

Buy মনে পড়ে Online in Bangladesh
লেখক: ফেরদৌসী মজুমদার
- Author: ফেরদৌসী মজুমদার
- Publisher: সাহিত্য প্রকাশ
- Isbn: 9847012403426
- Number Of Pages: 136
- Language: বাংলা
- Edition: 5th Print, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
সেকালের পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা অথচ আচার-আচরণ একান্তই আটপৌরে পিতা আবদুল হালিম চৌধুরী এবং সাধারণ অথচ ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্বসম্পন্না স্নেহশীলা মাতা আফিয়া বেগমের চৌদ্দ ছেলেমেয়ের একজন ফেরদৌসী মজুমদার। পিতামাতার সততাপূর্ণ ন্যায়নিষ্ঠ মানবিক জীবনসাধনা একান্ত সহজিয়াভাবে এই পরিবারের মধ্যে এমন এক হার্দিক প্রাণশক্তি নিয়ে বিকশিত হয়েছিল যে ভাইবোনদের বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের সমাজজীবনে তাঁদের অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ, যেমন শহীদ মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক কবীর চৌধুরী অথবা ফেরদৌসী মজুমদার স্বয়ং স্পর্শ করেছেন কৃতি ও খ্যাতির শীর্ষ। আত্মজীবনী রচনার বড় মাপের আয়োজন নিয়ে নয়, আপন জীবন ও শিল্পীসত্তার প্রতিফলন ঘটানোর আগ্রহ থেকে নয়, নিছকই ফেলে আসা জীবনের হাসি-আনন দুঃখ-বেদনার নিবিড় পরিচয় তুলে ধরার তাগিদ থেকে ফেরদৌসী মজুমদার বলেছেন তাঁর পরিবারের মানুষজন বাবা-মা ও ভাইনবোনদের কথা, সকলে মিলে এক ছাদের নিচে জীবনের আনন্দগান গাইবার কথা। কিন্তু এক আশ্চর্য যাদুকাঠির ছোঁয়ায় এইসব সামান্য কথা হয়ে উঠেছে অসামান্য কথকতা, আটপৌরে অন্তরঙ্গ স্মৃতিকথা আমাদের হৃদয়কে যেমন আপ্লুত করে, রসবোধে উজ্জীবীত করে, তেমনি বাংলার পারিবারিক জীবনের এমন এক শক্তিময়তার পরিচয় তুলে ধরে যা বিকশিত হয়ে বাংলা জীবনকেই যুগিয়েছিল সমৃদ্ধি, কখনো বড়মাপের সামাজিক পরিসরে, কখনো-বা একান্ত ঘরোয়া পরিমণ্ডলে। সেই অসাধারণ পারিবারিক কথকতা কী সাধারণভাবেই-না বলে গেছেন ফেরদৌসী মজুমদার, উপহার দিয়েছেন এমন এক গ্রন্থ যা পরমভাবে সুখপাঠ্য, নিবিড়ভাবে উপভোগ্য এবং সেইসঙ্গে গভীরতর জীবনোপলব্ধির প্রকাশক।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
আত্মজীবনী পড়তে আমার কখনই খারাপ লাগে না। আর তাই বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ফেরদৌসী মজুমদারের জীবনের গল্প বেশ উপভোগ করেছি। সেই ছোটবেলা থেকে টেলিভিশনের পর্দায় দেখে আসছি ফেরদৌসী মজুমদারকে। কি গুণী শিল্পীই না ছিলেন! তাঁকে দেখে সবসময়ই মুগ্ধ হতাম। মুগ্ধ হতাম তাঁর পরিবারকে দেখেও। হুম, স্বামী রামেন্দ্র মজুমদার আর মেয়ে ত্রপা মজুমদারের কথা বলছি। ফেরদৌসী মজুমদারের এই পরিবার সম্পর্কে জানা থাকলেও, চৌদ্দ ভাইবোনের মাঝে তাঁর বেড়ে ওঠার কাহিনী একদমই জানা ছিল না। আরও জানা ছিল না যে তাঁর সেই ভাইদের মাঝে ছিলেন কবীর চৌধুরী এবং মুনীর চৌধুরী! ফেরদৌসী মজুমদারের বাবা ছিলেন ডিসট্রিক্ট মাজিস্ট্রেট। পড়ালেখার ব্যাপারে সবসময়ই খুব আগ্রহ ছিল তাঁর। আর তাই চেষ্টা করেছেন নিজের সন্তানদেরও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে। এ বিষয়ে অবশ্য ফেরদৌসী মজুমদারের মা-ও তাঁর পাশে থেকে নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করে গিয়েছেন। আশ্চর্যের বিষয় হল, ভীষণ ধর্মভীরু হওয়া সত্ত্বেও তাঁর বাবা সেই আমলে রামেন্দ্র মজুমদারের সাথে তাঁর বিয়ের ব্যাপারে খুব বেশি রকম আপত্তি তিনি করেননি! অল্প কয়েক পাতার সুন্দর একটা বই। নেট ঘাঁটতে গিয়ে হঠাৎ এরকম ভালো কিছু হাতে পেয়ে গেলে বেশ আনন্দ হয়। আর ফেরদৌসী মজুমদার খুব চমৎকার লিখেছেন বলতেই হয়। খুবই সাবলীল ভাষা। সাথে আবার জুড়ে দিয়েছেন বাবা-মা-ভাই-বোন-স্বামী-মেয়ে-সবার ছবি। ভালো লেগেছে তাঁদের পুরনো ছবিগুলো দেখে। :























