রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর
বই কালেকশন

Buy রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর Online in Bangladesh

লেখক: ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী

4.88
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী , মো: সোলেমান সজীব
  • Publisher: অন্বেষা প্রকাশন
  • Isbn: 9789849624325
  • Number Of Pages: 144
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st published 2022
৳ 320৳ 40020% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

রিঅ্যাক্টর কোরের ভেতরে কী ঘটে? কীভাবে একটিমাত্র নিউট্রন দিয়ে শুরু হয়ে বিপুল পরিমাণ তাপশক্তির উৎপাদন শুরু হয়? রিঅ্যাক্টর চালাতে কি ইউরেনিয়াম লাগবেই? প্রকৃতিতে ইউরেনিয়ামের মজুদ ফুরিয়ে এলে কী হবে? পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যবহার করে কি পারমাণবিক অস্ত্র বানানো সম্ভব? ক্রিটিক্যালিটি জিনিসটাই বা কী? বর্তমানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কি আসলেই নিরাপদ? নাকি সবই পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর ছেলে ভুলানো গল্প? কত ধরনের রিঅ্যাক্টর আছে পৃথিবীতে? নিজের ঘরে বসে কি রিঅ্যাক্টর বানানো সম্ভব? ওপরের প্রশ্নগুলো যদি সামান্যতম আপনার কৌতূহল জাগ্রত করে, তাহলে একটুও দেরি না করে পড়া শুরু করে দিন আমাদের বইটি। জেনে নিন রিঅ্যাক্টর ফিজিক্সের আদ্যোপান্ত।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.88
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Shahriar Nafiz
Shahriar Nafiz ভেরিফাইড
11 Oct 2024

ক্লাস টেনে উঠলাম তখন। বাবার কলেজ থেকে পিকনিকে যাওয়ার পথে চোখ জুড়িয়ে দেখে নিলাম রূপপূরের পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। জানতাম ভেতরে বহু জটিল জিনিসপত্র নিয়ে কাজ। কিন্তু তার সত্যিকারের বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে যে কোনো ধারনাই ছিলো না তা জানতে পারলাম রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বইটা পড়ে। নামটা বেশ প্রিমিয়াম লেগেছে। ইশতিয়াক চৌধুরী এবং মোঃ সোলেমান সজীব রচিত পপ সায়েন্সের বই। নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরের এনাটমি বলা যায়। প্রায় পুরোটা বই-ই লেখা হয়েছে 'প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর' এর কার্যপদ্ধতির উপর। অবশ্য শেষের একটা চ্যাপ্টারে হরেক রকমের রিঅ্যাক্টর নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে। মূলত সারা পৃথিবীর দুই-তৃতীয়াংশই হলো প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর। আমি এর আগে কখনো নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর রিলেটেড কোনো বই পড়িনি। এসএসির বইয়ের কয়েক লাইনের যা জ্ঞান। তাই প্রায় সব টার্মই আমার কাছে খুব নতুন। সেজন্য পড়তে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। একটা তথ্যনির্দেশের অভাব বোধ করেছি যেখানে নতুন আর জটিল টার্মগুলো সম্পর্কে হালকা-পাতলা আলোচনা থাকবে। আমি একাডেমিকের প্রেসারে এক টানা পড়তে পারিনি। তাই এই বিষয়ে আমার মতো নতুনদের জন্য পরামর্শ হলো এক/দুই পড়ায় বইটা শেষ করা উচিত। এতে করে নতুন টার্মগুলো আমার মতো গুলিয়ে যাবে না। আবার যারা একটু বেশিই নতুন, তাদের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের বেসিক কিছু বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে বইয়ের একদম শুরুতেই, যেসব জ্ঞান রিঅ্যাক্টরের সায়েন্স বোঝার জন্য অপরিহার্য। তাই, ফিজিক্স ভালো বুঝিনা বলে এই বই পড়তে দ্বিধা করার কোনো কারন নেই। কলেবরে বইটা বিশেষ বড় নয়। কারন একদম বেসিক জিনিসপত্র নিয়েই আলোচনা সীমাবদ্ধ থেকেছে। তবে বই পড়ে যে ব্যাপারটা নিজের মধ্যে অনুভব করেছি তা হলো এই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর নিয়ে জানার আরো আগ্রহ। বইটা যেন লেখাই হয়েছে আগ্রহ তৈরী করার জন্য। অনেক ফ্যাক্ট রয়েছে, যেগুলো শুধুই সংখ্যা ভেবে উড়িয়ে না দিয়ে একটু ভাবতে পারলে অনুভূতিটা দারুণ হবে। লেখার ঢং খুব ফরমাল না। তাই পড়তে বেশ আরাম আছে। রিয়্যাক্টর সায়েন্সের সমীকরণগুলোর তাৎপর্য বোঝানো হয়েছে অতি সহজ ভাষায়। আছে বহু ছবি। অবশ্য ছবিগুলোর আরেকটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা দরকার ছিলো বলে মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে বইয়ের কন্টেন্ট বেশ ভালো। পড়ে একদমই মনে হবে না যে সময় নষ্ট হয়েছে। আরেকটা ব্যাপার সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তা হলো বইয়ের বাধাই, কাগজের মান, প্রিন্টিং। সবই প্রিমিয়াম। টু বি অনেস্ট, প্রচ্ছদটা আমার পছন্দ হয়নি। তবে তাতে বিশেষ কিছু যায় আসে না। আমার জানা মতে শুধুমাত্র নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বিষয়ে এমন মানসম্পন্ন জনপ্রিয় ধারার দেশি বই বাজারে আরেকটা নেই। তাই, এ বিষয়ে সামান্য আগ্রহ থাকলেও পড়তে হবে রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। দুঃখের বিষয়: লেখকের নতুন বই বাজারে চলে এসেছে, বাট পকেট পুরাই ফাকা

