

Buy মুক্তির পথ Online in Bangladesh
লেখক: কর্ণেল রশিদ
- Author: কর্ণেল রশিদ , কর্ণেল ফারুক
- Publisher: বাহার বুক হাউস
- Number Of Pages: 80
- Language: বাংলা
- Edition: 3rd Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আমাদের জনগণের মৌলিক প্রত্যাশাআমরা আন্তরিকভাবে আশা করি যে, এই ক্ষুদ্র পুস্তক থেকে আমাদের অতীত ঐতিহ্য, বর্তমান অচলাবস্থা ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পাঠকবৃন্দ সংক্ষিপ্ত হলেও তীক্ষা ব্যখ্যা সম্বলিত বহু তথ্য লাভ করবেন। আমরা এটাও আশা করি যে, এই বইয়ের প্রতিপাদ্য দিক-নির্দেশ থেকে আমাদের জনগণ জাতি হিসেবে একটি পরিস্কার লক্ষা-বোধ নির্নয় করতেপারবে-যার মাধ্যমে তারা পৌছুতে পারবে তাদের মঞ্জিল মুকসুদে।ভূমিকাতে বলা হয়েছেে যে, আমাদের এই সামান্য প্রয়াসের অর্থ কেবল বুদ্ধি-বৃত্তিক ও রাজনৈতিক চর্চা নয়। এর মধ্য দিয়ে আরও কিছু প্রতিভাত ও প্রস্ফুটিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এর লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের জনগণের অতীতের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য পূনরুজ্জীবিত করা।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

====== বইয়ের কাহিনী/সার-সংক্ষেপ ====== কথায় বলে সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা আমাদেরই এই বাংলাদেশ। এই দেশের প্রকৃতির রূপ-লাবণ্য শুধু এই দেশের মানুষকেই নয় বরং শত শত বছর ধরে এই দেশে আগত ভিনদেশী শাসক-সম্রাট, রাজা-বাদশাহ, চাকুরে-ব্যবসায়ী, ধর্ম প্রচারক, পর্যটক ও বীর সেনানীসহ সবাইকে আকৃষ্ট ও বিমোহিত করেছে। কেউ কেউ তো এদেশেই স্থায়ীভাবে থিতু হয়েছেন; বনে গেছেন পুরোপুরি বাংলাদেশি। আর ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, এদেশ ধন-সম্পদে ছিলো সারা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সেরা! কিন্তু এত প্রাচুর্য থাকার পরেও এদেশের মানুষের ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। যুগে যুগে মীর জাফরের দল এদেশের মানুষের শুধু স্বাধীনতাই হরণ করেনি; লুট করেছে তাদের কষ্টার্জিত সম্পদ ও সম্মান এবং যার ফলে পুরো জাতিকে বছরের পর বছর বেছে নিতে হয়েছে গোলামীর জীবন। ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৯ ও ১৯৭১ এর পরেও সেই ধারা অব্যাহত রয়ে গেছে। যার ফলে তৈরি হয়েছিলো ১৯৭৫। কিন্তু তবুও কী এই জাতি বহুল কাঙ্খিত মুক্তি পেয়েছে? তবে এখন সময় হয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেই কাঙ্খিত মুক্তির পথ তৈরির; যার দায়িত্ব আপনার আমার সবার হাতেই ন্যস্ত। “আমাদের এই মর্মে শিক্ষা দেয়া হয় যে, আমাদের জাতিসত্তার উৎস হচ্ছে, অত্যন্ত নিম্ন শ্রেণী থেকে। আমরা গরীব। আমাদের বংশ ছিল অশিক্ষিত এবং আমরা সবকিছুতেই অদক্ষ। অত্যন্ত লজ্জাস্কর হলেও সত্য যে, এইসব জঘন্য মিথ্যাচার যখন উপর্যুপরি চালানো হচ্ছিল, তখন এক শ্রেণীর তথাকথিত রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবিসহ সমাজের স্বার্থলোলুপ একটি চক্র ঐসব মিথ্যাকে প্রকৃত সত্য বলে গ্রহণ এবং প্রচার করতেও কসুর করেনি। আসলে এদের অভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল আমাদেরকে চিরস্থায়ীভাবে গোলাম করে রাখা।” ====== পাঠ প্রতিক্রিয়া ====== শাসক আসে শাসক যায় কিন্তু এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। মাত্র ৯৪ পৃষ্ঠার এই বইটিতে বাংলার মানুষের সেই অসহায়ত্বটুকুই লেখকদ্বয় তুলে ধরেছেন। আমি বইটিকে প্রথমে স্বাধীনতা ও তৎপরবর্তী উত্তাল সময়ের ইতিহাসের বই মনে করে ক্রয় করলেও মূলত এটা ঠিক ইতিহাসের বই না। বরং বইটিকে বলা যেতে পারে এদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে প্রত্যক্ষ অংগ্রহণকারীর পক্ষ হতে পরবর্তী শাসক শ্রেণীর জন্য একপ্রকার গাইডলাইন ও পরামর্শ। যাতে এই দেশটি একটি শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে এবং এদেশের জনগণ যেন মাথা উঁচু ও গর্ব করে বলতে পারে হ্যাঁ, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি! কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নির্মম! ১৯৭৫ সালের পরেও কী এদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে? একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ১৯৮১ সালে। কত সরকার আসলো-গেল কিন্তু এদেশের জনগণের ভাগ্য ঠিক আগের মতোই রয়ে গেল। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে পড়ে না। এখনো অসহায় লোকজন কমদামী শ্রমিক বেশেই মধ্যপ্রাচ্যে ভাগ্য পরিবর্তনের নেশায় ছুটে যায়। কিন্তু সেই কাঙ্খিত পরিবর্তন আর হয় না। সর্বশেষ ২০২৪ সালে এসেও সব ঢেলে সাজানোর সুযোগ আসে। কিন্তু তার কতটুকুই বা বাস্তবায়ন হয়েছে? যাই হোক আগ্রহী পাঠকগণ বইটি পড়তে পারেন। আশা করি ভালো লাগবে। প্রোডাকশনঃ আমার বইটি ফটোকপি ভার্সন ছিলো সম্ভবত এবং কোন প্রকাশনীর নামও লেখা দেখলাম না। তাই প্রোডাকশন কোয়ালিটি নিয়ে মন্তব্য করতে পারছি না। তবে প্রচুর বানান ভুল ছিলো যেটা বেশ বিরক্ত লেগেছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭/১০।
❤️

বাংলার পূর্বের ইতিহাস নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে























