

Buy আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ Online in Bangladesh
লেখক: ড. শাহাবুদ্দিন খান
- Author: ড. শাহাবুদ্দিন খান
- Publisher: প্রিয় বুক সেন্টার
- Isbn: 9789848484361
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: 2nd Edition, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
নদী মাতৃক এ দেশ আমাদের বাংলাদেশ। ধান ও মাছের প্রাচুর্যতা ছিল বলেই এক সময় আমাদের মাছে ভাতে বাঙালি বল হত। বিভিন্ন সময়ে ধানের উচ্চফলনশীল জাতের অবিস্থার হলেও মাছের ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। বিগত আশির দশকে প্রাকৃতিক অভয়াশ্রমগুলাে বিভিন্ন কারণে সংকুচিত হয়ে আসে । পাশাপাশি কারেন্টজালের ব্যবহার এক ভয়বহ চিত্র তুলে ধরে আমাদের সামনে। এই জাল ব্যবহারের ফলে পানি থাকবে, মাছের অভয়াশ্রম থাকবে, পানির সােত থাকবে, খাল, বিল, নদীনালা, হাওড় বাওড় সবই থাকবে, থাকবে না শুধু মাছ। কারণ একটাই, কারেন্ট জাল। তাই আশির দশকে নানাবিধ কারণে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদ বাড়ানাের লক্ষ্যে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রায় ৮০০-এর মত মৎস্য হ্যাচারি গড়ে ওঠে। বইটিতে মাছ চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Helpful, But need more elaboration
Very Good.
ড. শাহাবুদ্দিন খানের লেখা ’আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ’। বইটিতে বর্তমান সময়ের মাছ চাষ বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন মাছ চাষ করলে বিনিয়োগের প্রায় সমপরিমাণ টাকা লভ্যাংশ পাওয়া যেতো। কিন্তু পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কারণে মাছ চাষে লাভের পরিমাণ কমতে থাকে। এমনকি কখানো কখনো লোকসান গুণতে হয় অথবা লভ্যাংশ বিনিয়োগের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত হয়। মাছ চাষের ক্ষেত্রে এমনি সময় কিভাবে উৎপাদন খরচ আরও কমানো যায়, অপচয় রোধ করা যায় এবং লাভ নিশ্চিত হয় তা ভাবার একটা সময় এসে গেছে। নির্বাচিত প্রজাতির পোনা মজুদ করার সময় বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো যে হ্যাচারি থেকে পোনা কেনা হবে সেখানে ভাল ও পরিপক্ক ব্রুড থেকে পোনা উৎপাদন করা হয়েছে কি-না, পোনা সবল না দূর্বল, পোনার সাইজ কেমন ইত্যাদি। দূরবর্তী স্থানে পোনা পরিবহন করার সময় অক্রিজেন সহ পলিথিন ব্যাগে পরিবহন করতে হবে। পোনা ক্রয় করার পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যে মজুদ পুকুর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। পোনা মজুদের পুকুর আয়তনে ছোট (২০-৩০ শতাংশ) ও সদর জায়গায় (চোখের সামনে) হলে ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা করতে সহজ হয়। আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এক জন চাষি প্রতি কেজি মাছ উৎপাদনে ন্যুনতম ৫ টাকা সাশ্রয় পেতে পারেন যেখানে অনেক সময় বাজার দর ও দালালদের দৌরত্বের কারণে কেজি প্রতি ৫ টাকা লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে। সাশ্রয়ী পদ্ধতির মূল বিষয়টি হচ্ছে প্রথমে মাছের খাদ্যের চাহিদা নির্ণয় করে অতঃপর খাদ্য প্রয়োগ। আশা করি, মাছ চাষি ভায়েরা সাশ্রয়ী পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।





