Naimul Abrar
Naimul Abrar ভেরিফাইড
20 Jun 2022

১৯৫৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অবনিনস্ক শহরে পৃথিবীর প্রথম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট যাত্রা শুরু করে। তার প্রায় এক দশক আগে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে, জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহর দুটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে দেয়া পারমাণবিক শক্তি আবির্ভূত হলো সম্পূর্ণ নতুন এক রুপে - মানবকল্যাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও একের পর এক পরমাণু অস্ত্রের মহড়ার পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আবিষ্কার হলো নতুন নতুন প্রযুক্তির নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। প্রযুক্তি ও জ্বালানীর সহজলভ্যতার উপর ভিত্তি করে আবিষ্কার হওয়া এসব রিঅ্যাক্টর এর মধ্যে রাশিয়ার RBMK, আমেরিকার PWR, কানাডার CANDU ও ইংল্যান্ডের MAGNOX উল্লেখযোগ্য। ষাটের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই পরমাণু শক্তি। অপেক্ষাকৃত কম জ্বালানি খরচ এবং পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় পরমাণু বিদ্যুতের চাহিদা পৃথিবীতে বেড়েই চলেছে। পরমাণু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শামিল হয়েছে আমাদের বাংলাদেশ ও। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রোসাটম এর তত্ত্বাবধানে পাবনা জেলার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। পাবনার রুপপুরে রাশিয়ান PWR (VVER 1200) প্রযুক্তির দুটি রিঅ্যাক্টর বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে। তাই পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি তথা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট নিয়ে সাধারণ মানুষের স্বচ্ছ ধারণা থাকা এখন সময়ের দাবি। এই বিষয়ে প্রিয় সহকর্মী ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী ও সোলেমান সজীব এর "রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর" একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। কারণ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি ও নিউক্লিয়ার ফিজিক্স নিয়ে ইংরেজি ভাষায় অনেক বই থাকলেও বাংলা ভাষায় তেমন কোন বই দেখা যায় না। সর্বমোট ১২ টি অধ্যায়ে সাজানো বইটিকে মোটাদাগে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। বইয়ের প্রথম চারটি অধ্যায়ে নিউক্লিয়ার ফিজিক্স এর খুবই প্রাথমিক কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 'ফিজিকস ইজ ফান', 'রিএক্টিভিটির খুঁটিনাটি', 'ক্রিটিক্যালিটি এবং সায়েন্স ফিকশনের যত ভুল' অধ্যায়গুলোতে নিউক্লিয়ার ফিজিক্স এর এলিমেন্টারি কিছু টার্ম সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে। পরমাণুর নিউক্লিয়াস, নিউক্লিয়ার ফিশন, চেইন বিক্রিয়া, ইউরেনিয়ামের আইসোটোপ সমূহ, রিএক্টিভিটি, ফোর ফ্যাক্টর ও সিক্স ফ্যাক্টর ফর্মুলা, নিউক্লিয়ার ফুয়েল, কন্ট্রোল রড, ক্রিটিক্যালিটি, প্রম্পট ও ডিলেইড নিউট্রন এসব আলোচনা স্থান পেয়েছে অধ্যায়গুলোতে। নিউক্লিয়ার সায়েন্স ও টেকনোলজি সম্পর্কে যাদের পড়াশোনা আছে তাদের কাছে এই বিষয়গুলো খুব এলিমেন্টারি লেভেল এর মনে হলেও সাধারণ পাঠকদের কথা চিন্তা করে এগুলো যুক্ত করা হয়েছে। 