাদের তৈরি করা খাবার খাওয়া, নির্বাচনে অংশ নেওয়া, অনৈসলামিক আইন-আদালতের আনুগত্য করার বিধান কী? যেখানে ইবাদত-বন্দেগির স্বাধীনতা নেই, বিদ্যমান নেই সুদমুক্ত অর্থব্যবস্থা—সেখানে ধর্মীয় জীবনযাপনের উপায় কী? মুসলমানদের পক্ষে গির্জা-মন্দিরে দান করা কিংবা মসজিদ-মাদরাসায় অমুসলিমদের দান গ্রহণ করা জায়িজ কি না? জায়িজ হলে কী কী শর্তে, দলিল কী? লাখ লাখ প্রবাসী এবং অসংখ্য জ্ঞানার্থী পাঠক এসব জিজ্ঞাসার জবাব ও সমস্যার সমাধান জানতে চান। এ চাহিদা পূরণ করতেই কালান্তরের এ বই—অমুসলিম দেশে মুসলমান : জীবনযাপন, সমস্যা ও শরয়ি সমাধান। বইটি বিষয়ে যেমন নতুন, বক্তব্যে তেমনি প্রামাণ্য। প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত ও অভিমতের পক্ষে কুরআন-হাদিসের দলিল এবং মুজতাহিদ আলিমদের সত্যায়ন জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
আজকাল নানা কারণে প্রতিনিয়ত দুনিয়ার মুসলিম দেশগুলোর বহু মুসলমান নাগরিক বিভিন্ন অমুসলিম দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন এবং সেখানে থিতু হয়ে যাচ্ছেন। ভাবসাব দেখে মনে হয় ওসব দেশে তাঁরা বেশ সুখেই আছেন। নিজেদের অবস্থা ও জীবনযাত্রার ওপর তাঁরা সন্তুষ্ট। কেননা যাঁরা একবার যান, তাঁদের মধ্যে নিজেদের দেশে ফেরার ইচ্ছে খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু চিন্তার কথা হলো, অমুসলিম দেশের অনৈসলামিক পরিবেশে কীভাবে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেন তাঁরা? ইসলাম একে কীভাবে দেখে? নিজেদের ঈমান রক্ষা ও দীন পালনে তাঁদের কী ধরণের জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়? এসব জটিলতা কাটিয়ে ওঠার উপার কী? এ বক্ষমান বইয়ে অমুসলিম দেশে মুসলমান জীবনযাপন, সমস্যা ও শরয়ি সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আমরা তো ইমান কুফরের পার্থক্যের ভিত্তিতে গড়ে উঠা দারের হুকুম ভুলে গিয়েছি। আমাদের কাছে মালদ্বীপ,মালয়েশিয়া যা আমেরিকা ব্রিটেন ও তা। অথচ এর প্রথম দুটি দারুল ইমান হলেও পরের দুটি হলো দারুল কুফর। এই পার্থক্যের ভিত্তিতে যে ফিকহি মাসআলায় আকাশ-পাতাল তফাত হয় সেটা আমরা জানিনা, জানার পরেও মানিনা। কিছুদিন আগে একজন স্বনামধন্য মুফতি সাহেব অমুসলিম দেশে বিনা প্রয়োজনে স্রেফ আনন্দের জন্য ভ্রমণ করাকে নাজায়েজ বলায় সবাই যেভাবে উনার পিছনে লেগেছিল সেটা দেখে যারপরনাই বিস্মিত হয়েছি । আলহামদুলিল্লাহ, কালান্তর এই বিষয়ে স্বতন্ত্র একটি বই প্রকাশ করার সাহস দেখিয়েছে এটাকে আমি এপ্রিশিয়েট করি । আল্লাহ বইটিকে কবুল করুন।
পুঁজিবাদী অর্থনীতির এই যুগে মুসলিম দেশগুলোর চেয়ে অমুসলিম দেশগুলোই প্রযুক্তির চরম শিখরে।মুসলিম দেশের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী তাই ছুঁটে চলেছে পশ্চিমা দেশগুলোর চোখধাঁধানো উৎকর্ষতার চম্বুকীয় টানে।কিন্তু সেখানে গিয়ে পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যার সম্মুখীন; যা যাপিত জীবন থেকে শুরু করে ক্ষতিগ্রস্ত করছে ব্যক্তির দ্বীনকেও। এজন্যই লেখক এই সেন্সিটিভ এবং সময়ের অত্যন্ত উপযোগী বিষয়টিতে কলম ধরে দেখিয়ে দিয়েছেন অমুসলিম দেশে একজন মুসলমানের জীবন-পদ্ধতি কেমন হওয়া উচিত এবং অমুসলিম দেশে বসবাসের সমস্যা ও এর শরয়ি বিধানসমূহ সবিস্তারে।

আমরা জীবিকার তাগিদে হোক বা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত একটা জায়গায় দাড় করাতে অনেকেই নিজ জন্মভূমি ছেড়ে অমুসলিম দেশে পারি দেয়। অমুসলিম দেশের কালচার,খাদ্য,বিনোদন সমস্থ কিছুর সাথে নিজের শামিল করে নিতে হয়। তবে শরিয়া অমুসলিম দেশে মুসলিম ব্যাক্তিদের থাকা এবং চিরস্থায়ীভাবে থেকে যাওয়া সম্পর্কে কী বলে এ সম্পর্কে জানতে বইটি আমাদের সহায়তা করবে৷

জীবিকা নির্বাহের তাগিদে বেশিরভাগ মুসলিম ভাইবোনদের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করতে হয়। বাংলাদেশি আমাদের ভাইবোনদের বিশাল একটি অংশ বাস করে ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন অমুসলিম দেশে। এমতাবস্থায় তাদের মনে অনেক সময় প্রশ্ন জাগে মুসলিমদের জন্য অমুসলিম দেশে বসবাস করা, নাগরিকত্ব, চাকরি ইসলামে বৈধ হবে কি না? তাদের সাথে চলাফেরা, তাদের তৈরি করা খাবার গ্রহণ করা, এমন অসংখ্য প্রশ্নের বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে "অমুসলিম দেশে মুসলমান" বইটিতে যা প্রবাসে অবস্থান করা মুসলমান ভাইবোনদের অজানাকে জানতে চাহিদা পূরণ করবে।























