

Buy দ্য পাওয়ার অফ সেল্ফ-ডিসিপ্লিন Online in Bangladesh
লেখক: পিটার হোলিনস
- Author: পিটার হোলিনস
- Publisher: এশিয়া পাবলিকেশন্স
- Number Of Pages: 176
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
“দ্য পাওয়ার অফ সেল্ফ-ডিসিপ্লিন”-এরফার্স্ট ফ্ল্যাপ: গ্রন্থ সংক্ষেপ“দ্য পাওয়ার অফ সেল্ফ-ডিসিপ্লিনঃ আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তি” গ্রন্থটি জনপ্রিয় লেখক ও গবেষক “পিটার হলিন্স” -এর দীর্ঘ গবেষণার সমন্বিত রূপ। ইংরেজি ভাষায় লিখা সাড়া জাগানো এই বইটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত এবং জনপ্রিয়। এটি একসময় সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত ছিল। “দ্য পাওয়ার অফ সেল্ফ-ডিসিপ্লিনঃ আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তি” মুলত মনোবৈজ্ঞানিক বহুমাত্রিক দর্শনের একটি গবেষণাধর্মী উপস্থাপন। ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে কি করে সু-অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তা এই বইটিতে বর্ণনা করা হয়েছে। তাছাড়া ব্যক্তির অভীষ্ট লক্ষ্য-অর্জনে সক্রিয় থাকার ক্ষেত্রেও বইটি সহায়ক হিসাবে কাজ করবে। কর্মসম্পাদনের প্রারম্ভিকতা পার করে, অন্যমনস্কতা কাটিয়ে এবং তার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে অবিচল থাকার বিভিন্ন উপাদান পাওয়া যাবে বইটিতে।আমাদের কর্মস্পৃহা আর কর্মসম্পাদনের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করার কৌশল এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যক্তির আত্মনিয়ন্ত্রণ কৌশল সম্পর্কিত গবেষণা-নির্ভর বিভিন্ন তত্ত্ব এবং ব্যবহারিক আলোচনা পাঠকের চিন্তার জগতকে প্রসারিত করবে। এই বইটি গভীর মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করলে জীবনের প্রতি আগ্রহ-হারানো পরাজিত মানুষকে আত্মনিয়ন্ত্রণের সীমানায় সচল রেখে, ইতিবাচক ভবিষ্যৎ দেখানোর কাজটি আয়ত্ব করাবে। ‘কোনও গুপ্তবিদ্যা নয়, অভ্যাস আর চর্চার প্রায়োগিক ফলাফল হলো আত্মনিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি’ - এই সত্যটিই বইটির পাতায় বারবার উঠে এসেছে।বইটিকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন লেখক ও উপন্যাসিক কাজী রাশেদ। বইটির তাত্ত্বিক বিশুদ্ধতা রক্ষা এবং বঙ্গানুবাদে বহুল প্রচলিত শব্দমালার ব্যবহারে অনুবাদক সর্বোচ্চ মনোযোগী থেকেছেন। তথাপি ভাষাগত উৎকর্ষতা অনুবাদটির বিশেষ দিক হিসাবে মুল্যায়িত হবে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে বইটি নিঃসন্দেহে পাঠকের মন জয় করবে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

নিজের আত্মিক শক্তি সম্পর্কে জানার জন্য একটি উপকারী বই।
মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মনকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা। যদি কেউ মনে করেন যে মনকে বশে আনা কঠিন—এই বইটি তাকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে। আর যদি কেউ বিশ্বাস করেন যে আত্মনিয়ন্ত্রণ জীবনের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে, তবে এই বই হবে তার নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশক। অনেকেই সিদ্ধান্তহীনতা, হতাশা ও মানসিক অস্থিরতার জালে আটকে থাকেন। এই বই আপনাকে শেখাবে কিভাবে সেই জটিলতা দূর করে জীবনকে সহজ, সুশৃঙ্খল ও সাফল্যময় করা যায়। মনের শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে কিভাবে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব—এই বই সেই পথের দিকনির্দেশনা দেবে এই বইটি বিশেষ করে উদ্যোক্তা, ছাত্র, চাকরিজীবী এবং যে কেউ নিজের লক্ষ্য অর্জনে ফোকাস করতে চায়, তাদের জন্য দারুণ সহায়ক। যদি আপনি আত্মনিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজের জীবনকে আরও কার্যকর করতে চান, তাহলে এটি অবশ্যই পড়ার মতো একটি বই!
প্রাককথন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মনের নিয়ন্ত্রণ। কেউ যদি মনে করেন, মনকে বশে আনা অসম্ভব—এই বইটি তাকে অন্য এক সত্যের সামনে দাঁড় করাবে। আবার কেউ যদি বিশ্বাস করেন, আত্মনিয়ন্ত্রণ জীবনকে নতুন সম্ভাবনার পথে নিয়ে যেতে পারে, এই বইটি হবে তার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। আমাদের অনেকের জীবনই সিদ্ধান্তহীনতা, হতাশা আর মানসিক অস্থিরতার বেড়াজালে জড়িয়ে থাকে। এই বই আপনাকে শেখাবে—কীভাবে সেই জটিলতাকে ছেঁটে ফেলে জীবনকে সহজতর করা যায়। মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে প্রতিটি পদক্ষেপে নিজের সামর্থ্যকে ছাপিয়ে যাওয়া যায়—এই বই তারই গল্প বলে। আমাদের ভেতরে যে অজস্র সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে, আমরা তার অনেকটাই জানি না। এই বইটি সেই অজানা দিকগুলো উন্মোচন করবে। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি পাবেন নতুন আনন্দের উৎস, যা হতাশাকে সরিয়ে আপনাকে আরও দায়িত্বশীল, কর্মক্ষম এবং প্রাণবন্ত করে তুলবে। সম্পর্ক, পরিবার বা কর্মক্ষেত্র—সব জায়গায় আপনি হয়ে উঠবেন আরও প্রিয় এবং প্রশংসিত। আমার এই অনুবাদকর্মের পেছনে মূল উদ্দেশ্যই ছিল—সাধারণ মানুষের কাছে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের এই শক্তি এবং জীবনের সম্ভাবনাগুলো সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া। আমি যখন দ্য পাওয়ার অব সেল্ফ-ডিসিপ্লিন বইটি প্রথমবার পড়ি, তখনই বুঝেছিলাম এই বইটি সবার পড়া দরকার। এই অনুবাদ তারই প্রতিফলন। সম্প্রতি একটি ঘটনা আমার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।আমার এক প্রিয় সহকর্মী হঠাৎ একদিন চাকরি ছেড়ে দিলেন। তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল এবং সবার কাছে আস্থাভাজন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রের একাধিক চাপে তিনি আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি। বিরক্তি, রাগ, হতাশা একত্রে তার মনকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করেছিল যে, একদিন রাগের বশে চাকরি ছাড়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। আমি তাকে বলেছিলাম—ধৈর্য্য ধরুন। মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। বইয়ে শেখা একটি সূত্র নিয়েও তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। প্রথমে তিনি উৎসাহ পেয়েছিলেন। কয়েকদিন ভীষণ ভালোভাবেই নিজেকে সামলে নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়ম-শৃঙ্খলা ধরে রাখা তার পক্ষে কঠিন হয়ে যায়। শেষমেশ চাকরিটা ছেড়ে দিতেই বাধ্য হলেন। অথচ তার সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ! এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি বুঝেছিলাম, মনোসংযম ও আত্ম-নিয়ন্ত্রণ শেখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই বইটি শুধু আপনার জীবন বদলাবে না, এনে দেবে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, নিয়ন্ত্রণ ও সফলতার চাবিকাঠি। এই অনুবাদ গ্রন্থ তাদের জন্য, যারা স্বপ্ন দেখে নিজেকে শৃঙ্খলায় বাঁধার—জীবনকে আরও উজ্জ্বল করার। প্রতিটি শব্দ সেই অনুপ্রেরণার আলোকরেখা হয়ে পাঠকের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাক—এটাই আমার চূড়ান্ত প্রার্থনা। পড়ুন, ভাবুন, আর নিজের শক্তিকে খুঁজে বের করুন!