'কেন নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ব্যতিক্রম' অধ্যায়টিতে অন্যান্য কনভেনশনাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট থেকে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট এর পার্থক্য স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছে। ফিশন প্রোডাক্ট থেকে প্রাপ্ত ক্ষয়জনিত তাপশক্তি ও রেডিওএক্টিভিটির উপস্থিতি নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর কে অন্যান্য পাওয়ার প্লান্ট থেকে আলাদা এবং একই সাথে জটিল করে তোলে। 'সার্কিটের সাতকাহন' অধ্যায়টিতে রিঅ্যাক্টরের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সার্কিট এবং সংশ্লিষ্ট রিঅ্যাক্টর এলিমেন্টের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে। রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল, স্টিম জেনারেটর, রিঅ্যাক্টর কুল্যান্ট পাম্প, প্রেসারাইজার, কনটেইনমেন্ট, জেনারেটর ও কুলিং টাওয়ার তথা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের সমস্ত এলিমেন্ট এর গঠন ও কার্যপ্রণালী আলোচনা করা হয়েছে। 'রিঅ্যাক্টর স্টার্টআপ' অধ্যায়টিতে রিয়েক্টর অপারেশনের ধারণা দেয়া হয়েছে। রিঅ্যাক্টর স্টার্টআপ করার প্রাথমিক ধাপ সমূহ যেমন রিঅ্যাক্টরকে নর্মাল অপারেটিং টেম্পারেচার ও প্রেসারে আনা, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সার্কিটের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ এবং কন্ট্রোল রড ওঠানো-নামানো তথা প্রাইমারি সার্কিটের পানিতে বোরণের ঘনমাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে রিঅ্যাক্টরের ক্রিটিক্যালিটি অর্জনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেয়া হয়েছে। 'রিঅ্যাক্টরের পাওয়ার লেভেল' অধ্যায়ে রিঅ্যাক্টর পাওয়ার পরিমাপ করার কনভেনশনাল পদ্ধতিসমূহ এবং তাদের সীমাবদ্ধতা দেখানো হয়েছে। 'রিঅ্যাক্টর স্টাবিলিটি' অধ্যায়ে রিঅ্যাক্টর এর বিভিন্ন কো-এফিশিয়েন্ট যেমন ফুয়েল টেম্পারেচার কো-এফিশিয়েন্ট, মডারেটর টেম্পারেচার কো-এফিশিয়েন্ট এবং ভয়েড কো-এফিশিয়েন্ট সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে। অধ্যায়ের শেষ ভাগে ভয়েড কো-এফিশিয়েন্ট কিভাবে চেরনোবিল দূর্ঘটনায় প্রভাব ফেলেছিল তা আলোচনা করা হয়েছে। 'ইটস অল এবাউট সেফটি' অধ্যায়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং সেফটি কেসের ধারণা দেয়া হয়েছে। এছাড়া রিঅ্যাক্টরের কিছু মৌলিক ইঞ্জিনিয়ারড সেফটি ফিচার আলোচনা করা হয়েছে। ' হরেক রকম রিয়েক্টর' অধ্যায়টিতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিশ্বখ্যাত Springer পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত 'Road to drive a nuclear reactor' বইটির অনুকরণে রচিত এই বইটি বাংলা ভাষায় নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ফিজিক্স ও অপারেশন বিষয়ের এক অসাধারণ সংকলন। নিউক্লিয়ার সাইন্স এর জটিল বিষয়গুলো এত সুন্দর ও সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করার জন্য লেখক সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। বইটির সাবলীল উপস্থাপনা বইটিকে সব ধরনের পাঠকের উপযোগী করে তুলেছে।

