

Buy আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস মুরগী পালন চিকিৎসা ও বাজারজাতকরণ Online in Bangladesh
লেখক: ড. মোঃ আনিছুর রহমান
- Author: ড. মোঃ আনিছুর রহমান
- Publisher: প্রান্ত প্রকাশন
- Isbn: 9843205294
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: Reprinted, 2008
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস মুরগী পালন চিকিৎসা ও বাজারজাতকরণ বইয়ের সূচিপত্রঃ*প্রথম অধ্যায় : গৃহপালিত পাখি*দ্বিতীয় অধ্যায় : হাঁস-মুরগির শ্রেণি ও জাতের বিবরণ*তৃতীয় অধ্যায় : মুরগির দেহ ও ডিমের গঠন পরিচয়*চতুর্থ অধ্যায় : হাঁস-মুরগির বাণিজ্যিক খামার স্থাপন*পঞ্চম অধ্যায় : ব্রয়লার পালন*ষষ্ঠ অধ্যায় : কবুতর পালন*সপ্তম অধ্যায় : কোয়েল পালন*অষ্টম অধ্যায় : ডিম উৎপাদন*নবম অধ্যায় : ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন*দশম অধ্যায় : মুরগির বাচ্চা পালন*একাদশ অধ্যায় : হাঁস মুরগির খাদ্য*দ্বাদশ অধ্যায় : হাঁস-মুরগির রোগ ও চিকিৎসা*এয়োদশ অধ্যায় : হাঁস-মুরগির রোগ প্রতিষোধন টিকা*চতুর্দশ অধ্যায় : বাজারজাতকরণ
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
লেখক ড. মোঃ আনিছুর রহমান 'আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস মুরগী পালন চিকিৎসা ও বাজারজাতকরণ' বইটি শুধুমাত্র যারা গৃহপালিত পশুপাখির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে চান শুধু তাদের জন্যই নয়, বরংকলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক/শিক্ষিকাসহ গবেষক ও পরিকল্পনাবিদদের জন্যও রচনা করেছেন। বইয়ের শুরুতেই রয়েছে গৃহপালিত পশুপাখির সংজ্ঞা, বাংলাদেশে হাঁস মুরগি প্রতিপালনের সম্ভাবনা ও সমস্যা, বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পের সমস্যা ও সমাধান, এক নজরে বাংলাদেশের পশু সম্পদ। হাঁস মুরগির বাণিজ্যিক খামার স্থাপন, খামার পরিকল্পনা, খামার ব্যবস্থাপনা, খামারের দৈনন্দিন কার্যক্রম, খামারের আয় ব্যয়ের হিসাব- এই সমস্ত কিছু নিয়ে আলোচনা করেছেন লেখক। এছাড়াও ব্রয়লার পালন, কবুতর পালন, কোয়েল পালন, কিভাবে ডিমের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো যায় ইত্যাদিও জানা যাবে বইটি পড়লে। গৃহে মুরগি পালনের জন্য উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা পালন ঘরের নকশা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। বাচ্চা পালন ঘরে ১ দিন বয়সের বাচ্চা ৮ সপ্তাহ বা ২ মাস পর্যন্ত পালন করা হয়। ১-২১ দিন বয়স পর্যন্ত বাচ্চা ব্রুডিং হাউজে পালন করা হয়। এর জন্য আলাদা ঘর তৈরি করতে হয়। বাচ্চা পালন ঘরেও ব্রুডিং হাউজ তৈরি করা যায়। আবার কোয়েলের বাসস্থান বা লালন পালনের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে- সদ্য ফুটন্ত কোয়েলের বাচ্চা খুবই ছোট থাকে, ওজন মাত্র ৫-৭ গ্রাম। এ সময় যে কোন রকম ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনার প্রভাব স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধি, ডিম উৎপাদন এবং বেঁচে থাকার উপর পড়ে। এমতাবস্থায় খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান এবং কাম্য তাপমাত্রা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বজায় রাখতে হবে। বাচ্চাকে ব্রুডিং বা তাপ দেওয়া খাঁচায় এবং লিটারে করা যায় ।