Mohammad Borhan Uddin
Mohammad Borhan Uddin ভেরিফাইড
12 Apr 2022

রোড টু ড্রাইভ এ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর || Road To Drive A Nuclear Reactor 😃 রেটিং : ৮/১০(খুব ভালো) নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কী? নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর কী? নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর কীভাবে কাজ করে? নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর কয় ধরনের? নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর বানাতে কী কী যন্ত্রপাতি লাগে? আদৌ নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর বানানো সম্ভব কিনা? এ ধরনের বহু প্রশ্ন আমাদের মাথায় আসে , নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর সম্পর্কে ধাপে ধাপে তথ্য বহুল আলোচনা করা হয়েছে এ বইয়ে। 🔴 ফিজিক্স ইজ ফান : লেখক নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া সম্পর্কে সহজ-সরল ভাষায় ব্যাখা করেছেন। ইউরেনিয়াম-২৩৮ বনাম ইউরেনিয়াম -২৩৫ এবং নিউট্রন মডারেশন এগুলো সম্পর্কেও তথ্যবহুল আলোচনা করেছেন। 🟠 রিঅ্যাক্টিভিটির খুঁটিনাটি : এই অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক রিঅ্যাক্টিভিটিতে জটিল গাণিতিক সমীকরণ এড়িয়ে ,সহজ অল্প কয়েকটা সমীকরণের মাধ্যমে সাবলীল ভাবে নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর সম্পর্কে কৌতুহলী যেকোনো মানুষের বোধগম্য হিসেবে, রিঅ্যাক্টিভিটি সম্পর্কে ব্যাখা করেছেন।বিশেষত। সিক্স ফ্যাক্টর ফর্মুলার কনসেপ্ট ম্যাপটা অসাধারণ। 🟡 ক্রিটিক্যালিটি এবং সায়েন্স ফিকশনের যত ভুল : ক্রিটিক্যালিটি ,সাবক্রিটিক্যালিটি সুপারক্রিটিক্যালিটির আলোচনার মাধ্যমে সায়েন্স ফিকশন এর মিথ ও বাস্তবতার সাথে তুলনা করেছেন। রিয়েক্টরের ভারসাম্য সম্পর্কে , CP-1 এর ইতিহাস, গ্রাফের মাধ্যমে CP - 1 এর ক্রিটিক্যালিটি অর্জনের মুহুর্তে গুলো উল্লেখযোগ্য। 🟢 কেন নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর ব্যাতিক্রম? নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের শক্তির উৎসের সাথে রিয়েক্টরের সক্ষমতার হারের তুলনা, ফিশন প্রোডাক্ট থেকে কোন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সাধারণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমাবদ্ধতা ও পার্থক্য , তেজস্ক্রিয়তার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি এসব বিষয়ে নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। 🔵 সার্কিটের সাতকাহন : এখানে,রিয়েক্টরের বিভিন্ন অংশের সচিত্র ব্যাখা উপস্থাপন করা হয়েছে। যেমন: প্রেসার ভেসেল,স্টিম জেনারেটর ,কুলেন্ট পাম্প,ইম্পেলার,প্রেসারাইজার, প্রাইমারি সার্কিট , সেকেন্ডারি সার্কিট,এক্সাইটর,কুলিং টাওয়ার ইত্যাদি। 🟣 রিয়েক্টর স্টাট আপ: এখানে রিয়েক্টর চালু করার প্রোসেস , যান্ত্রিক ঘটনাবলী , রাসায়নিক বিক্রিয়া এসব প্রোসেস ধাপে ধাপে সচিত্র ব্যাখা করেছেন। 🟡 রিঅ্যাক্টরের পাওয়ার লেভেল: নিউট্রন ফ্লাস্কের সমস্যা , ইউরেনিয়াম-২৩৮ থেকে প্লুটোনিয়াম - ২৩৯ তৈরির প্রোসেস, নাইট্রোজেন ১৬ উৎপাদন এবং নাইট্রোজেন ১৬ এর ক্ষয় , প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সার্কিটের ক্যালরিমিতির ক্যালকুলেশন নিয়ে জটিল গাণিতিক সমীকরণ ছাড়াই আলোচনা করা হয়েছে। 🔴 রিঅ্যাক্টর স্ট্যাবিলিটি : নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের ভারসাম্যতা নিয়েই এখানে বিস্তারিত ভাবে বিভিন্ন গ্রাফের মাধ্যমে আলোচনা করা হয়েছে। এবং চেরনোবিল রিয়েক্টর সম্পর্কেই আলোচনা করেছেন। 🔵 ইটস অল অ্যাবাউট সেফটি: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা , নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের অনুমোদন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 🟢 হরেক রকমের রিঅ্যাক্টর : এ বইয়ে লেখক বিভিন্ন ধরনের রিঅ্যাক্টর ও তাদের সার্কিটের ফাংশান চিত্র সহকারে তথ্য সমৃদ্ধ করেই সহজভাবে আলোচনা করেছেন। 🟡 ক্যান ইউ বিল্ড ইউর ওন রিঅ্যাক্টর : নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরের বানাতে হলে কী কী প্রয়োজন, আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার চুক্তি, নিষেধাজ্ঞা, নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা,আদৌ কেউ চেষ্টা করেছিলো কিনা বা সফল হয়েছিল কিনা সে সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।আর , এ অধ্যায়ের মাধ্যমে রোড টু ড্রাইভ আ নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর বইটির গন্তব্যের সমাপ্তি করেছেন। বইটিতে মুলত যে রিয়েক্টর সম্পর্কে বেশী আলোচনা করা হয়েছে তা হলো রাশিয়ান প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর(VVIR-1200) , যেটা আমাদের রুপপূর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপন করা হবে। বাংলা ভাষায় সহজবোধ্য ভাবে নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর সম্পর্কে লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।😃 🟡 বইটার লেখক সম্পর্কে: ইশতিয়াক চৌধুরী সহকারী ব্যাবস্থাপক , রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান - নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড। মোঃ সোলেমান সজীব সহকারী ব্যাবস্থাপক , রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান - নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড। [মূল : কোলিন টাকার] ১২/০৪/২০২২ - মুহাম্মদ বুরহান উদ্দিন

fatema maria
fatema maria ভেরিফাইড
06 Apr 2022

সহজবোধ্য এবং আগ্রহ উদ্দীপক। খুব ভালো লাগলো।

Mohammad Ibrahim khalil
Mohammad Ibrahim khalil ভেরিফাইড
26 Mar 2022

Excellence

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)